সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

আ.লীগ নেতাকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ

রাশেদ খাঁন ও হান্নান মাসউদ। ছবি : সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের এক নেতাকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ বলে অভিযোগ তুলেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন।

 

 

 

বুধবার (৩ জুন) ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে এ অভিযোগ করেন রাশেদ খাঁন।

 

 

 

রাশেদ খাঁন বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে হান্নান মাসউদ! গণঅভ্যুত্থানের পরে হান্নান মাসউদের মিটিং শুরু হয় আওয়ামী লীগ নেতাদের দিয়ে। আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তার অসংখ্য মিটিং হয়েছে। পল্টনের হোটেল ফার্সের কয়েকটা টেবিল যেন একপ্রকার হান্নান মাসউদের জন্য বরাদ্দ থাকত।

তিনি বলেন, একবার আওয়ামী লীগের এক এমপিকে ৪ কোটিতে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার আলাপ ওঠে। আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষ করে হান্নান মাসউদ জিসানকে বলে, ‘ভাই, ওরা ১ কোটি দিতে চায়, আপনি ৩ কোটিতে ডিল করেন। ওদের সব কাঁচা টাকা, টাকা-পয়সার দরকার আছে!’ এ কথা শুনে এক ধরনের স্তব্ধ হয়ে যায় জিসান! হান্নান মাসউদের অনেক ঘটনার রাজসাক্ষী হাতিয়ার এই সন্তান আবদুল গাফফার জিসান।

 

স্ট্যাটাসে রাশেদ বলেন, ২৭ জুলাই থেকে রিফাত রশিদ, মাহিন সরকার ও আবদুল গফফার জিসান আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় তাদের সঙ্গে এই ছেলেটি ছিল। ৩ জন সমন্বয়কদের ভিডিও বা ছবি তুলতে ক্যামেরার পেছনের মানুষটিই ছিলেন এই আবদুল গফফার জিসান। জিসান সম্পর্কে রিফাত রশিদ ও মাহিন সরকারকে জিজ্ঞেস করলেও উত্তর পাবেন। জিসানের ছোট ভাই হান্নান মাসউদের বন্ধু। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে এবং শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।

 

 

‘আর জিসান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। হান্নান মাসউদের সঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের পরেও বেশকিছুদিন জিসান ছিল। মূলত গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে জিসান-হান্নান মাসউদকে নিরাপত্তা দেওয়ার কাজেই সঙ্গে থাকত। কিন্তু হান্নান মাসউদের টাকার প্রতি মোহ ও আকস্মিক পরিবর্তন জিসান মেনে নিতে পারেনি। যে কারণে সে আর হান্নান মাসউদের সঙ্গে থাকেনি।’

 

‘আ.লীগ নেতাকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে ৩ কোটি দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ’

স্ট্যাটাসের শেষে রাশেদ বলেন, নোয়াখালীর হাতিয়ার আওয়ামী লীগের এমপি মোহাম্মদ আলী যেন ছিল হান্নান মাসউদের এমপি হওয়ার পথের কাঁটা! হান্নান মাসউদ এটা বুঝতে পেরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রভাব খাটিয়ে শুরুতেই তাকে গ্রেপ্তার করাতে ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন জায়গায় মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে বক্তব্যও দিয়েছে হান্নান মাসউদ। ঘরোয়া আলাপে সে বলেছে, নোয়াখালীর যত আওয়ামী লীগ আছে, কারও সঙ্গে আমার কোনো দ্বন্দ্ব নেই। আমার একমাত্র দ্বন্দ্ব মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে। এমনকি বিভিন্ন আলাপে সে লোকজনকে বোঝাতে চেয়েছে, নোয়াখালীর এমপি হতে কোয়ালিটি ও কোয়ানটিটিতে তাকে মোহাম্মদ আলীর মতো অর্থবিত্তের মালিক হতে হবে।

 

কাস্টম হাউসে হয়রানির অভিযোগ, রুলিং মানা হচ্ছে না

কাস্টম হাউস নাকি হয়রানির কেন্দ্র?

শিল্পের কাজে ব্যবহারের জন্য রক সল্ট আমদানি করে ওয়ারদা অ্যান্ড জুবায়ের এগ্রো ইন্ডাস্ট্রি। হুট করে গত ৪ মে বিল অব এন্ট্রি সাবমিট করার পর প্রতিষ্ঠানটির পণ্যের চালান আটকে দেন চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কর্মকর্তারা। চালানটি আটকে রেখে শিল্প মন্ত্রণালয় ও লবণ নীতিসহ নানা প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্যতা চাওয়া হয়। যদিও কাস্টমসে এ ধরনের কোনো আইন রয়েছে বলে আমদানিকারককে দেখাতে পারেননি শুল্ক কর্মকর্তারা। তবু পণ্য চালানটি আটকে রেখে শুরু হয় নানা টালবাহানা। পরে উপায় না দেখে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয় প্রতিষ্ঠানটি এবং আদালতে রায় প্রতিষ্ঠানটির পক্ষেই আসে। তবে ঈদুল আজহার আগে পক্ষে রায় পেলেও পণ্যের চালানটি খালাস করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। কৌশলে আদালতের রায়ের কপি গ্রহণ না করে কমিশনার ঈদের ছুটিতে ঢাকায় চলে আসেন। এরই মধ্যে পণ্যের চালানের দামের তুলনায় প্রায় দিগুণ হয়ে গেছে পোর্ট চার্জ। কাঁচামাল আটকে যাওয়ায় বাধাগ্রস্ত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন। এ কারণে ঈদে কর্মচারীদের ঠিকমতো বেতন-বোনাস পর্যন্ত দিতে পারেননি প্রতিষ্ঠানটির মালিক। এভাবে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে প্রতিদিনই হয়রানির শিকার হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এটা যেন কাস্টম হাউস নয়, এ যেন এক হয়রানির আঁতুড়ঘর।

 

 

 

সরেজমিন ঘুরে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে আমদানিকারকদের হয়রানির এমন ঘটনা আরও পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস দিয়ে স্টিল স্ট্রাকচার আমদানি করেন এক আমদানিকারক। প্রথমবারের মতো আমদানি করা পণ্যে চালানটি আটকে দেয় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অডিট ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ উইং (এআইআর) শাখা। স্টিল স্ট্রাকচার নিয়ে এর আগে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অ্যাসেসমেন্ট কমিটির সিদ্ধান্ত রয়েছে। এ ছাড়া কাস্টম হাউসের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) একটি নির্দেশনাও রয়েছে। এর বাইরেও ওয়ার্ল্ড কাস্টম অর্গানাইজেশনের একটি ব্যাখ্যা রয়েছে। এতকিছুর পরও এআইআর শাখার কর্মকর্তাদের মনে হয়েছে স্টিলের স্ট্রাকচারটি ফার্নিচার পার্টসের এইচএস কোড অনুযায়ী শুল্কায়ন হবে। এরপর সব আইনের ঊর্ধ্বে উঠে কর্মকর্তারা সেই অনুযায়ী শুল্কায়নের জন্য রিপোর্ট দেন এবং প্রতিষ্ঠানটি রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে বলেও সুপারিশ করেন। প্রতিষ্ঠানটি এনবিআরের রুলিং দেখানোর পর পণ্য চালানটি আটকে রাখতে নতুন যুক্তি উপস্থাপন করেন কর্মকর্তারা—এটা রুলিংয়ের সঙ্গে যায় না। কর্মকর্তাদের নতুন যুক্তি, রুলিংয়ে একই পণ্য আলাদা তিনটি কনটেইনারে আনা হয়েছিল। এ চালানে একটি কনটেইনার, তাই এইচএস কোড পরিবর্তন হয়েছে। আর এতে মিথ্যা ঘোষণা হয়েছে। এ ছাড়া এনবিআরের এ রুলিং সঠিক নয় বলেও দাবি করেন কর্মকর্তারা। যদিও রুলিং সঠিক নয়—এ কথা আনুষ্ঠানিকভাবে বলতে রাজি নন এআইআরের উপকমিশনার। সর্বশেষ নিজেদের সিদ্ধান্তে অটল থেকেই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন শুল্ক কর্মকর্তারা। এতে আমদানিকারকের মাত্র আঠারো হাজার ডলারের পণ্য এখন দেড় কোটির ঘরে গিয়ে ঠেকেছে। মজার বিষয় হলো, স্টিল স্ট্রাকচার শুল্ক কর্মকর্তাদের বদৌলতে হয়ে গেল ফার্নিচার পার্টস, আর আমদানিকারক রাতারাতি হয়ে গেল শুল্ক ফাঁকিবাজ।

 

 

 

অভিযোগ রয়েছে, এভাবেই প্রতিনিয়ত ছোট ব্যবসায়ীদের হয়রানি করেন এআইআর শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা আসাদ ও আরেফিন। তাদের টিম লিডার হিসেবে আছেন এআইআর শাখার উপকমিশনার তারেক মাহমুদ। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে এআইআরের দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং সদ্য সাময়িক বরখাস্তের আদেশ থেকে মুক্তি পাওয়া চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার আমীমুল ইহসানের সঙ্গে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে গিয়ে সাক্ষাৎ করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সময়ে ফোনে একাধিকবার কল দিয়েও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এমনকি মোবাইল ফোনে খুদে বার্তা পাঠিয়েও তার সাড়া মেলেনি। পরবর্তী সময়ে এআইআর শাখার উপকমিশনার তারেক মাহমুদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি কালবেলাকে বলেন, ওয়ার্ল্ড কাস্টম অর্গানাইজেশনের ব্যাখ্যা মানার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে বাংলাদেশে মানা হয়। আর এনবিআরের রুলিং মানার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে স্টিল স্ট্রাকচারের চালানটি এ রুলিংয়ে যথাযথ নয়। কারণ হিসেবে ওই কর্মকর্তা বলেন, রুলিংয়ে যে পণ্য চালানের বিষয়টি ছিল ওখানে তিনটি আলাদা আলাদা পণ্য চালান ছিল। আর এটি একটি পণ্য চালান। যেহেতু তিনটি নয়; তাই এ সুবিধা এ আমদানিকারক পাবেন না।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে আটকে রাখার জন্য এ ধরনের আরও উদ্ভট কিছু যুক্তিও মিলেছে বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান ওয়ারদা অ্যান্ড জুবায়ের ইন্ডাস্ট্রিজের শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে রক সল্ট আমদানির ক্ষেত্রে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ ইয়াছির আরাফাত কালবেলাকে বলেন, প্রায় এক মাসের কাছাকাছি হয়ে গেছে পণ্য চালানটি আটকে রেখেছে কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ। আমরা বিডা নিবন্ধিত একটি প্রতিষ্ঠান। বিডার অনুমতি সাপেক্ষে আমরা আমদানি করে থাকি। আমদানি নীতি আদেশেও কোনো বাধা নেই। অযথাই হয়রানি করে আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। কমিশনারের মেইলে আদেশের মূল কপি পাঠানো হলেও তিনি রিসিভ করেননি ঈদের আগে। এরই মধ্যে পণ্য চালানটির দামের প্রায় দ্বিগুণ পোর্ট চার্জ এখন পরিশোধ করতে হবে। আর উৎপাদন এবং কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হওয়ায় ঈদের আগে আমি ঠিকমতো কর্মচারীদের বেতন-বোনাস দিতে পারিনি।

 

শুধু এ দুটি প্রতিষ্ঠান নয়, শিল্প প্রতিষ্ঠানের পণ্য চালানও আটকে রাখার অভিযোগ রয়েছে। জানা গেছে, সব নিয়ম মেনে আমদানি করা ঢাকার একটি বন্ডেড প্রতিষ্ঠানের তিন কনটেইনার পণ্য আটকে দেন চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কমিশনার মুহা. মাহবুবুর রহমান। বৃষ্টির মধ্যে ট্রাকে লোড হওয়া পণ্য নষ্ট হলেও সর্বশেষ আট দিন পর ছেড়ে দেন। পরবর্তী সময়ে আরেকটি বন্ডেড পণ্যের চালান আটক করলেও পরে অদৃশ্য কারণে ছেড়েও দেন। এ ছাড়া এ কমিশনার নির্ধারিত সময়ের আগেই অফিস ত্যাগ করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয়ে কথা বলতে সরাসরি এবং ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া হয়রানির নানা অভিযোগের কথা উল্লেখ করে এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খানের বক্তব্য জানতে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানোর পর তিনি বার্তা দেখলেও কোনো বক্তব্য দেননি।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের এআইআর টিমের বিরুদ্ধে পান থেকে চুন খসলেই ছোট ব্যবসায়ীদের আইনি ঝামেলায় ফেলার অভিযোগ বেশ পুরোনো। বিগত দিনে কেমিক্যাল থেকে শুরু করে অবৈধ সিগারেট আমদানি বন্ধে তৎপর হলেও বর্তমান টিম রহস্যজনক কারণে ঠুঁটো জগন্নাথের ভূমিকা পালন করছে। বিভিন্ন কাস্টম হাউসে শিট নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠলে এসব ক্ষেত্রেও এআইআর টিম যেন নীরব দর্শক। এ ছাড়া আরও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে এ টিমের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, রাজস্ব কর্মকর্তা আসাদ ও আরেফিনের নেতৃত্বে ল্যাপটপের ব্যাটারির গ্রুপ দিয়ে অন্য পণ্যের চালান গেলেও আসাদ নিজে গিয়ে দেখেও তা ছেড়ে দেন। এক্ষেত্রে কোনো ধরনের ফাইন্ডিং নেই। মূলত বড় বড় আমদানিকারকের পরিবর্তে এ টিমের নজর ছোট ব্যবসায়ীদের দিকে। এতে বাইরে আলোচনা হবে—খুব কড়া কাস্টম হাউসের এ এআইআর টিম। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে এআইআর টিমের রাজস্ব কর্মকর্তা আসাদকে গতকাল সোমবার দফায় দফায় ফোন দিয়েও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

