সিরাজগঞ্জ , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্লাস্টিকের চেয়ারই চলাচলের একমাত্র সম্বল: চিকিৎসার অভাবে ধুঁকছেন বৃদ্ধ হুরমুজ আলী Logo বন্যার অবনতি হতে পারে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে Logo সিরাজগঞ্জে এক সপ্তাহে ৪ শিশু ধর্ষণ-বলাৎকারের শিকার Logo ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৫৭ দিন পর ফ্লাইট চালু হলো Logo রায়গঞ্জে ভ্যানচালক জাহের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার দাবি Logo ব্রহ্মপুত্র নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু Logo কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন বেলকুচি পৌরসভার সেই প্রকৌশলী Logo কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে ট্রাক–মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ৩, আহত ১১ Logo যুদ্ধবিরতি ভেঙে লেবাননে হামলা চালাল ইসরায়েল, ৮ জন নিহত Logo যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশিদের বিপুল পরিমাণ সম্পদ জব্দ: সারাহ কুক

আবারও ইতালির স্বপ্নভঙ্গ, বসনিয়ার কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বাদ

সংগৃহীত ছবি

অভিশাপমুক্ত হয়ে বিশ্বমঞ্চে ফেরার লক্ষ্য ছিল ইতালির। কিন্তু আজ্জুরিদের সেই স্বপ্ন চুরমার করে দিয়ে উল্লাসে মাতল বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের প্লে-অফ ফাইনালে টাইব্রেকারে জেনারো গাত্তুসোর শিষ্যদের ৪-১ ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে বলকান দেশটি।

 

 

বসনিয়ার জেনিৎসার বিলোনো পোলজে স্টেডিয়ামে ম্যাচটি নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে ১-১ সমতায় শেষ হয়।

 

 

ম্যাচের শুরুটা অবশ্য ইতালির অনুকূলেই ছিল। ১৫ মিনিটে বসনিয়া গোলরক্ষক নিকোলাস ভাসিলজের ভুলের সুযোগ নেন নিকোলো বারেল্লা। তার বাড়ানো পাস থেকে ফিওরেন্তিনা ফরোয়ার্ড মইজে কিন দারুণ এক শটে ইতালিকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন। ৫৯ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন মইজে কিন।
মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে গোলরক্ষককে একা পেয়েও শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি তিনি। ৭৯ মিনিটে ইতালির রক্ষণে চিড় ধরান হারিস তাবাকোভিচ। এডিন জেকোর হেড দোনারুম্মা ফিরিয়ে দিলেও ফিরতি বলে লক্ষ্যভেদ করে বসনিয়াকে সমতায় ফেরান তাবাকোভিচ।

 

 

নির্ধারিত ৯০ মিনিট ও অতিরিক্ত সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।

 

সেখানে স্নায়ুর চাপে ভেঙে পড়ে ইতালি। বসনিয়ার বেঞ্জামিন তাহিরভিচ প্রথম শটেই গোল করেন। বিপরীতে ইতালির পিও এসপোসিতো বল বারের ওপর দিয়ে ভাসিয়ে দেন। ইতালির সান্দ্রো টোনালি গোল করলেও দোনারুম্মা বসনিয়ার শট ঠেকাতে ব্যর্থ হন।
৩. তৃতীয় ও চতুর্থ শটে বসনিয়া নির্ভুল থাকলেও ইতালির ব্রায়ান ক্রিস্তান্তে শট মিস করলে নিশ্চিত হয় আজ্জুরিদের বিদায়।
 

ফল যাই হোক, মাঠের লড়াইয়ে পুরোটা সময় দাপট দেখিয়েছে বসনিয়া। ৬৫ শতাংশ সময় বল দখলে রাখা দলটি ইতালির গোলমুখে শট নিয়েছে ৩০টি, যার ১১টিই ছিল অন-টার্গেট। তাদের পাসের নির্ভুলতা ছিল ৮৮ শতাংশ, যেখানে ইতালি ছিল অনেকটাই কোণঠাসা।

