সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

নৈশপ্রহরীকে বেঁধে রেখে স্বর্ণের দোকানে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

দোকানের ভল্ট ভেঙে স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে ডাকাতদল। ছবি : সংগৃহীত

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় নৈশপ্রহরীকে বেঁধে চারটি স্বর্ণের দোকনে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতদল স্বর্ণ ও টাকাসহ কোটি টাকার মতো নিয়ে গেছে।

 

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) গভীর রাতে অষ্টমনিষা ইউনিয়নের অষ্টমনিষা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

 

জানা গেছে, আঁখি জুয়েলার্স, মা জুয়েলার্স, মধু জুয়েলার্স ও উত্তম জুয়েলার্স নামের পাশাপাশি কয়েকটি স্বর্ণের দোকান। মালিকরা দোকান তালাবদ্ধ রেখে রাতে বাসায় চলে যান। বাজারে তিনজন নৈশপ্রহরী রয়েছে। বুধবার গভীর রাতে ১০-১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাতদল প্রহরীদের মোবাইল কেড়ে নিয়ে হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর তিনটি দোকানের তালা কেটে স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুট করে। এরপর উত্তম জুয়েলার্সের সিন্দুক ভাঙতে না পেরে দোকানের ওপরে থাকা মালিক রঞ্জন কর্মকারকে শারীরিক নির্যাতন করে সিন্দুকের চাবি নিয়ে নেয়। চাবি নিয়ে সিন্দুকে রাখা স্বর্ণ, রুপা ও টাকা নিয়ে যায়।

রঞ্জন কর্মকারের বাবা রতন কর্মকার বলেন, আনুমানিক রাত ২টার দিকে বাসার গেটে ডাকাডাকি শুরু করে ডাকাতদল। পরিচয় জানতে চাইলে তারা প্রশাসনের লোক পরিচয় দেন।

আঁখি জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী আত্তাব বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে দোকানে এসে দেখি, দোকানে কিছু নেই। সব নিয়ে গেছে ডাকাতদল।

মা জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী ইউসুফ আলী বলেন, আমি অনেক টাকা ঋণ করে দোকান করেছি। ডাকাতির ঘটনায় নিঃস্ব হয়ে গেছি।

 

মধু জুয়েলার্সের তপন কর্মকার কান্নাকণ্ঠে বলেন, সোনা ও নগদ টাকাসহ তার প্রায় ১৪ লাখ টাকা লুট করে নিয়েছে ডাকাত দল।

 

ভাঙ্গুড়া থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ভোরে ডাকাতি হওয়া দোকানগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ডিবি তদন্ত করবে।

 

সহকারী পুলিশ সুপার (চাটমোহর সার্কেল) মো. আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ডাকাতির ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন টিম কাজ করছেন এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

নৈশপ্রহরীকে বেঁধে রেখে স্বর্ণের দোকানে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

আপডেট টাইম : ০২:০৩:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় নৈশপ্রহরীকে বেঁধে চারটি স্বর্ণের দোকনে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। ডাকাতদল স্বর্ণ ও টাকাসহ কোটি টাকার মতো নিয়ে গেছে।

 

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) গভীর রাতে অষ্টমনিষা ইউনিয়নের অষ্টমনিষা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

 

জানা গেছে, আঁখি জুয়েলার্স, মা জুয়েলার্স, মধু জুয়েলার্স ও উত্তম জুয়েলার্স নামের পাশাপাশি কয়েকটি স্বর্ণের দোকান। মালিকরা দোকান তালাবদ্ধ রেখে রাতে বাসায় চলে যান। বাজারে তিনজন নৈশপ্রহরী রয়েছে। বুধবার গভীর রাতে ১০-১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাতদল প্রহরীদের মোবাইল কেড়ে নিয়ে হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর তিনটি দোকানের তালা কেটে স্বর্ণ ও নগদ টাকা লুট করে। এরপর উত্তম জুয়েলার্সের সিন্দুক ভাঙতে না পেরে দোকানের ওপরে থাকা মালিক রঞ্জন কর্মকারকে শারীরিক নির্যাতন করে সিন্দুকের চাবি নিয়ে নেয়। চাবি নিয়ে সিন্দুকে রাখা স্বর্ণ, রুপা ও টাকা নিয়ে যায়।

রঞ্জন কর্মকারের বাবা রতন কর্মকার বলেন, আনুমানিক রাত ২টার দিকে বাসার গেটে ডাকাডাকি শুরু করে ডাকাতদল। পরিচয় জানতে চাইলে তারা প্রশাসনের লোক পরিচয় দেন।

আঁখি জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী আত্তাব বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে দোকানে এসে দেখি, দোকানে কিছু নেই। সব নিয়ে গেছে ডাকাতদল।

মা জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী ইউসুফ আলী বলেন, আমি অনেক টাকা ঋণ করে দোকান করেছি। ডাকাতির ঘটনায় নিঃস্ব হয়ে গেছি।

 

মধু জুয়েলার্সের তপন কর্মকার কান্নাকণ্ঠে বলেন, সোনা ও নগদ টাকাসহ তার প্রায় ১৪ লাখ টাকা লুট করে নিয়েছে ডাকাত দল।

 

ভাঙ্গুড়া থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ভোরে ডাকাতি হওয়া দোকানগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ডিবি তদন্ত করবে।

 

সহকারী পুলিশ সুপার (চাটমোহর সার্কেল) মো. আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ডাকাতির ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন টিম কাজ করছেন এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।