সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ইব্রাহিমের গোলে এগিয়ে বাংলাদেশ Logo পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে দ্বিতীয় সভা ৯ নভেম্বর Logo সরকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম Logo হরমুজ প্রণালিতে ভারত-চীনসহ ৪ দেশকে বিশেষ ছাড় দিল ইরান Logo একের পর এক সুযোগ নষ্ট, প্রথমার্ধে গোল পায়নি বাংলাদেশ Logo চালু হচ্ছে পাবনা-ঢাকা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন Logo গোপালগঞ্জ জেলা স্কুলে ‘জয়বাংলা’ স্লোগান, ছাড়পত্র পেল ৯ শিক্ষার্থী Logo স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ নতুন দায়িত্ব পেলেন ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী Logo নতুন করে দুটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী Logo নদীভাঙন কবলিত জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি ও মানবিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গবেষণার প্রাথমিক ফলাফল উপস্থাপন

চাকরি হারানোর মুখে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৬৮ কর্মচারী

ছবি: সংগৃহীত

ইউজিসির নির্দেশনা ও অর্থ বরাদ্দ না থাকায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২৬৮ জন ডে-লেবার ও থোক বরাদ্দের কর্মচারীকে ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বুধবার (৪ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান। গত ১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭৬তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

 

 

 

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জনবল নিয়োগে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অনুমোদন ও অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় বিশেষ বিবেচনায় বিভিন্ন দপ্তরে চুক্তিভিত্তিক (থোক) কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়। এসব কর্মচারীর একাংশ পোষ্য কোটায় নিয়োগপ্রাপ্ত। তাদের মধ্যে অনেকেই ১০-২০ বছর ধরে স্থায়ী নিয়োগের প্রত্যাশায় দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তবে ইউজিসির অর্থ বরাদ্দ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব তহবিল না থাকায় তাদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

 

 

 

এ বিষয়ে উপাচার্য বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চিঠির ভিত্তিতে সিন্ডিকেট সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কোনো তহবিল নেই। সরকার বা ইউজিসি থেকেও এ ব্যয় বহনের জন্য অর্থ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে আপাতত বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে এসব কর্মচারীর বেতন-ভাতা বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। এটি আমার ব্যক্তিগত কোনো সিদ্ধান্ত নয়, সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত।

 

তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে জনবল সংকট থাকলে প্রয়োজনীয় পদের চাহিদাপত্র ইউজিসিতে পাঠাতে হবে। তারা যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় জনবল অনুমোদন দেবে। আমরা সেই প্রক্রিয়ায় যাচ্ছি। পাশাপাশি বর্তমানে যারা কাজ করছেন, তাদের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখার চেষ্টা করব।’

 

বকেয়া বেতনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা গত ৩ মাসের বকেয়া বেতনটি কষ্ট করে হলেও পরিশোধ করব।’

 

 

জনতার কণ্ঠ/জেডএইচ

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইব্রাহিমের গোলে এগিয়ে বাংলাদেশ

চাকরি হারানোর মুখে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৬৮ কর্মচারী

আপডেট টাইম : ০৯:২৩:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

ইউজিসির নির্দেশনা ও অর্থ বরাদ্দ না থাকায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২৬৮ জন ডে-লেবার ও থোক বরাদ্দের কর্মচারীকে ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বুধবার (৪ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান। গত ১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭৬তম সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

 

 

 

 

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জনবল নিয়োগে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অনুমোদন ও অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় বিশেষ বিবেচনায় বিভিন্ন দপ্তরে চুক্তিভিত্তিক (থোক) কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হয়। এসব কর্মচারীর একাংশ পোষ্য কোটায় নিয়োগপ্রাপ্ত। তাদের মধ্যে অনেকেই ১০-২০ বছর ধরে স্থায়ী নিয়োগের প্রত্যাশায় দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তবে ইউজিসির অর্থ বরাদ্দ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব তহবিল না থাকায় তাদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

 

 

 

এ বিষয়ে উপাচার্য বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চিঠির ভিত্তিতে সিন্ডিকেট সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কোনো তহবিল নেই। সরকার বা ইউজিসি থেকেও এ ব্যয় বহনের জন্য অর্থ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে আপাতত বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে এসব কর্মচারীর বেতন-ভাতা বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। এটি আমার ব্যক্তিগত কোনো সিদ্ধান্ত নয়, সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত।

 

তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে জনবল সংকট থাকলে প্রয়োজনীয় পদের চাহিদাপত্র ইউজিসিতে পাঠাতে হবে। তারা যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় জনবল অনুমোদন দেবে। আমরা সেই প্রক্রিয়ায় যাচ্ছি। পাশাপাশি বর্তমানে যারা কাজ করছেন, তাদের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখার চেষ্টা করব।’

 

বকেয়া বেতনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা গত ৩ মাসের বকেয়া বেতনটি কষ্ট করে হলেও পরিশোধ করব।’

 

 

জনতার কণ্ঠ/জেডএইচ