 

 

কাস্টমসে হয়রানির শিকার হওয়া ব্যবসায়ীদের মধ্যে রয়েছেন বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমও। এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বিকেএমইএ সভাপতি রিনিউয়েবল এনার্জির প্লান্ট করতে পণ্য আমদানি করেন। প্রথম দিকে সোলার নিয়ে এলে সহজেই শুল্ক কর্মকর্তারা ছেড়ে দেন। তবে স্ট্রাকচার আনার পর আটকে দেয় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ। এ পণ্য চালানটি খালাস করতে ব্যবসায়ী নেতা হওয়ার পরও বেশ বেগ পেতে হয়েছে মোহাম্মদ হাতেমের। আর সময় লেগেছে প্রায় পনেরো দিন এবং এনবিআরের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দ্বারস্থ হতে হয়েছে। একই সঙ্গে গুনতে হয়েছে পোর্টের বড় অঙ্কের ডেমারেজ।

 

 

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম কালবেলাকে বলেন, প্রথম দিকে সোলার সহজে খালাস হলেও পরবর্তী সময়ে স্ট্রাকচার আটকে দেয় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। এ চালানটির জন্য আমাকে এনবিআরের দ্বারস্থ হতে হয়েছে প্রজ্ঞাপন থাকার পরও। আর এ কারণে আমাকে পোর্ট ডেমারেজ দিতে হয়েছে ৩৫ লাখ টাকা।

 

সুত্র: দৈনিক কালবেলা

 

 

লোকনাথ ব্রহ্মচারীর তীরোধান দিবসে বারদী আশ্রমে দর্শনার্থীর ভীড়

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ভক্তি আর আধ্যাত্মিক আবহে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ঐতিহাসিক বারদী আশ্রমে শুরু হয়েছে উপমহাদেশের প্রখ্যাত সাধক শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩৬তম তীরোধান উৎসব।

 

বুধবার (৩ জুন) দেশ-বিদেশ থেকে আসা লাখো ভক্তের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো বারদী এলাকা। তিন দিনব্যাপী এ ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে আশ্রম প্রাঙ্গণে বিরাজ করছে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ। ভোর থেকেই ভক্তরা আশ্রমে সমবেত হয়ে পূজা-অর্চনা, প্রার্থনা ও নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন। আশ্রমের বিভিন্ন স্থাপনা বর্ণিল আলোকসজ্জা ও নান্দনিক সাজে সজ্জিত করা হয়েছে, যা ভক্ত ও দর্শনার্থীদের বাড়তি আকর্ষণ যোগ করেছে।

 

উৎসবে অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও প্রতিবেশী ভারতসহ বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে হাজার হাজার লোকনাথ ভক্ত বারদীতে ছুটে এসেছেন। তাদের জন্য আশ্রম কর্তৃপক্ষ তীর্থ নিবাসসহ বিভিন্ন স্থানে আবাসন ও খাবারের বিশেষ ব্যবস্থা করেছে।

 

তিরোধান উৎসব উপলক্ষে বারদী এলাকায় বসেছে সাত দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী মেলা। মেলায় বিভিন্ন ধরনের লোকজ পণ্য, ধর্মীয় সামগ্রী ও গ্রামীণ সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ স্থান পেয়েছে। ফলে ধর্মীয় আয়োজনের পাশাপাশি উৎসবটি পরিণত হয়েছে এক মিলনমেলায়।

 

উৎসবের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে পূজা-অর্চনা, ঊষাকীর্তন, গীতা পাঠ, বাল্যভোগ ও রাজভোগ বিতরণ, প্রসাদ বিতরণ, ধর্মীয় আলোচনা, ভক্তিমূলক সংগীত এবং সন্ধ্যাকালীন কীর্তন। এসব আয়োজনে অংশ নিয়ে ভক্তরা মহাসাধকের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন এবং নিজেদের ও পরিবারের কল্যাণ কামনা করছেন। উৎসবকে কেন্দ্র করে গ্রহণ করা হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

 

 

মঙ্গলবার আশ্রম এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ ব্রিফিং ও প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী।

 

তিনি বলেন, উৎসবস্থলে পুলিশ, র‍্যাব, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ছয় শতাধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি সিসিটিভির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি, মেঘনা নদীতে নৌ-পুলিশের টহল এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

 

সোনারগাঁ থানার ওসি গোলাম সারোয়ার বলেন, ভক্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। উৎসব চলাকালে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে।

 

বারদী লোকনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শংকর কুমার দে বলেন, উৎসবের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আসা ভক্তরা যাতে নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে আশ্রম কর্তৃপক্ষ সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

 

সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাত বলেন, উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভক্তদের নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

 

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী বলেন, উৎসবস্থলে পুলিশ, র‍্যাব, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ছয় শতাধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি সিসিটিভির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি, মেঘনা নদীতে নৌ-পুলিশের টহল এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

 

হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ১৭৩০ খ্রিস্টাব্দে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কচুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মহাসাধক লোকনাথ ব্রহ্মচারী। দীর্ঘ সাধনা, ত্যাগ ও মানবসেবার মাধ্যমে তিনি আধ্যাত্মিক জগতে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেন। জীবনের শেষ ২৬ বছর তিনি সোনারগাঁয়ের বারদীতে অবস্থান করেন। বাংলা ১২৯৭ সালের ১৯ জ্যৈষ্ঠ বারদী আশ্রমেই তার মহাপ্রয়াণ ঘটে। সেই স্মৃতিকে ধারণ করেই প্রতিবছর ১৯ জ্যৈষ্ঠ পালিত হয় তার তীরোধান উৎসব।

 

ভক্তদের বিশ্বাস, মানবতা, প্রেম ও সেবার যে বাণী লোকনাথ ব্রহ্মচারী রেখে গেছেন, তা আজও মানুষকে আলোকিত পথের সন্ধান দেয়। আর সেই বিশ্বাসের টানেই প্রতি বছর লাখো ভক্ত সমবেত হন বারদীর এই পবিত্র তীর্থভূমিতে।

বিদ্যুতের মুল্য বাড়তে পারে ১৫-২০ শতাংশ

পরপরই বাড়তি খরচের নতুন চাপের মুখে পড়তে পারেন বিদ্যুৎ গ্রাহকেরা। আজ বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার ঘোষণা করতে যাচ্ছে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। তবে স্বল্প আয়ের গ্রাহকদের জন্য চালু থাকা ‘লাইফ লাইন’ সুবিধায় আপাতত কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না।

 

বিইআরসির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বুধবার সকাল ১১টায় কমিশনের কারিগরি কমিটির বৈঠকে ইউনিটপ্রতি মূল্যবৃদ্ধির হার চূড়ান্ত করা হবে। এরপর বিকেলে নতুন ট্যারিফ ঘোষণা করা হতে পারে।

 

সূত্র জানায়, নতুন মূল্যহার জুন থেকে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

 

বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, কারিগরি কমিটি বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে এবং আজই এ বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে।

 

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত পূরণ এবং জ্বালানি খাতে ভর্তুকি কমানোর অংশ হিসেবেই এ মূল্য সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

এর আগে একটি মন্ত্রিসভা কমিটি ইউনিটপ্রতি ১ থেকে ১ দশমিক ৫০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর সুপারিশ করে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুতের দাম বাড়লে এর প্রভাব শুধু বিদ্যুৎ বিলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; শিল্প-কারখানা, সেচ, পরিবহন, কোল্ড স্টোরেজসহ প্রায় সব খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে। ফলে নিত্যপণ্যের বাজারেও চাপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

এরই মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও পরিবহন ব্যয় বাড়ায় বাজারে নিত্যপণ্যের মূল্যও ঊর্ধ্বমুখী। এখন বিদ্যুতের নতুন মূল্য কার্যকর হলে মূল্যস্ফীতির ওপর আরও চাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা অর্থনীতিবিদদের।

 

বিদ্যুৎ খাতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম, ডলারের বিনিময় হার এবং এলএনজি, কয়লা ও তেল আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। একইসঙ্গে ভর্তুকির চাপও বৃদ্ধি পেয়েছে।

 

বিইআরসির গণশুনানিতে বিভিন্ন বিতরণ কোম্পানি খুচরা পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। পরে কারিগরি দল গড়ে ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ২৫ পয়সা বৃদ্ধির সুপারিশ করে, যা কমিশন গ্রহণ করতে পারে বলে জানা গেছে।

 

সূত্র আরও জানায়, ২০০ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারীদের জন্য তুলনামূলক কম হারে মূল্যবৃদ্ধি এবং এর বেশি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ধাপে ধাপে হার বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, লোকসান কমানো এবং ভর্তুকি হ্রাসের লক্ষ্যেই এ সমন্বয় করা হচ্ছে।

 

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সিস্টেম লস, ক্যাপাসিটি চার্জ ও অদক্ষতা নিয়ন্ত্রণ ছাড়া মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ গ্রাহকের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে।

 

ভোক্তা সংগঠনগুলোও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির বিরোধিতা করে বলছে, এতে জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়বে এবং সীমিত আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

সূত্র: বাংলানিউজ

 

 

যুদ্ধবিরতি আলোচনা স্থবির: যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা

মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে চলমান আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানে নতুন করে ‘আত্মরক্ষামূলক’ হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন জাহাজ ও উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে ছোড়া ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে তারা।

 

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের হামলার চেষ্টার জবাবে হরমুজ প্রণালীর কেশম দ্বীপে (ইরানের বৃহত্তম দ্বীপ) এ হামলা চালানো হয়েছে।

 

এদিকে ইরান বলেছে, প্রতিশোধ হিসেবে একটি ‘আঞ্চলিক দেশে’ অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও হেলিকপ্টারে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে তারা।

 

তবে সেন্টকম দাবি করেছে, তেহরান কুয়েতের দিকে দুটি এবং বাহরাইনের দিকে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল, যার সব কটিই মাঝপথে বিধ্বস্ত হয়েছে অথবা প্রতিহত করা হয়েছে।

 

কয়েক মাস ধরে চলা যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে গত সপ্তাহান্তে অনুষ্ঠিত আলোচনা কোনো অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হয়।

 

এ যুদ্ধবিরতি আলোচনা থমকে থাকার মধ্যেই নতুন করে এ হামলার ঘটনা ঘটল। সেন্টকম বলেছে, কেশম দ্বীপের হামলায় ইরানের একটি সামরিক স্থল নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র নিশানা করা হয়েছিল।

 

এ ছাড়া আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে বৈধভাবে চলাচলকারী বেসামরিক নাবিকদের লক্ষ্য করে ইরান তিনটি ড্রোন ছুড়েছিল, যা মার্কিন বাহিনী গুলি করে নামিয়েছে।

 

ড. খলিলুর রহমানের সাফল্যে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

 

মঙ্গলবার (০২ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া দেওয়া এক পোস্টে এ অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।

 

 

পোস্টে তিনি বলেন, এই অর্জন বিশ্ব মঞ্চে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অবদান ও বিশ্বাসযোগ্যতারই প্রতিফলন।

পোস্টে তিনি আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, তিনি (খলিলুর রহমান) গর্বের সঙ্গে প্রতিনিধিত্ব করবেন এবং বহুপাক্ষিক ও অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সংযোগ, সংলাপ ও সহযোগিতা গড়ে তুলবেন। এই নতুন দায়িত্বে আমরা তার সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করি।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ৯৯ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। মঙ্গলবার হওয়া ভোটাভুটিতে তিনি জয়ী হন।

বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের ৪১তম অধিবেশনে সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার বাংলাদেশের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হলেন।

 

গ্রুপ ‘এইচ’ তে থাকা দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।

 

 

স্পেন চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক উনাই সিমোন, ডেভিড রায়া, জোয়ান গার্সিয়া

ডিফেন্ডার পেদ্রো পোরো, মার্কোস লরেন্তে, আয়মেরিক লাপোর্তে, পাউ কুবারসি, মার্ক পুবিল, এরিক গার্সিয়া, মার্ক কুকুরেয়া, আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো

মিডফিল্ডার রদ্রি (রদ্রিগো হার্নান্দেজ), মার্টিন জুবিমেন্ডি, পেদ্রি গনসালেস, ফাবিয়ান রুইজ, মিকেল মেরিনো, পাবলো পায়েজ ‘গাভি’, আলেক্স বায়েনা

ফরোয়ার্ড মিকেল ওয়ারিয়াবাল, লামিনে ইয়ামাল, ফেরান তোরেস, বোরহা ইগলেসিয়াস, দানি ওলমো, ভিক্টর মুনিয়োস, নিকো উইলিয়ামস, এরেমি পিনো

 

 

সৌদি আরব চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক আহমেদ আল কাসার, মোহাম্মেদ আল ওয়াইস, নাওয়াফ আল আকিদি, আবদুলকুদুস আতিয়া

 

 

ডিফেন্ডার সাউদ আবদুলহামিদ, মোহাম্মেদ আবু আল শামাত, খালিদ আল ঘান্নাম, মোতেব আল হারবি, আবদুল্লাহ আল আমরি, নাওয়াফ বউশাল, জাকারিয়া হাওয়াসাভি, হাসান কাদেশ, আলি লাজামি, আলি মাজারাশি, হাসান তাম্বাকতি, জেহাদ থিকরি

 

 

মিডফিল্ডার নাসের আল দাওসারি, আলা আল হাজ্জি, জিয়াদ আল জোহানি, মুসআব আল জুয়াইর, আবদুল্লাহ আল খাবাইরি, সালেহ আবু আল শামাত, মোহাম্মেদ কান্নো, সুলতান মানদাশ, আয়মান ইয়াহিয়া

 

 

ফরোয়ার্ড ফেরাস আল ব্রিকান, সালেম আল দাওসারি, আবদুল্লাহ আল হামদান, আবদুল্লাহ আল সালেম, সালেহ আল শেহরি

