সিরাজগঞ্জ , বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশের পূজার প্রশংসায় সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন , আসতে চান দেখতে

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ০৩:০৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
  • 21

বাংলাদেশের এবারের দুর্গাপূজার আয়োজন দেখে মুগ্ধ হয়েছেন ভারতের সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের এবারের পুজো আয়োজন ছিল চমকে দেওয়ার মতো।

‘সাবাশ বাংলাদেশ!’ বলে প্রশংসাও করেছেন ময়ূখ।
বৃহস্পতিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে বাংলাদেশের পূজার প্রশংসা করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, বাংলাদেশের পূজা এবার চমকে দেওয়ার মতো। সাবাশ বাংলাদেশ।

আমাকে সবচেয়ে চমকে দিয়েছে চট্টগ্রাম। কলকাতার সব পুরস্কার আয়োজকদের একটা করে পুরস্কার রাখা উচিৎ চট্টগ্রামের পূজোগুলোর জন্য। যদি সম্ভব হয় কুরিয়ার করে এই পূজোগুলিকে সম্মান জানান। ওরা আনন্দিত হবে।

তিনি বাংলাদেশে পূজা দেখতে আসার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন। লিখেছেন, কোন এক বছর পায়ে হেঁটে প্যান্ডেল ঘুরব। ওখানে ফুচকা পাওয়া যায়? তাহলে ফুচকা খাব।

এবছর ডিলিটাল মাধ্যমে অনেক ঠাকুর দেখেছেন বলে জানান ময়ূখ। এর মধ্যে পছন্দের তালিকাও প্রকাশ করেন তিনি।

জানান, চট্টগ্রামের পূজাগুলোর মধ্যে তার চোখে সমানভাবে এক নম্বরে থাকবে কোতোয়ালীর ‘ষোড়শীকুঞ্জ সার্বজনীন পূজো উদযাপন পরিষদ’ এবং ‘উত্তর কাট্টলী, তালুকদার বাড়ী (বাণী মন্দির) প্রাঙ্গণ’। এর পরপরই থাকবে ‘খলিফাপট্টি’ ও ‘ব্রজধাম স্মৃতি সংসদ’ এবং অন্যান্য মণ্ডপগুলো।
তিনি আরো বলেন, যে পূজাগুলো দেখা মিস হয়েছে, সেগুলোর কথা জানালে আগামীবার তিনি আগে থেকেই সেগুলোর প্রচার করবেন।

সর্বশেষে নিজের শিকড় ও অস্তিত্ব ধরে রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বার্তা দেন, ‘জমি ছেড়ো না। নিজের শিকড় বদলাতে দিয়ো না! ব্যাস এটুকুই!

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের পূজার প্রশংসায় সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন , আসতে চান দেখতে

আপডেট টাইম : ০৩:০৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের এবারের দুর্গাপূজার আয়োজন দেখে মুগ্ধ হয়েছেন ভারতের সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন ঘোষ। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের এবারের পুজো আয়োজন ছিল চমকে দেওয়ার মতো।

‘সাবাশ বাংলাদেশ!’ বলে প্রশংসাও করেছেন ময়ূখ।
বৃহস্পতিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে বাংলাদেশের পূজার প্রশংসা করেন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, বাংলাদেশের পূজা এবার চমকে দেওয়ার মতো। সাবাশ বাংলাদেশ।

আমাকে সবচেয়ে চমকে দিয়েছে চট্টগ্রাম। কলকাতার সব পুরস্কার আয়োজকদের একটা করে পুরস্কার রাখা উচিৎ চট্টগ্রামের পূজোগুলোর জন্য। যদি সম্ভব হয় কুরিয়ার করে এই পূজোগুলিকে সম্মান জানান। ওরা আনন্দিত হবে।

তিনি বাংলাদেশে পূজা দেখতে আসার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন। লিখেছেন, কোন এক বছর পায়ে হেঁটে প্যান্ডেল ঘুরব। ওখানে ফুচকা পাওয়া যায়? তাহলে ফুচকা খাব।

এবছর ডিলিটাল মাধ্যমে অনেক ঠাকুর দেখেছেন বলে জানান ময়ূখ। এর মধ্যে পছন্দের তালিকাও প্রকাশ করেন তিনি।

জানান, চট্টগ্রামের পূজাগুলোর মধ্যে তার চোখে সমানভাবে এক নম্বরে থাকবে কোতোয়ালীর ‘ষোড়শীকুঞ্জ সার্বজনীন পূজো উদযাপন পরিষদ’ এবং ‘উত্তর কাট্টলী, তালুকদার বাড়ী (বাণী মন্দির) প্রাঙ্গণ’। এর পরপরই থাকবে ‘খলিফাপট্টি’ ও ‘ব্রজধাম স্মৃতি সংসদ’ এবং অন্যান্য মণ্ডপগুলো।
তিনি আরো বলেন, যে পূজাগুলো দেখা মিস হয়েছে, সেগুলোর কথা জানালে আগামীবার তিনি আগে থেকেই সেগুলোর প্রচার করবেন।

সর্বশেষে নিজের শিকড় ও অস্তিত্ব ধরে রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বার্তা দেন, ‘জমি ছেড়ো না। নিজের শিকড় বদলাতে দিয়ো না! ব্যাস এটুকুই!