সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ছিনতাইকারী সন্দেহে দুই পুলিশ সদস্যকে পিটুনি দিলেন কুবি শিক্ষার্থীরা Logo হিলি স্থলবন্দরে শনিবার আমদানি-রপ্তানি বন্ধ, স্বাভাবিক থাকবে ইমিগ্রেশন Logo কারাগারে নিরাপত্তা জোরদারে ৭ দফা নির্দেশনা জারি Logo নারীর অগ্রগতিতে শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে সমান সুযোগ চান জুবাইদা রহমান Logo শরীয়তপুরের জাজিরায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় নারীর পাশে দাঁড়ালো মানবতার আলো ফাউন্ডেশন Logo ভারতীয় ভিসায় নতুন নিয়ম, আবেদনকারীদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা Logo টেকনাফে মানব পাচারকারীদের সঙ্গে যৌথবাহিনীর গোলাগুলি, সেনাসদস্য নিহত Logo মরিশাসে কাচের বাক্সে চাপা পড়ে তিন বাংলাদেশির মৃত্যু Logo বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে লাহোর, চতুর্থ ঢাকা Logo একটি ব্যাংক ধসের জেরে পদত্যাগ করছেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট

ছুটির আমেজ কাটেনি, ক্রেতা কম থাকায় বাজারে বেচাকেনা কম

ছুটির আমেজ কাটেনি, ক্রেতা স্বল্পতায় ঢিলেঢালা বেচাবিক্রি

পূজার টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে রাজধানী ঢাকা এখনো অনেকটাই ফাঁকা। বাজারেও পড়েছে এর প্রভাব। রাজধানীর বাজারগুলোতে ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম। খুচরা ব্যবসায়ীরাও বলছেন, সাধারণ সময়ের সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবারের বাজারের তুলনায় গতকাল ক্রেতা সমাগম অনেক কম ছিল। এতে চাহিদা কমার পাশাপাশি বেচাবিক্রিও কমে গেছে তাদের।

 

 

 

 

এ বিষয়ে কথা হলে রাজধানীর শনিরআখড়া বাজারের মাছ বিক্রেতা মো. ইদ্রিস হাওলাদার বলেন, সাধারণত শুক্রবারের বাজারে চাহিদা বাড়তি থাকে। তাই এদিন মাছও বেশি করে আনা হয়। বিক্রিও হয়ে যায় তাড়াতাড়ি। কিন্ত আজ (গতকাল শুক্রবার) বাজারে তেমন ক্রেতা নেই। ছুটিতে এখনো অনেকেই ঢাকার বাইরে আছেন। তার প্রভাব আমাদের ব্যবসার ওপরও পড়েছে। আজ টুকটাক বেচাবিক্রি হলেও বেশিরভাগ সময় অলস পার করতে হচ্ছে।

 

 

 

 

 

সবজি বিক্রেতা মো. সাজ্জাদও বলেন, অন্য শুক্রবারের চেয়ে ক্রেতা কম। বেচাবিক্রিও ঢিলেঢালা চলছে। এতে আমাদের ব্যবসাও কমে গেছে। তবে, চাহিদা কম থাকায় ও শীতের সবজির সরবরাহ বাড়ায় দাম এখন কিছুটা কমেছে। কিন্তু বিক্রি এখনো বাড়ছে না।

 

বাজার ঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে কয়েক পদের সবজির দাম কিছুটা কমেছে। এর মধ্যে শিমের দাম কমে ১২০ টাকাতেও পাওয়া যাচ্ছে। টমেটোর দামও কমে ১৪০ টাকায় নেমে এসেছে। দাম কমে বেগুনের কেজি ৮০-১২০ টাকায় নেমে এসেছে। পটোল ও ঢ্যাঁড়শের কেজি দাম কমে ৬০ টাকা হয়েছে। কাঁকরোলের দামও কমে ৮০ টাকা হয়েছে। তবে, বরবটি, ঝিঙা, লাউ, কচুমুখী ও লতি এখনো ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আগের দামেই স্থির করলাও। পেঁপে আগের মতো ৩০ টাকা এবং মিষ্টিকুমড়া ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। অপরিবর্তিত রয়েছে কাঁচা মরিচের দর, প্রতিকেজি ১২০ থেকে ১৪০ টাকা পর্যন্ত। তবে বাজারে নতুন ওঠা ফুলকপি ও বাঁধাকপি পিস বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। প্রতি পিস ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে নতুন আলুর কেজিও বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়।