 

 

উরুগুয়ে চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক সান্তিয়াগো মেলে, ফার্নান্দো মুস্লেরা, সার্জিও রোচেত

 

 

ডিফেন্ডার রোনাল্ড আরাউহো, সান্তিয়াগো বুয়েনো, সেবাস্তিয়ান কাসেরেস, হোসে মারিয়া গিমেনেজ, মাতিয়াস অলিভেরা, জোয়াকিন পিকেরেজ, গুইয়ের্মো ভ্যারেলা, মাতিয়াস ভিনা

 

 

মিডফিল্ডার ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো, জর্জিয়ান দে আরাসকায়েতা, রদ্রিগো বেন্টানকুর, আগুস্তিন ক্যানোবিও, নিকোলাস দে লা ক্রুজ, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, ফাকুন্দো পেলিস্ত্রি, ব্রায়ান রদ্রিগেজ, হুয়ান ম্যানুয়েল সানাব্রিয়া, ম্যানুয়েল উগার্তে, ফেদেরিকো ভালভার্দে, রদ্রিগো জালাজার

 

 

ফরোয়ার্ড রদ্রিগো আগুইরে, ফেদেরিকো ভিনাস, ডারউইন নুনিয়েজ

 

 

কাবো ভার্দে চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক ভোজিনহা, মার্সিও রোজা, সি. জে. দোস সান্তোস

 

 

ডিফেন্ডার ডিনে বোর্হেস, সিডনি কাব্রাল, লোগান কস্তা, স্টিভেন মোরেরা, ওয়াগনার পিনা, জোয়াও পাওলো ফার্নান্দেস, রবার্তো ‘পিকো’ লোপেস, কেভিন পিরেস, ইআনিকে ‘স্টোপিরা’ তাভারেস

 

 

মিডফিল্ডার টেলমো আরকানজো, লারোস দুয়ার্তে, ডেরয় দুয়ার্তে, জামিরো মন্টেইরো, কেভিন পিনা, ইয়ানিক সেমেদো

 

 

ফরোয়ার্ড গিলসন বেনচিমল, জোভানে কাব্রাল, নুনো দা কস্তা, দাইলন লিভ্রামেন্তো, রায়ান মেন্দেস, গ্যারি রদ্রিগেস, উইলি সেমেদো, হেলিও ভেরেলা

 

গ্রুপ ‘জি’ তে থাকা দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।

 

 

বেলজিয়াম চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক থিবো কুর্তোয়া, সেনে ল্যামেন্স, মাইক পেন্ডার্স

ডিফেন্ডার টিমোথি কাস্তানিয়ে, জেনো ডেবাস্ট, ম্যাক্সিম ডে কুইপার, কোনি ডে উইন্টার, ব্র্যান্ডন মেখেলে, থমাস মুনিয়ে, নাথান এনগয়, জোয়াকিন সেইস, আর্থার থিয়াতে

মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইনে, আমাদু ওনানা, নিকোলাস রাসকিন, ইউরি টিলেমান্স, হান্স ভানাকেন, অ্যাক্সেল উইটসেল

ফরোয়ার্ড চার্লস ডে কেতেলায়েরে, জেরেমি ডোকু, মাতিয়াস ফার্নান্দেজ-পার্দো, রোমেলু লুকাকু, দোদি লুকেবাকিও, দিয়েগো মোরেইরা, আলেক্সিস সালেমেকার্স, লিয়ান্দ্রো ত্রোসার্ড।

 

 

মিশর চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক মোহামেদ আলা, মোহামেদ এল শেনাওয়ি, মোস্তফা শোবেয়র, এল মাহদি সোলিমান

 

 

ডিফেন্ডার হোসাম আবদেলমাগিদ, মোহামেদ আবদেলমোনেম, তারেক আলা, আহমেদ ফাতহি, কারিম হাফেজ, মোহামেদ হানি, ইয়াসের ইব্রাহিম, রামি রাবিয়া

 

 

মিডফিল্ডার ইমাম আশুর, মারওয়ান আত্তিয়া, নাবিল এমাদ, হামদি ফাথি, হাইথাম হাসান, মোহান্নাদ লাশিন, মাহমুদ সাবের, মাহমুদ হাসান ট্রেজেগুয়েত, মোস্তফা জিকো, আহমেদ সাঈদ জিজো

 

 

ফরোয়ার্ড হামজা আবদুলকরিম, ইব্রাহিম আদেল, ওমর মারমুশ, মোহামেদ সালাহ

 

 

ইরান চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দ, হোসেইন হোসেইনি, পায়াম নিয়াজমান্দ

 

 

ডিফেন্ডার দানিয়াল ইরি, এহসান হাজসাফি, সালেহ হার্দানি, হোসেইন কানানি, শুজা খলিলজাদে, মিলাদ মোহাম্মাদি, আলি নেমাতি, রামিন রেজায়িয়ান

 

 

মিডফিল্ডার রৌজবেহ চেশমি, সাঈদ এজাতোলাহি, মেহদি ঘাইদি, সামান ঘোদ্দোস, মোহাম্মদ ঘোরবানী, আলিরেজা জাহানবাখশ, মোহাম্মদ মোহেবি, আমির মোহাম্মদ রাজাঘিনিয়া, মেহদি তারেমি, আরিয়া ইউসেফি

 

 

ফরোয়ার্ড আলি আলিপুর, ডেনিস দারঘাহি, আমিরহোসেইন হোসেইনজাদে, শাহরিয়ার মোগানলু, মেহদি তারেমি

 

 

নিউজিল্যান্ড চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক ম্যাক্স ক্রোকম্ব, অ্যালেক্স পলসেন, মাইকেল উড

 

 

ডিফেন্ডার টাইলার বিন্ডন, মাইকেল বক্সঅল, লিবারাতো কাকাচে, ফ্রান্সিস দে ভ্রিস, ক্যালান এলিয়ট, টিম পেইন, ন্যান্ডো পাইনাকার, টমি স্মিথ, ফিন সারম্যান

 

 

মিডফিল্ডার ল্যাচলান বেইলিস, জো বেল, ম্যাট গারবেট, এলি জাস্ট, ক্যালাম ম্যাককাওয়াট, বেন ওল্ড, অ্যালেক্স রুফার, মার্কো স্ট্যামেনিচ, স্যারপ্রিত সিং, রায়ান থমাস

 

 

ফরোয়ার্ড কোস্টা বারবারোসেস, জেসি র‍্যান্ডাল, বেন ওয়েইন, ক্রিস উড

 

সব ধরনের পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রস্তুত সেনাবাহিনী: আইআরজিসি

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী আগের তুলনায় বেশি প্রস্তুত এবং ভবিষ্যতের যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্পূর্ণ সক্ষম।

 

 

মঙ্গলবার (২ জুন) ফার্স নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি বলেন, বিদ্যমান সামরিক সক্ষমতার পাশাপাশি শত্রুর সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষ থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতাও ইরানের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।

 

 

তিনি বলেন, শত্রুপক্ষ যদি আবার সামরিক সংঘাতে ফিরে আসে, তাহলে অভিযানের ধরন, যুদ্ধক্ষেত্রের ভৌগোলিক পরিসর এবং ব্যবহৃত অস্ত্র; সবকিছুই ভিন্ন হবে। সম্ভাব্য সব পরিস্থিতির জন্য আইআরজিসি সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

মোহেব্বির দাবি, যুদ্ধবিরতির সময়কে কাজে লাগিয়ে ইরান তার সামরিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করেছে এবং ক্ষয়ক্ষতিও মেরামত করেছে।

তিনি বলেন, বাস্তবতা হলো, যুদ্ধবিরতির সময় আমাদের সামরিক ও অপারেশনাল সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

মোহেব্বি বলেন, সাম্প্রতিক সংঘর্ষের অন্যতম বড় অর্জন হলো শত্রুপক্ষ সম্পর্কে আরও গভীর ও বাস্তবভিত্তিক ধারণা পাওয়া।

 

 

তার ভাষ্য অনুযায়ী, আগে যেসব তথ্য গোয়েন্দা প্রতিবেদন ও গণমাধ্যমের তথ্যের ওপর নির্ভরশীল ছিল, এখন তার সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রের অভিজ্ঞতাও যুক্ত হয়েছে।

 

 

তিনি দাবি করেন, ইরানের বাহিনী এখন শত্রুপক্ষের সামরিক সম্পদ, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ঘাঁটি এবং যুদ্ধকৌশল সম্পর্কে অনেক বেশি নির্ভুল ধারণা রাখে।

 

 

মোহেব্বি বলেন, আজ শত্রুর আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক সরঞ্জাম, প্রতারণামূলক কৌশল এবং সামরিক অভিযানের প্রকৃতি সম্পর্কে আমাদের ধারণা আগের তুলনায় অনেক বেশি স্পষ্ট।

 

 

ইরানের সামরিক শক্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে, এমন দাবিও প্রত্যাখ্যান করেন তিনি। তার মতে, যেসব দাবি করা হচ্ছে, তার বিপরীতে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের নৌবাহিনী ধ্বংস হয়নি এবং দেশের সামরিক সক্ষমতাও কমে যায়নি।

 

 

মোহেব্বি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপক সামরিক শক্তি ব্যবহার করলেও হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। কৌশলগত এই জলপথের ওপর ইরানের সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণ এখনো পুরোপুরি অক্ষুণ্ন রয়েছে।

 

গ্রুপ ‘এফ’ তে থাকা দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।

 

 

নেদারল্যান্ডস চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক মার্ক ফ্লেকেন, রবিন রোয়েফস, বার্থ ফারব্রুগেন

ডিফেন্ডার নাথান আক, ডেনজেল ডামফ্রিস, জোরেল হাটো, জুরিয়েন টিম্বার, ইয়ান পল ভ্যান হেক, ভার্জিল ভ্যান ডাইক, মিকি ভ্যান ডে ভেন

মিডফিল্ডার ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং, মার্টেন ডে রুন, রায়ান গ্রাভেনবার্খ, টেইন কুপমেইনার্স, তিজানি রেইনডার্স, গুস টিল, কুইন্টেন টিম্বার, ম্যাটস উইফার

ফরোয়ার্ড ব্রায়ান ব্রোবি, মেমফিস ডিপাই, কোডি গাকপো, জাস্টিন ক্লুইভার্ট, নোয়া ল্যাং, ডনিয়েল মালেন, ক্রেসেনসিও সামারভিল, ওউট ভেগহর্স্ট

 

 

জাপান চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক তোমোকি হায়াকাওয়া, কেইসুকে ওসাকো, জায়ন সুজুকি

 

 

ডিফেন্ডার কো ইটাকুরা, হিরোকি ইতো, ইউতো নাগাতোমো, আয়ুমু সেকো, ইউকিনারি সুগাওয়ারা, জুনোসুকে সুজুকি, শোগো তানিগুচি, টেকহিরো তমিয়াসু, তসুইয়োশি ওয়াতানাবে

 

 

মিডফিল্ডার রিতসু দোয়ান, ওয়াতারু এন্ডো, জুনিয়া ইতো, দাইচি কামাদা, তাকেফুসা কুবো, কেইতো নাকামুরা, কাইশু সানো, আও তানাকা

 

 

ফরোয়ার্ড কেইসুকে গোটো, দাইজেন মায়েদা, কোকি ওগাওয়া, কেন্তো শিওগাই, ইউইতো সুজুকি, আয়াসে উএদা

 

 

তিউনিশিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক সাবরি বেন হাসান, আবদেলমউহিব চামাখ, আয়মান দাহমেনে

 

 

ডিফেন্ডার আলি আবদি, মোহামেদ আমিন বেন হামিদা, আদেম আরৌস, ডিলান ব্রোন, রায়েদ চিকাহুই, মউতাজ নেফাতি, ওমর রেকিক, মন্তাসার তালবি, ইয়ান ভ্যালেরি

 

 

মিডফিল্ডার মরতাদা বেন ওয়ানেস, আনিস বেন স্লিমান, ইসমাইল ঘারবি, রানি খেদিরা, হাদজ মাহমুদ, হানিবাল মেজব্রি, এলিয়েস স্কিরি

 

 

ফরোয়ার্ড এলিয়াস আচৌরি, খলিল আয়ারি, ফিরাস শাওয়াত, রায়ান এল্লুমি, হাযেম মাস্তুরি, এলিয়াস সাদ, সেবাস্তিয়ান তৌনেকতি

 

 

সুইডেন চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক ভিক্টর ইয়োহানসন, গুস্তাফ লাগারবিয়েলকে, ক্রিস্টোফার নর্ডফেল্ট, জ্যাকব জেটারস্ট্রম

 

 

ডিফেন্ডার হ্যালমার একডাল, গ্যাব্রিয়েল গুডমুন্ডসন, ইসাক হিয়েন, ভিক্টর লিন্ডেলফ, এরিক স্মিথ, কার্ল স্টারফেল্ট, ড্যানিয়েল সুয়েনসন

 

 

মিডফিল্ডার ইয়াসিন আয়ারি, লুকাস বের্গভাল, ইয়েসপার কার্লস্ট্রম, বেঞ্জামিন নাইগ্রেন, কেন সেমা, এলিয়ট স্ট্রাউড, ম্যাটিয়াস স্ভানবার্গ, বেসফর্ট জেনেলি

 

 

ফরোয়ার্ড তাহা আলি, আলেকজান্ডার বার্নহার্ডসন, অ্যান্থনি এলাঙ্গা, ভিক্টর গিয়োকেরেস, আলেকজান্ডার ইসাক, গুস্তাফ নিলসন

 

গ্রুপ ‘ই’ তে থাকা দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।

 

 

জার্মানি চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক অলিভার বাউমান, ম্যানুয়েল নয়্যার, আলেকজান্ডার নুবেল

ডিফেন্ডার ওয়াল্ডেমার আন্তন, নাথানিয়েল ব্রাউন, জশুয়া কিমিখ, ডেভিড রাউম, আন্তোনিও রুডিগার, নিকো শ্লটারবেক, জোনাথন তাহ, মালিক থিয়াও

