সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি : বাপ্পারাজ

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তিতুল্য অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক। এমনকি বিগত সময় কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেছিলেন আরেক খ্যাতিমান অভিনেত্রী আনোয়ারা বেগম। এবার তাদের দুই সন্তান, অর্থাৎ পরবর্তী প্রজন্ম লড়বেন বাবা-মায়ের দেখানো পথে।

 

 

 

আসন্ন শিল্পী সমিতির নির্বাচনে চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ সভাপতি পদে এবং একই প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হবেন চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি। বাপ্পা ও মুক্তির নেতৃত্বে একটি প্যানেল হচ্ছে বলে তারা দুজনে নিশ্চিত করেন। সভাপতি পদে প্রার্থী হবেন বলে নিশ্চিত করেন বাপ্পারাজ। তিনি বলেন, ‘চেয়েছিলাম বাবার কবর জিয়ারত করে সুখবরটি প্রকাশ্যে আনবো। তার আগেই গণমাধ্যমে চলে এসেছে। তবে একদিক দিয়ে ভালোই হয়েছে।

 

 

 

কারণ, সভাপতি পদে প্রার্থী হওয়ার খবরে অনেক শিল্পীই ফোন করে এবং টেক্সট করে শুভকামনা জানিয়েছেন। অনেকেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। খবরটি জেনে তারা ভীষণ খুশি বলে জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দেখলাম সবাই আমাদের ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন। শিল্পীরা চান আমি যেন শিল্পী সমিতির হাল ধরি। শিল্পীদের চাওয়াকে গুরুত্ব দিয়েই দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে এবার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

‘প্রেমের সমাধি’ খ্যাত এই নায়ক আরও বলেন, ‘আমার বাবা শিল্পী সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন। বিগত সময় আমিও কমিটিতে ছিলাম। আনুদিও (আনোয়ারা বেগম) বিগত সময় কমিটিতে ছিলেন। এরই মধ্যে মুক্তিও দায়িত্ব পালন করেছেন। আমরা পরবর্তী প্রজন্ম নতুন মেয়াদের নেতৃত্বে শিল্পীদের জন্য কাজ করতে চাই।

এরই মধ্যে আমরা বেশকিছু পরিকল্পনা করেছি, শিল্পীরা সুযোগ দিলে তাদের কল্যাণে তা বাস্তবায়ন করব। আশা করছি, সম্মানিত শিল্পীরা আমাদের তাদের ভালোবাসায় রাখবেন এবং কাজের সুযোগ করে দেবেন। সেইসঙ্গে আমার ভক্ত এবং দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসা চাই।’

বাপ্পা ও মুক্তি জানিয়েছেন যে, তারা সমিতির সদস্যদের অধিকার রক্ষা এবং চলচ্চিত্রের উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই নির্বাচনে অংশ নিতে চান। তাদের প্যানেলে রয়েছেন নবীন-প্রবীণ তারকা শিল্পীরা।

 

 

 

গত ২৪ এপ্রিল শেষ হয়েছে মিশা সওদাগর ও মনোয়ার হোসেন ডিপজল কার্যনির্বাহী পরিষদের ২০২৪-২৬ মেয়াদ। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন অর্থাৎ ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বাপ্পা ও মুক্তি ছাড়া আরেকটি প্যানেল হওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। শিগগির চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির তফসিল ঘোষণা হবে বলে জানা গেছে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি : বাপ্পারাজ

আপডেট টাইম : ০৫:৫৫:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তিতুল্য অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক। এমনকি বিগত সময় কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেছিলেন আরেক খ্যাতিমান অভিনেত্রী আনোয়ারা বেগম। এবার তাদের দুই সন্তান, অর্থাৎ পরবর্তী প্রজন্ম লড়বেন বাবা-মায়ের দেখানো পথে।

 

 

 

আসন্ন শিল্পী সমিতির নির্বাচনে চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ সভাপতি পদে এবং একই প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হবেন চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি। বাপ্পা ও মুক্তির নেতৃত্বে একটি প্যানেল হচ্ছে বলে তারা দুজনে নিশ্চিত করেন। সভাপতি পদে প্রার্থী হবেন বলে নিশ্চিত করেন বাপ্পারাজ। তিনি বলেন, ‘চেয়েছিলাম বাবার কবর জিয়ারত করে সুখবরটি প্রকাশ্যে আনবো। তার আগেই গণমাধ্যমে চলে এসেছে। তবে একদিক দিয়ে ভালোই হয়েছে।

 

 

 

কারণ, সভাপতি পদে প্রার্থী হওয়ার খবরে অনেক শিল্পীই ফোন করে এবং টেক্সট করে শুভকামনা জানিয়েছেন। অনেকেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। খবরটি জেনে তারা ভীষণ খুশি বলে জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দেখলাম সবাই আমাদের ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন। শিল্পীরা চান আমি যেন শিল্পী সমিতির হাল ধরি। শিল্পীদের চাওয়াকে গুরুত্ব দিয়েই দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে এবার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

‘প্রেমের সমাধি’ খ্যাত এই নায়ক আরও বলেন, ‘আমার বাবা শিল্পী সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন। বিগত সময় আমিও কমিটিতে ছিলাম। আনুদিও (আনোয়ারা বেগম) বিগত সময় কমিটিতে ছিলেন। এরই মধ্যে মুক্তিও দায়িত্ব পালন করেছেন। আমরা পরবর্তী প্রজন্ম নতুন মেয়াদের নেতৃত্বে শিল্পীদের জন্য কাজ করতে চাই।

এরই মধ্যে আমরা বেশকিছু পরিকল্পনা করেছি, শিল্পীরা সুযোগ দিলে তাদের কল্যাণে তা বাস্তবায়ন করব। আশা করছি, সম্মানিত শিল্পীরা আমাদের তাদের ভালোবাসায় রাখবেন এবং কাজের সুযোগ করে দেবেন। সেইসঙ্গে আমার ভক্ত এবং দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসা চাই।’

বাপ্পা ও মুক্তি জানিয়েছেন যে, তারা সমিতির সদস্যদের অধিকার রক্ষা এবং চলচ্চিত্রের উন্নয়নের লক্ষ্যেই এই নির্বাচনে অংশ নিতে চান। তাদের প্যানেলে রয়েছেন নবীন-প্রবীণ তারকা শিল্পীরা।

 

 

 

গত ২৪ এপ্রিল শেষ হয়েছে মিশা সওদাগর ও মনোয়ার হোসেন ডিপজল কার্যনির্বাহী পরিষদের ২০২৪-২৬ মেয়াদ। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন অর্থাৎ ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বাপ্পা ও মুক্তি ছাড়া আরেকটি প্যানেল হওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। শিগগির চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির তফসিল ঘোষণা হবে বলে জানা গেছে।