অপেক্ষার প্রহর শেষ, অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা। উদয়পুরের সৌন্দর্যের মাঝেই রাজকীয় বিয়ে সারছেন ‘বিরোশ’। তাদের বিয়ের পরের লুকে একসঙ্গে দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন অনুরাগীরা।
দক্ষিণ ভারতীয় হলেও বিজয় ও রাশমিকা দুই ভিন্ন রাজ্যের।
তাই দুই রাজ্যের নিয়মরীতি অনুযায়ীই বিয়ে সারবেন তারা। প্রথমে বিজয়ের পরিবারের তেলুগু নিয়মে হবে বিয়ের অনুষ্ঠান। তারপর রাশমিকা পরিবারের নিয়ম মেনে কোডাভা অর্থাৎ কর্ণাটকের বিয়ের রীতি অনুযায়ী আরও একবার বিয়ে সারবেন তারা।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিয়ের অনুষ্ঠানের তিন দিন আগেই উদয়পুরে পৌঁছেছেন জুটি।
গায়ে হলুদ থেকে সঙ্গীত ও মেহেদি সেরেছেন তারা সেখানেই। এখানেই শেষ নয়, বিজয়ের জন্য নিজের সিনেমা ‘পুষ্পা’র জনপ্রিয় গান ‘আঙ্গারো’-এ পারফর্মও করেছেন রাশমিকা।
উল্লেখ্য, ভারতের জনপ্রিয় এই তারকা জুটির বিয়ের মেনুতে থাকবে খাঁটি দক্ষিণী খাবারের আয়োজন। ওয়েলকাম ড্রিংকে থাকছে নারকেলের পানি।
খাবার পরিবেশন হবে কলাপাতায়। থাকবে তেলেঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ ও কর্নাটকের নানা সুস্বাদু খাবার। থাকছে হায়দরাবাদী দম বিরিয়ানি, মুরগীর মাংসের বিশেষ পদ নাটু কোডি পুলুস, গারেলু বা মেডু বড়া, পাপ্পু যা মূলত দক্ষিণ ভারতীয় স্বাদের এক ধরণের ডাল এবং অবশ্যই কিমা সামোসা।
এখানেই শেষ নয়, রাশমিকা যেহেতু কর্নাটকের মেয়ে তাই কুর্গ অর্থাৎ কোডাগু ছোঁয়ায় কদম্বুটু ও পান্ডি কারি ও শেষ পাতে মাইশোর পাকের মতো মিষ্টি। ১০০ অতিথি নিমন্ত্রিত এদিন বিজয়-রাশমিকার বিয়ের অনুষ্ঠানে।
উদয়পুরের পাঁচতাঁরকা হোটেলে অতিথি ও পরিবারের সবার থাকার ব্যবস্থার জন্য নেওয়া হয়েছে ১১৭টি ঘর। শোনা যাচ্ছে, যার প্রতি রাতের ভাড়া নাকি ২০ থেকে ৭০ হাজার টাকা। বিয়ের পর আসছে ৪ মার্চ হায়দ্রাবাদে তারকাখচিত রিসেপশনের আয়োজন করেছেন বিজয় ও রাশমিকা।