বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) রাত দেড়টার দিকে শাহ আলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মতিউর রহমান বাসে আগুন দেওয়া সেই যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, নিহত আব্দুল্লাহ আল সাইয়াফ (১৮) একটি নামকরা কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। এ ঘটনায় আটক নিহতের বন্ধু সানি, একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের ১০ শ্রেণির ছাত্র।
রাজধানীর মিরপুরের শাহ আলী থানাধীন বেড়িবাঁধ মেইনরোডে বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে কিরণমালা পরিবহন নামে একটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। সেই বাসে আগুন লাগানোর সময় বিষয়টি স্থানীয় জনতা দেখতে পেলে তাদের ধাওয়া করলে তুরাগ নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে মারা যায় নামকরা একটি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল সাইয়াফ। এ ঘটনার সময় সঙ্গে থাকা তার বন্ধু সানিকে ধরে ফেলে জনতা।
পুলিশের কাছে আটক নিহতের বন্ধু, একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র, তার নাম রুদ্র মোহাম্মদ নাহিয়ান আমির সানি।
বাসে আগুন লাগানোর সরঞ্জাম তাদের কাছ থেকে পাওয়া গেছে। কেরোসিনের বোতল ও লাইটার উদ্ধার করা হয়। পুলিশ কর্মকর্তা মতিউর রহমান আরও বলেন, নিহত ও আটক দুইজনই শিক্ষার্থী—একজন কলেজের এবং একজন ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের। তারা তাদের পরিবারের সঙ্গে বর্তমানে মিরপুর ১০ এলাকায় থাকলেও একজনের বাসা বেনারসী পল্লী এলাকায়।
এদিকে, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি মিডিয়া মুহাম্মদ তালেবুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, মিরপুর শাহ আলী থানাধীন উত্তর নবাবেরবাগ সোহেল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের পশ্চিম পাশের রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা ফাঁকা বাসে দুইয়ের অধিক যুবক প্লাস্টিকের বোতল থেকে কেরোসিন ছিটিয়ে আগুন ধরিয়ে সেটার আবার ভিডিও করছিল। পরে উপস্থিত লোকজন বাসে আগুন দেওয়া যুবকদের ধাওয়া করে সানিকে ধরে ফেলে, আর সাইয়াফ প্রাণ বাঁচাতে পাশে তুরাগ নদে ঝাঁপিয়ে পড়ে। কিন্তু সে সাঁতার না জানায় ডুবে মারা যায়। তাদের সঙ্গে থাকা অপর আরও একজন দৌড়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এছাড়া এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।

জনতার কন্ঠ ডেস্ক 



















