নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ ও সুবর্ণচর উপজেলায় পৃথক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মোট ২৮টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
প্রথম ঘটনাটি ঘটে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে। বুধবার ভোর আনুমানিক ৫টা ২০ মিনিটে হাসপাতাল গেট সংলগ্ন পপুলার হাসপাতালের পাশে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং অন্তত ৪টি দোকান পুড়ে যায়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় ও ফায়ার সার্ভিসের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
অন্যদিকে, সুবর্ণচর উপজেলার ভূঁইয়ারহাট দক্ষিণ বাজারে মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় দ্রুত তা আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ফলের দোকান, মুদি দোকান, কোল্ড কর্নার, ওষুধের দোকান ও ভাঙারি দোকানসহ মোট ২৪টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সুবর্ণচর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রুবেল মিয়া জানান, এ ঘটনায় ২০ জন মালিকের ২৪টি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, তাদের কয়েক কোটি টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। এতে অনেকেই তাদের জীবিকার একমাত্র অবলম্বন হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
তবে দুই ঘটনারই ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ তদন্ত শেষে জানা যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

মো. ইসমাইল হোসেন নোয়াখালী ব্যুরো প্রধান। জনতার কণ্ঠ.কম 



