সবজি বিক্রেতারা বলছেন, আবহাওয়া ঠিক থাকলে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়লে দাম আরও কিছুটা কমে আসবে। তবে, বাড়তি পরিবহন ভাড়ার প্রভাবে এবার শীতকালীন সবজির সুফল ভোক্তারা কতটা ভোগ করতে পারবেন তা নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে বলে জানান তারা। তাদের মতে, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে পরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় নিয়ন্ত্রণে আনা গেলে শীতে সবজির দাম অনেকটা কমে আসবে।

 

 

 

মুরগির বাজারে ব্রয়লার বাদে সোনালি মুরগি ও অন্যান্য মুরগির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। সোনালির কেজি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে, ব্রয়লারের কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা পর্যন্ত। গত সপ্তাহে যা ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হয়। তবে ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে ফার্মের বাদামি ডিমের দাম প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা দরে। আর ফার্মের সাদা ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে এর থেকেও ১০ টাকা কমে।

মাছের বাজারে সব ধরনের মাছের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। যদিও বিক্রেতাদের দাবি চাহিদা কম থাকায় দাম কিছুটা কমেছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেড় থেকে দুই কেজি ওজনের রুইয়ের কেজি ৩৪০ টাকা, তেলাপিয়ার কেজি ছোট-বড় আকার ভেদে ২২০ থেকে ২৪০ টাকা, পাঙাশের কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, পুঁটি মাছ ৫০০ টাকা, শোল ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, টেংরার কেজি ৭০০ টাকা। অন্যান্য মাছের দামও অনেকটাই অপরিবর্তিত রয়েছে। আর চিংড়ির কেজি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। জাত ও আকার ভেদে আরও বেশি দামেও বিক্রি হচ্ছে।

 

 

 

 

 

চালের বাজার আগের ধরেই স্থির। সুগন্ধি চাল এখনো নাগালের বাইরে রয়েছে। তবে, পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে। ৫৫ টাকায় বিক্রি হওয়া দেশি পেঁয়াজের কেজি এখন ৫০ টাকাতেও পাওয়া যাচ্ছে। নতুন আলু উঠায় পুরোনো আলুর দামও নিম্নমুখী। প্রতি কেজি ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

 

 

 

এদিকে, ভোজ্য তেলের বাজারে আগের চিত্রই দেখা গেছে। সয়াবিনের বোতলের সরবরাহ কম বলে জানিয়েছেন খুচরা বিক্রেতারা। ফলে সয়াবিন তেলের কাঙ্ক্ষিত বোতলের খোঁজে ভোক্তাকে ঘুরতে হচ্ছে এক দোকান থেকে আরেক দোকানে।

 

 

 

 

রাজধানীর কদমতলী সাদ্দাম মার্কেটের খুচরা বিক্রেতা মো. মিলন হোসেন বলেন, দাম বাড়ানোর পরও সরবরাহ সেভাবে বাড়েনি। আরও দাম বাড়াতে কোম্পানিগুলো সরবরাহ বাড়াচ্ছে না। তার ওপর আমাদেরকেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। ফলে প্রতি লিটারে আমাদের এক টাকা লাভও থাকছে না। অপরদিকে খোলা তেলের ড্রামও বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে।

 

 

 

 

এ এলাকার আরেক বিক্রোতা মো. খোকন মিয়া বলেন, দাম আরও বাড়ানোর জন্য আগের কায়দাতেই সব চলছে। সয়াবিন তেলের জন্য কোম্পানি থেকে অন্য পণ্যও নিতে হয়। আবার বাড়তি দামে কিনতে হয়, আমাদের লাভও থাকে না। বাধ্য হয়ে সয়াবিনের অর্ডারই দিচ্ছি না। তাই এ মুহূর্তে দোকানে কোনো বোতল নেই।

