সিরাজগঞ্জ , শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

‘চাপ সামলাতে না পেরে আমরা ভেঙে পড়ি’: তাসকিন

চাপে আমরা ভেঙে পড়ি: তাসকিন

১৬ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৩ উইকেটে ৯৪। তখনো জয়ের আশা বেঁচেছিল। ওভারপ্রতি প্রায় ৫.৮৭ রান তুলে এগোচ্ছিলেন সাইফ হাসান ও তাওহীদ হৃদয়রা। কিন্তু এরপরই ছন্দপতন। পরের ১৭.৪ ওভারে বাকি সাত উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ গুটিয়ে যায় মাত্র ১৭২ রানে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৯৯ রানের বড় হার দিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু করেছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সবশেষ চার ওয়ানডের কোনোটিতেই পুরো ৫০ ওভার ব্যাটিং করতে পারেনি তারা। ব্যাটিং ব্যর্থতার পেছনে চাপ সামলাতে না পারার বিষয়টিকেই বড় করে দেখছেন পেসার তাসকিন আহমেদ।

 

 

 

 

ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতা আবারও সামনে এনেছে জুটি গড়তে না পারার পুরোনো সমস্যা। ডট বলের আধিক্য, নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো এবং চাপের মুখে দ্রুত ধসে পড়া—সব মিলিয়ে জয়ের সম্ভাবনা নিজেরাই কঠিন করে তুলেছে বাংলাদেশ। অথচ তাসকিনের মতে, এই পিচে ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করা সম্ভব ছিল। ম্যাচ শেষে তাসকিন বলেন, ‘এই পিচে দীর্ঘ সময় ব্যাটিং করা সম্ভব। এখানে রান করার সুযোগ ছিল এবং চাইলে বড় জুটিও গড়ে তোলা যেত। প্রতিপক্ষ সেটি করেও দেখিয়েছে।’

 

 

 

 

 

শুরুতে ২৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়েও ঘুরে দাঁড়িয়েছে জিম্বাবুয়ে। ব্রেন্ডন টেলর ও ক্রেইগ আরভিনের ১৫০ রানের জুটি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় তাদের হাতে। বিপরীতে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা জুটি গড়ার বদলে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছেন। ফলে জিম্বাবুয়ের দেওয়া লক্ষ্য নাগালে থাকলেও শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানে হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে। তাসকিনের ভাষায়, ‘সত্যি বলতে, আজকের পিচের কথা বিবেচনা করলে ২৭০ রান অবশ্যই তাড়া করার মতো ছিল। আমরাও এই পিচে বোলিং করেছি। দেখেছি, সামান্য ভুল হলেই প্রতিপক্ষ তার সুযোগ নিয়েছে।’

জিম্বাবুয়ের কন্ডিশনে খেলা কঠিন হলেও আমিরাতের উইকেটে বাংলাদেশের জেতা উচিত ছিল বলে মনে করেন এ পেসার। তিনি বলেন, ‘জিম্বাবুয়ের মাটিতে খেলা কঠিন। তারা নিজেদের কন্ডিশনে অস্ট্রেলিয়াকেও যথেষ্ট চাপে ফেলেছে। তবে এ কন্ডিশনে আমাদের রান তাড়া করে জেতা উচিত ছিল। আমরা আসলে ভালো খেলতে পারিনি। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, ব্যাটিংয়ে আমরা কোনো কার্যকর জুটি গড়তে পারিনি। অন্তত একটি ভালো জুটি গড়তে পারলেও ম্যাচটি জেতা সম্ভব হতো।’ ব্যাটিংয়ে একই ধরনের ভুলের পুনরাবৃত্তি নিয়েও হতাশা প্রকাশ করেন তাসকিন।

ট্যাগ :

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘চাপ সামলাতে না পেরে আমরা ভেঙে পড়ি’: তাসকিন

আপডেট টাইম : ১২:৩১:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

১৬ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৩ উইকেটে ৯৪। তখনো জয়ের আশা বেঁচেছিল। ওভারপ্রতি প্রায় ৫.৮৭ রান তুলে এগোচ্ছিলেন সাইফ হাসান ও তাওহীদ হৃদয়রা। কিন্তু এরপরই ছন্দপতন। পরের ১৭.৪ ওভারে বাকি সাত উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ গুটিয়ে যায় মাত্র ১৭২ রানে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৯৯ রানের বড় হার দিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু করেছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সবশেষ চার ওয়ানডের কোনোটিতেই পুরো ৫০ ওভার ব্যাটিং করতে পারেনি তারা। ব্যাটিং ব্যর্থতার পেছনে চাপ সামলাতে না পারার বিষয়টিকেই বড় করে দেখছেন পেসার তাসকিন আহমেদ।

 

 

 

 

ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতা আবারও সামনে এনেছে জুটি গড়তে না পারার পুরোনো সমস্যা। ডট বলের আধিক্য, নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো এবং চাপের মুখে দ্রুত ধসে পড়া—সব মিলিয়ে জয়ের সম্ভাবনা নিজেরাই কঠিন করে তুলেছে বাংলাদেশ। অথচ তাসকিনের মতে, এই পিচে ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করা সম্ভব ছিল। ম্যাচ শেষে তাসকিন বলেন, ‘এই পিচে দীর্ঘ সময় ব্যাটিং করা সম্ভব। এখানে রান করার সুযোগ ছিল এবং চাইলে বড় জুটিও গড়ে তোলা যেত। প্রতিপক্ষ সেটি করেও দেখিয়েছে।’

 

 

 

 

 

শুরুতে ২৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়েও ঘুরে দাঁড়িয়েছে জিম্বাবুয়ে। ব্রেন্ডন টেলর ও ক্রেইগ আরভিনের ১৫০ রানের জুটি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় তাদের হাতে। বিপরীতে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা জুটি গড়ার বদলে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছেন। ফলে জিম্বাবুয়ের দেওয়া লক্ষ্য নাগালে থাকলেও শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানে হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে। তাসকিনের ভাষায়, ‘সত্যি বলতে, আজকের পিচের কথা বিবেচনা করলে ২৭০ রান অবশ্যই তাড়া করার মতো ছিল। আমরাও এই পিচে বোলিং করেছি। দেখেছি, সামান্য ভুল হলেই প্রতিপক্ষ তার সুযোগ নিয়েছে।’

জিম্বাবুয়ের কন্ডিশনে খেলা কঠিন হলেও আমিরাতের উইকেটে বাংলাদেশের জেতা উচিত ছিল বলে মনে করেন এ পেসার। তিনি বলেন, ‘জিম্বাবুয়ের মাটিতে খেলা কঠিন। তারা নিজেদের কন্ডিশনে অস্ট্রেলিয়াকেও যথেষ্ট চাপে ফেলেছে। তবে এ কন্ডিশনে আমাদের রান তাড়া করে জেতা উচিত ছিল। আমরা আসলে ভালো খেলতে পারিনি। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, ব্যাটিংয়ে আমরা কোনো কার্যকর জুটি গড়তে পারিনি। অন্তত একটি ভালো জুটি গড়তে পারলেও ম্যাচটি জেতা সম্ভব হতো।’ ব্যাটিংয়ে একই ধরনের ভুলের পুনরাবৃত্তি নিয়েও হতাশা প্রকাশ করেন তাসকিন।