রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা ‘রোসাটম’ জানিয়েছে, তারা ইরানের বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে অপ্রয়োজনীয় কর্মী ও তাদের সন্তানদের সরিয়ে নিয়েছে। এটি রাশিয়ার সাহায্যে নির্মিত ইরানের একমাত্র কার্যকরী পারমাণবিক কেন্দ্র।
সংস্থাটির সিইও আলেক্সি লিখাচেভ বলেন, কোনো পরিস্থিতিতেই পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে আক্রমণ করা যাবে না।
এদিকে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপে এই হামলাকে ‘অপ্ররোচিত’ বলে নিন্দা জানিয়েছেন।
পেদ্রো সানচেজ ও ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ: স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই ‘একতরফা’ সামরিক পদক্ষেপ প্রত্যাখান করেছেন। অন্যদিকে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ একে ‘বিপজ্জনক উত্তেজনা’ অভিহিত করে অবিলম্বে তা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।
ওমান: মধ্যস্থতাকারী দেশ ওমান এই সংঘাতের ভয়াবহতা নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছে।
জাতিসংঘ: জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক উভয় পক্ষকে শান্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বোমা ও মিসাইল কোনো সমস্যার সমাধান হতে পারে না; এটি কেবল মৃত্যু আর ধ্বংসই ডেকে আনে।
এদিকে ইরানের পক্ষ থেকে পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) একটি সূত্র জানিয়েছে, ইসরায়েল এবং এ অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ওপর ইরানের আক্রমণ ‘অব্যাহত’ থাকবে।
সার্বিকভাবে, ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ পরবর্তী এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যকে এক দীর্ঘস্থায়ী ও ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম 



