 

 

 

এ এলাকার বাসিন্দা মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, দুই লিটারের বোতলের খোঁজে অন্তত তিনটা দোকান ঘুরতে হয়েছে। কোনো দোকানে পাঁচ লিটারের বোতল আছে তো কোনো দোকানে দুই লিটার। কোথাও আবার কোনো বোতলই নেই বলছেন বিক্রেতারা। সয়াবিনের বাজারে এই ভোগান্তির অবসান চাই আমরা।

ট্যাগ :

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ছিনতাইকারী সন্দেহে দুই পুলিশ সদস্যকে পিটুনি দিলেন কুবি শিক্ষার্থীরা

ছুটির আমেজ কাটেনি, ক্রেতা কম থাকায় বাজারে বেচাকেনা কম

আপডেট টাইম : ১০:৫৩:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

পূজার টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে রাজধানী ঢাকা এখনো অনেকটাই ফাঁকা। বাজারেও পড়েছে এর প্রভাব। রাজধানীর বাজারগুলোতে ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম। খুচরা ব্যবসায়ীরাও বলছেন, সাধারণ সময়ের সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবারের বাজারের তুলনায় গতকাল ক্রেতা সমাগম অনেক কম ছিল। এতে চাহিদা কমার পাশাপাশি বেচাবিক্রিও কমে গেছে তাদের।

 

 

 

 

এ বিষয়ে কথা হলে রাজধানীর শনিরআখড়া বাজারের মাছ বিক্রেতা মো. ইদ্রিস হাওলাদার বলেন, সাধারণত শুক্রবারের বাজারে চাহিদা বাড়তি থাকে। তাই এদিন মাছও বেশি করে আনা হয়। বিক্রিও হয়ে যায় তাড়াতাড়ি। কিন্ত আজ (গতকাল শুক্রবার) বাজারে তেমন ক্রেতা নেই। ছুটিতে এখনো অনেকেই ঢাকার বাইরে আছেন। তার প্রভাব আমাদের ব্যবসার ওপরও পড়েছে। আজ টুকটাক বেচাবিক্রি হলেও বেশিরভাগ সময় অলস পার করতে হচ্ছে।

 

 

 

 

 

সবজি বিক্রেতা মো. সাজ্জাদও বলেন, অন্য শুক্রবারের চেয়ে ক্রেতা কম। বেচাবিক্রিও ঢিলেঢালা চলছে। এতে আমাদের ব্যবসাও কমে গেছে। তবে, চাহিদা কম থাকায় ও শীতের সবজির সরবরাহ বাড়ায় দাম এখন কিছুটা কমেছে। কিন্তু বিক্রি এখনো বাড়ছে না।

 

বাজার ঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে কয়েক পদের সবজির দাম কিছুটা কমেছে। এর মধ্যে শিমের দাম কমে ১২০ টাকাতেও পাওয়া যাচ্ছে। টমেটোর দামও কমে ১৪০ টাকায় নেমে এসেছে। দাম কমে বেগুনের কেজি ৮০-১২০ টাকায় নেমে এসেছে। পটোল ও ঢ্যাঁড়শের কেজি দাম কমে ৬০ টাকা হয়েছে। কাঁকরোলের দামও কমে ৮০ টাকা হয়েছে। তবে, বরবটি, ঝিঙা, লাউ, কচুমুখী ও লতি এখনো ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আগের দামেই স্থির করলাও। পেঁপে আগের মতো ৩০ টাকা এবং মিষ্টিকুমড়া ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। অপরিবর্তিত রয়েছে কাঁচা মরিচের দর, প্রতিকেজি ১২০ থেকে ১৪০ টাকা পর্যন্ত। তবে বাজারে নতুন ওঠা ফুলকপি ও বাঁধাকপি পিস বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। প্রতি পিস ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে নতুন আলুর কেজিও বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়।

