সিরাজগঞ্জ , মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হোসেনপুরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, চিকিৎসায় প্রস্তুত হাসপাতাল Logo টেন্ডার ছাড়াই ভবন নির্মাণ শুরু চেয়ারম্যানের, বন্ধ করলেন ইউএনও Logo ‘ঘাড় থেকে মাথা সরিয়ে দেব’, বিএনপি নেতাকে হুঁশিয়ারি স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতির Logo নওগাঁ কারা হেফাজতে থাকা বগুড়ার আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু Logo ডেঙ্গুতে নতুন করে ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ১০ জন Logo থাপ্পড়কাণ্ডে শাহজালাল রুমিকে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ Logo জাজিরায় মৃত্যুর দুই মাস পরের দলিলে জমি দাবি, বিরোধে দুই পক্ষ Logo ৭ নভেম্বর ৬ ঘণ্টার জন্য টোল ফ্রি ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে Logo সৌদি আরবে হামলা:পিছিয়েই গেল এশিয়ান কাপ Logo জাজিরার নাওডোবায় মৃত ব্যক্তির নামে দলিল সৃজনের অভিযোগ

মেট্রোরেলে অসুস্থ যাত্রীকে আসন দিলেন না কেউ, পড়ে গিয়ে মৃত্যু

মেট্রোরেলে উঠছেন যাত্রীরা এবং বাবা হারানো এনসিপি নেতা নাকিবুর রহমান।

মেট্রোরেলে যাতায়াতের সময় অসুস্থ হয়ে এক বাবার মৃত্যুর ঘটনায় পাশে থাকা মানুষের মানবিক আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সদস্য নাকিবুর রহমান। গত ২৪ অক্টোবর দুপুরে শাহবাগ থেকে উত্তরা যাওয়ার পথে শেওড়াপাড়া স্টেশনের কাছাকাছি তার বাবা স্ট্রোক করেন। শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করে বসতে চাইলেও আশপাশের কেউ তাকে জায়গা ছেড়ে দেননি বলে জানিয়েছেন নাকিবুর।

 

 

 

 

 

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে বাবার মৃত্যুর ঘটনা তুলে ধরে এ কথা জানান তিনি। একই সঙ্গে চলাফেরার সময় বয়স্ক ও প্রবীণ নাগরিকদের প্রতি সহানুভূতিশীল ও বন্ধুসুলভ আচরণের আহ্বান জানান এনসিপির এই নেতা।

 

 

 

 

পাঠকদের জন্য এনসিপি নেতা নাকিবুর রহমানের ফেসবুক পোস্টটি নিম্নে হুবহু তুলে ধরা হলো-

আব্বু গত ২৪ অক্টোবর, দুপুরে মেট্রোরেলে শাহবাগ থেকে উত্তরা ফেরার পথে শেওরাপাড়া স্টেশনের কাছাকাছি স্ট্রোক করে মুহূর্তেই মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর আগে উনি শারীরিক অসুস্থ অনুভব করায় আশপাশের লোকজনের কাছে বসতে চেয়েছিলেন। কেউ জায়গা ছেড়ে তাকে বসতে দেননি।

 

 

 

 

আমার বাবা দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় স্ট্রোক করে নিচে পড়ে যান। আল্লাহ তার মৃত্যুকে সহজ করে নিয়ে গেছেন। কিন্তু সন্তান হিসেবে এটুকু মেনে নেওয়াটা কষ্টকর।

আমার কোনো রাগ-অভিমান নেই।

শুধু এই টুকুই বলব সবাইকে, চলতে ফিরতে বয়স্ক বা সিনিয়র সিটিজেন যখন যেখানে যে অবস্থাতেই পাবেন, তাদের সাথে বন্ধুসুলভ আচরণ করুন। আপনি আজকে যাকে ইগনোর করলেন, সে আপনার বাবা না হলেও, অন্য কারও বাবা।

অনুগ্রহ করে কেউ মেট্রোরেল যাতায়াত সংক্রান্ত উচিত অনুচিত কথাবার্তা বা ঘটনা তুলে এনে কাউকে দোষারোপ স্বরূপ মন্তব্য করবেন না। চলাফেরা করার সময় আমাদের আশপাশের মানুষদের কমফোর্ট থাকার বিষয়টি খেয়াল করাই উত্তম।