মিডফিল্ডার নাদিয়েম আমিরি, লেওন গোরেটজকা, পাসকাল গ্রস, লেনার্ট কার্ল, জেমি লেভেলিং, জামাল মুসিয়ালা, ফেলিক্স এনমেচা, আলেকসান্দার পাভলোভিচ, লেরয় সানে, অ্যাঞ্জেলো স্টিলার, ফ্লোরিয়ান ভির্ট্‌জ

ফরোয়ার্ড ম্যাক্সিমিলিয়ান বায়ার, কাই হাভার্টজ, ডেনিজ উন্দাভ, নিক ভোল্টেমেড

 

 

আইভরি কোস্ট চূড়ান্ত স্কোয়াড

 

গোলরক্ষক ইয়াহিয়া ফোফানা, মোহামেদ কোনে, আলবান লাফোঁ

 

 

ডিফেন্ডার এমমানুয়েল আগবাদু, ক্রিস্টোফার ওপেরি, ওসমান দিওমান্দে, গ্যুয়েলা দোয়ে, ঘিসলাঁ কোনান, ওডিলন কসুনু, উইলফ্রিড সিঙ্গো, ইভান এনডিক্কা

 

 

মিডফিল্ডার সেকো ফোফানা, পারফে গুইয়াগন, ক্রিস্ট ইনাওয়া ওলাই, ফ্রাঙ্ক কেসিয়ে, ইব্রাহিম সাঙ্গারে, জ্যাঁ-মিশেল সেরি

 

 

ফরোয়ার্ড সাইমন আদিংরা, আঞ্জ-ইয়োয়ান বনি, আমাদ দিওলো, ওমর দিয়াকিতে, ইয়ান দিওমান্দে, ইভান গুয়েসঁদ, নিকোলাস পেপে, বাজারমানা তুরে, এলিয়ে ওয়াহি

 

 

 

ইকুয়েডর চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক হেরনান গালিন্দেস, গনসালো ভাল্লে, মোইসেস রামিরেস

 

 

ডিফেন্ডার পিয়েরো হিনকাপিয়ে, উইলিয়ান পাচো, পেরভিস এস্তুপিনিয়ান, অ্যাঞ্জেলো প্রেসিয়াদো, জোয়েল অর্দোনিয়েজ, ফেলিক্স তোরেস, জ্যাকসন পোরোজো, ইয়াইমার মেদিনা

 

 

 

মিডফিল্ডার মোইসেস কাইসেদো, অ্যালান ফ্রাঙ্কো, গনসালো প্লাতা, কেন্দ্রি পায়েস, পেদ্রো ভিতে, জর্ডি আলসিভার, ডেনিল কাস্তিলো, জন ইয়েবোয়া, নিলসন আঙ্গুলো, অ্যালান মিন্ডা

 

 

 

 

ফরোয়ার্ড এন্নার ভালেন্সিয়া, কেভিন রদ্রিগেজ, জর্ডি কাইসেদো, অ্যান্থনি ভালেন্সিয়া, জেরেমি আরেভালো

 

 

 

কুরাসাও চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক টাইরিক বডাক, ট্রেভর ডুর্নবুশ, এলয় রুম

 

 

 

ডিফেন্ডার রিশেদলি বাজোয়ার, জোশুয়া ব্রেনেট, রোশন ভ্যান আইজমা, শেরেল ফ্লোরানুস, ডেভেরন ফোনভিল, জুরিয়েন গারি, আরমান্দো ওবিস্পো, শুরান্দি সাম্বো

 

 

মিডফিল্ডার জুনিনহো বাকুনা, লিয়ান্দ্রো বাকুনা, লিভানো কোমেনেনসিয়া, কেভিন ফেলিদা, আরজানি মার্থা, টাইরিস নসলিন, গডফ্রিড রোমেরাতোয়ে

 

 

ফরোয়ার্ড জেরেমি আন্তোনিসে, তাহিথ চং, কেনজি গোরে, সঁতিয়ে হ্যানসেন, জারভেন কাস্তানিয়ার, ব্র্যান্ডলি কুয়াস, জুর্গেন লোকাদিয়া, জার্ল মার্গারিথা

 

 

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে ড. খলিলুর রহমান

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি আগামী এক বছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং জার্মানির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবকের স্থলাভিষিক্ত হবেন।

 

 

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২ জুন) জাতিসংঘের সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের প্রার্থীকে হারিয়ে বিজয়ী হন তিনি।

 

 

জানা যায়, জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ দূত আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস।

 

গ্রুপ ‘ডি’ তে থাকা দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।

 

 

অস্ট্রেলিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ, পল ইজ্জো, ম্যাথিউ রায়ান

ডিফেন্ডার আজিজ বেহিচ, জর্ডান বস, ক্যামেরন বার্গেস, আলেসান্দ্রো সিরকাতি, মিলোস ডেগেনেক, জেসন গেরিয়া, লুকাস হেরিংটন, জ্যাকব ইতালিয়ানো, হ্যারি সাউতার, কাই ট্রেউইন

মিডফিল্ডার ক্যামেরন ডেভলিন, আজদিন হ্রুস্টিচ, জ্যাকসন আরভিন, কনর মেটকাফ, পল ওকন-এংস্টলার, এইডেন ও’নিল

ফরোয়ার্ড নেস্টরি ইরানকুন্ডা, ম্যাথিউ লেকি, আওয়ার মাবিল, মোহামেদ তুরে, নিশান ভেলুপিল্লাই, ক্রিস্টিয়ান ভলপাটো, টেটে ইয়েঙ্গি।

 

 

প্যারাগুয়ে চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিল, রবার্তো ফার্নান্দেস, গাস্তন ওলভেইরা

 

 

ডিফেন্ডার হুয়ান কাসেরেস, গুস্তাভো ভেলাসকেস, গুস্তাভো গোমেস, জুনিয়র আলোনসো, হোসে কানালে, ওমার আলদেরেতে, আলেক্সান্দ্রো মাইদানা, ফাবিয়ান বালবুয়েনা

 

 

মিডফিল্ডার দিয়েগো গোমেস, মৌরিসিও মাগালায়েস, দামিয়ান বোবাডিয়া, ব্রায়ান ওহেদা, আন্দ্রেস কুবাস, মাতিয়াস গালারজা, আলেহান্দ্রো গামাররা

 

 

ফরোয়ার্ড গুস্তাভো কাবালেরো, রামন সোসা, আলেক্স আরসে, ইসিদ্রো পিত্তা, গ্যাব্রিয়েল আভালোস, মিগেল আলমিরন, হুলিও এনসিসো, আন্তোনিও সানাব্রিয়া

 

 

তুর্কি চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক আলতায় বাইয়িন্দির, এরসিন দেস্তানোউলু, মের্ত গুনক, মুহাম্মেদ শেংজের, উগুরচান চাকির

 

 

ডিফেন্ডার আবদুলকেরিম বারদাকচি, আহমেতজান কাপলান, চাগলার সোয়ুনচু, এরেন এলমালি, ফেরদি কাদিওগ্লু, মেরিহ দেমিরাল, মের্ত মুলদুর, মুস্তাফা এস্কিহেল্লাচ, ওজান কাবাক, সামেত আকায়দিন, ইউসুফ আকচিচেক, জেকি চেলিক

 

 

মিডফিল্ডার আতাকান কারাজোর, দেমির এজে তিকনাজ, হাকান চালহানওগ্লু, ইসমাইল ইউকশেক, কান আয়হান, ওরকুন কোকচু, সালিহ ওজকান

 

 

ফরোয়ার্ড আরাল সিমসির, আর্দা গুলের, বারিশ আলপার ইলমাজ, ক্যান উজুন, ডেনিজ গুল, ইরফান কান কাহভেচি, কেনান ইয়িলদিজ, কেরেম আক্তুরকোগলু, ওগুজ আয়দিন, ইউনুস আকগুন, ইউসুফ সারি

 

 

যুক্তরাষ্ট্র চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক ক্রিস ব্র্যাডি, ম্যাট ফ্রিস, ম্যাট টার্নার

 

 

ডিফেন্ডার ম্যাক্স আর্ফস্টেন, সার্জিনো ডেস্ট, অ্যালেক্স ফ্রিম্যান, মার্ক ম্যাকেঞ্জি, টিম রিম, ক্রিস রিচার্ডস, অ্যান্টোনি রবিনসন, মাইলস রবিনসন, জো স্ক্যালি, অস্টন ট্রাস্টি

 

 

মিডফিল্ডার টাইলার অ্যাডামস, সেবাস্তিয়ান বেরহাল্টার, ওয়েস্টন ম্যাককেনি, ক্রিশ্চিয়ান রোলদান, ব্রেন্ডেন অ্যারনসন, ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিক, জিও রেয়না, মালিক টিলম্যান, টিমোথি ওয়াহ, আলেহান্দ্রো জেনদেজাস

 

 

ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুন, রিকার্ডো পেপি, হাজি রাইট।

 

 

গ্রুপ ‘সি’ তে থাকা দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।

 

 

 

ব্রাজিল চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক আলিসন, এদেরসন, ওয়েভারতন

ডিফেন্ডার আলেক্স সান্দ্রো, ব্রেমার, দানিলো, ডগলাস সান্তোস, গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস, ইবানিয়েজ, লেও পেরেইরা, মার্কিনিয়োস, ওয়েসলি

মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারায়েস, কাসেমিরো, দানিলো সান্তোস, ফাবিনিও, লুকাস পাকেতা

ফরোয়ার্ড এন্দ্রিক, গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি, ইগর থিয়াগো, লুইজ হেনরিকে, মাতেউস কুনিয়া, নেইমার জুনিয়র, রাফিনিয়া, রায়ান, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

 

 

হাইতি চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক জোস্যু দুভেরজে, আলেক্সান্দ্রে পিয়ের, জনি প্লাসিদ

 

 

 

ডিফেন্ডার রিকার্দো আডে, কার্লেন্স আর্কুস, হানেস ডেলক্রোয়া, জঁ-কেভিন দুভের্নে, মার্টিন এক্সপেরিয়েন্স, ডিউক ল্যাক্রোয়া, উইলগুয়েন্স পোগাঁ, কেতো থেরমন্সি

 

 

 

মিডফিল্ডার কার্ল ফ্রেড সাঁত, জঁ-রিকনার বেলগার্দ, লেভারটন পিয়ের, ড্যানলি জাঁ জ্যাক, উডেনস্কি পিয়ের, ডমিনিক সাইমন

 

 

 

ফরোয়ার্ড জোস্যু কাসিমির, লুইসিয়াস ডিডসন, ডেরিক এত্যিয়েন জুনিয়র, ইয়াসিন ফর্চুন, উইলসন ইসিডর, লেনি জোসেফ, ডুকেন্স নাজঁ, ফ্রাঁৎসদি পিয়েরে, রুবেন প্রভিদঁস

 

 

 

মরক্কো চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনু, মুনির এল কাজুই, রেদা তাগনাউতি

 

 

 

ডিফেন্ডার নুসাইর মাজরাউই, আনাস সালাহ-এদ্দিন, ইউসুফ বেলামারি, আচরাফ হাকিমি, জাকারিয়া এল ওয়াহদি, নায়েফ আগুয়ের্ড, চাদি রিয়াদ, রেদোয়ান হালহাল, ইসা দিয়োপ

 

 

 

মিডফিল্ডার সামির এল মরাবেত, আয়্যুব বোউআদি, নীল এল আয়নাউই, সোফিয়ান আম্রাবাত, আজজেদিন উনাহি, বিলাল এল খান্নুস, ইসমাইল সাইবারি

 

 

 

ফরোয়ার্ড আবদে এজালজুলি, শেমসদিন তালবি, সুফিয়ান রহিমি, আয়্যুব এল কাবি, ব্রাহিম দিয়াজ, গেসিম ইয়াসিন, আয়ুব আমাইমুনি

 

 

স্কটল্যান্ড চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক ক্রেগ গর্ডন, অ্যাঙ্গাস গান, লিয়াম কেলি

 

 

 

ডিফেন্ডার গ্রান্ট হ্যানলি, জ্যাক হেনড্রি, অ্যারন হিকি, ডম হাইয়াম, স্কট ম্যাককেনা, নাথান প্যাটারসন, অ্যান্থনি রালস্টন, অ্যান্ডি রবার্টসন, জন সাউটার, কিয়েরান টিয়ার্নি

 

 

মিডফিল্ডার রায়ান ক্রিস্টি, ফিন্ডলে কার্টিস, লুইস ফার্গুসন, টাইলার ফ্লেচার, বেন গ্যানন-ডোয়াক, জন ম্যাকগিন, কেনি ম্যাকলিন, স্কট ম্যাকটমিনে

 

 

ফরোয়ার্ড চে অ্যাডামস, লিন্ডন ডাইমন, জর্জ হার্স্ট, লরেন্স শ্যাঙ্কল্যান্ড, রস স্টুয়ার্ট

 

 

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় খালেদা জিয়ার নামে প্রতিষ্ঠানের নামকরণ

কেরানীগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নাম পরিবর্তন করে ‘বেগম খালেদা জিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, কেরানীগঞ্জ’ হিসেবে পুনঃনামকরণের একটি সার-সংক্ষেপ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কর্তৃক সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়। তবে, প্রধানমন্ত্রী এ প্রস্তাবটি অনুমোদন না করে একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত প্রদান করেন।

 

 

তিনি সুস্পষ্টভাবে অনুশাসন দেন যে, ‘প্রয়োজনে নতুন প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করুন, পুরাতন নয়।’ অর্থাৎ, পুরাতন প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন না করে, প্রয়োজনে নতুন কোনো উদ্যোগ বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই নামকরণ বিবেচনা করা যেতে পারে।

 

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

 