 

 

২০১৪ বিশ্বকাপের পর এই প্রথম আবারও বিশ্বমঞ্চে দেখা যাবে বসনিয়াকে। অন্যদিকে, টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্ব থেকে ছিটকে গিয়ে কান্নায় ভাসল চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

প্লাস্টিকের চেয়ারই চলাচলের একমাত্র সম্বল: চিকিৎসার অভাবে ধুঁকছেন বৃদ্ধ হুরমুজ আলী

আবারও ইতালির স্বপ্নভঙ্গ, বসনিয়ার কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বাদ

আপডেট টাইম : ০১:৩৬:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
অভিশাপমুক্ত হয়ে বিশ্বমঞ্চে ফেরার লক্ষ্য ছিল ইতালির। কিন্তু আজ্জুরিদের সেই স্বপ্ন চুরমার করে দিয়ে উল্লাসে মাতল বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের প্লে-অফ ফাইনালে টাইব্রেকারে জেনারো গাত্তুসোর শিষ্যদের ৪-১ ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে বলকান দেশটি।

 

 

বসনিয়ার জেনিৎসার বিলোনো পোলজে স্টেডিয়ামে ম্যাচটি নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে ১-১ সমতায় শেষ হয়।

 

 

ম্যাচের শুরুটা অবশ্য ইতালির অনুকূলেই ছিল। ১৫ মিনিটে বসনিয়া গোলরক্ষক নিকোলাস ভাসিলজের ভুলের সুযোগ নেন নিকোলো বারেল্লা। তার বাড়ানো পাস থেকে ফিওরেন্তিনা ফরোয়ার্ড মইজে কিন দারুণ এক শটে ইতালিকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন। ৫৯ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন মইজে কিন।
মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে গোলরক্ষককে একা পেয়েও শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি তিনি। ৭৯ মিনিটে ইতালির রক্ষণে চিড় ধরান হারিস তাবাকোভিচ। এডিন জেকোর হেড দোনারুম্মা ফিরিয়ে দিলেও ফিরতি বলে লক্ষ্যভেদ করে বসনিয়াকে সমতায় ফেরান তাবাকোভিচ।

 

 

নির্ধারিত ৯০ মিনিট ও অতিরিক্ত সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।

 

সেখানে স্নায়ুর চাপে ভেঙে পড়ে ইতালি। বসনিয়ার বেঞ্জামিন তাহিরভিচ প্রথম শটেই গোল করেন। বিপরীতে ইতালির পিও এসপোসিতো বল বারের ওপর দিয়ে ভাসিয়ে দেন। ইতালির সান্দ্রো টোনালি গোল করলেও দোনারুম্মা বসনিয়ার শট ঠেকাতে ব্যর্থ হন।
৩. তৃতীয় ও চতুর্থ শটে বসনিয়া নির্ভুল থাকলেও ইতালির ব্রায়ান ক্রিস্তান্তে শট মিস করলে নিশ্চিত হয় আজ্জুরিদের বিদায়।
 

ফল যাই হোক, মাঠের লড়াইয়ে পুরোটা সময় দাপট দেখিয়েছে বসনিয়া। ৬৫ শতাংশ সময় বল দখলে রাখা দলটি ইতালির গোলমুখে শট নিয়েছে ৩০টি, যার ১১টিই ছিল অন-টার্গেট। তাদের পাসের নির্ভুলতা ছিল ৮৮ শতাংশ, যেখানে ইতালি ছিল অনেকটাই কোণঠাসা।

 

 

২০১৪ বিশ্বকাপের পর এই প্রথম আবারও বিশ্বমঞ্চে দেখা যাবে বসনিয়াকে। অন্যদিকে, টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্ব থেকে ছিটকে গিয়ে কান্নায় ভাসল চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি।