সিরাজগঞ্জের তাড়াশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির অপব্যবহার করে তাড়াশ উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জাহিদ ফকিরের ছবি ও নাম ব্যবহার করে ফেসবুকে মানহানিকর ও অপপ্রচারমূলক পোস্ট ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ‘তাড়াশ পৌরসভা সিরাজগঞ্জ’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে এসব পোস্ট প্রচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাহিদ ফকির।
সম্প্রতি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টার ও ফটোকার্ডে জাহিদ ফকিরকে ‘মাদক সাম্রাজ্যের বেতাজ বাদশাহ’ ও ‘শাহ আলম ফকিরের কথিত রাইট হ্যান্ড’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। একই পোস্টারে সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত আমজাদ হোসেন মিলনের বাড়ি দখল করে মাদকের আস্তানা গড়ে তোলা এবং মাদক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের মতো বিভিন্ন অভিযোগ করা হয়েছে।
জাহিদ ফকিরের দাবি, এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তার রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার ছবি ও একটি বাড়ির ছবি সংযুক্ত করে পোস্টারটি তৈরি করা হয়েছে। পরে সেটি ‘তাড়াশ পৌরসভা সিরাজগঞ্জ’ নামের ফেসবুক আইডি থেকে প্রচার করা হয়।
জানা যায়, ২০০৮ সাল থেকে ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন জাহিদ ফকির। ২০১৯ সালে তিনি তাড়াশ উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মনোনীত হন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে বিভিন্ন মামলায় কারাবরণও করেছেন বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে তাড়াশ উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জাহিদ ফকির বলেন, “২০০৮ সাল থেকে রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করে আসছি। রাজনৈতিক হামলা-মামলায় একাধিকবার জেল খেটেছি। রাজপথে আমাকে মোকাবিলা করতে না পেরে একটি কুচক্রী মহল এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ‘তাড়াশ পৌরসভা সিরাজগঞ্জ’ নামের আইডি থেকে আমার নামে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও মানহানিকর পোস্টার ছড়িয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি এ অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানাই। এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।”
এদিকে, এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে কারও ছবি ও পরিচয় ব্যবহার করে অপপ্রচার চালানোর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মী ও সচেতন মহলের অনেকে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম 



















