
রাফিনহাকে ঘিরে উদ্বেগ, বদলি নেওয়ার সুযোগ আছে কি ব্রাজিলের?
- ক্রীড়া ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৬:১৪:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
হাইতির বিপক্ষে আজ ফিলাডেলফিয়ায় ৪০ মিনিটে মাঠ ছেড়ে চলে যান রাফিনিয়া। চিকিৎসকেরা যখন তাকে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন চোখের পানি মুছছিলেন ব্রাজিলের এই তারকা ফরোয়ার্ড। তাতে করে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে।
ডাগআউটে ফিরেই রাফিনহা দলের ডাক্তার রদ্রিগো লাসমারের সঙ্গে কথা বলেন। তারকা ফরোয়ার্ডকে সান্ত্বনা দেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। আর যখন ডান ঊরুতে রাফিনিয়া হাত রেখেছেন, তখন কোচের দুশ্চিন্তা অনেক বেড়ে যায়। কারণ, এখন তার (রাফিনহা) বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। যদি এই আশঙ্কা সত্যি হয়, তাহলে বিকল্প খেলোয়াড় নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সিবিএফ)। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী বিকল্প খেলোয়াড় নেওয়ার সময়সীমা শেষ হয়েছে ১২ জুন।
এমনকি টুর্নামেন্টে প্রথম ম্যাচ খেলার ২৪ ঘণ্টা আগেও ব্রাজিল নতুন কাউকে দলে নিতে পারত। যেখানে গত ১৪ জুন বাংলাদেশ সময় ভোরে মরক্কোর মুখোমুখি হয়েছিল ব্রাজিল। এখন আর সেই সুযোগ পাচ্ছে না সেলেসাওরা। এক কথায় প্রথম রাউন্ড শেষ হওয়ার পর কোনো দলকেই টুর্নামেন্টের বাকি অংশের জন্য তাদের দলে আর কোনো পরিবর্তন আনার অনুমতি দেয় না।
বিশ্বকাপে গোলরক্ষকদের বেলায় ব্যতিক্রম রয়েছে। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি দলের ম্যাচের জন্য তিন গোলরক্ষক থাকতে হবে। কোনো গোলরক্ষক চোটের কারণে ছিটকে গেলে তার পরিবর্তে নতুন গোলরক্ষক নেওয়া সম্ভব। তা না হলে দলটি বিশ্বকাপের বাকি সময় একজন খেলোয়াড় কম নিয়েই খেলতে হবে।
এ বছরের মার্চে ফ্রান্সের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়েছিলেন রাফিনিয়া। আজ হাইতির বিপক্ষে ফের ডান পায়ে চোট পাওয়ায় বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। রাফিনিয়ার বিপক্ষে ৪০ মিনিটে রায়ানকে মাঠে নামান আনচেলত্তি। শেষ পর্যন্ত ৩-০ গোলের সহজ জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ব্রাজিল। মাথিয়াস কুনিয়া করেছেন জোড়া গোল। অপর গোল করেছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
হাইতির বিপক্ষে ৩-০ গোলে জয়ের পর ‘সি’ গ্রুপের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে এখন ব্রাজিল। দুই ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৪। মরক্কোর পয়েন্ট ৪ হলেও গোল ব্যবধানের কারণে দলটি দুইয়ে। ১৪ জুন নিউজার্সিতে ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচ গোলশূন্য ড্র হয়েছিল। তিন পয়েন্ট নিয়ে তিনে স্কটল্যান্ড। আর দুই ম্যাচের দুটিতে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিল হাইতি।

বিয়ে নয়, হচ্ছিল ‘আংটি বদল’! চিনিকল এমডির ছেলের বাল্যবিয়ে ঠেকাল প্রশাসন
- জয়পুরহাট প্রতিনিধি।জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৬:০৩:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
জয়পুরহাট চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) ছেলের সঙ্গে একই প্রতিষ্ঠানের আরেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার স্কুলপড়ুয়া মেয়ের বিয়ের সব প্রস্তুতিই ছিল সম্পন্ন। স্থান খোদ চিনিকল চত্বর! তবে গোপন এই আয়োজনের খবর পৌঁছে যায় স্থানীয় প্রশাসনের কানে। অবশেষে শুক্রবার দুপুরে আকস্মিক অভিযান চালিয়ে এই বাল্যবিয়ে পণ্ড করে দিয়েছে প্রশাসন।
জানা গেছে, বর পেশায় একজন ইন্টার্ন চিকিৎসক এবং তিনি জয়পুরহাট চিনিকলের এমডি মোহাম্মদ খবির উদ্দিন মোল্যার ছেলে। কনে এবার এসএসসি পরীক্ষা দেবে, বয়স এখনো ১৮ পেরোয়নি। কনের বাবাও একই চিনিকলের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

আইন অনুযায়ী বয়সের বাধা থাকলেও শুক্রবার দুপুরে চিনিকলের ভেতরেই বিয়ের এই গোপনীয় আসর বসেছিল। দাওয়াতি মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চিনিকলের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীও।
বাল্যবিয়ের এই খবর পেয়ে কালক্ষেপণ না করে ঘটনাস্থলে ছুটে যান জয়পুরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান এবং সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরে আলম সিদ্দিকী। প্রশাসনের উপস্থিতিতে ভেস্তে যায় বিয়ের আয়োজন। পরে কনের বাবার কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা আদায় করা হয় যে, মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত কোনোভাবেই তাকে বিয়ে দেওয়া হবে না।
তবে বিয়ের মূল আয়োজনের কথা অস্বীকার করেছে বর ও কনের পরিবার। একে নিছক আংটি পরানো’ বা আক্দ অনুষ্ঠান বলে দাবি করেছেন ছেলের বাবা ও চিনিকলের এমডি মোহাম্মদ খবির উদ্দিন মোল্যা।
তিনি বলেন, আমার ছেলে এমবিবিএস পাস করেছে। চিনিকলের এক কর্মকর্তার মেয়েকে সে পছন্দ করেছে। কিন্তু মেয়ের বিয়ের বয়স এখনো হয়নি। যেহেতু আমাদের দুজনেরই বদলির চাকরি এবং যেকোনো সময় বদলি হতে পারে, তাই দুই পরিবারের সম্মতিতে কেবল আংটি পরানোর আয়োজন করা হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, প্রশাসনের লোকজন আসার পর মেয়ের বাবা মুচলেকা দিয়েছেন। আগামী বছর যদি আমরা এখানে থাকি, তবে মেয়ের বয়স পূর্ণ হওয়ার পর ধুমধাম করেই বিয়ের অনুষ্ঠান করব।
এ বিষয়ে ইউএনও মাহমুদুল হাসান বলেন, গোপনে নাবালিকা মেয়ের বিয়ের আয়োজন চলছে- এমন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, মেয়েটির বয়স এখনো ১৮ বছর পূর্ণ হয়নি। তাই কনের বাবার কাছ থেকে লিখিত অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয়েছে। বাল্যবিয়ে রোধে প্রশাসন সবসময় কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

লেবাননে যুদ্ধবিরতি উপেক্ষা করে ইসরায়েলি হামলা, ১৬ জন নিহত
- আন্তর্জাতিক ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৫:৫৬:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সর্বশেষ যুদ্ধবিরতি ঘোষণার একদিন পরও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। এসব হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে লেবাননের বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা।
সংস্থাটির এক বিবৃতিতে বলা হয়, দক্ষিণাঞ্চলের নাবাতিয়েহ জেলায় চলমান হামলার ঘটনায় উদ্ধারকর্মীরা ১৬ জনের মরদেহ এবং ১২ জন আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। খবর দ্য টাইমস অফ ইসরায়েলের।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভোর থেকে বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থার সদস্যরা নাবাতিয়েহ জেলায় উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। এলাকায় অব্যাহত হামলার কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে।
যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও হামলা অব্যাহত থাকায় অঞ্চলটিতে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। তবে হামলার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ইসরায়েলি বাহিনীর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ব্রাজিল জেতায় মাথা ন্যাড়া করলেন আর্জেন্টিনা ভক্ত
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ.কম।
- আপডেট টাইম : ০৫:৫১:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই সমর্থকদের আবেগ, উন্মাদনা আর নানা ব্যতিক্রমী কাণ্ড। সেই উন্মাদনারই এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন জামালপুরের বকশীগঞ্জের এক আর্জেন্টিনা সমর্থক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া চ্যালেঞ্জ রক্ষা করতে ব্রাজিলের জয়ের পর মাথা ন্যাড়া করেছেন ফয়সাল আহমেদ জুম্মান।
ফয়সাল উপজেলার সদর ইউনিয়নের সাধুরপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং দীর্ঘদিন ধরে আর্জেন্টিনা দলের একনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে পরিচিত।
শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে তিনি ঘোষণা দেন- হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে ব্রাজিল জয়ী হলে তিনি মাথা ন্যাড়া করে এলাকায় ঘুরবেন।
শনিবার (২০ জুন) সকালে অনুষ্ঠিত ম্যাচে হাইতিকে ৩-০ গোলে পরাজিত করে ব্রাজিল। ম্যাচ শেষ হতেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া নিজের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেন ফয়সাল। আর্জেন্টিনার জার্সি গায়েই সাধুরপাড়া এলাকায় তিনি মাথা ন্যাড়া করেন। এ সময় ঘটনাটি দেখতে ভিড় করেন স্থানীয় ফুটবলপ্রেমি ও কৌতূহলী মানুষজন।
মুহূর্তেই বিষয়টি এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। অনেকেই ছবি ও ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। পরে সেগুলো ব্যাপকভাবে শেয়ার হলে নেটিজেনদের মধ্যে দেখা দেয় নানা আলোচনা।
স্থানীয়দের মতে, বিশ্বকাপ ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে এমন বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা ফুটবলপ্রেমেরই বহিঃপ্রকাশ। ফয়সালের এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ এলাকায় বেশ আনন্দ ও কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে।
ফয়সাল আহমেদ জুম্মান বলেন, ‘খেলাধুলা বিনোদনের একটি বড় মাধ্যম। আমি মজা করেই এই চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলাম। ব্রাজিল জিতেছে, তাই কথা অনুযায়ী মাথা ন্যাড়া করেছি। প্রতিশ্রুতি দিলে তা রাখতে হয়।’

