সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ইব্রাহিমের গোলে এগিয়ে বাংলাদেশ Logo পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে দ্বিতীয় সভা ৯ নভেম্বর Logo সরকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম Logo হরমুজ প্রণালিতে ভারত-চীনসহ ৪ দেশকে বিশেষ ছাড় দিল ইরান Logo একের পর এক সুযোগ নষ্ট, প্রথমার্ধে গোল পায়নি বাংলাদেশ Logo চালু হচ্ছে পাবনা-ঢাকা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন Logo গোপালগঞ্জ জেলা স্কুলে ‘জয়বাংলা’ স্লোগান, ছাড়পত্র পেল ৯ শিক্ষার্থী Logo স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ নতুন দায়িত্ব পেলেন ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী Logo নতুন করে দুটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী Logo নদীভাঙন কবলিত জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি ও মানবিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গবেষণার প্রাথমিক ফলাফল উপস্থাপন

জয়পুরহাটে খুনের মামলায় দুজনের যাবজ্জীবন

জয়পুরহাট জেলা ও দায়রা আদালত। ছবি: ফেসবুক থেকে সংগৃহীত

জয়পুরহাটে সাদ্দাম হোসেন হত্যা মামলার ২ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে উভয়কে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড; অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

 

 

 

 

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার বড় মানিকগ্রামের শামসুল আলমের ছেলে মোহাম্মদ সায়েম উদ্দিন (৪৬) এবং একই উপজেলার পশ্চিম বালিঘাটা গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে সোহেল রানা (৩৬)।

 

 

 

 

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ৩টার দিকে আসামিদের উপস্থিতিতে জয়পুরহাট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা প্রথম আদালতের বিচারক মো. হাসিবুল হক এ রায় দেন।

 

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ওই আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের নিয়োজিত সরকারি কৌঁসুলি এ টি এম মিজানুর রহমান। রায় ঘোষণার পর পুলিশি পাহারায় তাদের জয়পুরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ২০ জুলাই দুপুর সোয়া ২টার দিকে জেলার পাঁচবিবি উপজেলায় কুটাহারা গ্রামে মাদক কেনাকে কেন্দ্র করে সায়েম ও সোহেলের সঙ্গে সাদ্দামের বাগবিতণ্ডা হয়। এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে সায়েম হোসেন ও সোহেল ছুরি বের করে সাদ্দামকে উপর্যপুরি আঘাত করেন। ঘটনাস্থলে থাকা পিয়াস ও প্রশান্ত অধিকারী এগিয়ে এলে তাদেরও ছুরিকাঘাত করে আহত করে তারা।

 

 

 

এ সময় স্থানীয়রা তাদের দুজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। আসামির ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও জনতা আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক সাদ্দাম হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহত সাদ্দাম হোসেনের বাবা তায়েজ উদ্দিন বাদী হয়ে পাঁচবিবি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পাঁচবিবি থানার মামলার কর্মকর্তা মো. ফরিদ হোসেন তদন্ত করে ২০১৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। মামলা সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে ১২ বছর পর মামলাটির রায় দেন বিচারক।

 

 

জনতার কণ্ঠ/জেডএইচ

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইব্রাহিমের গোলে এগিয়ে বাংলাদেশ

জয়পুরহাটে খুনের মামলায় দুজনের যাবজ্জীবন

আপডেট টাইম : ০৭:৩৪:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

জয়পুরহাটে সাদ্দাম হোসেন হত্যা মামলার ২ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে উভয়কে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড; অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

 

 

 

 

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার বড় মানিকগ্রামের শামসুল আলমের ছেলে মোহাম্মদ সায়েম উদ্দিন (৪৬) এবং একই উপজেলার পশ্চিম বালিঘাটা গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে সোহেল রানা (৩৬)।

 

 

 

 

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ৩টার দিকে আসামিদের উপস্থিতিতে জয়পুরহাট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা প্রথম আদালতের বিচারক মো. হাসিবুল হক এ রায় দেন।

 

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ওই আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের নিয়োজিত সরকারি কৌঁসুলি এ টি এম মিজানুর রহমান। রায় ঘোষণার পর পুলিশি পাহারায় তাদের জয়পুরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ২০ জুলাই দুপুর সোয়া ২টার দিকে জেলার পাঁচবিবি উপজেলায় কুটাহারা গ্রামে মাদক কেনাকে কেন্দ্র করে সায়েম ও সোহেলের সঙ্গে সাদ্দামের বাগবিতণ্ডা হয়। এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে সায়েম হোসেন ও সোহেল ছুরি বের করে সাদ্দামকে উপর্যপুরি আঘাত করেন। ঘটনাস্থলে থাকা পিয়াস ও প্রশান্ত অধিকারী এগিয়ে এলে তাদেরও ছুরিকাঘাত করে আহত করে তারা।

 

 

 

এ সময় স্থানীয়রা তাদের দুজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। আসামির ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও জনতা আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক সাদ্দাম হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহত সাদ্দাম হোসেনের বাবা তায়েজ উদ্দিন বাদী হয়ে পাঁচবিবি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পাঁচবিবি থানার মামলার কর্মকর্তা মো. ফরিদ হোসেন তদন্ত করে ২০১৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। মামলা সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে ১২ বছর পর মামলাটির রায় দেন বিচারক।

 

 

জনতার কণ্ঠ/জেডএইচ