One thought on “আ.লীগ নেতাকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

আ.লীগ নেতাকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ

আপডেট টাইম : ১১:৩২:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

আওয়ামী লীগের এক নেতাকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ বলে অভিযোগ তুলেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন।

 

 

 

বুধবার (৩ জুন) ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে এ অভিযোগ করেন রাশেদ খাঁন।

 

 

 

রাশেদ খাঁন বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে হান্নান মাসউদ! গণঅভ্যুত্থানের পরে হান্নান মাসউদের মিটিং শুরু হয় আওয়ামী লীগ নেতাদের দিয়ে। আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তার অসংখ্য মিটিং হয়েছে। পল্টনের হোটেল ফার্সের কয়েকটা টেবিল যেন একপ্রকার হান্নান মাসউদের জন্য বরাদ্দ থাকত।

তিনি বলেন, একবার আওয়ামী লীগের এক এমপিকে ৪ কোটিতে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার আলাপ ওঠে। আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষ করে হান্নান মাসউদ জিসানকে বলে, ‘ভাই, ওরা ১ কোটি দিতে চায়, আপনি ৩ কোটিতে ডিল করেন। ওদের সব কাঁচা টাকা, টাকা-পয়সার দরকার আছে!’ এ কথা শুনে এক ধরনের স্তব্ধ হয়ে যায় জিসান! হান্নান মাসউদের অনেক ঘটনার রাজসাক্ষী হাতিয়ার এই সন্তান আবদুল গাফফার জিসান।

 

স্ট্যাটাসে রাশেদ বলেন, ২৭ জুলাই থেকে রিফাত রশিদ, মাহিন সরকার ও আবদুল গফফার জিসান আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় তাদের সঙ্গে এই ছেলেটি ছিল। ৩ জন সমন্বয়কদের ভিডিও বা ছবি তুলতে ক্যামেরার পেছনের মানুষটিই ছিলেন এই আবদুল গফফার জিসান। জিসান সম্পর্কে রিফাত রশিদ ও মাহিন সরকারকে জিজ্ঞেস করলেও উত্তর পাবেন। জিসানের ছোট ভাই হান্নান মাসউদের বন্ধু। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে এবং শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।

 

 

‘আর জিসান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। হান্নান মাসউদের সঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের পরেও বেশকিছুদিন জিসান ছিল। মূলত গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে জিসান-হান্নান মাসউদকে নিরাপত্তা দেওয়ার কাজেই সঙ্গে থাকত। কিন্তু হান্নান মাসউদের টাকার প্রতি মোহ ও আকস্মিক পরিবর্তন জিসান মেনে নিতে পারেনি। যে কারণে সে আর হান্নান মাসউদের সঙ্গে থাকেনি।’

 

‘আ.লীগ নেতাকে বিমানবন্দরে পৌঁছে দিতে ৩ কোটি দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ’

স্ট্যাটাসের শেষে রাশেদ বলেন, নোয়াখালীর হাতিয়ার আওয়ামী লীগের এমপি মোহাম্মদ আলী যেন ছিল হান্নান মাসউদের এমপি হওয়ার পথের কাঁটা! হান্নান মাসউদ এটা বুঝতে পেরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রভাব খাটিয়ে শুরুতেই তাকে গ্রেপ্তার করাতে ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন জায়গায় মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে বক্তব্যও দিয়েছে হান্নান মাসউদ। ঘরোয়া আলাপে সে বলেছে, নোয়াখালীর যত আওয়ামী লীগ আছে, কারও সঙ্গে আমার কোনো দ্বন্দ্ব নেই। আমার একমাত্র দ্বন্দ্ব মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে। এমনকি বিভিন্ন আলাপে সে লোকজনকে বোঝাতে চেয়েছে, নোয়াখালীর এমপি হতে কোয়ালিটি ও কোয়ানটিটিতে তাকে মোহাম্মদ আলীর মতো অর্থবিত্তের মালিক হতে হবে।

 

কাস্টম হাউসে হয়রানির অভিযোগ, রুলিং মানা হচ্ছে না

কাস্টম হাউস নাকি হয়রানির কেন্দ্র?

শিল্পের কাজে ব্যবহারের জন্য রক সল্ট আমদানি করে ওয়ারদা অ্যান্ড জুবায়ের এগ্রো ইন্ডাস্ট্রি। হুট করে গত ৪ মে বিল অব এন্ট্রি সাবমিট করার পর প্রতিষ্ঠানটির পণ্যের চালান আটকে দেন চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কর্মকর্তারা। চালানটি আটকে রেখে শিল্প মন্ত্রণালয় ও লবণ নীতিসহ নানা প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্যতা চাওয়া হয়। যদিও কাস্টমসে এ ধরনের কোনো আইন রয়েছে বলে আমদানিকারককে দেখাতে পারেননি শুল্ক কর্মকর্তারা। তবু পণ্য চালানটি আটকে রেখে শুরু হয় নানা টালবাহানা। পরে উপায় না দেখে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয় প্রতিষ্ঠানটি এবং আদালতে রায় প্রতিষ্ঠানটির পক্ষেই আসে। তবে ঈদুল আজহার আগে পক্ষে রায় পেলেও পণ্যের চালানটি খালাস করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। কৌশলে আদালতের রায়ের কপি গ্রহণ না করে কমিশনার ঈদের ছুটিতে ঢাকায় চলে আসেন। এরই মধ্যে পণ্যের চালানের দামের তুলনায় প্রায় দিগুণ হয়ে গেছে পোর্ট চার্জ। কাঁচামাল আটকে যাওয়ায় বাধাগ্রস্ত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন। এ কারণে ঈদে কর্মচারীদের ঠিকমতো বেতন-বোনাস পর্যন্ত দিতে পারেননি প্রতিষ্ঠানটির মালিক। এভাবে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে প্রতিদিনই হয়রানির শিকার হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এটা যেন কাস্টম হাউস নয়, এ যেন এক হয়রানির আঁতুড়ঘর।

 

 

 

সরেজমিন ঘুরে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে আমদানিকারকদের হয়রানির এমন ঘটনা আরও পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস দিয়ে স্টিল স্ট্রাকচার আমদানি করেন এক আমদানিকারক। প্রথমবারের মতো আমদানি করা পণ্যে চালানটি আটকে দেয় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অডিট ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ উইং (এআইআর) শাখা। স্টিল স্ট্রাকচার নিয়ে এর আগে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অ্যাসেসমেন্ট কমিটির সিদ্ধান্ত রয়েছে। এ ছাড়া কাস্টম হাউসের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) একটি নির্দেশনাও রয়েছে। এর বাইরেও ওয়ার্ল্ড কাস্টম অর্গানাইজেশনের একটি ব্যাখ্যা রয়েছে। এতকিছুর পরও এআইআর শাখার কর্মকর্তাদের মনে হয়েছে স্টিলের স্ট্রাকচারটি ফার্নিচার পার্টসের এইচএস কোড অনুযায়ী শুল্কায়ন হবে। এরপর সব আইনের ঊর্ধ্বে উঠে কর্মকর্তারা সেই অনুযায়ী শুল্কায়নের জন্য রিপোর্ট দেন এবং প্রতিষ্ঠানটি রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে বলেও সুপারিশ করেন। প্রতিষ্ঠানটি এনবিআরের রুলিং দেখানোর পর পণ্য চালানটি আটকে রাখতে নতুন যুক্তি উপস্থাপন করেন কর্মকর্তারা—এটা রুলিংয়ের সঙ্গে যায় না। কর্মকর্তাদের নতুন যুক্তি, রুলিংয়ে একই পণ্য আলাদা তিনটি কনটেইনারে আনা হয়েছিল। এ চালানে একটি কনটেইনার, তাই এইচএস কোড পরিবর্তন হয়েছে। আর এতে মিথ্যা ঘোষণা হয়েছে। এ ছাড়া এনবিআরের এ রুলিং সঠিক নয় বলেও দাবি করেন কর্মকর্তারা। যদিও রুলিং সঠিক নয়—এ কথা আনুষ্ঠানিকভাবে বলতে রাজি নন এআইআরের উপকমিশনার। সর্বশেষ নিজেদের সিদ্ধান্তে অটল থেকেই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন শুল্ক কর্মকর্তারা। এতে আমদানিকারকের মাত্র আঠারো হাজার ডলারের পণ্য এখন দেড় কোটির ঘরে গিয়ে ঠেকেছে। মজার বিষয় হলো, স্টিল স্ট্রাকচার শুল্ক কর্মকর্তাদের বদৌলতে হয়ে গেল ফার্নিচার পার্টস, আর আমদানিকারক রাতারাতি হয়ে গেল শুল্ক ফাঁকিবাজ।

 

 

 

অভিযোগ রয়েছে, এভাবেই প্রতিনিয়ত ছোট ব্যবসায়ীদের হয়রানি করেন এআইআর শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা আসাদ ও আরেফিন। তাদের টিম লিডার হিসেবে আছেন এআইআর শাখার উপকমিশনার তারেক মাহমুদ। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে এআইআরের দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং সদ্য সাময়িক বরখাস্তের আদেশ থেকে মুক্তি পাওয়া চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার আমীমুল ইহসানের সঙ্গে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে গিয়ে সাক্ষাৎ করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সময়ে ফোনে একাধিকবার কল দিয়েও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এমনকি মোবাইল ফোনে খুদে বার্তা পাঠিয়েও তার সাড়া মেলেনি। পরবর্তী সময়ে এআইআর শাখার উপকমিশনার তারেক মাহমুদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি কালবেলাকে বলেন, ওয়ার্ল্ড কাস্টম অর্গানাইজেশনের ব্যাখ্যা মানার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে বাংলাদেশে মানা হয়। আর এনবিআরের রুলিং মানার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে স্টিল স্ট্রাকচারের চালানটি এ রুলিংয়ে যথাযথ নয়। কারণ হিসেবে ওই কর্মকর্তা বলেন, রুলিংয়ে যে পণ্য চালানের বিষয়টি ছিল ওখানে তিনটি আলাদা আলাদা পণ্য চালান ছিল। আর এটি একটি পণ্য চালান। যেহেতু তিনটি নয়; তাই এ সুবিধা এ আমদানিকারক পাবেন না।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে আটকে রাখার জন্য এ ধরনের আরও উদ্ভট কিছু যুক্তিও মিলেছে বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান ওয়ারদা অ্যান্ড জুবায়ের ইন্ডাস্ট্রিজের শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে রক সল্ট আমদানির ক্ষেত্রে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ ইয়াছির আরাফাত কালবেলাকে বলেন, প্রায় এক মাসের কাছাকাছি হয়ে গেছে পণ্য চালানটি আটকে রেখেছে কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ। আমরা বিডা নিবন্ধিত একটি প্রতিষ্ঠান। বিডার অনুমতি সাপেক্ষে আমরা আমদানি করে থাকি। আমদানি নীতি আদেশেও কোনো বাধা নেই। অযথাই হয়রানি করে আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। কমিশনারের মেইলে আদেশের মূল কপি পাঠানো হলেও তিনি রিসিভ করেননি ঈদের আগে। এরই মধ্যে পণ্য চালানটির দামের প্রায় দ্বিগুণ পোর্ট চার্জ এখন পরিশোধ করতে হবে। আর উৎপাদন এবং কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হওয়ায় ঈদের আগে আমি ঠিকমতো কর্মচারীদের বেতন-বোনাস দিতে পারিনি।

 

শুধু এ দুটি প্রতিষ্ঠান নয়, শিল্প প্রতিষ্ঠানের পণ্য চালানও আটকে রাখার অভিযোগ রয়েছে। জানা গেছে, সব নিয়ম মেনে আমদানি করা ঢাকার একটি বন্ডেড প্রতিষ্ঠানের তিন কনটেইনার পণ্য আটকে দেন চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কমিশনার মুহা. মাহবুবুর রহমান। বৃষ্টির মধ্যে ট্রাকে লোড হওয়া পণ্য নষ্ট হলেও সর্বশেষ আট দিন পর ছেড়ে দেন। পরবর্তী সময়ে আরেকটি বন্ডেড পণ্যের চালান আটক করলেও পরে অদৃশ্য কারণে ছেড়েও দেন। এ ছাড়া এ কমিশনার নির্ধারিত সময়ের আগেই অফিস ত্যাগ করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয়ে কথা বলতে সরাসরি এবং ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া হয়রানির নানা অভিযোগের কথা উল্লেখ করে এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খানের বক্তব্য জানতে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানোর পর তিনি বার্তা দেখলেও কোনো বক্তব্য দেননি।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের এআইআর টিমের বিরুদ্ধে পান থেকে চুন খসলেই ছোট ব্যবসায়ীদের আইনি ঝামেলায় ফেলার অভিযোগ বেশ পুরোনো। বিগত দিনে কেমিক্যাল থেকে শুরু করে অবৈধ সিগারেট আমদানি বন্ধে তৎপর হলেও বর্তমান টিম রহস্যজনক কারণে ঠুঁটো জগন্নাথের ভূমিকা পালন করছে। বিভিন্ন কাস্টম হাউসে শিট নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠলে এসব ক্ষেত্রেও এআইআর টিম যেন নীরব দর্শক। এ ছাড়া আরও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে এ টিমের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, রাজস্ব কর্মকর্তা আসাদ ও আরেফিনের নেতৃত্বে ল্যাপটপের ব্যাটারির গ্রুপ দিয়ে অন্য পণ্যের চালান গেলেও আসাদ নিজে গিয়ে দেখেও তা ছেড়ে দেন। এক্ষেত্রে কোনো ধরনের ফাইন্ডিং নেই। মূলত বড় বড় আমদানিকারকের পরিবর্তে এ টিমের নজর ছোট ব্যবসায়ীদের দিকে। এতে বাইরে আলোচনা হবে—খুব কড়া কাস্টম হাউসের এ এআইআর টিম। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে এআইআর টিমের রাজস্ব কর্মকর্তা আসাদকে গতকাল সোমবার দফায় দফায় ফোন দিয়েও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