প্রথম দুই ম্যাচেই শঙ্কা, নিষেধাজ্ঞার মুখে ব্রাজিলের ৩ ফুটবলার
- ক্রীড়া ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৫:৫০:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপের দুটি গ্রুপ ম্যাচ খেলা হয়ে গেছে ব্রাজিলের। দুই ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে সেলেসাওরা। কিন্তু স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগে উদ্বেগ ব্রাজিলের ক্যাম্পে।
আগামী বুধবার স্কটিশদের সঙ্গে ড্র করলেই শীর্ষ দুইয়ে থাকা নিশ্চিত হবে ব্রাজিলের। আর জিতলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া প্রায় নিশ্চিত। কিন্তু এই ম্যাচে তিন খেলোয়াড়কে নিয়ে শঙ্কা থাকছে। আর একটি হলুদ কার্ড পেলে নিষেধাজ্ঞায় কপাল পুড়বে তাদের।
মরক্কোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ ও হাইতির বিপক্ষে জয়ের পর ইবানেজ, কাসেমিরো ও ডগলাস সান্তোসের প্রত্যেকে একটি করে হলুদ কার্ড দেখেছেন। আরেকবার কার্ড পেলে নিষেধাজ্ঞার শাস্তি পেতে হবে তাদের।
বিশ্বকাপে ম্যাচের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ফিফা হলুদ কার্ড ও শাস্তির নিয়মে একটি বড় পরিবর্তন এনেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, খেলোয়াড়দের জমে থাকা হলুদ কার্ড এখন থেকে দুটি ধাপে মুছে ফেলা হবে। গ্রুপ পর্ব শেষ হওয়ার পর যখন নকআউট পর্ব বা দ্বিতীয় পর্ব শুরু হবে, তখন আগের কার্ডগুলো বাতিল হয়ে যাবে। কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ শুরু হওয়ার আগেও খেলোয়াড়দের কার্ডের হিসাব আবার নতুন করে শুরু হবে।
তবে কোনো খেলোয়াড় যদি গ্রুপের শেষ ম্যাচে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড পান, তবে প্রথম নকআউট রাউন্ডে নিষিদ্ধ থাকবেন তিনি।
সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে, থাকছে একাধিক বাড়তি সুযোগ
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৫:৪৩:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত নবম পে স্কেল আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। নতুন বেতন কাঠামোতে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পেতে যাচ্ছেন ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীরা। বিশেষ করে টিফিন ভাতা পাঁচ গুণ বাড়িয়ে ২০০ টাকা থেকে ১,০০০ টাকা করার প্রস্তাব প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
২০১৫ সালে অষ্টম পে স্কেল ঘোষণার পর এটিই হতে যাচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতায় সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। টিফিন ভাতা বৃদ্ধির খবরে সচিবালয় থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ের কর্মচারীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে বলে জানা গেছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে মাসিক ২০০ টাকার টিফিন ভাতা বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। গত এক দশকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় এ ভাতা বাড়ানোর সুপারিশ করে বেতন কমিশন। কর্মচারীদের দৈনন্দিন ব্যয় সামাল দিতে এ সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।
নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, টিফিন ভাতার সুবিধা মূলত ১১ থেকে ২০ গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য হবে।
নবম পে স্কেলে টিফিন ভাতার পাশাপাশি আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সর্বনিম্ন গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ, বৈশাখী ভাতা ২০ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশে উন্নীত করা, শিক্ষা ভাতা ২ হাজার টাকা নির্ধারণ, সরকারি কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্যবীমা চালু এবং প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য অতিরিক্ত ২ হাজার টাকা ভাতা প্রদান।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের সঙ্গে সমন্বয় করে ধাপে ধাপে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিষয়ে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

তিন মাসে বিএনপির অর্জন, ১৫ বছরে হয়নি আ.লীগের: মির্জা ফখরুল
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৫:৩৩:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে সরকার ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে আপনাদের এলাকায় যত রাস্তাঘাট ও সেতু রয়েছে, ইনশাআল্লাহ, সব কাজ সম্পন্ন করা হবে। তিনি আরও বলেছেন, বিএনপি সরকারের গত তিন মাসে যা কাজ হয়েছে, তা আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরেও হয়নি।
শনিবার (২০ জুন) মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর গ্রামীণ বাজার উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নবনির্মিত আধুনিক মার্কেট ভবনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সরকার পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। গত তিন মাসে যে অগ্রগতি হয়েছে, তা আওয়ামী লীগের ১৫ বছরেও হয়নি।
জানা গেছে, বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে বাস্তবায়িত দেশব্যাপী গ্রামীণ বাজার উন্নয়ন প্রকল্পের অংশ হিসেবে ভবেরচর গ্রামীণ বাজারে ২০২৪ সালের ১ জুলাই নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রায় ২ কোটি ৩৫ লাখ ৮৬ হাজার ৪৮০ টাকা ব্যয়ে নির্মিত আধুনিক মার্কেট ভবনটির কাজ বাস্তবায়ন করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি), মুন্সীগঞ্জ। নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান স্বপ্না কনস্ট্রাকশন লিমিটেড।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন, সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন, জেলা প্রশাসক সৈয়দা নূরমহল আশরাফী, পুলিশ সুপার মেনহাজুল আলম এবং গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়াসহ স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী গজারিয়া উপজেলার ব্র্যাক অফিস থেকে ইমামপুর ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত দুই হাজার মিটার সড়কের পুনর্বাসন ও উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এ ছাড়া রসুলপুর বাজার এলাকায় ফুলদী নদীর ওপর প্রস্তাবিত সেতু নির্মাণস্থলও পরিদর্শন করেন।

জরাজীর্ণ বনবিভাগ অফিসে চারা উৎপাদনের জমিতে ধান চাষ, বসেছে মাদকসেবীদের আখড়া
- জয়পুরহাট প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৫:২৬:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
সরকার যেখানে দেশজুড়ে বনায়ন ও পরিবেশ সুরক্ষায় জোর দিচ্ছে, সেখানে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদ এলাকায় অবস্থিত সরকারি বন বিভাগের নার্সারী ও অফিসটি এখন নিজেই অস্তিত্ব সংকটে। সরকারিভাবে এখানে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা উৎপাদন ও বিতরণের কথা থাকলেও, বাস্তবে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে চলছে ধান চাষ। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কার্যালয়টি এখন পরিণত হয়েছে এক জরাজীর্ণ ভূতূড়ে বাড়িতে, যা স্থানীয় অপরাধী ও মাদকসেবীদের নিরাপদ আস্তানায় রূপ নিয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত এই কার্যালয়টি সংস্কার করে বনায়নের উপযুক্ত পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হোক।
সরেজমিনে পরিদর্শনে জানা যায়, ১৯৯০ সালে পাঁচবিবি উপজেলা পরিষদ এলাকায় প্রায় ১২ বিঘা জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয় ‘সামাজিক বনায়ন নার্সারী ও কেন্দ্র, জয়পুরহাট’ এবং ‘পাঁচবিবি সামাজিক বনায়ন ও বাগান’। নিয়ম অনুযায়ী এই বিশাল জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা উৎপাদন করে তা সাধারণ মানুষের মাঝে সরবরাহ করার কথা। কিন্তু বর্তমানে নামমাত্র কয়েক শতক জমিতে কিছু চারা দেখা গেলেও বাকি পুরো মাঠ জুড়েই চলছে ধান চাষ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কেন্দ্রের বাগান মালি মতিউর রহমান নিজেই সরকারি এই জমিতে ধান চাষ করছেন। অথচ নিয়ম মেনে এখানে চারা উৎপাদন করা হলে একদিকে যেমন স্থানীয়দের চাহিদা মিটত, অন্যদিকে সরকারও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব পেত।
দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় কার্যালয়ের ছোট-বড় কয়েকটি ভবনের দরজা-জানালা ইতিমধ্যেই চুরি হয়ে গেছে। সম্পূর্ণ জনশূন্য ও জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকায় স্থানীয়দের কাছে এটি এখন এক ‘ভূতূড়ে বাড়ি’। এই সুযোগে সন্ধ্যা নামলেই এখানে বসছে মাদকসেবী ও বিভিন্ন অপরাধীদের আসর, যা পুরো এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ বিষয়ে তথ্য জানতে পাঁচবিবি বন বিভাগের অফিসে গিয়ে কোনো বন কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি। তবে সেখানে দায়িত্বরত বাগান মালি কামরুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি স্বাভাবিকভাবেই নিজের ও অন্যের সাফাই গাওয়ার চেষ্টা করেন এবং এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেননি।
পরবর্তীতে জয়পুরহাট জেলা বন কর্মকর্তা মুহিদ চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কেন্দ্রের এই নানাবিধ দৈন্যদশার কথা স্বীকার করেন এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
এলাকাবাসী ও পরিবেশবাদীদের দাবি, সরকারি সম্পদ এভাবে নষ্ট হতে দেওয়া যায় না। দ্রুত মাদকসেবীদের আস্তানা উচ্ছেদ করে এবং ধান চাষ বন্ধ করে এখানে পুনরায় চারা গাছ উৎপাদন শুরু করা হোক। এতে করে যেমন সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে, তেমনি এলাকার পরিবেশগত ভারসাম্যও রক্ষা পাবে।

