সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

নারীর ক্ষমতায়ন ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে নারীর অধিকার, নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

 

শনিবার (৭ মার্চ) আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে এ বাণী দেন প্রধানমন্ত্রী। একইদিন সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজেও বাণীটি প্রকাশ করা হয়।

 

 

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৮ মার্চ ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’।

 

 

এ উপলক্ষে তিনি বিশ্বের সব নারীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি উল্লেখ করেন, একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন তখনই টেকসই হয় যখন নারীর অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়।

 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। নারীদের রাষ্ট্র, সরকার ও রাজনীতির মূলধারার বাইরে রেখে কোনো দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়।

 

 

বিশেষ করে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত না হলে সামগ্রিক উন্নয়নের সুফল পাওয়া যায় না।

 

 

বাণীতে তিনি বলেন, নারীদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ খালেদা জিয়া। শহীদ জিয়ার শাসনামলে ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে নারী বিষয়ক দফতর প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং ১৯৭৮ সালে গঠন করা হয় মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়, যা পরে খালেদা জিয়ার সরকারের সময় ১৯৯৪ সালে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে রূপান্তরিত হয়।

 

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, নারীর আর্থসামাজিক ক্ষমতায়নে খালেদা জিয়া দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেছিলেন, যা ছিল একটি বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত।

 

একই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করেছে।

 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার শিক্ষা, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও রাজনীতিসহ সব ক্ষেত্রে নারীর সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা চালু করা, উচ্চশিক্ষায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, মেয়েদের জন্য ফ্রি স্কুল ইউনিফর্ম, ডিজিটাল লার্নিং সুবিধা এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

 

নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাইবার বুলিং এবং অনলাইনে নারীর বিরুদ্ধে হয়রানি বন্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

 

 

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য যেখানে নারী-পুরুষ সমান অধিকার ভোগ করবে এবং সম্মান, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিয়ে পরিবার, রাষ্ট্র ও সমাজে কাজ করতে পারবে।

 

 

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করে বাণীটি শেষ করেন প্রধানমন্ত্রী।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

নারীর ক্ষমতায়ন ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১১:২৪:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে নারীর অধিকার, নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

 

 

শনিবার (৭ মার্চ) আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে এ বাণী দেন প্রধানমন্ত্রী। একইদিন সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজেও বাণীটি প্রকাশ করা হয়।

 

 

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৮ মার্চ ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’।

 

 

এ উপলক্ষে তিনি বিশ্বের সব নারীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি উল্লেখ করেন, একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন তখনই টেকসই হয় যখন নারীর অধিকার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়।

 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। নারীদের রাষ্ট্র, সরকার ও রাজনীতির মূলধারার বাইরে রেখে কোনো দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়।

 

 

বিশেষ করে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত না হলে সামগ্রিক উন্নয়নের সুফল পাওয়া যায় না।

 

 

বাণীতে তিনি বলেন, নারীদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ খালেদা জিয়া। শহীদ জিয়ার শাসনামলে ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে নারী বিষয়ক দফতর প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং ১৯৭৮ সালে গঠন করা হয় মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়, যা পরে খালেদা জিয়ার সরকারের সময় ১৯৯৪ সালে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে রূপান্তরিত হয়।

 

 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, নারীর আর্থসামাজিক ক্ষমতায়নে খালেদা জিয়া দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা চালু করেছিলেন, যা ছিল একটি বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত।

 

একই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করেছে।

 

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার শিক্ষা, অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও রাজনীতিসহ সব ক্ষেত্রে নারীর সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা চালু করা, উচ্চশিক্ষায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, মেয়েদের জন্য ফ্রি স্কুল ইউনিফর্ম, ডিজিটাল লার্নিং সুবিধা এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

 

নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাইবার বুলিং এবং অনলাইনে নারীর বিরুদ্ধে হয়রানি বন্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

 

 

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য যেখানে নারী-পুরুষ সমান অধিকার ভোগ করবে এবং সম্মান, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিয়ে পরিবার, রাষ্ট্র ও সমাজে কাজ করতে পারবে।

 

 

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করে বাণীটি শেষ করেন প্রধানমন্ত্রী।