সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

মালয়েশিয়ায় অভিবাসীদের জন্য আসছে সুখবর

ছবি : সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় বসবাসরত অনিবন্ধিত অভিবাসী কর্মীদের জন্য দেশে ফেরার সুযোগ আরও বাড়িয়েছে দেশটির সরকার। ‘মাইগ্রেন্ট রিপ্যাট্রিয়েশন প্রোগ্রাম ২.০’-এর মেয়াদ আরও এক বছর বাড়িয়ে ৩১ মে ২০২৭ পর্যন্ত করা হয়েছে।

 

 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দেশটির অভিবাসন বিভাগের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে ২০২৫ সালের ১৯ মে থেকে ৫০০ রিঙ্গিত জরিমানা দিয়ে অনিবন্ধিত কর্মীদের নিজ নিজ দেশে ফেরার সুযোগ চালু করা হয়।

 

 

ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া বিন শাবান জানান, কর্মসূচিটি ব্যাপক সফল হয়েছে। ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত ১১২টি দেশের মোট ২ লাখ ৫৪ হাজার ১৮৬ জন অভিবাসী জরিমানা দিয়ে নিজ নিজ দেশে ফিরে গেছেন। এতে সরকারের আয় হয়েছে প্রায় ১২৭ মিলিয়ন রিঙ্গিত।

ঘোষণা অনুযায়ী, এই কর্মসূচির আওতায় অনিবন্ধিত অভিবাসীরা কোনো ধরনের বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি না হয়ে নির্দিষ্ট শর্তে দেশে ফেরার সুযোগ পাবেন। বৈধ পাস বা পারমিট ছাড়া অবস্থান এবং ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার মতো অপরাধে ৫০০ রিঙ্গিত জরিমানা দিতে হবে। এছাড়া পাসের শর্ত ভঙ্গের জন্য ৩০০ রিঙ্গিত জরিমানা এবং ২০ রিঙ্গিত ফি দিয়ে স্পেশাল পাস সংগ্রহ করে দেশে ফেরা যাবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত ফেরত যাওয়া অভিবাসীদের মধ্যে বাংলাদেশের ১ লাখের বেশি কর্মী রয়েছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মী ২০২৩-২৪ সালে কলিং ভিসায় এসে কোম্পানির ত্রুটির কারণে অনিবন্ধিত হয়ে পড়েন। অনেক প্রতিষ্ঠান সঠিক কাগজপত্র ও কাজের প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ব্ল্যাকলিস্টে পড়ে, যার প্রভাব পড়ে কর্মীদের ওপর।

 

তবে কর্মসূচির মেয়াদ বাড়ানোয় অনেক অনিবন্ধিত বাংলাদেশি হতাশ হয়েছেন। তারা বৈধতা পাওয়ার আশায় এখনও মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন এবং ইমিগ্রেশনের নজর এড়াতে অনেকে গোপনে জীবনযাপন করছেন।

 

 

অন্যদিকে, বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা ভ্রমণ ভিসায় এসে নির্ধারিত সময় শেষে দেশে না ফিরে অনিবন্ধিতভাবে কাজ করছেন বলে জানা গেছে। বাংলাদেশি নাগরিকদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় নতুন করে ভ্রমণ ভিসা পেতে এখন কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের মুখে পড়তে হচ্ছে প্রকৃত ভ্রমণকারীদের।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

মালয়েশিয়ায় অভিবাসীদের জন্য আসছে সুখবর

আপডেট টাইম : ০৮:১৮:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

মালয়েশিয়ায় বসবাসরত অনিবন্ধিত অভিবাসী কর্মীদের জন্য দেশে ফেরার সুযোগ আরও বাড়িয়েছে দেশটির সরকার। ‘মাইগ্রেন্ট রিপ্যাট্রিয়েশন প্রোগ্রাম ২.০’-এর মেয়াদ আরও এক বছর বাড়িয়ে ৩১ মে ২০২৭ পর্যন্ত করা হয়েছে।

 

 

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দেশটির অভিবাসন বিভাগের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে ২০২৫ সালের ১৯ মে থেকে ৫০০ রিঙ্গিত জরিমানা দিয়ে অনিবন্ধিত কর্মীদের নিজ নিজ দেশে ফেরার সুযোগ চালু করা হয়।

 

 

ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া বিন শাবান জানান, কর্মসূচিটি ব্যাপক সফল হয়েছে। ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত ১১২টি দেশের মোট ২ লাখ ৫৪ হাজার ১৮৬ জন অভিবাসী জরিমানা দিয়ে নিজ নিজ দেশে ফিরে গেছেন। এতে সরকারের আয় হয়েছে প্রায় ১২৭ মিলিয়ন রিঙ্গিত।

ঘোষণা অনুযায়ী, এই কর্মসূচির আওতায় অনিবন্ধিত অভিবাসীরা কোনো ধরনের বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি না হয়ে নির্দিষ্ট শর্তে দেশে ফেরার সুযোগ পাবেন। বৈধ পাস বা পারমিট ছাড়া অবস্থান এবং ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার মতো অপরাধে ৫০০ রিঙ্গিত জরিমানা দিতে হবে। এছাড়া পাসের শর্ত ভঙ্গের জন্য ৩০০ রিঙ্গিত জরিমানা এবং ২০ রিঙ্গিত ফি দিয়ে স্পেশাল পাস সংগ্রহ করে দেশে ফেরা যাবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত ফেরত যাওয়া অভিবাসীদের মধ্যে বাংলাদেশের ১ লাখের বেশি কর্মী রয়েছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মী ২০২৩-২৪ সালে কলিং ভিসায় এসে কোম্পানির ত্রুটির কারণে অনিবন্ধিত হয়ে পড়েন। অনেক প্রতিষ্ঠান সঠিক কাগজপত্র ও কাজের প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ব্ল্যাকলিস্টে পড়ে, যার প্রভাব পড়ে কর্মীদের ওপর।

 

তবে কর্মসূচির মেয়াদ বাড়ানোয় অনেক অনিবন্ধিত বাংলাদেশি হতাশ হয়েছেন। তারা বৈধতা পাওয়ার আশায় এখনও মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন এবং ইমিগ্রেশনের নজর এড়াতে অনেকে গোপনে জীবনযাপন করছেন।

 

 

অন্যদিকে, বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা ভ্রমণ ভিসায় এসে নির্ধারিত সময় শেষে দেশে না ফিরে অনিবন্ধিতভাবে কাজ করছেন বলে জানা গেছে। বাংলাদেশি নাগরিকদের সংখ্যা বেশি হওয়ায় নতুন করে ভ্রমণ ভিসা পেতে এখন কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের মুখে পড়তে হচ্ছে প্রকৃত ভ্রমণকারীদের।