পরিত্যক্ত দোকানে ‘খালেদা জিয়া টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’-এর সাইনবোর্ড!
- জয়পুরহাট প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৫:১৫:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার কেশবপুর গ্রামে একটি দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত দোকানঘরের সামনে বাঁশের খুঁটিতে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে চকচকে একটি সাইনবোর্ড- ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কার্যালয’। অথচ সেখানে নেই কোনো শ্রেণিকক্ষ, শিক্ষার্থী কিংবা শিক্ষা কার্যক্রমের ন্যূনতম অস্তিত্ব। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও অবকাঠামো ছাড়াই সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নাম ব্যবহার করে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে। এর পেছনের মূল উদ্দেশ্য সরকারি খাস জমির দখল বজায় রাখা এবং ভবিষ্যতে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগকে কেন্দ্র করে বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেন বা ‘নিয়োগ বাণিজ্য’-এর সুযোগ তৈরি করা।
সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রামের সড়কের পাশে জরাজীর্ণ একটি টিনশেড ঘরের সামনে টাঙানো সাইনবোর্ডটিতে প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাকাল হিসেবে ‘২০২৪ সাল’ উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি সাইনবোর্ডে ‘কার্যালয়’ বানানটিও ভুল লেখা রয়েছে (‘কার্যালয’)।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, আগে কখনো ওই এলাকায় এই নামে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অস্তিত্বের কথা তাঁরা শোনেননি। সাইনবোর্ডের পিছনের জরাজীর্ণ ঘরটি একসময় ওষুধ ও মুদিখানার দোকান ছিল, যা দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কেশবপুর গ্রামের বাসিন্দা পল্লী চিকিৎসক আব্দুল জলিল অনেক আগে নিজেকে ‘ভূমিহীন’ পরিচয় দিয়ে সরকারি খাস জমি বন্দোবস্ত (লিজ) নেন। তবে তিনি প্রকৃতপক্ষে ভূমিহীন নন এবং সম্প্রতি জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি খাস জমি হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়ে যায়। এরপর লিজ বাতিল হওয়া থেকে জমিটি বাঁচানোর জন্য তিনি একটি ফন্দি আঁটেন। তিনি ধুরইল বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালেক লেবুর সঙ্গে যোগাযোগ করলে, লেবু তাঁকে ওই খাস জমিতে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করার বুদ্ধি দেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার কোনো শর্তই পূরণ করা হয়নি এখানে। তার আগেই হঠাৎ করে গত শুক্রবার বিকেলে ওই পরিত্যক্ত দোকানের সামনে কলেজের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, সাইনবোর্ড টাঙানোর ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপরই বিষয়টি টক অব দ্য ভিলেজে পরিণত হয়। স্থানীয়দের দাবি, মূল উদ্যোক্তা আব্দুল খালেক লেবুর বিরুদ্ধে আগেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর হঠাৎ করে বেগম খালেদা জিয়ার নাম ব্যবহার করে এই কলেজের সাইনবোর্ড টাঙানোর বিষয়টি সামনে এল।
জমির বিষয়ে জানতে চাইলে পল্লী চিকিৎসক আব্দুল জলিল বলেন, “আমার নামে বন্দোবস্ত নেওয়া সরকারি খাস জমিটি কলেজের জন্য দেওয়ার চিন্তা রয়েছে।” তিনি দাবি করেন, ধুরইল বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালেক লেবুই এই কলেজ প্রতিষ্ঠার মূল উদ্যোগ নিয়েছেন এবং তিনিই কলেজের অধ্যক্ষের পদে থেকে সমস্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
তবে আব্দুল খালেক লেবু নিজেকে ‘অধ্যক্ষ’ নয়, ‘প্রতিষ্ঠাতা’ দাবি করে বলেন, “আব্দুল জলিল কিছু জমি দেবেন, আর কিছু জমি কেনা হবে। কলেজের জন্য মোট ৬০ শতক জমির পরিকল্পনা রয়েছে।” তবে এখনো কলেজের নামে কোনো জমি দান বা ক্রয় সম্পন্ন হয়নি বলে তিনি স্বীকার করেন।
জমির বিনিময়ে কোনো ব্যক্তিগত সুবিধা দেওয়া হবে কি না- এমন প্রশ্নে তিনি স্বীকার করেন যে, আব্দুল জলিল তাঁর মেয়ের জন্য একটি চাকরি চেয়েছেন। পরবর্তীতে এই প্রতিবেদক চাকরিপ্রার্থীর মুঠোফোনে নিয়োগের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে আব্দুল খালেক লেবু কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান এবং সরাসরি দেখা করার পরামর্শ দেন।
গত সোমবার পাঁচবিবি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেনের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁকে পাওয়া যায়নি। তবে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার জহুরুল ইসলাম বলেন, “গত দুই বছরে এই উপজেলায় ওই নামে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার অনুমোদন বা তথ্য আমাদের দপ্তরে নেই। তবে কয়েক দিন ফেসবুকে সাইনবোর্ডের একটি ছবি আমি দেখেছি।”
পাঁচবিবি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাশপিয়া তাসরিন (যিনি উপজেলা সহকারী কমিশনার-ভূমির অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন) জানান, দীর্ঘমেয়াদি সরকারি খাস জমি লিজ নিয়ে তা রক্তের সম্পর্ক ছাড়া অন্য কাউকে দলিল করে দেওয়া বা হস্তান্তর করার কোনো আইনি সুযোগ নেই।
পাঁচবিবি উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম ডালিম এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আব্দুল খালেক লেবুর বিরুদ্ধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ আগে থেকেই রয়েছে। আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নাম ব্যবহার করে কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল বা দুর্নীতির চেষ্টা করলে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছি।”
এ প্রসঙ্গে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশে একটি বেসরকারি কারিগরি বা সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের সুনির্দিষ্ট আইনি নীতিমালা রয়েছে। প্রথমত, প্রতিষ্ঠানের নামে নিজস্ব ও দায়মুক্ত জমি (মফস্বলে সাধারণত ৫০-৬০ শতাংশ) রেজিস্ট্রি থাকতে হবে। সরকারি লিজ নেওয়া জমিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের কোনো সুযোগ নেই। দ্বিতীয়ত, যথাযথ পাকা অবকাঠামো, লাইব্রেরি, ল্যাব ও সংরক্ষিত তহবিল ব্যতিরেকে কোনো প্রতিষ্ঠান পাঠদানের প্রাথমিক অনুমতি বা স্বীকৃতি পায় না।