সবজি বিক্রেতারা বলছেন, আবহাওয়া ঠিক থাকলে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়লে দাম আরও কিছুটা কমে আসবে। তবে, বাড়তি পরিবহন ভাড়ার প্রভাবে এবার শীতকালীন সবজির সুফল ভোক্তারা কতটা ভোগ করতে পারবেন তা নিয়ে আশঙ্কা রয়েছে বলে জানান তারা। তাদের মতে, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে পরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় নিয়ন্ত্রণে আনা গেলে শীতে সবজির দাম অনেকটা কমে আসবে।

 

 

 

মুরগির বাজারে ব্রয়লার বাদে সোনালি মুরগি ও অন্যান্য মুরগির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। সোনালির কেজি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে, ব্রয়লারের কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা পর্যন্ত। গত সপ্তাহে যা ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হয়। তবে ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে ফার্মের বাদামি ডিমের দাম প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা দরে। আর ফার্মের সাদা ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে এর থেকেও ১০ টাকা কমে।

মাছের বাজারে সব ধরনের মাছের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। যদিও বিক্রেতাদের দাবি চাহিদা কম থাকায় দাম কিছুটা কমেছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেড় থেকে দুই কেজি ওজনের রুইয়ের কেজি ৩৪০ টাকা, তেলাপিয়ার কেজি ছোট-বড় আকার ভেদে ২২০ থেকে ২৪০ টাকা, পাঙাশের কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, পুঁটি মাছ ৫০০ টাকা, শোল ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, টেংরার কেজি ৭০০ টাকা। অন্যান্য মাছের দামও অনেকটাই অপরিবর্তিত রয়েছে। আর চিংড়ির কেজি ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। জাত ও আকার ভেদে আরও বেশি দামেও বিক্রি হচ্ছে।

 

 

 

 

 

চালের বাজার আগের ধরেই স্থির। সুগন্ধি চাল এখনো নাগালের বাইরে রয়েছে। তবে, পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে। ৫৫ টাকায় বিক্রি হওয়া দেশি পেঁয়াজের কেজি এখন ৫০ টাকাতেও পাওয়া যাচ্ছে। নতুন আলু উঠায় পুরোনো আলুর দামও নিম্নমুখী। প্রতি কেজি ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

 

 

 

এদিকে, ভোজ্য তেলের বাজারে আগের চিত্রই দেখা গেছে। সয়াবিনের বোতলের সরবরাহ কম বলে জানিয়েছেন খুচরা বিক্রেতারা। ফলে সয়াবিন তেলের কাঙ্ক্ষিত বোতলের খোঁজে ভোক্তাকে ঘুরতে হচ্ছে এক দোকান থেকে আরেক দোকানে।

 

 

 

 

রাজধানীর কদমতলী সাদ্দাম মার্কেটের খুচরা বিক্রেতা মো. মিলন হোসেন বলেন, দাম বাড়ানোর পরও সরবরাহ সেভাবে বাড়েনি। আরও দাম বাড়াতে কোম্পানিগুলো সরবরাহ বাড়াচ্ছে না। তার ওপর আমাদেরকেই বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। ফলে প্রতি লিটারে আমাদের এক টাকা লাভও থাকছে না। অপরদিকে খোলা তেলের ড্রামও বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে।

 

 

 

 

এ এলাকার আরেক বিক্রোতা মো. খোকন মিয়া বলেন, দাম আরও বাড়ানোর জন্য আগের কায়দাতেই সব চলছে। সয়াবিন তেলের জন্য কোম্পানি থেকে অন্য পণ্যও নিতে হয়। আবার বাড়তি দামে কিনতে হয়, আমাদের লাভও থাকে না। বাধ্য হয়ে সয়াবিনের অর্ডারই দিচ্ছি না। তাই এ মুহূর্তে দোকানে কোনো বোতল নেই।

 

 

 

এ এলাকার বাসিন্দা মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, দুই লিটারের বোতলের খোঁজে অন্তত তিনটা দোকান ঘুরতে হয়েছে। কোনো দোকানে পাঁচ লিটারের বোতল আছে তো কোনো দোকানে দুই লিটার। কোথাও আবার কোনো বোতলই নেই বলছেন বিক্রেতারা। সয়াবিনের বাজারে এই ভোগান্তির অবসান চাই আমরা।