বিশেষ সংবাদদাতা, উল্লাপাড়া। জনতার কণ্ঠ.কম
২০২৪ সালের ৫ আগষ্টের আগেও তিনি ছিলেন শ্রমিকলীগ নেতা। ওই সময় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও সক্রিয় ছিলেন তিনি। সাবেক সংসদ সদস্য তানভীর ইমামের সঙ্গেও ছিল ঘণিষ্ঠতা। তবে রাজনৈতিক পট পরিবর্তণের পরপরই তিনি ভোল পাল্টে হয়ে যান জামায়াত নেতা।
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুল ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সহ-সভাপতি মো. ইউসুফ আলী এভাবেই এখন পুরোদস্তুর জামায়াত নেতা বনে গেছেন। বর্তমানে তিনি হাটিকুমরুল ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।
জানা যায়, সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুল ইউনিয়নের চড়িয়া কালিবাড়ী গ্রামের মো. আবুল হোসেনের ছেলে মো. ইউসুফ আলী বিগত ১৫ বছর আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি বিভিন্ন সময় দলের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করছেন।
৫ আগষ্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর রাতারাতি নিজেকে পাল্টে ফেলেন তিনি। জামায়াত নেতাদের সাথে গড়ে তোলেন সম্পর্ক। বাগিয়ে নেন ওয়ার্ড জামায়াতের প্রচার সম্পাদকের পদ। এ নিয়ে এলাকায় চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনার ঝড়।
শ্রমিক লীগ নেতা ইউসুফ আলীকে জামাতে যোগদানের কথা জিজ্ঞেস করলে, তিনি গণমাধ্যমে বলেন, আমি হাটিকুমরুল ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি ছিলাম। কিন্তু এখন আমি জামাত করি।
শ্রমিকলীগ থেকে পদত্যাগ করেছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দলটির সাংগঠনিক নেতারা পলাতক থাকায় পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারিনি। তবে সেটা শিগগিরই দেবো।
হাটিকুমরুল ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা রাকিবুল ইসলাম সিরাজীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইউসুফ আলী ইউনিয়নের শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি ছিলো কিনা আমার সঠিক যানা নাই। তবে এ বিষয়ে আমার সহকারি সেক্রেটারি মাওলানা নজরুল ইসলাম ভালো বলতে পারবেন।
হাটিকুমরুল ইউনিয়ন জামায়াতে সহকারি সেক্রেটারি মাওলানা নজরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সে আগে থেকেই জামাত করত। শ্রমিক লীগ নেতা ইউসুফের এখন জামাতের পদ কি জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিবেদকের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, ইউসুফ আলীকে নিয়া তোমার এত মাথা ব্যাথা কেন তাকে আমি জামাতের হাটিকুমরুল ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের প্রচার সম্পাদক দিয়েছি তাতে তোমার সমস্যা কোথায়।

রিপোর্টার: 



