রাণীনগরে ধান সংগ্রহের তথ্য গোপন, কর্মকর্তাদের ভূমিকায় স্বচ্ছতার অভাব নিয়ে সমালোচনা
- রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৫:০৪:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সৈয়দপুরে বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প, সেবা নিলেন ছয় শতাধিক রোগী
- নাজমুল হুদা, নীলফামারী প্রতিনিধি । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৪:৫৭:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, ক্যাম্পে আগত রোগীদের চোখ পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপত্র দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিনামূল্যে ওষুধ ও চশমা বিতরণ করা হয়। এ সময় শতাধিক রোগীকে ছানি অপারেশনের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছে।
সকালেই ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন আঞ্জুমানে গাউসিয়া আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের সভাপতি হাজী মো. তাসলিম আশরাফী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহীন আকতার, সহসভাপতি অ্যাডভোকেট এস এম ওবায়দুর রহমান, মাওলানা মোহাম্মদ আলী মিসবাহী, পারভেজ আলম গুড্ডু আশরাফী, নাদিম আশরাফী, খালিদ আযম আশরাফী, আসিফ আশরাফী, ইরফান আশরাফী, সৈয়দ আব্দুল্লাহ পাপ্পু বাখশি ও তৌসিফ রেজা আশরাফীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
গাওসুল আযম বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. রায়হান কবিরের নেতৃত্বে সাত সদস্যের চিকিৎসক দল রোগীদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন।
চক্ষু ক্যাম্পে নীলফামারী, সৈয়দপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ অংশ নেন। সেবা নিতে আসা কয়েকজন রোগী জানান, আর্থিক সংকট ও যাতায়াতজনিত কারণে অনেকেই নিয়মিত চোখের চিকিৎসা নিতে পারেন না। নিজ এলাকায় এ ধরনের বিনামূল্যের চিকিৎসা কার্যক্রম তাদের জন্য বড় সহায়তা হয়ে উঠেছে।
আয়োজকরা জানান, দরিদ্র, অসহায় ও প্রবীণ মানুষের দোরগোড়ায় চক্ষু চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। স্থানীয়রা এ মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।

‘আপনি কি সেই মাল’ নারীকে অশোভন মন্তব্য, ওসি এনামুলকে প্রত্যাহার
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৪:৩৯:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
নারী বাদীকে ‘আপনি কি সেই মাল’ বলা বরগুনার পাথরঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. এনামুল হককে বর্তমান কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করে বরগুনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণে গড়িমসি, ভুক্তভোগীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং সরকারি নম্বরে যোগাযোগ না করার অভিযোগের মধ্যেই এ আদেশ জারি করা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) বরগুনা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) ও পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) এফ. এম. ফয়সাল স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
আদেশে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জেলা কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মো. এনামুল হককে প্রশাসনিক কারণে তার বর্তমান কর্মস্থল পাথরঘাটা থানা থেকে প্রত্যাহারপূর্বক পুলিশ সুপারের কার্যালয়, বরগুনায় সংযুক্ত করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বরগুনা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা সার্কেল) মোহাম্মদ শাহেদ চৌধুরী বলেন, অফিস আদেশ অনুযায়ী ওসি মো. এনামুল হককে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে পাথরঘাটার এক নারী স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা করতে গিয়ে ওসির কাছে অপদস্ত হওয়ার অভিযোগ তোলেন। তার দাবি, মামলা গ্রহণে টালবাহানা করা হয় এবং ন্যায়বিচার পেতে গিয়ে তিনি বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকার হন।
ওই নারীর ভাষ্য অনুযায়ী, ওসি মোহাম্মদ এনাম তাকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনি কি সেই মাল? ইবলিস যেন কোথাকার’। এ ঘটনায় তিনি নিজেকে অপমানিত ও বিব্রত বোধ করেন। ওই সময় সাবেক পাথরঘাটা উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির নেত্রী মরিয়ম চৌধুরী জেবু উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে মরিয়ম চৌধুরী জেবু বলেন, ‘আমার উপস্থিতিতে ওসি মামলার বাদীকে উদ্দেশ করে ‘আপনি কি সেই মাল?’ বলে মন্তব্য করেন।
এছাড়াও স্থানীয় সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ছিল— ওসি এনামুল হক সরকারি মোবাইল নম্বরে অধিকাংশ সময় ফোন রিসিভ করতেন না। জরুরি প্রয়োজনে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে গিয়ে অনেকেই ভোগান্তির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও একটি মামলা গ্রহণ না করা, নারী বাদীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা এবং এক নারীকে ফেরাউনের সঙ্গে তুলনা করার অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়।
তবে ওসি মো. এনামুল হকের প্রত্যাহার ও সংযুক্তির বিষয়ে অফিস আদেশে নির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। সেখানে শুধুমাত্র ‘প্রশাসনিক কারণ’ দেখিয়ে তাকে বরগুনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।

চিত্রনায়িকা ববির স্বামী আবুল বাশার গ্রেপ্তার
- বিনোদন ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৪:২৫:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
রাজধানীর গুলশানের একটি বাসায় বিশেষ কায়দায় তৈরি একটি গোপন সুড়ঙ্গ থেকে বহুরূপী প্রতারক মির্জা আবুল বাশার মামুনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণাসহ অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আবুল বাশার ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববির স্বামী।
শুক্রবার রাত ১২টার পর থেকে গুলশান-২ এর ২৮ নম্বর রোডে অবস্থিত আবুল বাশারের বাসা ঘিরে রাখে পুলিশ। পরে শনিবার সকালে বাসায় তল্লাশি চালিয়ে বাথরুমের পেছনে বিশেষভাবে নির্মিত একটি গোপন সুড়ঙ্গে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিএমপির গুলশান অঞ্চলের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) শাহ মোস্তফা তারিকুজ্জামান বলেন, ‘আবুল বাশারের বিরুদ্ধে অসংখ্য প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করেও বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে কয়েকদিন ধরে তাকে নজরদারিতে রাখা হয়েছিল।’
তিনি জানান, সর্বশেষ তার বাসায় অবস্থানের তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পর শুক্রবার রাতে বাসাটি ঘিরে ফেলে পুলিশ। শনিবার সকালে তল্লাশি চালিয়ে বাথরুমের পেছনে বিশেষ কায়দায় তৈরি একটি সুরঙ্গ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এসি শাহ মোস্তফা তারিকুজ্জামান আরও বলেন, ‘গুলশানসহ রাজধানীর বিভিন্ন থানায় আবুল বাশারের বিরুদ্ধে প্রতারণার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। গুলশান থানায় দায়ের করা একটি প্রতারণা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। শনিবারই তাকে আদালতে পাঠানো হবে।’
এর আগে গত বছরের অক্টোবরেও প্রতারক আবুল বাশারকে গ্রেপ্তার করেছিলো পুলিশ। তবে জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারও প্রতারণায় সক্রিয় হয়ে উঠেছিলেন তিনি।
কে এই আবুল বাশার
পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইসলামাবাদের পশ্চিম আউলিয়াপুরের ফখরুল ইসলামের বড় ছেলে মির্জা আবুল বাশার ওরফে মামুন। স্থানীয়ভাবে খবর নিয়ে জানা যায়, মির্জা আবুল বাশার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জড়িত। শেখ হাসিনাসহ আওয়ামীলীগের অসংখ্য নেতাকর্মীদের সাথে তার গভীর সম্পর্ক ছিল। তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নামসর্বস্ত বিটিএল নামক একটি ভুয়া কোম্পানি খুলে দেশের বিভিন্ন জেলার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে পালিয়ে যেতেন প্রতারক মির্জা আবুল বাশার। কাউকে জায়গা দিবেন, কাউকে চালের ডিলারশিপ দিবেন, কাউকে তেলের ডিলারশিপ দিবে এমন মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে নগদ টাকা নিয়ে লাপাত্তা হয়ে যান তিনি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মির্জা আবুল বাশারের প্রতারণা ফাঁদে পা দিয়েছেন সেনা সদস্য, পুলিশ সদস্য, সাংবাদিক ও অসংখ্য নিরীহ মানুষ। অসংখ্য মানুষ শেষ সম্বল গ্রামের জায়গা-জমি বিক্রি করে ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে নগদ টাকা তার হাতে তুলে দিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন। রাজধানীর বাড্ডা, খিলক্ষেত, বনানী, ভাটারাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক প্রতারণার মামলা রয়েছে এই প্রতারক মির্জা আবুল বাশারের বিরুদ্ধে।
জানা যায়, আবুল বাশার বিটিএল গ্রুপ’ (BTL Group) নামের একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। এই গ্রুপের বিরুদ্ধেও প্রতারণা ও অর্থ পরিশোধ না করার আরও অভিযোগ রয়েছে। গেল কোরবানির ঈদের আগে একটি এগ্রো খামার থেকে ৮টি গরু নিয়ে ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকার চেক দিলেও সেটি বাউন্স করে।

