জানুয়ারি দলবদলের সময় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে আবারও আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়েছে বার্সেলোনা। কোচ হানসি ফ্লিকের রক্ষণভাগ শক্তিশালী করতে মরিয়া ক্লাবটি। এ মৌসুমে মাঠের পারফরম্যান্স ভালো হলেও সেন্টার-ব্যাক পজিশনে চোট সমস্যা ও বিকল্পের অভাবে বাজারে ব্যতিক্রমী পথ খুঁজছেন স্পোর্টিং ডিরেক্টর ডেকো।
চলতি শীতকালীন দলবদলে নতুন সেন্টার-ব্যাক ভেড়ানোকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে কাতালানরা। তবে ক্লাবের ঝুঁকিপূর্ণ আর্থিক পরিস্থিতিতে মোটা অঙ্কের তাৎক্ষণিক খরচ এড়াতে চায় বোর্ড। বার্সেলোনা মূলত স্থায়ীভাবে কিনে নেওয়ার শর্তসহ ধারে (লোন) চুক্তি করতে ইচ্ছুক। তবে ইউরোপীয় ক্লাবগুলো সরাসরি খেলোয়াড় বিক্রি করতে চাওয়ায় মানসম্পন্ন খেলোয়াড় পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সম্প্রতি ভাইস-প্রেসিডেন্ট ফেরান ওলিভ জানান, বার্সেলোনা ১:১ নিয়মে চললেও খরচের মার্জিন অত্যন্ত কম এবং বেতন উদ্বৃত্ত মাত্র ৩ থেকে ৪ মিলিয়ন ইউরো। রাফিনহার চুক্তি নবায়নে সামান্য স্বস্তি মিললেও নতুন খেলোয়াড় ও দলের সাফল্যের কারণে স্কোয়াডের খরচ বেড়েই চলেছে।
স্বল্পমেয়াদি সমাধান হিসেবে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের লিসান্দ্রো মার্তিনেস ও আরবি লাইপজিগের কাস্তেলো লুকেবার ওপর নজর রয়েছে বার্সার। তবে জুনে চুক্তি শেষ হওয়া মার্তিনেজকে ছেড়ে দিতে অর্থ চাচ্ছে রেড ডেভিলরা। এছাড়া টুইন্টের ডাচ বিস্ময় রুদ নিজস্তাদের দাম ২০ মিলিয়ন ইউরো ছাড়িয়েছে।
প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করতে দলের তারকা বিক্রির কথাও ভাবতে হচ্ছে ডেকোকে। ফরাসি ডিফেন্ডার জুল কুন্দেকে নিয়ে চেলসি ও বায়ার্ন মিউনিখের আগ্রহ রয়েছে। অন্যদিকে, তরুণ লেফট-ব্যাক আলহান্দ্রো বালদেকে ধারে বা বিক্রির মাধ্যমে বড় অঙ্কের ফি পেতে চায় ক্লাবটি, যা দিয়ে ফ্লিকের পছন্দের খেলোয়াড়দের সই করানোর আর্থিক সমাধান মিলবে।
জনতার কন্ঠ/এস এ

ক্রীড়া ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম 






















