ঐতিহাসিক নোয়াখালী মুক্ত দিবস আজ ৭ই ডিসেম্বর ২০২৫ গর্ব ও শ্রদ্ধার সঙ্গে উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বীর শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বর্ণাঢ্য র্যালি এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সকাল থেকেই জেলার বিভিন্ন প্রান্তে স্বাধীনতার চেতনায় ছিল এক উৎসবমুখর পরিবেশ।
কার্যক্রমের শুরুতে নোয়াখালী জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে শহীদ স্মৃতি ফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জনাব আবু তৈয়ব মোঃ আরিফ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), নোয়াখালী। তিনি শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন—মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ধারণ করে তরুণ প্রজন্মকে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর বর্ণাঢ্য র্যালি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা জাতীয় পতাকা, ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে স্বাধীনতার চেতনা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে নানা শ্লোগান দেন।
পরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা নোয়াখালী মুক্ত দিবসের তাৎপর্য, মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস এবং স্বাধীনতার জন্য বীর শহীদদের ত্যাগের গল্প তুলে ধরেন। তারা বলেন—এই দিনটি শুধু নোয়াখালীর নয়, পুরো জাতির জন্য গর্বের প্রতীক।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ লিয়াকত আকবর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), নোয়াখালী। এছাড়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবারের সদস্য, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
দিবসটি উপলক্ষে নোয়াখালী জুড়ে ছিল শ্রদ্ধা, দেশপ্রেম ও কৃতজ্ঞতার আবহ—যা স্মরণ করিয়ে দেয় স্বাধীনতার জন্য আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের অমর অবদান।

মো. ইসমাইল হোসেন নোয়াখালী ব্যুরো প্রধান। জনতার কণ্ঠ.কম 



















