জনতার কন্ঠ প্রতিবেদক:
টানা চারদিন ধরে যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ ও কাজিপুর পয়েন্টে কমছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জে ২০ ও কাজিপুরে ১৯ সেন্টিমিটার কমেছে। ফলে কেটে গেছে বন্যা আতংক। এ দফায় টানা দুই সপ্তাহ বন্যার পানি বাড়লেও বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। ফলে তেমনটা দূর্ভোগও পোহাতে হয়নি যমুনাপাড়ের মানুষকে।
বৃহস্পতিবার (২১ আগষ্ট) সকালে সিরাজগঞ্জ হার্ড পয়েন্টে যমুনা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ০২ মিটার। গত ২৪ ঘণ্টায় ২০ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ৮৮ মিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে (বিপৎসীমা ১২.৯০ মিটার)।
অপরদিকে জেলার কাজিপুর মেঘাই পয়েন্টে পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৫৪ মিটার। ২৪ ঘন্টা ১৯ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ১ দশমিক ২৬মিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে (বিপৎসীমা ১৪.৮০ মিটার)।
সিরাজগঞ্জ পাউবো ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সিরাজগঞ্জ হার্ডপয়েন্ট এলাকায় যমুনার পানির বিপৎসীমা নির্ধারণ করা ছিল ১৩.৩৫ মিটার। প্রায় প্রতি বছরই এ অঞ্চলে যমুনার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতো। ফলে চরাঞ্চলে বন্যা ও প্লাবন দেখা দিতো। কিন্তু তিন বছর ধরে সেটা কমিয়ে ১২.৯০ মিটার নির্ধারণ করা হয়। এ বছর ওই বিপৎসীমাও অতিক্রম করেনি।
তবে সম্প্রতি যমুনা নদীর পানি বেড়ে এর অভ্যন্তরীণ চরাঞ্চলের ফসলী জমি ও কিছু নিম্নভূমি তলিয়ে গেলেও তেমন ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. নাজমুল হোসাইন বলেন, উজানে থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে দুই সপ্তাহ যমুনার পানি বৃদ্ধি পাওয়ার পর কমতে থাকে। আগেই বলেছি, এ বছর বন্যার কোন আভাস আমরা পাইনি। এখন তো পানি কমতেই শুরু করেছে। বন্যার শঙ্কাও কেটে গেছে।

রিপোর্টার: 




