আমি সবার ফোন বা ম্যসেজ ঠিকমতো রেস্পন্স করতে পারিনি। পর্যায়ক্রমে যোগাযোগ করব ইনশাআল্লাহ।

সবাই আমার আব্বুর জন্য দোয়া করবেন।

মেট্রোরেলে স্ট্রোকের পরও সিটে বসতে দেয়নি কেউ, মুহূর্তে লুটিয়ে পড়ে মৃত্যু

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হোসেনপুরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, চিকিৎসায় প্রস্তুত হাসপাতাল

মেট্রোরেলে অসুস্থ যাত্রীকে আসন দিলেন না কেউ, পড়ে গিয়ে মৃত্যু

আপডেট টাইম : ০৫:৪৪:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

মেট্রোরেলে যাতায়াতের সময় অসুস্থ হয়ে এক বাবার মৃত্যুর ঘটনায় পাশে থাকা মানুষের মানবিক আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সদস্য নাকিবুর রহমান। গত ২৪ অক্টোবর দুপুরে শাহবাগ থেকে উত্তরা যাওয়ার পথে শেওড়াপাড়া স্টেশনের কাছাকাছি তার বাবা স্ট্রোক করেন। শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করে বসতে চাইলেও আশপাশের কেউ তাকে জায়গা ছেড়ে দেননি বলে জানিয়েছেন নাকিবুর।

 

 

 

 

 

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে বাবার মৃত্যুর ঘটনা তুলে ধরে এ কথা জানান তিনি। একই সঙ্গে চলাফেরার সময় বয়স্ক ও প্রবীণ নাগরিকদের প্রতি সহানুভূতিশীল ও বন্ধুসুলভ আচরণের আহ্বান জানান এনসিপির এই নেতা।

 

 

 

 

পাঠকদের জন্য এনসিপি নেতা নাকিবুর রহমানের ফেসবুক পোস্টটি নিম্নে হুবহু তুলে ধরা হলো-

আব্বু গত ২৪ অক্টোবর, দুপুরে মেট্রোরেলে শাহবাগ থেকে উত্তরা ফেরার পথে শেওরাপাড়া স্টেশনের কাছাকাছি স্ট্রোক করে মুহূর্তেই মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর আগে উনি শারীরিক অসুস্থ অনুভব করায় আশপাশের লোকজনের কাছে বসতে চেয়েছিলেন। কেউ জায়গা ছেড়ে তাকে বসতে দেননি।

 

 

 

 

আমার বাবা দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় স্ট্রোক করে নিচে পড়ে যান। আল্লাহ তার মৃত্যুকে সহজ করে নিয়ে গেছেন। কিন্তু সন্তান হিসেবে এটুকু মেনে নেওয়াটা কষ্টকর।

আমার কোনো রাগ-অভিমান নেই।

শুধু এই টুকুই বলব সবাইকে, চলতে ফিরতে বয়স্ক বা সিনিয়র সিটিজেন যখন যেখানে যে অবস্থাতেই পাবেন, তাদের সাথে বন্ধুসুলভ আচরণ করুন। আপনি আজকে যাকে ইগনোর করলেন, সে আপনার বাবা না হলেও, অন্য কারও বাবা।

অনুগ্রহ করে কেউ মেট্রোরেল যাতায়াত সংক্রান্ত উচিত অনুচিত কথাবার্তা বা ঘটনা তুলে এনে কাউকে দোষারোপ স্বরূপ মন্তব্য করবেন না। চলাফেরা করার সময় আমাদের আশপাশের মানুষদের কমফোর্ট থাকার বিষয়টি খেয়াল করাই উত্তম।

আমি সবার ফোন বা ম্যসেজ ঠিকমতো রেস্পন্স করতে পারিনি। পর্যায়ক্রমে যোগাযোগ করব ইনশাআল্লাহ।

সবাই আমার আব্বুর জন্য দোয়া করবেন।

মেট্রোরেলে স্ট্রোকের পরও সিটে বসতে দেয়নি কেউ, মুহূর্তে লুটিয়ে পড়ে মৃত্যু