সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

মাথা গোঁজার ঠাঁই চায় অসহায় জহুরা

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার মনোহরা জুংলীপাড়া গ্রামের স্বামীহারা অসহায় বিধবা জহুরা (৬৫)’র রাত কাটে তার একটি ভাংগা ঝুপড়ি ঘরে। ঝড়-বৃষ্টি এলেই আশ্রয় নিতে হয় অন্যের ঘরের বারান্দায়। চাল নেই, চুলা নেই। প্রতিদিন তিন বেলা খাবার জোটেনা তার। অন্যের দ্বারে হাত পেতে কোনমতে খেয়ে, না খেয়ে চলে জীবন।

 

 

তিনি জানান, স্বামীর মৃত্যুর পর প্যারালাইসিস হয়ে তার বাম হাত ও বাম পা অবশ হয়ে গেছে। পাচ্ছে না কোন চিকিৎসা সেবা। একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে তার। বিয়ের পর স্বামী-সন্তান নিয়ে কোন রকম তার সংসার চলে। আমাকে দেখার মতো কেউ নেই। নিরাপদে ঘুমানো ও বেঁচে থাকার জন্য আমার একটি ঘরের দরকার। সরকার অথবা কোন সুহৃদয় ব্যক্তি আমাকে একটি ঘর দিলে রাতে বেলায় শান্তিতে ঘুমাতে পারতাম। এমন আকুতি নিয়ে কথাগুলো বলছিলেন অসহায় বিধবা জহুরা

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

মাথা গোঁজার ঠাঁই চায় অসহায় জহুরা

আপডেট টাইম : ০৬:৩৭:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার মনোহরা জুংলীপাড়া গ্রামের স্বামীহারা অসহায় বিধবা জহুরা (৬৫)’র রাত কাটে তার একটি ভাংগা ঝুপড়ি ঘরে। ঝড়-বৃষ্টি এলেই আশ্রয় নিতে হয় অন্যের ঘরের বারান্দায়। চাল নেই, চুলা নেই। প্রতিদিন তিন বেলা খাবার জোটেনা তার। অন্যের দ্বারে হাত পেতে কোনমতে খেয়ে, না খেয়ে চলে জীবন।

 

 

তিনি জানান, স্বামীর মৃত্যুর পর প্যারালাইসিস হয়ে তার বাম হাত ও বাম পা অবশ হয়ে গেছে। পাচ্ছে না কোন চিকিৎসা সেবা। একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে তার। বিয়ের পর স্বামী-সন্তান নিয়ে কোন রকম তার সংসার চলে। আমাকে দেখার মতো কেউ নেই। নিরাপদে ঘুমানো ও বেঁচে থাকার জন্য আমার একটি ঘরের দরকার। সরকার অথবা কোন সুহৃদয় ব্যক্তি আমাকে একটি ঘর দিলে রাতে বেলায় শান্তিতে ঘুমাতে পারতাম। এমন আকুতি নিয়ে কথাগুলো বলছিলেন অসহায় বিধবা জহুরা