সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

এমপিও শিক্ষকদের জন্য ১১ পেশায় নিষেধাজ্ঞা

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মসজিদের ইমামতি, দোকান পরিচালনাসহ ১১টি পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না।

 

গত রোববার (১৪ ডিসেম্বর) মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা উপজেলার সব স্কুল-কলেজে পাঠানো হয়েছে। চিঠির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কালকিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুজ্জামান জানান।

 

তিনি বলেন, মাউশি থেকে নির্দিষ্ট ১১টি পেশা উল্লেখ করে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। ওই নির্দেশনার আলোকে বিষয়টি নোটিশ আকারে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জানানো হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করা হলে এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বর্তমান বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা রাষ্ট্রীয় আর্থিক সুবিধাপ্রাপ্ত একটি সম্মানজনক ও পূর্ণকালীন পেশায় নিয়োজিত। ফলে তাদের পেশাগত দায়িত্ব ও সময়ের পূর্ণ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে শিক্ষকতার পাশাপাশি কোনো অতিরিক্ত লাভজনক পেশায় যুক্ত হওয়া নীতিগতভাবে নিষিদ্ধ।

এমপিও শিক্ষকদের জন্য নিষিদ্ধ ও সীমাবদ্ধ পেশার তালিকায় রয়েছে—বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সাংবাদিকতা, আইন পেশা, কোচিং সেন্টার পরিচালনা বা সেখানে শিক্ষকতা, প্রাইভেট বা কেজি স্কুল পরিচালনা, শিক্ষাবিষয়ক প্রকাশনা বা পাবলিকেশনস ব্যবসা, হজ এজেন্ট হিসেবে কাজ বা এর বিপণন কার্যক্রম, বিয়ের কাজি বা ঘটকালি পেশা, টং দোকান বা অন্যান্য ক্ষুদ্র ব্যবসা, ঠিকাদারি বা নির্মাণ ব্যবসা, মসজিদে পূর্ণকালীন ইমামতি বা খতিবের দায়িত্ব পালন (যা শিক্ষকতার সময়কে প্রভাবিত করে) এবং কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিশেষ সহকারী বা চাটুকার হিসেবে যুক্ত থাকা।

তবে মাউশির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শিক্ষকরা স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ধর্মীয় বা সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারবেন। তবে তা অবশ্যই সীমিত পরিসরে হতে হবে, যাতে মূল পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের ব্যাঘাত না ঘটে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

এমপিও শিক্ষকদের জন্য ১১ পেশায় নিষেধাজ্ঞা

আপডেট টাইম : ১১:৫৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা মসজিদের ইমামতি, দোকান পরিচালনাসহ ১১টি পেশায় যুক্ত হতে পারবেন না।

 

গত রোববার (১৪ ডিসেম্বর) মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা উপজেলার সব স্কুল-কলেজে পাঠানো হয়েছে। চিঠির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কালকিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুজ্জামান জানান।

 

তিনি বলেন, মাউশি থেকে নির্দিষ্ট ১১টি পেশা উল্লেখ করে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। ওই নির্দেশনার আলোকে বিষয়টি নোটিশ আকারে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জানানো হয়েছে। নির্দেশনা অমান্য করা হলে এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বর্তমান বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫ অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা রাষ্ট্রীয় আর্থিক সুবিধাপ্রাপ্ত একটি সম্মানজনক ও পূর্ণকালীন পেশায় নিয়োজিত। ফলে তাদের পেশাগত দায়িত্ব ও সময়ের পূর্ণ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে শিক্ষকতার পাশাপাশি কোনো অতিরিক্ত লাভজনক পেশায় যুক্ত হওয়া নীতিগতভাবে নিষিদ্ধ।

এমপিও শিক্ষকদের জন্য নিষিদ্ধ ও সীমাবদ্ধ পেশার তালিকায় রয়েছে—বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সাংবাদিকতা, আইন পেশা, কোচিং সেন্টার পরিচালনা বা সেখানে শিক্ষকতা, প্রাইভেট বা কেজি স্কুল পরিচালনা, শিক্ষাবিষয়ক প্রকাশনা বা পাবলিকেশনস ব্যবসা, হজ এজেন্ট হিসেবে কাজ বা এর বিপণন কার্যক্রম, বিয়ের কাজি বা ঘটকালি পেশা, টং দোকান বা অন্যান্য ক্ষুদ্র ব্যবসা, ঠিকাদারি বা নির্মাণ ব্যবসা, মসজিদে পূর্ণকালীন ইমামতি বা খতিবের দায়িত্ব পালন (যা শিক্ষকতার সময়কে প্রভাবিত করে) এবং কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিশেষ সহকারী বা চাটুকার হিসেবে যুক্ত থাকা।

তবে মাউশির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শিক্ষকরা স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ধর্মীয় বা সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারবেন। তবে তা অবশ্যই সীমিত পরিসরে হতে হবে, যাতে মূল পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের ব্যাঘাত না ঘটে।