নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার গনিপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোর চক্রের দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১১ (র্যাব-১১), সিপিসি-৩, নোয়াখালী। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে দুইটি চোরাই মোবাইল ফোন ও দুইটি সিম উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানায়, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন ও অপরাধীদের গ্রেপ্তারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জঙ্গিবাদ, মাদক, অস্ত্র, ছিনতাই ও চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে র্যাব-১১ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখ রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে র্যাব-১১, সিপিসি-৩ এর একটি আভিযানিক দল নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানাধীন গনিপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় চৌমুহনী রেলগেট সংলগ্ন গনিপুর রোডের ফাহিম ফুট এজেন্সির সামনে থেকে মোঃ জোবায়ের হোসেন ওরফে জুয়েল (২২) এবং সাখাওয়াত হোসেন তুহিন (২১)-কে আটক করা হয়।

তাদের কাছ থেকে একটি নীল রঙের Lenovo K12 মডেলের স্মার্টফোন, একটি ছাই রঙের Symphony ব্র্যান্ডের স্মার্টফোন এবং দুইটি সিম উদ্ধার করা হয়।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, জিজ্ঞাসাবাদের সময় আনোয়ার হোসেন (৪৫) নামের এক ব্যক্তি উদ্ধার হওয়া Lenovo K12 মডেলের মোবাইল ও সিম তার চুরি হওয়া সম্পত্তি বলে শনাক্ত করেন। জানা যায়, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ বিকেল সাড়ে চারটার দিকে চৌমুহনী বাজারের কলেজ রোডস্থ অটোরিকশা স্ট্যান্ড এলাকায় তার ছেলে আশরাফুল ইসলাম (১৭)-এর পকেট থেকে কৌশলে মোবাইলটি চুরি করা হয়। মোবাইলটির আনুমানিক মূল্য ২০ হাজার টাকা।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী আনোয়ার হোসেন বেগমগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করলে একটি নিয়মিত মামলা রুজু হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা চৌমুহনী ও মাইজদী এলাকায় সক্রিয় চুরি ও ছিনতাই চক্রের সদস্য বলে জানা গেছে।
উদ্ধারকৃত আলামতসহ গ্রেপ্তারকৃতদের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বেগমগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, অস্ত্র ও মাদকবিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে জানিয়েছে র্যাব।

মো. ইসমাইল হোসেন নোয়াখালী ব্যুরো প্রধান। জনতার কণ্ঠ.কম 



