 

 

কাস্টমসে হয়রানির শিকার হওয়া ব্যবসায়ীদের মধ্যে রয়েছেন বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমও। এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বিকেএমইএ সভাপতি রিনিউয়েবল এনার্জির প্লান্ট করতে পণ্য আমদানি করেন। প্রথম দিকে সোলার নিয়ে এলে সহজেই শুল্ক কর্মকর্তারা ছেড়ে দেন। তবে স্ট্রাকচার আনার পর আটকে দেয় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ। এ পণ্য চালানটি খালাস করতে ব্যবসায়ী নেতা হওয়ার পরও বেশ বেগ পেতে হয়েছে মোহাম্মদ হাতেমের। আর সময় লেগেছে প্রায় পনেরো দিন এবং এনবিআরের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দ্বারস্থ হতে হয়েছে। একই সঙ্গে গুনতে হয়েছে পোর্টের বড় অঙ্কের ডেমারেজ।

 

 

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম কালবেলাকে বলেন, প্রথম দিকে সোলার সহজে খালাস হলেও পরবর্তী সময়ে স্ট্রাকচার আটকে দেয় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। এ চালানটির জন্য আমাকে এনবিআরের দ্বারস্থ হতে হয়েছে প্রজ্ঞাপন থাকার পরও। আর এ কারণে আমাকে পোর্ট ডেমারেজ দিতে হয়েছে ৩৫ লাখ টাকা।

 

সুত্র: দৈনিক কালবেলা

 

 

লোকনাথ ব্রহ্মচারীর তীরোধান দিবসে বারদী আশ্রমে দর্শনার্থীর ভীড়

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ভক্তি আর আধ্যাত্মিক আবহে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ঐতিহাসিক বারদী আশ্রমে শুরু হয়েছে উপমহাদেশের প্রখ্যাত সাধক শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩৬তম তীরোধান উৎসব।

 

বুধবার (৩ জুন) দেশ-বিদেশ থেকে আসা লাখো ভক্তের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো বারদী এলাকা। তিন দিনব্যাপী এ ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে আশ্রম প্রাঙ্গণে বিরাজ করছে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ। ভোর থেকেই ভক্তরা আশ্রমে সমবেত হয়ে পূজা-অর্চনা, প্রার্থনা ও নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন। আশ্রমের বিভিন্ন স্থাপনা বর্ণিল আলোকসজ্জা ও নান্দনিক সাজে সজ্জিত করা হয়েছে, যা ভক্ত ও দর্শনার্থীদের বাড়তি আকর্ষণ যোগ করেছে।

 

উৎসবে অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও প্রতিবেশী ভারতসহ বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে হাজার হাজার লোকনাথ ভক্ত বারদীতে ছুটে এসেছেন। তাদের জন্য আশ্রম কর্তৃপক্ষ তীর্থ নিবাসসহ বিভিন্ন স্থানে আবাসন ও খাবারের বিশেষ ব্যবস্থা করেছে।

 

তিরোধান উৎসব উপলক্ষে বারদী এলাকায় বসেছে সাত দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী মেলা। মেলায় বিভিন্ন ধরনের লোকজ পণ্য, ধর্মীয় সামগ্রী ও গ্রামীণ সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ স্থান পেয়েছে। ফলে ধর্মীয় আয়োজনের পাশাপাশি উৎসবটি পরিণত হয়েছে এক মিলনমেলায়।

 

উৎসবের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে পূজা-অর্চনা, ঊষাকীর্তন, গীতা পাঠ, বাল্যভোগ ও রাজভোগ বিতরণ, প্রসাদ বিতরণ, ধর্মীয় আলোচনা, ভক্তিমূলক সংগীত এবং সন্ধ্যাকালীন কীর্তন। এসব আয়োজনে অংশ নিয়ে ভক্তরা মহাসাধকের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন এবং নিজেদের ও পরিবারের কল্যাণ কামনা করছেন। উৎসবকে কেন্দ্র করে গ্রহণ করা হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

 

 

মঙ্গলবার আশ্রম এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ ব্রিফিং ও প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী।

 

তিনি বলেন, উৎসবস্থলে পুলিশ, র‍্যাব, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ছয় শতাধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি সিসিটিভির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি, মেঘনা নদীতে নৌ-পুলিশের টহল এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

 

সোনারগাঁ থানার ওসি গোলাম সারোয়ার বলেন, ভক্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। উৎসব চলাকালে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে।

 

বারদী লোকনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শংকর কুমার দে বলেন, উৎসবের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আসা ভক্তরা যাতে নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে আশ্রম কর্তৃপক্ষ সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

 

সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাত বলেন, উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভক্তদের নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

 

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী বলেন, উৎসবস্থলে পুলিশ, র‍্যাব, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ছয় শতাধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি সিসিটিভির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি, মেঘনা নদীতে নৌ-পুলিশের টহল এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

 

হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ১৭৩০ খ্রিস্টাব্দে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কচুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মহাসাধক লোকনাথ ব্রহ্মচারী। দীর্ঘ সাধনা, ত্যাগ ও মানবসেবার মাধ্যমে তিনি আধ্যাত্মিক জগতে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেন। জীবনের শেষ ২৬ বছর তিনি সোনারগাঁয়ের বারদীতে অবস্থান করেন। বাংলা ১২৯৭ সালের ১৯ জ্যৈষ্ঠ বারদী আশ্রমেই তার মহাপ্রয়াণ ঘটে। সেই স্মৃতিকে ধারণ করেই প্রতিবছর ১৯ জ্যৈষ্ঠ পালিত হয় তার তীরোধান উৎসব।

 

ভক্তদের বিশ্বাস, মানবতা, প্রেম ও সেবার যে বাণী লোকনাথ ব্রহ্মচারী রেখে গেছেন, তা আজও মানুষকে আলোকিত পথের সন্ধান দেয়। আর সেই বিশ্বাসের টানেই প্রতি বছর লাখো ভক্ত সমবেত হন বারদীর এই পবিত্র তীর্থভূমিতে।

বিদ্যুতের মুল্য বাড়তে পারে ১৫-২০ শতাংশ

পরপরই বাড়তি খরচের নতুন চাপের মুখে পড়তে পারেন বিদ্যুৎ গ্রাহকেরা। আজ বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার ঘোষণা করতে যাচ্ছে।

 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। তবে স্বল্প আয়ের গ্রাহকদের জন্য চালু থাকা ‘লাইফ লাইন’ সুবিধায় আপাতত কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না।

 

বিইআরসির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বুধবার সকাল ১১টায় কমিশনের কারিগরি কমিটির বৈঠকে ইউনিটপ্রতি মূল্যবৃদ্ধির হার চূড়ান্ত করা হবে। এরপর বিকেলে নতুন ট্যারিফ ঘোষণা করা হতে পারে।

 

সূত্র জানায়, নতুন মূল্যহার জুন থেকে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

 

বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, কারিগরি কমিটি বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে এবং আজই এ বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে।

 

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত পূরণ এবং জ্বালানি খাতে ভর্তুকি কমানোর অংশ হিসেবেই এ মূল্য সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

এর আগে একটি মন্ত্রিসভা কমিটি ইউনিটপ্রতি ১ থেকে ১ দশমিক ৫০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর সুপারিশ করে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুতের দাম বাড়লে এর প্রভাব শুধু বিদ্যুৎ বিলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; শিল্প-কারখানা, সেচ, পরিবহন, কোল্ড স্টোরেজসহ প্রায় সব খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে। ফলে নিত্যপণ্যের বাজারেও চাপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

এরই মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও পরিবহন ব্যয় বাড়ায় বাজারে নিত্যপণ্যের মূল্যও ঊর্ধ্বমুখী। এখন বিদ্যুতের নতুন মূল্য কার্যকর হলে মূল্যস্ফীতির ওপর আরও চাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা অর্থনীতিবিদদের।

 

বিদ্যুৎ খাতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম, ডলারের বিনিময় হার এবং এলএনজি, কয়লা ও তেল আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। একইসঙ্গে ভর্তুকির চাপও বৃদ্ধি পেয়েছে।

 

বিইআরসির গণশুনানিতে বিভিন্ন বিতরণ কোম্পানি খুচরা পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। পরে কারিগরি দল গড়ে ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ২৫ পয়সা বৃদ্ধির সুপারিশ করে, যা কমিশন গ্রহণ করতে পারে বলে জানা গেছে।

 

সূত্র আরও জানায়, ২০০ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারীদের জন্য তুলনামূলক কম হারে মূল্যবৃদ্ধি এবং এর বেশি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ধাপে ধাপে হার বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, লোকসান কমানো এবং ভর্তুকি হ্রাসের লক্ষ্যেই এ সমন্বয় করা হচ্ছে।

 

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সিস্টেম লস, ক্যাপাসিটি চার্জ ও অদক্ষতা নিয়ন্ত্রণ ছাড়া মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ গ্রাহকের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে।

 

ভোক্তা সংগঠনগুলোও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির বিরোধিতা করে বলছে, এতে জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়বে এবং সীমিত আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

সূত্র: বাংলানিউজ

 

 

যুদ্ধবিরতি আলোচনা স্থবির: যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা

মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে চলমান আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানে নতুন করে ‘আত্মরক্ষামূলক’ হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন জাহাজ ও উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে ছোড়া ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে তারা।

 

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের হামলার চেষ্টার জবাবে হরমুজ প্রণালীর কেশম দ্বীপে (ইরানের বৃহত্তম দ্বীপ) এ হামলা চালানো হয়েছে।

 

এদিকে ইরান বলেছে, প্রতিশোধ হিসেবে একটি ‘আঞ্চলিক দেশে’ অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও হেলিকপ্টারে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে তারা।

 

তবে সেন্টকম দাবি করেছে, তেহরান কুয়েতের দিকে দুটি এবং বাহরাইনের দিকে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল, যার সব কটিই মাঝপথে বিধ্বস্ত হয়েছে অথবা প্রতিহত করা হয়েছে।

 

কয়েক মাস ধরে চলা যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে গত সপ্তাহান্তে অনুষ্ঠিত আলোচনা কোনো অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হয়।

 

এ যুদ্ধবিরতি আলোচনা থমকে থাকার মধ্যেই নতুন করে এ হামলার ঘটনা ঘটল। সেন্টকম বলেছে, কেশম দ্বীপের হামলায় ইরানের একটি সামরিক স্থল নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র নিশানা করা হয়েছিল।

 

এ ছাড়া আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে বৈধভাবে চলাচলকারী বেসামরিক নাবিকদের লক্ষ্য করে ইরান তিনটি ড্রোন ছুড়েছিল, যা মার্কিন বাহিনী গুলি করে নামিয়েছে।

 

ড. খলিলুর রহমানের সাফল্যে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

 

মঙ্গলবার (০২ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া দেওয়া এক পোস্টে এ অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।

 

 

পোস্টে তিনি বলেন, এই অর্জন বিশ্ব মঞ্চে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অবদান ও বিশ্বাসযোগ্যতারই প্রতিফলন।

পোস্টে তিনি আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, তিনি (খলিলুর রহমান) গর্বের সঙ্গে প্রতিনিধিত্ব করবেন এবং বহুপাক্ষিক ও অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সংযোগ, সংলাপ ও সহযোগিতা গড়ে তুলবেন। এই নতুন দায়িত্বে আমরা তার সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করি।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ৯৯ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। মঙ্গলবার হওয়া ভোটাভুটিতে তিনি জয়ী হন।

বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের ৪১তম অধিবেশনে সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার বাংলাদেশের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হলেন।

 

গ্রুপ ‘এইচ’ তে থাকা দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।

 

 

স্পেন চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক উনাই সিমোন, ডেভিড রায়া, জোয়ান গার্সিয়া

ডিফেন্ডার পেদ্রো পোরো, মার্কোস লরেন্তে, আয়মেরিক লাপোর্তে, পাউ কুবারসি, মার্ক পুবিল, এরিক গার্সিয়া, মার্ক কুকুরেয়া, আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো

মিডফিল্ডার রদ্রি (রদ্রিগো হার্নান্দেজ), মার্টিন জুবিমেন্ডি, পেদ্রি গনসালেস, ফাবিয়ান রুইজ, মিকেল মেরিনো, পাবলো পায়েজ ‘গাভি’, আলেক্স বায়েনা

ফরোয়ার্ড মিকেল ওয়ারিয়াবাল, লামিনে ইয়ামাল, ফেরান তোরেস, বোরহা ইগলেসিয়াস, দানি ওলমো, ভিক্টর মুনিয়োস, নিকো উইলিয়ামস, এরেমি পিনো

 

 

সৌদি আরব চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক আহমেদ আল কাসার, মোহাম্মেদ আল ওয়াইস, নাওয়াফ আল আকিদি, আবদুলকুদুস আতিয়া

 

 

ডিফেন্ডার সাউদ আবদুলহামিদ, মোহাম্মেদ আবু আল শামাত, খালিদ আল ঘান্নাম, মোতেব আল হারবি, আবদুল্লাহ আল আমরি, নাওয়াফ বউশাল, জাকারিয়া হাওয়াসাভি, হাসান কাদেশ, আলি লাজামি, আলি মাজারাশি, হাসান তাম্বাকতি, জেহাদ থিকরি

 

 

মিডফিল্ডার নাসের আল দাওসারি, আলা আল হাজ্জি, জিয়াদ আল জোহানি, মুসআব আল জুয়াইর, আবদুল্লাহ আল খাবাইরি, সালেহ আবু আল শামাত, মোহাম্মেদ কান্নো, সুলতান মানদাশ, আয়মান ইয়াহিয়া

 

 

ফরোয়ার্ড ফেরাস আল ব্রিকান, সালেম আল দাওসারি, আবদুল্লাহ আল হামদান, আবদুল্লাহ আল সালেম, সালেহ আল শেহরি

 

 

