সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

রূপকথার শেষ রাতে ড্রোনের আলোয় ‘গ্রাসিয়াস, লিও’

ছবি : এক্স

আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষবারের মতো মাঠে নেমে জাদুকরী এক বিদায় পেলেন লিওনেল মেসি। বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ের ম্যাচে একটি গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করে দলকে জেতানোর পর আবেগঘন মুহূর্তে মাঠ ছাড়েন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

 

 

 

 

ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও মনুমেন্টাল স্টেডিয়াম ছাড়েননি দর্শকেরা। প্রিয় মেসিকে শেষবারের মতো বিদায় জানাতে গ্যালারি ভরা সমর্থকেরা অপেক্ষা করছিলেন বিশেষ এক মুহূর্তের জন্য।

 

 

 

 

অবশেষে আকাশে শুরু হয় দৃষ্টিনন্দন ড্রোন শো। শত শত ড্রোনের আলোয় প্রথমে ফুটে ওঠে আর্জেন্টিনার পতাকা। এরপর আকাশে ভেসে ওঠে ‘মেসি, ১০’ লেখা। সঙ্গে সঙ্গে উল্লাসে ফেটে পড়ে পুরো স্টেডিয়াম।

এরপর আসে রাতের সবচেয়ে আবেগঘন দৃশ্য। ড্রোনগুলো একসঙ্গে তৈরি করে ২০২২ বিশ্বকাপ হাতে মেসির অবয়ব। যে শিরোপা জয়ের স্বপ্ন নিয়ে দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ছুটেছেন তিনি, বিদায়ের রাতেও সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত ফিরে আসে মনুমেন্টালের আকাশে।

একপর্যায়ে ড্রোনের আলোয় ভেসে ওঠে ‘গ্রাসিয়াস, লিও’—অর্থাৎ ‘ধন্যবাদ, লিও’। এরপর দেখা যায় ‘গ্রাসিয়াস, আর্জেন্টিনা’ লেখা। সবশেষে আকাশে ফুটে ওঠে মেসির মুখের অবয়ব।

মাঠের দৃশ্যও তখন ছিল আবেগে ভরা। সতীর্থদের মাঝে দাঁড়িয়ে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি মেসি। অশ্রুসিক্ত অধিনায়ককে ঘিরে একে একে দাঁড়িয়ে পড়েন আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়েরা। করতালি আর ভালোবাসায় তাকে বিদায় জানান হাজারো সমর্থক।

বিদায়ী ম্যাচটিও ছিল মেসির জন্য স্মরণীয়। বেনিনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার তিন গোলেই সরাসরি অবদান রাখেন তিনি। নিকোলাস ওটামেন্দি ও নিকো পাজকে দিয়ে দুটি গোল করানোর পর ৭১তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিজেই গোল করেন।

 

 

ফলে আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ ম্যাচেও নিজের নামের পাশে যোগ করেন একটি গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট। ২০৮তম আন্তর্জাতিক ম্যাচে নেমে আলবিসেলেস্তেদের হয়ে তার ক্যারিয়ার থামল ১২৬ গোল ও ৭০ অ্যাসিস্টে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপকথার শেষ রাতে ড্রোনের আলোয় ‘গ্রাসিয়াস, লিও’

আপডেট টাইম : ১০:৩৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষবারের মতো মাঠে নেমে জাদুকরী এক বিদায় পেলেন লিওনেল মেসি। বেনিনের বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ের ম্যাচে একটি গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করে দলকে জেতানোর পর আবেগঘন মুহূর্তে মাঠ ছাড়েন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।

 

 

 

 

ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও মনুমেন্টাল স্টেডিয়াম ছাড়েননি দর্শকেরা। প্রিয় মেসিকে শেষবারের মতো বিদায় জানাতে গ্যালারি ভরা সমর্থকেরা অপেক্ষা করছিলেন বিশেষ এক মুহূর্তের জন্য।

 

 

 

 

অবশেষে আকাশে শুরু হয় দৃষ্টিনন্দন ড্রোন শো। শত শত ড্রোনের আলোয় প্রথমে ফুটে ওঠে আর্জেন্টিনার পতাকা। এরপর আকাশে ভেসে ওঠে ‘মেসি, ১০’ লেখা। সঙ্গে সঙ্গে উল্লাসে ফেটে পড়ে পুরো স্টেডিয়াম।

এরপর আসে রাতের সবচেয়ে আবেগঘন দৃশ্য। ড্রোনগুলো একসঙ্গে তৈরি করে ২০২২ বিশ্বকাপ হাতে মেসির অবয়ব। যে শিরোপা জয়ের স্বপ্ন নিয়ে দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ছুটেছেন তিনি, বিদায়ের রাতেও সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত ফিরে আসে মনুমেন্টালের আকাশে।

একপর্যায়ে ড্রোনের আলোয় ভেসে ওঠে ‘গ্রাসিয়াস, লিও’—অর্থাৎ ‘ধন্যবাদ, লিও’। এরপর দেখা যায় ‘গ্রাসিয়াস, আর্জেন্টিনা’ লেখা। সবশেষে আকাশে ফুটে ওঠে মেসির মুখের অবয়ব।

মাঠের দৃশ্যও তখন ছিল আবেগে ভরা। সতীর্থদের মাঝে দাঁড়িয়ে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি মেসি। অশ্রুসিক্ত অধিনায়ককে ঘিরে একে একে দাঁড়িয়ে পড়েন আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়েরা। করতালি আর ভালোবাসায় তাকে বিদায় জানান হাজারো সমর্থক।

বিদায়ী ম্যাচটিও ছিল মেসির জন্য স্মরণীয়। বেনিনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার তিন গোলেই সরাসরি অবদান রাখেন তিনি। নিকোলাস ওটামেন্দি ও নিকো পাজকে দিয়ে দুটি গোল করানোর পর ৭১তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিজেই গোল করেন।

 

 

ফলে আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ ম্যাচেও নিজের নামের পাশে যোগ করেন একটি গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট। ২০৮তম আন্তর্জাতিক ম্যাচে নেমে আলবিসেলেস্তেদের হয়ে তার ক্যারিয়ার থামল ১২৬ গোল ও ৭০ অ্যাসিস্টে।