সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

এটি ব্যক্তিগত আক্রমণ ছাড়া আর কিছুই নয়: তানজিন তিশা

তানজিন তিশা ও সামিয়া অথৈ। ছবি : সংগৃহীত

দেশের ছোট পর্দার অভিনেত্রী সামিয়া অথৈকে মারধরের অভিযোগে এবার মুখ খুললেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। অথৈয়ের করা অভিযোগকে ‘ভুল বোঝাবুঝি’ এবং ‘অপেশাদার আচরণ’ বলে দাবি করেছেন এই সুন্দরী।

 

 

এ বিষয়ে তানজিন তিশা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মূলত চরিত্রের প্রয়োজনে এবং স্ক্রিপ্টের খাতিরেই আমাকে আক্রমণাত্মক হতে হয়েছিল।‘

 

 

বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘আমি পুরোপুরি আমার চরিত্রটি ফুটিয়ে তুলছিলাম। আমি এমন একটি চরিত্র করছি যেখানে আমি একজন স্পেশাল চাইল্ড বা অটিস্টিক। চরিত্রের প্রয়োজনে তাকে মানুষকে মারতে হতে পারে, কামড় দিতে হতে পারে এমনকি পানিতে চুবিয়েও ধরতে হতে পারে। আপনারা ১৫ থেকে ২০ দিন পরেই কাজটি দেখতে পারবেন এবং তখন বুঝতে পারবেন কোন চরিত্রের জন্য কী করা হয়েছে।’

 

এদিকে অথৈয়ের ফেসবুক লাইভ ও অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিনেত্রী বলেন, ‘সে হয়তো এমনভাবে লাইভ করেছে যে মনে হচ্ছে আমি তাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেছি, কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণের কিছুই এখানে নেই। এটি তার বুঝতে ভুল হয়েছে।

আমি যা করেছি তা পুরোপুরি আমার চরিত্রের প্রয়োজনে এবং স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী করেছি। ইম্প্রোভাইজেশন করতে হলেও সেটি চরিত্রের মধ্যে থেকেই করতে হয় এবং আমি চরিত্রের বাইরে কিছুই করিনি। এটি ওই মেয়েটির ব্যক্তিগত দুর্বলতা যে, সে একটি পেশাদার বিষয়কে ব্যক্তিগত সমস্যা হিসেবে নিয়েছে।’

তিশা আরও বলেন, সেখানে অভিনেতা সেলিম আহমেদ ও পরিচালক রিঙ্কুসহ পুরো টিম উপস্থিত ছিলেন। তারা সবাই দেখেছেন যে কাজটা কতটা পেশাদারিত্বের সাথে করা হচ্ছিল। কিন্তু অথৈ দৃশ্যটি শেষ না করেই শুটিং সেট ত্যাগ করেছে, যা কাজের ক্ষতি করেছে।

 

 

অভিনেত্রীর কথায়, ‘আমি যে চরিত্রে অভিনয় করছি সেখানে পরিষ্কার থাকার কোনো সুযোগ নেই। সারাদিন আমাকে গোবরের পাশে, নদীর মধ্যে, মাটির মধ্যে ও বালুর মধ্যে থাকতে হয়েছে এবং শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছিল। এমতাবস্থায় একজন নারী শিল্পী হয়ে অন্য একজন নারী শিল্পীর ওয়াশরুমে থাকা বা পরিষ্কার হওয়া নিয়ে এ ধরনের মন্তব্য করা আমার কাছে অত্যন্ত দুঃখজনক মনে হয়। আমি শুধু এটাই বলব, যা যা বলা হয়েছে তা পুরোপুরি একটি ব্যক্তিগত আক্রমণ ছাড়া আর কিছুই নয়।’

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

এটি ব্যক্তিগত আক্রমণ ছাড়া আর কিছুই নয়: তানজিন তিশা

আপডেট টাইম : ১২:১৬:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

দেশের ছোট পর্দার অভিনেত্রী সামিয়া অথৈকে মারধরের অভিযোগে এবার মুখ খুললেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। অথৈয়ের করা অভিযোগকে ‘ভুল বোঝাবুঝি’ এবং ‘অপেশাদার আচরণ’ বলে দাবি করেছেন এই সুন্দরী।

 

 

এ বিষয়ে তানজিন তিশা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মূলত চরিত্রের প্রয়োজনে এবং স্ক্রিপ্টের খাতিরেই আমাকে আক্রমণাত্মক হতে হয়েছিল।‘

 

 

বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘আমি পুরোপুরি আমার চরিত্রটি ফুটিয়ে তুলছিলাম। আমি এমন একটি চরিত্র করছি যেখানে আমি একজন স্পেশাল চাইল্ড বা অটিস্টিক। চরিত্রের প্রয়োজনে তাকে মানুষকে মারতে হতে পারে, কামড় দিতে হতে পারে এমনকি পানিতে চুবিয়েও ধরতে হতে পারে। আপনারা ১৫ থেকে ২০ দিন পরেই কাজটি দেখতে পারবেন এবং তখন বুঝতে পারবেন কোন চরিত্রের জন্য কী করা হয়েছে।’

 

এদিকে অথৈয়ের ফেসবুক লাইভ ও অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিনেত্রী বলেন, ‘সে হয়তো এমনভাবে লাইভ করেছে যে মনে হচ্ছে আমি তাকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করেছি, কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণের কিছুই এখানে নেই। এটি তার বুঝতে ভুল হয়েছে।

আমি যা করেছি তা পুরোপুরি আমার চরিত্রের প্রয়োজনে এবং স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী করেছি। ইম্প্রোভাইজেশন করতে হলেও সেটি চরিত্রের মধ্যে থেকেই করতে হয় এবং আমি চরিত্রের বাইরে কিছুই করিনি। এটি ওই মেয়েটির ব্যক্তিগত দুর্বলতা যে, সে একটি পেশাদার বিষয়কে ব্যক্তিগত সমস্যা হিসেবে নিয়েছে।’

তিশা আরও বলেন, সেখানে অভিনেতা সেলিম আহমেদ ও পরিচালক রিঙ্কুসহ পুরো টিম উপস্থিত ছিলেন। তারা সবাই দেখেছেন যে কাজটা কতটা পেশাদারিত্বের সাথে করা হচ্ছিল। কিন্তু অথৈ দৃশ্যটি শেষ না করেই শুটিং সেট ত্যাগ করেছে, যা কাজের ক্ষতি করেছে।

 

 

অভিনেত্রীর কথায়, ‘আমি যে চরিত্রে অভিনয় করছি সেখানে পরিষ্কার থাকার কোনো সুযোগ নেই। সারাদিন আমাকে গোবরের পাশে, নদীর মধ্যে, মাটির মধ্যে ও বালুর মধ্যে থাকতে হয়েছে এবং শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছিল। এমতাবস্থায় একজন নারী শিল্পী হয়ে অন্য একজন নারী শিল্পীর ওয়াশরুমে থাকা বা পরিষ্কার হওয়া নিয়ে এ ধরনের মন্তব্য করা আমার কাছে অত্যন্ত দুঃখজনক মনে হয়। আমি শুধু এটাই বলব, যা যা বলা হয়েছে তা পুরোপুরি একটি ব্যক্তিগত আক্রমণ ছাড়া আর কিছুই নয়।’