দীর্ঘ বিরতির পর ওটিটিতে ফিরছেন মিম
- বিনোদন ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৪:০৯:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
বিদ্যা সিনহা মিম প্রায় তিন বছরের বিরতি কাটিয়ে আবারও ওটিটি পর্দায় ফিরছেন। আগামী ২১ জুন ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ওয়েব ফিল্ম ‘লাইফলাইন’। এতে তিনি অভিনয় করেছেন ‘অনন্যা’ চরিত্রে, যে চরিত্রের মাধ্যমে দর্শক দেখতে পাবেন সময়, সংগ্রাম এবং আত্মঅনুসন্ধানের এক ভিন্ন গল্প।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মিম জানান, দীর্ঘদিন ওটিটি থেকে দূরে থাকার পেছনে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা ছিল না। তিনি বলেন, ‘ভালো গল্প ও শক্তিশালী চরিত্রের অপেক্ষায় ছিলাম। যখন গল্প ও চরিত্রের সঙ্গে নিজের সমন্বয় খুঁজে পেয়েছি, তখনই কাজটি করেছি।’এ সময়ের মধ্যে ‘দিগন্তে ফুলের আগুন’ সিনেমার কাজও শেষ করেছিলেন, যা সময়মতো মুক্তি পেলে বিরতির বিষয়টি এতটা আলোচনায় আসত না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
‘লাইফলাইন’ সম্পর্কে মিম বলেন, ‘নামটি শুনেই বোঝা যায়, এটা একটা লাইফের জার্নি। ফিল্মটির থিমেটিক পোস্টার যদি খেয়াল করেন, দেখবেন বালুঘড়ির মধ্যে অনন্যা চরিত্রটি বসে আছে। অর্থাৎ সে সময়ের মধ্যে আটকে আছে কিংবা এমন এক সময়ের মুখোমুখি, যা তাকে অতিক্রম করতে হবে। সে পারবে কি পারবে না, সেটাই গল্পের বড় প্রশ্ন।’
ট্রেলারে তাকে কাউকে খুঁজতে দেখা গেলেও সেই রহস্য এখনই ভাঙতে নারাজ অভিনেত্রী। তার ভাষ্য, ‘দর্শকদের জন্য এটিই বড় চমক, যা সিনেমা মুক্তির পরই জানা যাবে।’
এর আগে ‘মিশন হান্টডাউন’ সিরিজে স্বামীকে খুঁজতে বের হওয়া নীরা চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন মিম। তবে ‘লাইফলাইন’-এর গল্পের সঙ্গে সেই কাজের কোনো মিল নেই বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি। বরং নতুন এই ওয়েব ফিল্মে দর্শক সম্পূর্ণ ভিন্ন অভিজ্ঞতা পাবেন বলেই বিশ্বাস তার।
শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা নিয়েও কথা বলেন মিম। তিনি জানান, কুয়াকাটার ভেতরের একটি দুর্গম চর এলাকায় শুটিং হয়েছে, যেখানে পৌঁছাতে মোটরসাইকেলই ছিল প্রধান ভরসা। সরু ও উঁচুনিচু পথ, প্রচণ্ড গরম এবং প্রতিকূল পরিবেশে কাজ করতে গিয়ে বেশ কষ্ট হলেও দৃশ্য ভালো হলে সেই ক্লান্তি দূর হয়ে যেত।
এদিকে ‘লাইফলাইন’-এর ট্রেলার ও একটি গান প্রকাশের পর দর্শকদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। তার দাবি, অনেকেই কাজটিকে ‘পরাণ’-এর পর তার আরেকটি ব্যতিক্রমী ও চমকপ্রদ কাজ হিসেবে দেখছেন।
অন্যদিকে, সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ‘মালিক’ সিনেমা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে মিম বলেন, ‘একটি সিনেমা নিয়ে সমালোচনা থাকতেই পারে এবং গঠনমূলক সমালোচনাকে ইতিবাচকভাবেই দেখছি। দর্শকের প্রশংসা ও সমালোচনা দুটোকেই সমান গুরুত্ব দিচ্ছি।’ সব মিলিয়ে ‘মালিক’-এর সাড়া নিয়ে সন্তুষ্ট অভিনেত্রী।
‘মালিক ২’-এর ঘোষণা এলেও এ বিষয়ে এখনো নির্মাতার সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়নি বলে জানান মিম। তবে ভবিষ্যৎ কাজ নিয়ে আশাবাদী এই অভিনেত্রী। তিনি জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে দুটি কাজ শেষ করেছেন এবং আরও কয়েকটি নতুন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে শিগগিরই নিয়মিতভাবে তাকে নতুন নতুন কাজে দেখতে পাবেন দর্শক।

মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইনে সচেতনতা বাড়াতে পাড়া-মহল্লায় বিএনপি নেতা বাচ্চুর মতবিনিময়
- নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০২:৩৩:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
ছাত্র-ছাত্রী ও যুবকদের মাদকাসক্তির ক্ষতি সম্পর্কে সচেতন করতে সিরাজগঞ্জের স্কুল কলেজসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি পৌরএলাকার বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইনের প্রচার ও জনসচেতনতা বাড়াতে মতবিনিময় সভা করছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু।
তার ব্যক্তি উদ্যোগে এ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ তাদের অভিভাবকদের মধ্যে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং একটি মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে শুক্রবার (১৯জুন) রাতে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার ৫নং ওয়ার্ডের জুবলী বাগানে ও ৬নং ওয়ার্ডের শাহেদ নগর বেপারী পাড়া মহল্লায় বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের সাথে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা করেন।
মাদকের ভয়াবহতা, এর সামাজিক ও পারিবারিক ক্ষতিকর প্রভাব এবং মাদক থেকে দূরে থাকার গুরুত্ব তুলে ধরে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, আমাদের সমাজের যুবকরাই আগামীদিনের চালিকা শক্তি। তারাই পারে সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে। মাদকের প্রভাবে পরিবারের নারীরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এজন্য নারীরাসহ সমাজের সকল শ্রেনীর মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। মাদকের ভয়াবহতা রোধ করতে শিক্ষক, শিক্ষিকা, ছাত্রছাত্রী ও তাদের অভিভাবকদের এই মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে এবং সবাইকে একসাথে আওয়াজ তুলতে হবে, মাদককে না বলতে হবে।
শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবক ও সাধারণ মানুষের মধ্যেও মাদকবিরোধী সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান। সাইদুর রহমান বাচ্চুর এধরনের মাদকবিরোধী উদ্যোগকে সমাজের সচেতন মহলসহ সকল শ্রেনীর মানুষ স্বাগতম জানিয়েছেন।
এসময় তিনি সিরাজগঞ্জের কৃতি সন্তান বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য,বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর সুস্থতা কামনা করে সকলের কাছে দোয়া চান।

আমরা এ দেশের ভূমিপুত্র, অধিকার নিয়ে বাঁচতে চাই: হিন্দু নেতৃবৃন্দ
- নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০২:২৫:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
শ্রী রামচন্দ্রের প্রতি অবমাননা ও গাইবান্ধাসহ সারাদেশে মন্দির গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে সিরাজগঞ্জে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শহরের মুজিব সড়কস্থ মহাপ্রভুর আখড়ার সামনে দেড় ঘণ্টাব্যাপী মানবন্ধনে বক্তারা বলেন, গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে নিজের জায়গায় আমাদের সনাতনী সম্প্রদায়ের অর্থায়নে রামের মুর্তি গড়া হচ্ছে। সেটা গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি, এটা কেমন স্বাধীন দেশ। প্রভু শ্রী রামের প্রতি প্রকাশ্যে অবমাননা করা হলো। এখন পর্যন্ত তাদের কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। আমরা এ দেশের ভূমিপূত্র। এখানে আমরা অধিকার নিয়ে বাচতে চাই।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে যখন মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত হয়, হিন্দু বৌদ্ধ মুসলিম খ্রীষ্টান সকল সম্প্রদায়ের মানুষ জীবনকে তুচ্ছ করে অস্ত্র ধরেছিল। স্বাধীন পতাকা ছিনিয়ে এনেছিল। তখন কথা ছিল এই দেশের মানুষ সকল সম্প্রদায়ের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করবে।
স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের সকল আন্দোলনে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ অংশ নিয়েছে, জীবন দিয়েছে। আমরা কি পেয়েছি, ডক্টর ইউনুস রাষ্ট্রক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশের মাটিতে ৫৮ জন সনাতনী ভাই-বোনদের নির্মমভাবে হত্যা করা হলো। এখন পর্যন্ত সেই হত্যাকান্ডের বিচারের ব্যবস্থা হয়নি।
আওয়ামী লীগ ১৮ বছর রাষ্ট্রক্ষমতায় থেকে অনেক ঘটনা ঘটিয়েছে। একটি ঘটনারও বিচার হয়নি। সুতরাং আমরা বলতে চাই, আমরা আর কাঁদতে চাই না. অধিকার নিয়ে বাঁচতে চাই।
পুজা উদযাপন পরিষদ ও হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ভিপি অমর কৃষ্ণ দাস, পুজার উদযাপন পরিষদের সভাপতি সন্তোষ কুমার কানু, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সাহা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মানিক সাহা, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নরেশ ভৌমিক, অ্যাড. রনজিত কুমার মন্ডল, অ্যাডভোকেট কল্যান সাহা, সাংবাদিক হীরক গুণ, সাংবাদিক অশোক ব্যানার্জি, বাসদ নেতা পলাশ ঘোষ প্রমূখ।

