সিরাজগঞ্জ , শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

হোপের তাণ্ডবে বিধ্বস্ত ভারত, সিরিজে ফিরল ক্যারিবীয়রা

সাঞ্জু স্যামসনের ঝোড়ো ব্যাটিং এবং শেষ দিকে তিলক ভার্মা ও নিতিশ কুমার রেড্ডির লড়াই-কোনোটিই শেষ পর্যন্ত কাজে আসেনি ভারতের। শাই হোপের দুর্দান্ত সেঞ্চুরির পর কিমো পলের পাঁচ উইকেটের সুবাদে স্বাগতিকদের ২৪ রানে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

 

 

 

তাতে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-২ সমতা ফিরেছে। এখন শেষ ম্যাচেই নির্ধারিত হবে সিরিজের ভাগ্য।
 

হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ২৪৭ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দলের হয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন অধিনায়ক শাই হোপ।

 

 

 

 

মাত্র ৫০ বলে ১০২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি। তাঁর ব্যাট থেকে আসে একের পর এক দৃষ্টিনন্দন শট।
 

হোপকে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন শিমরন হেটমায়ার ও শেরফান রাদারফোর্ড। হেটমায়ার মাত্র ১২ বলে করেন ৩৩ রান। রভম্যান পাওয়েলের ব্যাট থেকে আসে ১৭ বলে ২৪ রান। ইনিংসের শেষ দিকে রাদারফোর্ডের ২৬ বলে অপরাজিত ৪৯ রানে আড়াইশর কাছাকাছি পৌঁছে যায় ক্যারিবীয়রা। ভারতের হয়ে অক্ষর প্যাটেল, আর্শদীপ সিং ও প্রিন্স যাদব একটি করে উইকেট নেন।

 

 

 

 

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই পাল্টা আক্রমণ চালায় ভারত। ওপেনার সাঞ্জু স্যামসন মাত্র ২৩ বলে ৫৬ রান করে দলের জয়ের আশা জাগান। তবে তাঁর বিদায়ের পর রানের গতি কিছুটা কমে যায়। ঈশান কিষাণ দ্রুত ফিরে যাওয়ার পর অভিষেক শর্মা ২৪ বলে ২৯ এবং অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার ১১ বলে ১৬ রান করেন।

 

 

 

 

মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে ভারত। তবে তিলক ভার্মা ও নিতিশ কুমার রেড্ডির ব্যাটে আবারও লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করে স্বাগতিকরা। রেড্ডি ২০ বলে ৪১ এবং তিলক ২৫ বলে ৪৩ রান করেন। তাঁদের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে জয়ের সমীকরণ কিছুটা সহজ হলেও শেষ পর্যন্ত লক্ষ্য ছোঁয়া সম্ভব হয়নি ভারতের।

 

 

 

 

 

১৯.৩ ওভারে ২২৩ রানেই থামে ভারতের ইনিংস। আর্শদীপ সিং রিটায়ার্ড হার্ট হওয়ায় ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে বড় অবদান রাখেন কিমো পল। তার শিকার পাঁচ উইকেট। গুডাকেশ মোটি নেন দুটি উইকেট। শামার স্প্রিঙ্গার ও রোমারিও শেফার্ড একটি করে উইকেট পান।

 

 

 

 

এই জয়ে সিরিজে সমতা ফেরানোর পাশাপাশি শেষ ম্যাচে আত্মবিশ্বাস নিয়ে নামার সুযোগ পেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অন্যদিকে, ঘরের মাঠে সিরিজ জিততে হলে শেষ ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে হবে ভারতকে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হোপের তাণ্ডবে বিধ্বস্ত ভারত, সিরিজে ফিরল ক্যারিবীয়রা

আপডেট টাইম : ১১:৪৩:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
সাঞ্জু স্যামসনের ঝোড়ো ব্যাটিং এবং শেষ দিকে তিলক ভার্মা ও নিতিশ কুমার রেড্ডির লড়াই-কোনোটিই শেষ পর্যন্ত কাজে আসেনি ভারতের। শাই হোপের দুর্দান্ত সেঞ্চুরির পর কিমো পলের পাঁচ উইকেটের সুবাদে স্বাগতিকদের ২৪ রানে হারিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

 

 

 

তাতে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-২ সমতা ফিরেছে। এখন শেষ ম্যাচেই নির্ধারিত হবে সিরিজের ভাগ্য।
 

হায়দরাবাদের রাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ২৪৭ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দলের হয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন অধিনায়ক শাই হোপ।

 

 

 

 

মাত্র ৫০ বলে ১০২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন তিনি। তাঁর ব্যাট থেকে আসে একের পর এক দৃষ্টিনন্দন শট।
 

হোপকে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন শিমরন হেটমায়ার ও শেরফান রাদারফোর্ড। হেটমায়ার মাত্র ১২ বলে করেন ৩৩ রান। রভম্যান পাওয়েলের ব্যাট থেকে আসে ১৭ বলে ২৪ রান। ইনিংসের শেষ দিকে রাদারফোর্ডের ২৬ বলে অপরাজিত ৪৯ রানে আড়াইশর কাছাকাছি পৌঁছে যায় ক্যারিবীয়রা। ভারতের হয়ে অক্ষর প্যাটেল, আর্শদীপ সিং ও প্রিন্স যাদব একটি করে উইকেট নেন।

 

 

 

 

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই পাল্টা আক্রমণ চালায় ভারত। ওপেনার সাঞ্জু স্যামসন মাত্র ২৩ বলে ৫৬ রান করে দলের জয়ের আশা জাগান। তবে তাঁর বিদায়ের পর রানের গতি কিছুটা কমে যায়। ঈশান কিষাণ দ্রুত ফিরে যাওয়ার পর অভিষেক শর্মা ২৪ বলে ২৯ এবং অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার ১১ বলে ১৬ রান করেন।

 

 

 

 

মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে ভারত। তবে তিলক ভার্মা ও নিতিশ কুমার রেড্ডির ব্যাটে আবারও লড়াইয়ে ফেরার চেষ্টা করে স্বাগতিকরা। রেড্ডি ২০ বলে ৪১ এবং তিলক ২৫ বলে ৪৩ রান করেন। তাঁদের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে জয়ের সমীকরণ কিছুটা সহজ হলেও শেষ পর্যন্ত লক্ষ্য ছোঁয়া সম্ভব হয়নি ভারতের।

 

 

 

 

 

১৯.৩ ওভারে ২২৩ রানেই থামে ভারতের ইনিংস। আর্শদীপ সিং রিটায়ার্ড হার্ট হওয়ায় ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে বড় অবদান রাখেন কিমো পল। তার শিকার পাঁচ উইকেট। গুডাকেশ মোটি নেন দুটি উইকেট। শামার স্প্রিঙ্গার ও রোমারিও শেফার্ড একটি করে উইকেট পান।

 

 

 

 

এই জয়ে সিরিজে সমতা ফেরানোর পাশাপাশি শেষ ম্যাচে আত্মবিশ্বাস নিয়ে নামার সুযোগ পেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। অন্যদিকে, ঘরের মাঠে সিরিজ জিততে হলে শেষ ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে হবে ভারতকে।