সিরাজগঞ্জ , সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ইসির পরীক্ষা, পরিস্থিতি দেখে ব্যবস্থা নেবে বিরোধী দল

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপ-নির্বাচন বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর)। এদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভোটগ্রহণ উপলক্ষ্যে মাঠে অবস্থান নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

মোতায়েন করা হয়েছে বিজিবি। এছাড়া নির্বাচনি আচরণবিধি প্রতিপালনের জন্য নিয়োজিত করা হয়েছে বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

 

নির্বাচনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ভোটকেন্দ্রে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা। ভোটের দায়িত্বে ২১ প্লাটুন বিজিবি, এসআরবির ২৫১ সদস্য, পুলিশ ২২৭২ জন এবং আনসার ২৪০৫ জন নিয়োজিত করা হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৭৬, নারী ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫৯ এবং হিজড়া ভোটার ৪ জন।

মোট ভোটকেন্দ্র ১৮৫টি এবং ভোটকক্ষ ৯৮৯টি। ভোটগ্রহণে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং কর্মকর্তা মিলিয়ে মোট ৩ হাজার ১৫২ জন দায়িত্ব পালন করবেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন পান ১ লাখ ৪১ হাজার ১৭ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. খাদেমুল ইসলাম পান ৩ হাজার ৯৫১ ভোট। বাতিল ভোট ছিল ৭ হাজার ৫৩৭টি। প্রদত্ত ভোটের হার ছিল ৭৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত ২১ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আসটি থেকে পদত্যাগ করেন। সে অনুযায়ী আসন শূন্য হলে নির্বাচনের তফসিল দেয় কমিশন।

এ নির্বাচনে পোস্টার ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য মোট ২৯৫ জন ভোটার আবেদন করেছিলেন। এদের মধ্যে ২৮৯টি অনুমোদন হয়েছে। বাতিল ছয়টি। ২৯টি আবেদন এসেছে প্রবাস থেকে।

উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন-মির্জা ফয়সল আমিন (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মো. দেলাওয়ার হোসেন (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী (বটগাছ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ ডা. মো. খাদেমুল ইসলাম (হাতপাখা) এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক (ডাব)।

ইতোমধ্যে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, এই নির্বাচনেই ইসির পরীক্ষা হয়ে যাবে। এতেই বোঝা যাবে সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন কেমন হবে। তবে নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।

 

জনতার কণ্ঠ / কেএম

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ইসির পরীক্ষা, পরিস্থিতি দেখে ব্যবস্থা নেবে বিরোধী দল

আপডেট টাইম : ০৯:৪৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপ-নির্বাচন বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর)। এদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভোটগ্রহণ উপলক্ষ্যে মাঠে অবস্থান নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

মোতায়েন করা হয়েছে বিজিবি। এছাড়া নির্বাচনি আচরণবিধি প্রতিপালনের জন্য নিয়োজিত করা হয়েছে বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

 

নির্বাচনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ভোটকেন্দ্রে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা। ভোটের দায়িত্বে ২১ প্লাটুন বিজিবি, এসআরবির ২৫১ সদস্য, পুলিশ ২২৭২ জন এবং আনসার ২৪০৫ জন নিয়োজিত করা হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৭৬, নারী ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫৯ এবং হিজড়া ভোটার ৪ জন।

মোট ভোটকেন্দ্র ১৮৫টি এবং ভোটকক্ষ ৯৮৯টি। ভোটগ্রহণে প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং কর্মকর্তা মিলিয়ে মোট ৩ হাজার ১৫২ জন দায়িত্ব পালন করবেন।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন পান ১ লাখ ৪১ হাজার ১৭ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. খাদেমুল ইসলাম পান ৩ হাজার ৯৫১ ভোট। বাতিল ভোট ছিল ৭ হাজার ৫৩৭টি। প্রদত্ত ভোটের হার ছিল ৭৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত ২১ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আসটি থেকে পদত্যাগ করেন। সে অনুযায়ী আসন শূন্য হলে নির্বাচনের তফসিল দেয় কমিশন।

এ নির্বাচনে পোস্টার ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য মোট ২৯৫ জন ভোটার আবেদন করেছিলেন। এদের মধ্যে ২৮৯টি অনুমোদন হয়েছে। বাতিল ছয়টি। ২৯টি আবেদন এসেছে প্রবাস থেকে।

উপ-নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন-মির্জা ফয়সল আমিন (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মো. দেলাওয়ার হোসেন (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী (বটগাছ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ ডা. মো. খাদেমুল ইসলাম (হাতপাখা) এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক (ডাব)।

ইতোমধ্যে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, এই নির্বাচনেই ইসির পরীক্ষা হয়ে যাবে। এতেই বোঝা যাবে সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন কেমন হবে। তবে নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।

 

জনতার কণ্ঠ / কেএম