সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তরুণীকে ধর্ষণকাণ্ডে থানার সব পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

প্রতীকী ছবি

লাহোরে একটি মর্মান্তিক ও চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। নগরীর একটি পুলিশ স্টেশনের ভেতরে এক সহকারী সাব-ইন্সপেক্টির (এএসআই) বিরুদ্ধে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার পর ওই থানার পুরো পুলিশ স্টাফকে একসঙ্গে বরখাস্ত করা হয়েছে। খবর ডনের।

 

 

 

গত রোববার লাহোরের গাজিয়াবাদ পুলিশ স্টেশনের ভেতরের একটি কক্ষে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই থানারই একজন সহকারী সাব-ইন্সপেক্টর (এএসআই)।

 

 

 

ভুক্তভোগী তরুণীর বয়স প্রায় ২০ বছর এবং তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অপ্রকৃতিস্থ।

 

 

লাহোর ডিআইজি (অপারেশনস) ফয়সল কামরান ডন পত্রিকাকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ভুক্তভোগী তরুণী জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ঘটনাস্থল তথা থানার দোতলার নির্দিষ্ট রুমটি শনাক্ত করেছেন।

ডিআইজি ফয়সল কামরান জানান, পুলিশী বিধিমালা অনুযায়ী থানার ভেতরে যেকোনো ধরনের অপরাধ বা অনিয়ম রোধ করার যৌথ দায়িত্ব পুরো স্টাফের ওপর বর্তায়।

 

 

কোনো নারী পুলিশ সদস্যের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও কেন ওই এএসআই তরুণীকে থানায় নিয়ে এসেছিলেন, সে বিষয়ে কেউ কোনো প্রশ্ন বা খোঁজ নেয়নি।

 

 

 

এই চরম দায়িত্বহীনতা ও গাফিলতির কারণে ওই থানায় নিয়োজিত ৭০ জনেরও বেশি পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

 

 

 

 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণীর বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে গত সোমবার থানায় একটি এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়েছে।

 

 

 

 

পাকিস্তান দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারা (ধর্ষণের শাস্তি) এবং ২০০২ সালের পুলিশ অর্ডারের ১৫৫-সি ধারা (পুলিশ কর্মকর্তাদের অসদাচরণের শাস্তি) অনুযায়ী মামলাটি রুজু করা হয়েছে।

 

 

 

 

এফআইআরে বাদীর ভাষ্য অনুযায়ী, গত রোববার দুপুরে মানসিকভাবে অপ্রকৃতিস্থ ২০ বছর বয়সী ওই তরুণী বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। খোঁজাখুজির একপর্যায়ে এক ব্যক্তি জানান, সাদা পোশাকে থাকা এক পুলিশকর্মী তাকে সঙ্গে করে নিয়ে গেছেন। পরবর্তীতে রাত ৯টার দিকে পরিবার থানায় পৌঁছানোর আগেই মেয়েটি কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরে আসে এবং পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা খুলে বলে।

সূত্র: ডন

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণীকে ধর্ষণকাণ্ডে থানার সব পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

আপডেট টাইম : ০৮:২৪:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

লাহোরে একটি মর্মান্তিক ও চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। নগরীর একটি পুলিশ স্টেশনের ভেতরে এক সহকারী সাব-ইন্সপেক্টির (এএসআই) বিরুদ্ধে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার পর ওই থানার পুরো পুলিশ স্টাফকে একসঙ্গে বরখাস্ত করা হয়েছে। খবর ডনের।

 

 

 

গত রোববার লাহোরের গাজিয়াবাদ পুলিশ স্টেশনের ভেতরের একটি কক্ষে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই থানারই একজন সহকারী সাব-ইন্সপেক্টর (এএসআই)।

 

 

 

ভুক্তভোগী তরুণীর বয়স প্রায় ২০ বছর এবং তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অপ্রকৃতিস্থ।

 

 

লাহোর ডিআইজি (অপারেশনস) ফয়সল কামরান ডন পত্রিকাকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ভুক্তভোগী তরুণী জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ঘটনাস্থল তথা থানার দোতলার নির্দিষ্ট রুমটি শনাক্ত করেছেন।

ডিআইজি ফয়সল কামরান জানান, পুলিশী বিধিমালা অনুযায়ী থানার ভেতরে যেকোনো ধরনের অপরাধ বা অনিয়ম রোধ করার যৌথ দায়িত্ব পুরো স্টাফের ওপর বর্তায়।

 

 

কোনো নারী পুলিশ সদস্যের অনুপস্থিতি সত্ত্বেও কেন ওই এএসআই তরুণীকে থানায় নিয়ে এসেছিলেন, সে বিষয়ে কেউ কোনো প্রশ্ন বা খোঁজ নেয়নি।

 

 

 

এই চরম দায়িত্বহীনতা ও গাফিলতির কারণে ওই থানায় নিয়োজিত ৭০ জনেরও বেশি পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

 

 

 

 

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণীর বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে গত সোমবার থানায় একটি এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়েছে।

 

 

 

 

পাকিস্তান দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারা (ধর্ষণের শাস্তি) এবং ২০০২ সালের পুলিশ অর্ডারের ১৫৫-সি ধারা (পুলিশ কর্মকর্তাদের অসদাচরণের শাস্তি) অনুযায়ী মামলাটি রুজু করা হয়েছে।

 

 

 

 

এফআইআরে বাদীর ভাষ্য অনুযায়ী, গত রোববার দুপুরে মানসিকভাবে অপ্রকৃতিস্থ ২০ বছর বয়সী ওই তরুণী বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। খোঁজাখুজির একপর্যায়ে এক ব্যক্তি জানান, সাদা পোশাকে থাকা এক পুলিশকর্মী তাকে সঙ্গে করে নিয়ে গেছেন। পরবর্তীতে রাত ৯টার দিকে পরিবার থানায় পৌঁছানোর আগেই মেয়েটি কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরে আসে এবং পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা খুলে বলে।

সূত্র: ডন