সিরাজগঞ্জকে রেলবঞ্চিত করা হলে মহাসড়ক-রেলসড়ক অবরোধের হুঁশিয়ারি
- নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০২:১৮:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
রেলের শহরকে সিরাজগঞ্জকে রেল বঞ্চিত করা হলে সেটা মেনে নেওয়া হবে না। সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথ আমাদের ২০ বছরের আন্দোলনের ফসল। সুতরাং সিরাজগঞ্জ শহরকে যদি রেল বঞ্চিত করা হয় তাহলে সিরাজগঞ্জবাসী কিন্তু আন্দোলন জানে, রেলের দাবীতে প্রয়োজন হলে কড্ডার মোড়ে অবরোধ করা হবে, বিশ্বরোড, রেলপথ অবরোধ করে বসে থাকবো।
শনিবার (২০ জুন) সকাল ১১টার দিকে সিরাজগঞ্জ শহরের বাজার স্টেশন এলাকায় সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথে রায়পুর জংশন স্থাপনের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তারা এসব কথা বলেন।
বক্তারা আরও বলেন, এক সময় সিরাজগঞ্জ রেলের শহর হিসেবে পরিচিত ছিল। অথচ আজও জেলার মানুষ কাঙ্ক্ষিত রেল যোগাযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তাদের দাবি, সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথের নকশা অনুযায়ী কালিয়াহরিপুর হয়ে চান্দাইকোনা পর্যন্ত সংযোগ রেখে মাত্র দুই কিলোমিটার রায়পুরের ভেতর দিয়ে জংশন স্থাপন করা হলে জেলার মানুষের বহুদিনের প্রত্যাশা পূরণ হবে।
সিরাজগঞ্জ রেল বাঁচাও আন্দোলন কমিটি আয়োজিত ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দসহ শহরের বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
সিরাজগঞ্জ রেল বাঁচাও আন্দোলন কমিটির সভাপতি মাহবুব-এ খোদা টুটুলের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব তারিকুজ্জামান টরিকের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট সাইদুর রহমান বাচ্চু, জেলা বাসদের আহ্বায়ক নব কুমার কর্মকার, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের বাংলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক লায়লা ফেরদৌস হিমেল, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সেলিম, সংস্কৃতিকর্মী পরিচালক আব্দুস সালাম মামুন, নাট্যকর্মী ফরিদুল ইসলাম সোহাগ, ডা. সাইফুল ইসলাম ও সঞ্জয় গৌর।
মানববন্ধন শেষে আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদানের ঘোষণা দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফরে গুরুত্ব পাচ্ছে যেসব বিষয়
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ.কম।
- আপডেট টাইম : ০১:৫৬:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মতো আগামীকাল রোববার (২১ জুন) মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মালয়েশিয়া সফর দিয়ে শুরু হচ্ছে তার ৬ দিনের সরকারি সফর। বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর এটি। এরপর সেখান থেকে সরকারি সফরের অংশ হিসেবে চীনে যাবেন তারেক রহমান। মূলত চীন সফরকে অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর একাধিক উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারী মনে করছেন, মালয়েশিয়া ও চীন সফরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতির নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। ২১-২২ জুন মালয়েশিয়া এবং এরপর ২৩-২৬ জুন চীন সফরের পরিকল্পনা রয়েছে। মূলত গত প্রায় দেড় যুগ বাংলাদেশ একটি বিশেষ দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেছিল।
সরকারের উচ্চপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, সরকার গঠনের পর প্রায় চার মাসের মাথায় প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম অর্থনৈতিক পরাশক্তি মালয়েশিয়াকে বেছে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার পরবর্তী গন্তব্য বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক পরাশক্তি চীন। মালয়েশিয়া এবং চীন— এ দুই দেশে ছয় দিন ব্যস্ত সময় পার করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামীকাল রোববার দুপুরে একটি ফ্লাইটে প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। সোমবার দিনভর সেখানে ব্যস্ত সময় পার করে ২২ জুন রাতেই তার চীনের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেওয়ার কথা রয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাংলাদেশের স্বার্থের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত এই দুটি দেশ সফরে স্বাক্ষর হতে পারে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ)। এর মধ্যে কুয়ালালামপুরে জনশক্তি রপ্তানিসহ তিনটি এবং বেইজিংয়ে ১০টি এমওইউ স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেইজিং সফরে অবকাঠামো, জ্বালানি, শিল্প পার্ক, প্রযুক্তি স্থানান্তর ও অর্থায়নের মতো বিষয় প্রাধান্য পাচ্ছে। এসবের বাইরেও বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে মালয়েশিয়ায় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ করপোরেট বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি চীনে অবকাঠামো ও শিল্প খাতের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বৈঠক হতে পারে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২২ জুন বিকেলে মালয়েশিয়া সফর শেষে সরাসরি চীনের একটি উপকূলীয় বন্দরনগরী দালিয়ানের উদ্দেশে রওনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে ২৩ জুন বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে তার বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। পরে জলবায়ু এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পুনর্গঠন বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় অংশ নেবেন তিনি। ২৪ জুন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ১৭তম বার্ষিক সভায় অংশগ্রহণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে বিশ্ব অর্থনীতি, বিনিয়োগ প্রবাহ, সবুজ অর্থনীতি এবং জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যু প্রাধান্য পাবে। একই দিনে অবকাঠামো ও শিল্প খাতের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বৈঠক নির্ধারিত রয়েছে। চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশন, চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশন এবং চায়না মেশিনারি ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে রেলপথ, সেতু, বিদ্যুৎ এবং শিল্পায়ন প্রকল্পে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হবে ২৬ জুন। ওই দিন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রথম দুটি সফরের দেশ নির্বাচনই স্পষ্ট করে দেয় যে, বর্তমান সরকার তার বৈদেশিক নীতিতে এক বড় ধরনের ভারসাম্য আনতে যাচ্ছে। বেইজিং সফরকালে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে।
জানা গেছে, চীন সফর সফলভাবে সমাপ্ত করার পরপরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিবেশী ভারত সফরে যেতে পারেন। এরপর জাপান কিংবা তুরস্ক অথবা অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ মিত্র দেশে দ্বিপক্ষীয় সফরে অংশ নেবেন। বিশ্লেষকদের মতে, বেইজিং সফরের ঠিক পরপরই নয়াদিল্লি বা ওয়াশিংটনের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করার কৌশলটিই মূলত একটি বার্তা।
প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর প্রসঙ্গে রাজনীতি বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান কালবেলাকে বলেন, রাষ্ট্রের স্বার্থ, রাজনৈতিক সুবিধা ও দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো ওয়ার্কআউট করার পর সরকারপ্রধান নির্ধারণ করেন কোন দেশে আগে যাবেন—এটা স্বাভাবিক। কিন্তু এর প্রভাব অন্য কোনো দেশের ওপর পড়ার কথা নয়। প্রত্যেক দেশই জাতীয় স্বার্থনীতি আগে ঠিক করে, এরপর অন্য দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা করে। এখনই গেলে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্টতার নিশ্চয়তা পাওয়া যাবে, সে জন্য প্রথম মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর সেখান থেকে চীন যাবেন, এটাও দ্বিপক্ষীয় সফর। এই সফরের সঙ্গে ভূ-রাজনৈতিক কোনো সম্পর্ক আছে বলে মনে করছি না। এটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এরপর বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে অন্য দেশের আলাপ-আলোচনা হবে, চুক্তি স্বাক্ষরসহ প্রধানমন্ত্রী সফরে গেলে অন্যান্য কাজ সফলভাবে শেষ করা যাবে— সে দেশেই তিনি যাবেন। এতে আমেরিকা, ভারত, চীনের সঙ্গে সম্পর্কের প্রভাব পড়বে না, চিন্তার কিছু নেই।
সুত্র: দৈনিক কালবেলা

আর্জেন্টিনার একটি বিশাল পতাকা চুরি, থানায় অভিযোগ দায়ের
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ.কম।
- আপডেট টাইম : ০১:৩৯:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের টাঙানো একটি বড় আকারের পতাকা চুরির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এক সমর্থক। লিখিত অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্থানীয় পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আবুল খায়ের।
শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার চর আমখাওয়া ইউনিয়নের সানন্দবাড়ী মধ্যপাড়া এলাকায়।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে সানন্দবাড়ী মধ্যপাড়া গ্রামের ‘ভেরুসেল এক্সপ্রেস’ ক্লাবের সদস্যরা টাকা তুলে প্রায় ২০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৬ ফুট প্রস্থের একটি আর্জেন্টিনার পতাকা তৈরি করেন। এটি নদীর পাশের একটি খুঁটির সঙ্গে টাঙানো হয়।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে পতাকাটি চুরি হয়েছে বলে তারা জানতে পারেন। এরপর বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও পতাকার কোনো সন্ধান মেলেনি। পরে শুক্রবার জুমার নামাজের পর ক্লাবের সদস্য টুটুল শিকদার বাদী হয়ে সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
টুটুল সিকদার বলেন, ‘অনেক পরিশ্রম করে টাকা-পয়সা তুলে পতাকাটি আমরা বানিয়েছিলাম। এ ঘটনায় আমরা কষ্ট পেয়েছি। ক্লাবের সদস্যরা সবাই শিক্ষার্থী, নিজেদের টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে অথবা বাড়ি থেকে চেয়ে নিয়ে পতাকার জন্য টাকা দিয়েছিলেন। তাই এ ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাদের উপযুক্ত শাস্তি চান তারা।
ক্লাবটির অন্য সদস্য মামুন বলেন, ‘পতাকা কেউ পেলে তাকে আমরা পুরস্কার হিসেবে ১০ হাজার টাকা দিব।’
এ বিষয়ে সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আবুল খায়ের বলেন, পতাকা চুরির বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

