সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬

মাদ্রাসার বিতর্কিত ঘটনায় পদক্ষেপ নেওয়া হবে: ধর্মমন্ত্রী

মাদ্রাসা ও ইসলামিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া বিতর্কিত ঘটনাগুলোকে দুঃখজনক ও লজ্জাস্কর বলে মন্তব্য করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যেন না ঘটে, সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

 

 

 

একইসঙ্গে জুমার খুতবায় এসব বিষয় তুলে ধরে শরিয়তের আলোকে হালাল-হারাম সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে ইমামদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মন্ত্রী।

 

 

 

শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল উপলক্ষ্যে আয়োজিত জাতীয় ইমাম সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।

 

 

সাম্প্রতিক সময়ে মাদ্রাসা ও ইসলামিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিভিন্ন বিতর্কিত ঘটনা নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে ধর্মমন্ত্রী বলেন, তিনি তার বক্তব্যে ইমামদের খুতবায় এসব বিষয় তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন। ইমামরা যদি খুতবায় শরিয়তের নির্দেশনা অনুযায়ী কোনটি হারাম, কোনটি হালাল তা ব্যাখ্যা করেন, তাহলে তা মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

 

 

 

তিনি বলেন, আপনি যে প্রশ্নটা করেছেন, আমরা চেষ্টা করছি। প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন।

তিনি আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন, যাতে এই জিনিসগুলো থেকে আমরা বেঁচে থাকতে পারি, জনগণও বেঁচে থাকতে পারে।

 

 

 

 

 

সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো সম্পর্কে জানতে পেরেছেন কি না– এমন প্রশ্নের জবাবে কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন বলেন, চিকিৎসার জন্য কিছুদিন দেশের বাইরে ছিলাম। সেখানে থাকাকালে কিছুটা বিষয়গুলো লক্ষ্য করেছি এবং দেশে ফিরে আরও জেনেছি।

 

 

 

 

 

তিনি বলেন, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাস্কর। ভবিষ্যতে এই জিনিসটা ঘটবে না বলে আমি বিশ্বাস করি। আমরা সেই ব্যাপারে যা করা প্রয়োজন, তাই করব, ইনশাআল্লাহ।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদ্রাসার বিতর্কিত ঘটনায় পদক্ষেপ নেওয়া হবে: ধর্মমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০১:২৭:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
মাদ্রাসা ও ইসলামিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া বিতর্কিত ঘটনাগুলোকে দুঃখজনক ও লজ্জাস্কর বলে মন্তব্য করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যেন না ঘটে, সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

 

 

 

একইসঙ্গে জুমার খুতবায় এসব বিষয় তুলে ধরে শরিয়তের আলোকে হালাল-হারাম সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে ইমামদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মন্ত্রী।

 

 

 

শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল উপলক্ষ্যে আয়োজিত জাতীয় ইমাম সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।

 

 

সাম্প্রতিক সময়ে মাদ্রাসা ও ইসলামিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিভিন্ন বিতর্কিত ঘটনা নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে ধর্মমন্ত্রী বলেন, তিনি তার বক্তব্যে ইমামদের খুতবায় এসব বিষয় তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন। ইমামরা যদি খুতবায় শরিয়তের নির্দেশনা অনুযায়ী কোনটি হারাম, কোনটি হালাল তা ব্যাখ্যা করেন, তাহলে তা মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

 

 

 

তিনি বলেন, আপনি যে প্রশ্নটা করেছেন, আমরা চেষ্টা করছি। প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন।

তিনি আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন, যাতে এই জিনিসগুলো থেকে আমরা বেঁচে থাকতে পারি, জনগণও বেঁচে থাকতে পারে।

 

 

 

 

 

সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো সম্পর্কে জানতে পেরেছেন কি না– এমন প্রশ্নের জবাবে কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন বলেন, চিকিৎসার জন্য কিছুদিন দেশের বাইরে ছিলাম। সেখানে থাকাকালে কিছুটা বিষয়গুলো লক্ষ্য করেছি এবং দেশে ফিরে আরও জেনেছি।

 

 

 

 

 

তিনি বলেন, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক ও লজ্জাস্কর। ভবিষ্যতে এই জিনিসটা ঘটবে না বলে আমি বিশ্বাস করি। আমরা সেই ব্যাপারে যা করা প্রয়োজন, তাই করব, ইনশাআল্লাহ।