সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত

পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭তম বার্ষিকীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করে যথাযথ বিচার নিশ্চিত করা হবে।

 

 

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বনানী সামরিক কবরস্থানে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

 

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আজ আমরা রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ‘শহীদ সেনা দিবস’ পালন করছি। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন, উপস্থিত হয়েছেন শহীদ পরিবারের স্বজনরা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যারা জীবন দিয়েছেন, তারা চিরভাস্বর। পিলখানা হত্যাকাণ্ড শুধু বাংলাদেশের ইতিহাসে নয়, বরং বিশ্বের অন্যতম নৃশংসতম একটি ঘটনা।

 

তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল্য উদ্দেশ্য কি ছিল, তা জানার জন্য তৎকালীন সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করলেও, তার ফলাফল আজও প্রকাশিত হয়নি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জাতীয় কমিশন গঠন করা হয়, যার রিপোর্ট আমাদের সামনে এসেছে। তবে সে রিপোর্ট বাস্তবায়নে সে সরকার তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা নতুন করে কোনো তদন্ত কমিশন গঠন করব না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যথোপযুক্ত লোক দিয়েই তদন্ত কমিশন গঠন করেছিল। কমিশনের রিপোর্টে যে সুপারিশগুলো এসেছে, বিচারাধীন যে মামলাগুলো আছে, এই জুডিশিয়াল প্রসেসগুলো সমাপ্ত করা হবে। অন্য সুপারিশগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।

 

তিনি আরও বলেন, শহীদদের পরিবারকে বলতে চাই, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার করা হবে, যেন এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে আর না ঘটে। এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার একটা চেষ্টা ছিল। এ কাজটা তারাই করতে পারে, যারা দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১২:১৪:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭তম বার্ষিকীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করে যথাযথ বিচার নিশ্চিত করা হবে।

 

 

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বনানী সামরিক কবরস্থানে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

 

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আজ আমরা রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ‘শহীদ সেনা দিবস’ পালন করছি। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন, উপস্থিত হয়েছেন শহীদ পরিবারের স্বজনরা। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যারা জীবন দিয়েছেন, তারা চিরভাস্বর। পিলখানা হত্যাকাণ্ড শুধু বাংলাদেশের ইতিহাসে নয়, বরং বিশ্বের অন্যতম নৃশংসতম একটি ঘটনা।

 

তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল্য উদ্দেশ্য কি ছিল, তা জানার জন্য তৎকালীন সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করলেও, তার ফলাফল আজও প্রকাশিত হয়নি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জাতীয় কমিশন গঠন করা হয়, যার রিপোর্ট আমাদের সামনে এসেছে। তবে সে রিপোর্ট বাস্তবায়নে সে সরকার তেমন কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা নতুন করে কোনো তদন্ত কমিশন গঠন করব না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যথোপযুক্ত লোক দিয়েই তদন্ত কমিশন গঠন করেছিল। কমিশনের রিপোর্টে যে সুপারিশগুলো এসেছে, বিচারাধীন যে মামলাগুলো আছে, এই জুডিশিয়াল প্রসেসগুলো সমাপ্ত করা হবে। অন্য সুপারিশগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে।

 

তিনি আরও বলেন, শহীদদের পরিবারকে বলতে চাই, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার করা হবে, যেন এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে আর না ঘটে। এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার একটা চেষ্টা ছিল। এ কাজটা তারাই করতে পারে, যারা দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না।