উরুগুয়ে চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক সান্তিয়াগো মেলে, ফার্নান্দো মুস্লেরা, সার্জিও রোচেত

 

 

ডিফেন্ডার রোনাল্ড আরাউহো, সান্তিয়াগো বুয়েনো, সেবাস্তিয়ান কাসেরেস, হোসে মারিয়া গিমেনেজ, মাতিয়াস অলিভেরা, জোয়াকিন পিকেরেজ, গুইয়ের্মো ভ্যারেলা, মাতিয়াস ভিনা

 

 

মিডফিল্ডার ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো, জর্জিয়ান দে আরাসকায়েতা, রদ্রিগো বেন্টানকুর, আগুস্তিন ক্যানোবিও, নিকোলাস দে লা ক্রুজ, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, ফাকুন্দো পেলিস্ত্রি, ব্রায়ান রদ্রিগেজ, হুয়ান ম্যানুয়েল সানাব্রিয়া, ম্যানুয়েল উগার্তে, ফেদেরিকো ভালভার্দে, রদ্রিগো জালাজার

 

 

ফরোয়ার্ড রদ্রিগো আগুইরে, ফেদেরিকো ভিনাস, ডারউইন নুনিয়েজ

 

 

কাবো ভার্দে চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক ভোজিনহা, মার্সিও রোজা, সি. জে. দোস সান্তোস

 

 

ডিফেন্ডার ডিনে বোর্হেস, সিডনি কাব্রাল, লোগান কস্তা, স্টিভেন মোরেরা, ওয়াগনার পিনা, জোয়াও পাওলো ফার্নান্দেস, রবার্তো ‘পিকো’ লোপেস, কেভিন পিরেস, ইআনিকে ‘স্টোপিরা’ তাভারেস

 

 

মিডফিল্ডার টেলমো আরকানজো, লারোস দুয়ার্তে, ডেরয় দুয়ার্তে, জামিরো মন্টেইরো, কেভিন পিনা, ইয়ানিক সেমেদো

 

 

ফরোয়ার্ড গিলসন বেনচিমল, জোভানে কাব্রাল, নুনো দা কস্তা, দাইলন লিভ্রামেন্তো, রায়ান মেন্দেস, গ্যারি রদ্রিগেস, উইলি সেমেদো, হেলিও ভেরেলা

 

গ্রুপ ‘জি’ তে থাকা দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।

 

 

বেলজিয়াম চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক থিবো কুর্তোয়া, সেনে ল্যামেন্স, মাইক পেন্ডার্স

ডিফেন্ডার টিমোথি কাস্তানিয়ে, জেনো ডেবাস্ট, ম্যাক্সিম ডে কুইপার, কোনি ডে উইন্টার, ব্র্যান্ডন মেখেলে, থমাস মুনিয়ে, নাথান এনগয়, জোয়াকিন সেইস, আর্থার থিয়াতে

মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইনে, আমাদু ওনানা, নিকোলাস রাসকিন, ইউরি টিলেমান্স, হান্স ভানাকেন, অ্যাক্সেল উইটসেল

ফরোয়ার্ড চার্লস ডে কেতেলায়েরে, জেরেমি ডোকু, মাতিয়াস ফার্নান্দেজ-পার্দো, রোমেলু লুকাকু, দোদি লুকেবাকিও, দিয়েগো মোরেইরা, আলেক্সিস সালেমেকার্স, লিয়ান্দ্রো ত্রোসার্ড।

 

 

মিশর চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক মোহামেদ আলা, মোহামেদ এল শেনাওয়ি, মোস্তফা শোবেয়র, এল মাহদি সোলিমান

 

 

ডিফেন্ডার হোসাম আবদেলমাগিদ, মোহামেদ আবদেলমোনেম, তারেক আলা, আহমেদ ফাতহি, কারিম হাফেজ, মোহামেদ হানি, ইয়াসের ইব্রাহিম, রামি রাবিয়া

 

 

মিডফিল্ডার ইমাম আশুর, মারওয়ান আত্তিয়া, নাবিল এমাদ, হামদি ফাথি, হাইথাম হাসান, মোহান্নাদ লাশিন, মাহমুদ সাবের, মাহমুদ হাসান ট্রেজেগুয়েত, মোস্তফা জিকো, আহমেদ সাঈদ জিজো

 

 

ফরোয়ার্ড হামজা আবদুলকরিম, ইব্রাহিম আদেল, ওমর মারমুশ, মোহামেদ সালাহ

 

 

ইরান চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দ, হোসেইন হোসেইনি, পায়াম নিয়াজমান্দ

 

 

ডিফেন্ডার দানিয়াল ইরি, এহসান হাজসাফি, সালেহ হার্দানি, হোসেইন কানানি, শুজা খলিলজাদে, মিলাদ মোহাম্মাদি, আলি নেমাতি, রামিন রেজায়িয়ান

 

 

মিডফিল্ডার রৌজবেহ চেশমি, সাঈদ এজাতোলাহি, মেহদি ঘাইদি, সামান ঘোদ্দোস, মোহাম্মদ ঘোরবানী, আলিরেজা জাহানবাখশ, মোহাম্মদ মোহেবি, আমির মোহাম্মদ রাজাঘিনিয়া, মেহদি তারেমি, আরিয়া ইউসেফি

 

 

ফরোয়ার্ড আলি আলিপুর, ডেনিস দারঘাহি, আমিরহোসেইন হোসেইনজাদে, শাহরিয়ার মোগানলু, মেহদি তারেমি

 

 

নিউজিল্যান্ড চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক ম্যাক্স ক্রোকম্ব, অ্যালেক্স পলসেন, মাইকেল উড

 

 

ডিফেন্ডার টাইলার বিন্ডন, মাইকেল বক্সঅল, লিবারাতো কাকাচে, ফ্রান্সিস দে ভ্রিস, ক্যালান এলিয়ট, টিম পেইন, ন্যান্ডো পাইনাকার, টমি স্মিথ, ফিন সারম্যান

 

 

মিডফিল্ডার ল্যাচলান বেইলিস, জো বেল, ম্যাট গারবেট, এলি জাস্ট, ক্যালাম ম্যাককাওয়াট, বেন ওল্ড, অ্যালেক্স রুফার, মার্কো স্ট্যামেনিচ, স্যারপ্রিত সিং, রায়ান থমাস

 

 

ফরোয়ার্ড কোস্টা বারবারোসেস, জেসি র‍্যান্ডাল, বেন ওয়েইন, ক্রিস উড

 

সব ধরনের পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রস্তুত সেনাবাহিনী: আইআরজিসি

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী আগের তুলনায় বেশি প্রস্তুত এবং ভবিষ্যতের যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্পূর্ণ সক্ষম।

 

 

মঙ্গলবার (২ জুন) ফার্স নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি বলেন, বিদ্যমান সামরিক সক্ষমতার পাশাপাশি শত্রুর সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষ থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতাও ইরানের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।

 

 

তিনি বলেন, শত্রুপক্ষ যদি আবার সামরিক সংঘাতে ফিরে আসে, তাহলে অভিযানের ধরন, যুদ্ধক্ষেত্রের ভৌগোলিক পরিসর এবং ব্যবহৃত অস্ত্র; সবকিছুই ভিন্ন হবে। সম্ভাব্য সব পরিস্থিতির জন্য আইআরজিসি সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

মোহেব্বির দাবি, যুদ্ধবিরতির সময়কে কাজে লাগিয়ে ইরান তার সামরিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করেছে এবং ক্ষয়ক্ষতিও মেরামত করেছে।

তিনি বলেন, বাস্তবতা হলো, যুদ্ধবিরতির সময় আমাদের সামরিক ও অপারেশনাল সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

মোহেব্বি বলেন, সাম্প্রতিক সংঘর্ষের অন্যতম বড় অর্জন হলো শত্রুপক্ষ সম্পর্কে আরও গভীর ও বাস্তবভিত্তিক ধারণা পাওয়া।

 

 

তার ভাষ্য অনুযায়ী, আগে যেসব তথ্য গোয়েন্দা প্রতিবেদন ও গণমাধ্যমের তথ্যের ওপর নির্ভরশীল ছিল, এখন তার সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রের অভিজ্ঞতাও যুক্ত হয়েছে।

 

 

তিনি দাবি করেন, ইরানের বাহিনী এখন শত্রুপক্ষের সামরিক সম্পদ, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ঘাঁটি এবং যুদ্ধকৌশল সম্পর্কে অনেক বেশি নির্ভুল ধারণা রাখে।

 

 

মোহেব্বি বলেন, আজ শত্রুর আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক সরঞ্জাম, প্রতারণামূলক কৌশল এবং সামরিক অভিযানের প্রকৃতি সম্পর্কে আমাদের ধারণা আগের তুলনায় অনেক বেশি স্পষ্ট।

 

 

ইরানের সামরিক শক্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে, এমন দাবিও প্রত্যাখ্যান করেন তিনি। তার মতে, যেসব দাবি করা হচ্ছে, তার বিপরীতে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের নৌবাহিনী ধ্বংস হয়নি এবং দেশের সামরিক সক্ষমতাও কমে যায়নি।

 

 

মোহেব্বি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপক সামরিক শক্তি ব্যবহার করলেও হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। কৌশলগত এই জলপথের ওপর ইরানের সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণ এখনো পুরোপুরি অক্ষুণ্ন রয়েছে।

 

গ্রুপ ‘এফ’ তে থাকা দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।

 

 

নেদারল্যান্ডস চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক মার্ক ফ্লেকেন, রবিন রোয়েফস, বার্থ ফারব্রুগেন

ডিফেন্ডার নাথান আক, ডেনজেল ডামফ্রিস, জোরেল হাটো, জুরিয়েন টিম্বার, ইয়ান পল ভ্যান হেক, ভার্জিল ভ্যান ডাইক, মিকি ভ্যান ডে ভেন

মিডফিল্ডার ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং, মার্টেন ডে রুন, রায়ান গ্রাভেনবার্খ, টেইন কুপমেইনার্স, তিজানি রেইনডার্স, গুস টিল, কুইন্টেন টিম্বার, ম্যাটস উইফার

ফরোয়ার্ড ব্রায়ান ব্রোবি, মেমফিস ডিপাই, কোডি গাকপো, জাস্টিন ক্লুইভার্ট, নোয়া ল্যাং, ডনিয়েল মালেন, ক্রেসেনসিও সামারভিল, ওউট ভেগহর্স্ট

 

 

জাপান চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক তোমোকি হায়াকাওয়া, কেইসুকে ওসাকো, জায়ন সুজুকি

 

 

ডিফেন্ডার কো ইটাকুরা, হিরোকি ইতো, ইউতো নাগাতোমো, আয়ুমু সেকো, ইউকিনারি সুগাওয়ারা, জুনোসুকে সুজুকি, শোগো তানিগুচি, টেকহিরো তমিয়াসু, তসুইয়োশি ওয়াতানাবে

 

 

মিডফিল্ডার রিতসু দোয়ান, ওয়াতারু এন্ডো, জুনিয়া ইতো, দাইচি কামাদা, তাকেফুসা কুবো, কেইতো নাকামুরা, কাইশু সানো, আও তানাকা

 

 

ফরোয়ার্ড কেইসুকে গোটো, দাইজেন মায়েদা, কোকি ওগাওয়া, কেন্তো শিওগাই, ইউইতো সুজুকি, আয়াসে উএদা

 

 

তিউনিশিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক সাবরি বেন হাসান, আবদেলমউহিব চামাখ, আয়মান দাহমেনে

 

 

ডিফেন্ডার আলি আবদি, মোহামেদ আমিন বেন হামিদা, আদেম আরৌস, ডিলান ব্রোন, রায়েদ চিকাহুই, মউতাজ নেফাতি, ওমর রেকিক, মন্তাসার তালবি, ইয়ান ভ্যালেরি

 

 

মিডফিল্ডার মরতাদা বেন ওয়ানেস, আনিস বেন স্লিমান, ইসমাইল ঘারবি, রানি খেদিরা, হাদজ মাহমুদ, হানিবাল মেজব্রি, এলিয়েস স্কিরি

 

 

ফরোয়ার্ড এলিয়াস আচৌরি, খলিল আয়ারি, ফিরাস শাওয়াত, রায়ান এল্লুমি, হাযেম মাস্তুরি, এলিয়াস সাদ, সেবাস্তিয়ান তৌনেকতি

 

 

সুইডেন চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক ভিক্টর ইয়োহানসন, গুস্তাফ লাগারবিয়েলকে, ক্রিস্টোফার নর্ডফেল্ট, জ্যাকব জেটারস্ট্রম

 

 

ডিফেন্ডার হ্যালমার একডাল, গ্যাব্রিয়েল গুডমুন্ডসন, ইসাক হিয়েন, ভিক্টর লিন্ডেলফ, এরিক স্মিথ, কার্ল স্টারফেল্ট, ড্যানিয়েল সুয়েনসন

 

 

মিডফিল্ডার ইয়াসিন আয়ারি, লুকাস বের্গভাল, ইয়েসপার কার্লস্ট্রম, বেঞ্জামিন নাইগ্রেন, কেন সেমা, এলিয়ট স্ট্রাউড, ম্যাটিয়াস স্ভানবার্গ, বেসফর্ট জেনেলি

 

 

ফরোয়ার্ড তাহা আলি, আলেকজান্ডার বার্নহার্ডসন, অ্যান্থনি এলাঙ্গা, ভিক্টর গিয়োকেরেস, আলেকজান্ডার ইসাক, গুস্তাফ নিলসন

 

গ্রুপ ‘ই’ তে থাকা দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।

 

 

জার্মানি চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক অলিভার বাউমান, ম্যানুয়েল নয়্যার, আলেকজান্ডার নুবেল

ডিফেন্ডার ওয়াল্ডেমার আন্তন, নাথানিয়েল ব্রাউন, জশুয়া কিমিখ, ডেভিড রাউম, আন্তোনিও রুডিগার, নিকো শ্লটারবেক, জোনাথন তাহ, মালিক থিয়াও