সোনারগাঁর রয়েল রিসোর্টে ঘটনার দিন কী হয়েছিল, জানালেন মামুনুল হক
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ.কম।
- আপডেট টাইম : ০১:২৯:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টের বহুল আলোচিত ‘৫০১ নম্বর কক্ষ’ ঘটনাকে ঘিরে দীর্ঘ ব্যাখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।
শনিবার (২০ জুন) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিকভাবে হেয় করার জন্য ওই ঘটনা ঘটানো হয়েছিল। পাশাপাশি ঘটনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে মামুনুল হক লেখেন, ৩রা এপ্রিল ২০২১। রাষ্ট্রীয় মবসন্ত্রাসের এক ঘৃণ্য কালো দিবস। সেদিন আমি আমার স্ত্রী জান্নাত আরা (ঝর্ণা)কে নিয়ে নারায়ণগঞ্জের রয়েল রিসোর্টের ৫০১ নং কক্ষে অবস্থান করছিলাম। সেখানে পুলিশের নেতৃত্বে স্থানীয় আওয়ামী সন্ত্রাসী, সাংবাদিক লীগ ও ঘাদনিকের প্রায় শ খানেক সদস্য উপস্থিত হয়। রিসোর্টের রিসিপশন ডেস্ক থেকে ফোন করে আমাকে জানানো হয়, পুরো রিসোর্ট পুলিশ ঘেরাও করে ফেলেছে। আমি আমার কক্ষের দরজা খুলতেই তারা সবাই জোরপূর্বক আমার রুমে প্রবেশ করে। সময় টিভিসহ বেশ কয়েকটি চ্যানেলের সাংবাদিক এবং উপস্থিত প্রায় সকলেই তাদের ডিভাইসের মাধ্যমে একযোগে লাইভ প্রচার করতে থাকে। তারা নানা ভাবে আমাদেরকে হেনস্থা করে। আমার উপর চড়াও হয়। আমার স্ত্রীকেও টেনে ধরে হ্যাচারানোর উপক্রম করে।
তিনি আরও লেখেন, তাদের হিংস্রতা থেকে বাঁচানোর জন্য আমি আমার স্ত্রীকে ওয়াশরুমের দরজা খুলে সেখানে আটকে দেই। কিছুক্ষণের মধ্যে লেডি পুলিশের একটি টিম এসে উপস্থিত হয় এবং ওয়াশরুমে ঢুকে তারাও সেখান থেকে লাইভ সম্প্রচার করতে থাকে। উপর্যুপরি তাদের জিজ্ঞাসাবাদে আমি এবং আমার স্ত্রী আমরা উভয়েই স্পষ্ট ভাষায় আমাদের বৈবাহিক সম্পর্ক এবং আমরা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে সেখানে অবস্থান করার বিষয়টি ব্যক্ত করি এবং সেটি সব সংবাদে একযোগে প্রচার হতে থাকে।
শুরুতেই পুলিশ কর্মকর্তা আমার হাত থেকে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে এডিশনাল এসপি আসার পর তিনি আমাদের তথ্য যাচাইয়ের জন্য ফোনে আমার পরিচিতজনদের সাথে কথা বলে আশ্বস্ত হয়ে আমাদেরকে নিরাপদে বাইরে নিয়ে আসতে চান। কিন্তু ততক্ষণে সেখানে উপস্থিত হন গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের একাধিক কর্মকর্তা। তারা আমাদের থানায় নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়। আমরা তাদের সাথে রুম থেকে বের হয়ে লবিতে নেমে দেখি হুলস্থুল কান্ড। হাজার হাজার প্রতিবাদী মানুষ সেখানে ঢুকে পড়েছে। উপস্থিত পুলিশগুলো প্রাণ ভয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরে তাদেরকে রক্ষা করার আবদার জানাতে থাকে। আমি পুলিশ কর্মকর্তার কাছ থেকে আমার মোবাইল ফেরত নিয়ে লাইভে কিছু বক্তব্য দেয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু দেখি প্রযুক্তির সাহায্যে আমার ফেসবুক আইডির লাইভ অপশন বন্ধ করে রাখা হয়েছে। তখন আমি বিক্ষুব্ধ জনতার সামনে গিয়ে তাদেরকে নিবৃত্ত করি এবং পুলিশদেরকে রক্ষা করার ব্যবস্থা করি।
জান্নাত আরার সঙ্গে বিয়ের প্রসঙ্গে মামুনুল হক বলেন, জান্নাত আরা ইতোপূর্বে আমার ঘনিষ্ঠ সহকর্মী হাফেজ শহিদুল ইসলামের স্ত্রী ছিল এবং আঃ রহমান জামি ও ওবায়দুর রহমান তামিম নামে তাদের দুজন সন্তান রয়েছে। বনিবনা না হওয়ায় তারা উভয়ে স্বেচ্ছায় বিচ্ছেদ ঘটায়। একটা সময় জান্নাত আরা স্বপ্রণোদিত হয়ে ফোনে আমার সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে এবং আমার সহযোগিতা কামনা করে। আমি তাকে আমার পরিবারের কথা বলে এই মর্মে প্রস্তাব দেই যে, সমতার ভিত্তিতে স্ত্রীদের যেই অধিকার দেওয়ার বাধ্যবাধকতা ইসলামে রয়েছে, আমি সেটা দিতে পারব না। এতে যদি সে সম্মত থাকে তাহলে আমি তাকে আমার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করব। সে স্বেচ্ছায় প্রস্তাবে সম্মতি জানালে আমি তার কাছ থেকে সুস্পষ্ট শব্দে বিবাহের ইজিন গ্রহণ করি এবং শরীয়তের বিধান মোতাবেক আমার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করি। উল্লেখ্য ফকীহগণ কুরআন সুন্নাহর দলিলের আলোকে সাব্যস্ত করেছেন যে, স্ত্রীর যে অধিকার স্বামীর উপর ওয়াজিব, তা স্ত্রী স্বেচ্ছায় ত্যাগ করলে তা গ্রহণযোগ্য হবে।
তিনি আরও বলেন, বিবাহের পর আমি তাকে ঢাকা মোহাম্মদপুরস্থ কোরআন শিক্ষার কেন্দ্র নূরানী কোর্সে ভর্তি করিয়ে দেই এবং সে কোর্স সুসম্পন্ন করে। এভাবে কিছুদিন থাকার পর নিজ আগ্রহে সেলাই প্রশিক্ষণসহ মেয়েলি কিছু কার্যক্রমের প্রশিক্ষণের একটি প্রতিষ্ঠানে সে কাজ শিখতে থাকে। প্রথমদিকে ঢাকায় তার এক বোনের বাসায় অবস্থান করত এরপর স্বেচ্ছায় অন্য বাসায় সাবলেট হিসেবে বসবাস করা শুরু করে। আমি প্রয়োজন মত তার সাথে সাক্ষাৎ করতাম এবং সময় দিতাম।

