পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার ভাড়া দেওয়া বাড়িতে ডিজে পার্টির আড়ালে মাদকসহ নারী-পুরুষ আটকের ঘটনায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া স্ট্যাটাসে এ অভিযোগ করেন তিনি।
স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
‘‘বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত একজন ডিআইজির মালিকানাধীন একটি বাড়ি থেকে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার দায়ে ৮৪ জন নারী-পুরুষকে গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। একই সঙ্গে বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ পণ্য (মাদক) উদ্ধার করা হয়েছে।
এখান থেকেই বোঝা যায়, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কতটা অবনতি হয়েছে। দেশের সর্বত্র আইনশৃঙ্খলাবিরোধী ও অসামাজিক কার্যকলাপের পাশাপাশি চাঁদাবাজির মহোৎসব, ছিনতাই, লুণ্ঠন ও ডাকাতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।
স্বয়ং পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বাসায় এ ধরনের অপকর্ম সংঘটিত হওয়ায় জনমনে উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে। গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যাও তো রয়েছেই।
এসব জনদুর্ভোগ নিরসন ও অপকর্ম দমনের পরিবর্তে সরকার এখন বিরোধী দলের চরিত্র হননে ব্যস্ত।
হায় সেলুকাস! আমাদের এই বাংলাদেশ! তরুণদেরকে আরেকবার জাগতে হবে।’’
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর ভাটারা থানাধীন একটি আবাসিক এলাকায় পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি (রিপেয়ার অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) আব্দুল্লাহ আল জহিরের ভাড়া দেওয়া বাড়িতে (পুলিশ হাউজিং-১) অভিযান চালায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। অভিযানে মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও নারীসহ ৮৪ জনকে আটক করা হয়েছে।
পরে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের সই করা এক অফিস আদেশে আব্দুল্লাহ আল জহিরকে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।

ন্যাশনাল ডেস্ক। জণতার কন্ঠ.কম 



