মিডফিল্ডার নাদিয়েম আমিরি, লেওন গোরেটজকা, পাসকাল গ্রস, লেনার্ট কার্ল, জেমি লেভেলিং, জামাল মুসিয়ালা, ফেলিক্স এনমেচা, আলেকসান্দার পাভলোভিচ, লেরয় সানে, অ্যাঞ্জেলো স্টিলার, ফ্লোরিয়ান ভির্ট্‌জ

ফরোয়ার্ড ম্যাক্সিমিলিয়ান বায়ার, কাই হাভার্টজ, ডেনিজ উন্দাভ, নিক ভোল্টেমেড

 

 

আইভরি কোস্ট চূড়ান্ত স্কোয়াড

 

গোলরক্ষক ইয়াহিয়া ফোফানা, মোহামেদ কোনে, আলবান লাফোঁ

 

 

ডিফেন্ডার এমমানুয়েল আগবাদু, ক্রিস্টোফার ওপেরি, ওসমান দিওমান্দে, গ্যুয়েলা দোয়ে, ঘিসলাঁ কোনান, ওডিলন কসুনু, উইলফ্রিড সিঙ্গো, ইভান এনডিক্কা

 

 

মিডফিল্ডার সেকো ফোফানা, পারফে গুইয়াগন, ক্রিস্ট ইনাওয়া ওলাই, ফ্রাঙ্ক কেসিয়ে, ইব্রাহিম সাঙ্গারে, জ্যাঁ-মিশেল সেরি

 

 

ফরোয়ার্ড সাইমন আদিংরা, আঞ্জ-ইয়োয়ান বনি, আমাদ দিওলো, ওমর দিয়াকিতে, ইয়ান দিওমান্দে, ইভান গুয়েসঁদ, নিকোলাস পেপে, বাজারমানা তুরে, এলিয়ে ওয়াহি

 

 

 

ইকুয়েডর চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক হেরনান গালিন্দেস, গনসালো ভাল্লে, মোইসেস রামিরেস

 

 

ডিফেন্ডার পিয়েরো হিনকাপিয়ে, উইলিয়ান পাচো, পেরভিস এস্তুপিনিয়ান, অ্যাঞ্জেলো প্রেসিয়াদো, জোয়েল অর্দোনিয়েজ, ফেলিক্স তোরেস, জ্যাকসন পোরোজো, ইয়াইমার মেদিনা

 

 

 

মিডফিল্ডার মোইসেস কাইসেদো, অ্যালান ফ্রাঙ্কো, গনসালো প্লাতা, কেন্দ্রি পায়েস, পেদ্রো ভিতে, জর্ডি আলসিভার, ডেনিল কাস্তিলো, জন ইয়েবোয়া, নিলসন আঙ্গুলো, অ্যালান মিন্ডা

 

 

 

 

ফরোয়ার্ড এন্নার ভালেন্সিয়া, কেভিন রদ্রিগেজ, জর্ডি কাইসেদো, অ্যান্থনি ভালেন্সিয়া, জেরেমি আরেভালো

 

 

 

কুরাসাও চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক টাইরিক বডাক, ট্রেভর ডুর্নবুশ, এলয় রুম

 

 

 

ডিফেন্ডার রিশেদলি বাজোয়ার, জোশুয়া ব্রেনেট, রোশন ভ্যান আইজমা, শেরেল ফ্লোরানুস, ডেভেরন ফোনভিল, জুরিয়েন গারি, আরমান্দো ওবিস্পো, শুরান্দি সাম্বো

 

 

মিডফিল্ডার জুনিনহো বাকুনা, লিয়ান্দ্রো বাকুনা, লিভানো কোমেনেনসিয়া, কেভিন ফেলিদা, আরজানি মার্থা, টাইরিস নসলিন, গডফ্রিড রোমেরাতোয়ে

 

 

ফরোয়ার্ড জেরেমি আন্তোনিসে, তাহিথ চং, কেনজি গোরে, সঁতিয়ে হ্যানসেন, জারভেন কাস্তানিয়ার, ব্র্যান্ডলি কুয়াস, জুর্গেন লোকাদিয়া, জার্ল মার্গারিথা

 

 

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে ড. খলিলুর রহমান

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি আগামী এক বছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং জার্মানির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবকের স্থলাভিষিক্ত হবেন।

 

 

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২ জুন) জাতিসংঘের সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের প্রার্থীকে হারিয়ে বিজয়ী হন তিনি।

 

 

জানা যায়, জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ দূত আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস।

 

গ্রুপ ‘ডি’ তে থাকা দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।

 

 

অস্ট্রেলিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ, পল ইজ্জো, ম্যাথিউ রায়ান

ডিফেন্ডার আজিজ বেহিচ, জর্ডান বস, ক্যামেরন বার্গেস, আলেসান্দ্রো সিরকাতি, মিলোস ডেগেনেক, জেসন গেরিয়া, লুকাস হেরিংটন, জ্যাকব ইতালিয়ানো, হ্যারি সাউতার, কাই ট্রেউইন

মিডফিল্ডার ক্যামেরন ডেভলিন, আজদিন হ্রুস্টিচ, জ্যাকসন আরভিন, কনর মেটকাফ, পল ওকন-এংস্টলার, এইডেন ও’নিল

ফরোয়ার্ড নেস্টরি ইরানকুন্ডা, ম্যাথিউ লেকি, আওয়ার মাবিল, মোহামেদ তুরে, নিশান ভেলুপিল্লাই, ক্রিস্টিয়ান ভলপাটো, টেটে ইয়েঙ্গি।

 

 

প্যারাগুয়ে চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিল, রবার্তো ফার্নান্দেস, গাস্তন ওলভেইরা

 

 

ডিফেন্ডার হুয়ান কাসেরেস, গুস্তাভো ভেলাসকেস, গুস্তাভো গোমেস, জুনিয়র আলোনসো, হোসে কানালে, ওমার আলদেরেতে, আলেক্সান্দ্রো মাইদানা, ফাবিয়ান বালবুয়েনা

 

 

মিডফিল্ডার দিয়েগো গোমেস, মৌরিসিও মাগালায়েস, দামিয়ান বোবাডিয়া, ব্রায়ান ওহেদা, আন্দ্রেস কুবাস, মাতিয়াস গালারজা, আলেহান্দ্রো গামাররা

 

 

ফরোয়ার্ড গুস্তাভো কাবালেরো, রামন সোসা, আলেক্স আরসে, ইসিদ্রো পিত্তা, গ্যাব্রিয়েল আভালোস, মিগেল আলমিরন, হুলিও এনসিসো, আন্তোনিও সানাব্রিয়া

 

 

তুর্কি চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক আলতায় বাইয়িন্দির, এরসিন দেস্তানোউলু, মের্ত গুনক, মুহাম্মেদ শেংজের, উগুরচান চাকির

 

 

ডিফেন্ডার আবদুলকেরিম বারদাকচি, আহমেতজান কাপলান, চাগলার সোয়ুনচু, এরেন এলমালি, ফেরদি কাদিওগ্লু, মেরিহ দেমিরাল, মের্ত মুলদুর, মুস্তাফা এস্কিহেল্লাচ, ওজান কাবাক, সামেত আকায়দিন, ইউসুফ আকচিচেক, জেকি চেলিক

 

 

মিডফিল্ডার আতাকান কারাজোর, দেমির এজে তিকনাজ, হাকান চালহানওগ্লু, ইসমাইল ইউকশেক, কান আয়হান, ওরকুন কোকচু, সালিহ ওজকান

 

 

ফরোয়ার্ড আরাল সিমসির, আর্দা গুলের, বারিশ আলপার ইলমাজ, ক্যান উজুন, ডেনিজ গুল, ইরফান কান কাহভেচি, কেনান ইয়িলদিজ, কেরেম আক্তুরকোগলু, ওগুজ আয়দিন, ইউনুস আকগুন, ইউসুফ সারি

 

 

যুক্তরাষ্ট্র চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক ক্রিস ব্র্যাডি, ম্যাট ফ্রিস, ম্যাট টার্নার

 

 

ডিফেন্ডার ম্যাক্স আর্ফস্টেন, সার্জিনো ডেস্ট, অ্যালেক্স ফ্রিম্যান, মার্ক ম্যাকেঞ্জি, টিম রিম, ক্রিস রিচার্ডস, অ্যান্টোনি রবিনসন, মাইলস রবিনসন, জো স্ক্যালি, অস্টন ট্রাস্টি

 

 

মিডফিল্ডার টাইলার অ্যাডামস, সেবাস্তিয়ান বেরহাল্টার, ওয়েস্টন ম্যাককেনি, ক্রিশ্চিয়ান রোলদান, ব্রেন্ডেন অ্যারনসন, ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিক, জিও রেয়না, মালিক টিলম্যান, টিমোথি ওয়াহ, আলেহান্দ্রো জেনদেজাস

 

 

ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুন, রিকার্ডো পেপি, হাজি রাইট।

 

 

গ্রুপ ‘সি’ তে থাকা দলগুলোর চূড়ান্ত স্কোয়াড

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।

 

 

 

ব্রাজিল চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক আলিসন, এদেরসন, ওয়েভারতন

ডিফেন্ডার আলেক্স সান্দ্রো, ব্রেমার, দানিলো, ডগলাস সান্তোস, গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস, ইবানিয়েজ, লেও পেরেইরা, মার্কিনিয়োস, ওয়েসলি

মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারায়েস, কাসেমিরো, দানিলো সান্তোস, ফাবিনিও, লুকাস পাকেতা

ফরোয়ার্ড এন্দ্রিক, গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি, ইগর থিয়াগো, লুইজ হেনরিকে, মাতেউস কুনিয়া, নেইমার জুনিয়র, রাফিনিয়া, রায়ান, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

 

 

হাইতি চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক জোস্যু দুভেরজে, আলেক্সান্দ্রে পিয়ের, জনি প্লাসিদ

 

 

 

ডিফেন্ডার রিকার্দো আডে, কার্লেন্স আর্কুস, হানেস ডেলক্রোয়া, জঁ-কেভিন দুভের্নে, মার্টিন এক্সপেরিয়েন্স, ডিউক ল্যাক্রোয়া, উইলগুয়েন্স পোগাঁ, কেতো থেরমন্সি

 

 

 

মিডফিল্ডার কার্ল ফ্রেড সাঁত, জঁ-রিকনার বেলগার্দ, লেভারটন পিয়ের, ড্যানলি জাঁ জ্যাক, উডেনস্কি পিয়ের, ডমিনিক সাইমন

 

 

 

ফরোয়ার্ড জোস্যু কাসিমির, লুইসিয়াস ডিডসন, ডেরিক এত্যিয়েন জুনিয়র, ইয়াসিন ফর্চুন, উইলসন ইসিডর, লেনি জোসেফ, ডুকেন্স নাজঁ, ফ্রাঁৎসদি পিয়েরে, রুবেন প্রভিদঁস

 

 

 

মরক্কো চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনু, মুনির এল কাজুই, রেদা তাগনাউতি

 

 

 

ডিফেন্ডার নুসাইর মাজরাউই, আনাস সালাহ-এদ্দিন, ইউসুফ বেলামারি, আচরাফ হাকিমি, জাকারিয়া এল ওয়াহদি, নায়েফ আগুয়ের্ড, চাদি রিয়াদ, রেদোয়ান হালহাল, ইসা দিয়োপ

 

 

 

মিডফিল্ডার সামির এল মরাবেত, আয়্যুব বোউআদি, নীল এল আয়নাউই, সোফিয়ান আম্রাবাত, আজজেদিন উনাহি, বিলাল এল খান্নুস, ইসমাইল সাইবারি

 

 

 

ফরোয়ার্ড আবদে এজালজুলি, শেমসদিন তালবি, সুফিয়ান রহিমি, আয়্যুব এল কাবি, ব্রাহিম দিয়াজ, গেসিম ইয়াসিন, আয়ুব আমাইমুনি

 

 

স্কটল্যান্ড চূড়ান্ত স্কোয়াড

গোলরক্ষক ক্রেগ গর্ডন, অ্যাঙ্গাস গান, লিয়াম কেলি

 

 

 

ডিফেন্ডার গ্রান্ট হ্যানলি, জ্যাক হেনড্রি, অ্যারন হিকি, ডম হাইয়াম, স্কট ম্যাককেনা, নাথান প্যাটারসন, অ্যান্থনি রালস্টন, অ্যান্ডি রবার্টসন, জন সাউটার, কিয়েরান টিয়ার্নি

 

 

মিডফিল্ডার রায়ান ক্রিস্টি, ফিন্ডলে কার্টিস, লুইস ফার্গুসন, টাইলার ফ্লেচার, বেন গ্যানন-ডোয়াক, জন ম্যাকগিন, কেনি ম্যাকলিন, স্কট ম্যাকটমিনে

 

 

ফরোয়ার্ড চে অ্যাডামস, লিন্ডন ডাইমন, জর্জ হার্স্ট, লরেন্স শ্যাঙ্কল্যান্ড, রস স্টুয়ার্ট

 

 

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় খালেদা জিয়ার নামে প্রতিষ্ঠানের নামকরণ

কেরানীগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নাম পরিবর্তন করে ‘বেগম খালেদা জিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, কেরানীগঞ্জ’ হিসেবে পুনঃনামকরণের একটি সার-সংক্ষেপ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কর্তৃক সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়। তবে, প্রধানমন্ত্রী এ প্রস্তাবটি অনুমোদন না করে একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত প্রদান করেন।

 

 

তিনি সুস্পষ্টভাবে অনুশাসন দেন যে, ‘প্রয়োজনে নতুন প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করুন, পুরাতন নয়।’ অর্থাৎ, পুরাতন প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন না করে, প্রয়োজনে নতুন কোনো উদ্যোগ বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই নামকরণ বিবেচনা করা যেতে পারে।

 

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।