স্কটল্যান্ড ম্যাচেই দলে ফিরতে পারেন নেইমার: আনচেলত্তি
- ক্রীড়া ডেস্ক। জনতারকণ্ঠ.কম।
- আপডেট টাইম : ০১:১৮:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
দুই ম্যাচ ধরে যার জন্য অপেক্ষায় ব্রাজিল, একই সঙ্গে অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্বকাপও—সেই নেইমারের প্রত্যাবর্তনের ক্ষণ যেন অবশেষে ঘনিয়ে এসেছে। চোট কাটিয়ে মাঠে ফেরার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন ব্রাজিলের তারকা নম্বর দশ।
হাইতির বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয় পাওয়ার পর নেইমারের সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা নিয়ে কথা বলেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তিনি জানিয়েছেন, গ্রুপ পর্বে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ম্যাচেই দেখা যেতে পারে নেইমারকে।
ইতালিয়ান এই কোচ জানান, শনিবার এককভাবে অনুশীলন করবেন নেইমার। এরপর সোমবার থেকে দলের সঙ্গে পুরোপুরি যোগ দেবেন তিনি এবং স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য প্রস্তুত থাকবেন।
ডান পায়ের কাফের চোটে প্রায় এক মাস ধরে মাঠের বাইরে রয়েছেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। ব্রাজিলিয়ান লিগে সান্তোসের হয়ে কোরিতিবার বিপক্ষে ম্যাচে এই চোটে পড়েন তিনি। এরপর থেকেই পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন নেইমার। সেই কারণে ফিলাডেলফিয়ায় হাইতির বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে যাওয়া দলেও ছিলেন না তিনি। দলের সঙ্গে সফরে না গিয়ে নিউ জার্সিতে ব্রাজিল দলের ক্যাম্পেই অবস্থান করেন।
হাইতি ম্যাচের আগে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন নেইমারের পুনর্বাসন কার্যক্রমের কিছু ছবিও প্রকাশ করে। সেখানে দেখা যায়, নিউ জার্সির দ্য রিজ হোটেল এবং কলাম্বিয়া পার্ক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কঠোর পরিশ্রম করছেন তিনি। প্রতিদিন দুই ধাপে চলছে তার অনুশীলন। মাঠে ফিটনেস ও বলের কাজের পাশাপাশি বিকেলে জিমে বিশেষ সেশনও করছেন নেইমার। পুরো প্রক্রিয়ায় তার সঙ্গে রয়েছেন ফিটনেস কোচ ক্রিশ্চিয়ানো নুনেস এবং মিনো ফুলকো।
তবে তার প্রত্যাবর্তন নিয়ে কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে রাজি নয় ব্রাজিলের কোচিং স্টাফ। তাড়াহুড়া না করে শতভাগ সুস্থ অবস্থাতেই নেইমারকে মাঠে ফেরানোর পরিকল্পনা তাদের। এ কারণেই মরক্কো ও হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে তাকে খেলানো হয়নি।
চার পয়েন্ট নিয়ে বর্তমানে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে অবস্থান করছে ব্রাজিল। শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ড্র করলেও প্রায় নিশ্চিত হয়ে যাবে তাদের পরের পর্বের টিকিট। আর সেই ম্যাচেই যদি নেইমার মাঠে নামেন, তাহলে ব্রাজিল সমর্থকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষারও অবসান ঘটবে।

তিস্তা ব্যারেজ ও জলঢাকায় উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন
- নীলফামারী প্রতিনিধি । জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০১:১৩:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

জন্ম থেকেই চলার শক্তি নেই, হুইলচেয়ারের আশায় দিন গুনছে কর্ন
- রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০১:০৪:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সৈয়দপুরে অসুস্থ চিল উদ্ধার, চিকিৎসা শেষে প্রকৃতিতে অবমুক্তের উদ্যোগ
- নীলফামারী প্রতিনিধি । জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ১২:৫১:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

রাণীনগরে ডাকাতির সময় ৩ ডাকাত গ্রেফতার
- রানীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ১০:৪৪:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
নওগাঁর রাণীনগর-আত্রাই আঞ্চলিক মহাসড়কের গোনা মোড় নামক স্থানে ডাকাতি করার সময় তিন ডাকাতকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, নওগাঁ সদর উপজেলার উত্তর সর্দারপাড়া গ্রামের সেন্টু হোসেনের ছেলে ফয়সাল হোসেন (২১), বগুড়া জেলার আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ান গ্রামের ফিরোজ মন্ডলের ছেলে মোঃ সানা মন্ডল (২২) এবং একই গ্রামের মসিদুল ইসলামের ছেলে রাব্বি হাসান (১৯)।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাণীনগর-আত্রাইগামী আঞ্চলিক মহাসড়কের গোনা মোড় এলাকায় একটি মোটরসাইকেলে ডাকাতির সময় তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের থানায় নিয়ে এসে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জানাগেছে।
রাণীনগর থানার ওসি জাকারিয়া মন্ডল জানান, গ্রেফতার তিন ডাকাতের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আবারো সিরাজগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল
- নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৮:৪৬:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নবগঠিত সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা শাখার উদ্যোগে ঝটিকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় নবগঠিত কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম রাব্বী ও সাধারণ সম্পাদক রাসেল শেখ আলীর এর নেতৃত্বে রতনকান্দি ইউনিয়নের পিপুলবাড়িয়া এলাকায় এই ঝটিকা মিছিল বের হয়। এসময় সদর উপজেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ নিয়ে সিরাজগঞ্জের টানা তৃতীয় দিন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল হয়েছে।

হিলিতে পুলিশের বিশেষ অভিযান, ৯ জন গ্রেপ্তার
- হাসান আলী, হাকিমপুর দিনাজপুর প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম।
- আপডেট টাইম : ০৮:৩৮:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

দুই শিক্ষার্থী নিয়ে ক্লাস, মাসিক ব্যয় ৩ লাখ!
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৮:২৫:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
সরকারি নথিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১১০, কর্মরত রয়েছেন আটজন শিক্ষক ও একজন অফিস সহকারী। প্রতি মাসে বেতন-ভাতাসহ ব্যয় হয় প্রায় তিন লাখ টাকা।
অথচ বাস্তবে শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত পাওয়া গেছে মাত্র দুজন শিক্ষার্থী। এমন চিত্র দেখা গেছে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার নাজিমখান ইউনিয়নের তালতলায় অবস্থিত বিদ্যানন্দ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে।
ঈদের ছুটির আগে টানা দুই দিন সরেজমিনে গিয়ে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়। সেখানে দেখা যায়, একটি সরকারি স্বীকৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলেও শ্রেণিকক্ষ প্রায় ফাঁকা। ফলে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা নিয়মিত উপস্থিত থাকেন না। কেউ দেরিতে আসেন, আবার কেউ নির্ধারিত সময়ের আগেই চলে যান। অনেক সময় পাঠদানের পরিবর্তে আড্ডা ও গল্পগুজবেই সময় কাটে। পরিদর্শনের দুই দিনের মধ্যে মাত্র এক দিন প্রধান শিক্ষক লোকনাথ বর্মণকে বিদ্যালয়ে পাওয়া গেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার না করলেও শিক্ষার্থী সংকটের পেছনে ভিন্ন কারণ দেখিয়েছেন প্রধান শিক্ষক।
তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত দুর্বলতা, আশপাশের নুরানি মাদ্রাসার প্রভাব এবং অভিভাবকদের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতি আগ্রহের কারণে শিক্ষার্থী সংখ্যা কমেছে।
লোকনাথ বর্মণের দাবি, বিদ্যালয়ে বর্তমানে ১০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে, যার মধ্যে নিয়মিত উপস্থিত থাকে ছয়জন। তবে উপবৃত্তি সুবিধাভোগী শিক্ষার্থীর সংখ্যা জানতে চাইলে তিনি ১২ থেকে ১৩ জনের কথা বলেন, যা বিদ্যালয়ে উপস্থিত শিক্ষার্থীর সংখ্যার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এখানে আটজন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও আরও চারটি শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে। পাশাপাশি গত দুই বছর ধরে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিও নেই।
শিক্ষার্থীদের বক্তব্যেও উঠে এসেছে বিদ্যালয়ের বাস্তব চিত্র। অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিলুফা আক্তার জানায়, তাদের শ্রেণিতে মোট চারজন শিক্ষার্থী রয়েছে। সপ্তম শ্রেণিতে কোনো শিক্ষার্থী নেই। একই শ্রেণির আরেক শিক্ষার্থী বাঁধন জানায়, মোট শিক্ষার্থী ছয়জন হলেও শিক্ষকরা নিয়মিত ক্লাস নেন না।
ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী নিরবের ভাষ্য, তার শ্রেণিতে সে এবং সাব্বির নামে আরেকজন শিক্ষার্থী ছাড়া আর কেউ নেই। সপ্তম শ্রেণিতে কোনো শিক্ষার্থী না থাকার বিষয়টিও সে নিশ্চিত করেছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে শৃঙ্খলা ও তদারকির অভাব রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটিতে শুরু থেকেই শিক্ষার্থী সংকট ছিল। কিন্তু পরিস্থিতি এখন আরও খারাপ হয়েছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা পারুল বেগমের অভিযোগ, বিভিন্ন সময় মনিটরিং বা পরিদর্শনের সময় বাইরের শিক্ষার্থী এনে উপস্থিতি দেখানো হয়। অন্যদিকে মোস্তাফিজার রহমান জানান, নিয়মিত পাঠদান না হওয়ায় তিনি তার নাতিকে বিদ্যালয় থেকে সরিয়ে অন্য একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করিয়েছেন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যালয়টির ষষ্ঠ শ্রেণিতে ৪০, সপ্তম শ্রেণিতে ৪০ এবং অষ্টম শ্রেণিতে ৩০ জন শিক্ষার্থীর নাম নথিভুক্ত রয়েছে। অর্থাৎ সরকারি হিসাবে মোট শিক্ষার্থী ১১০ জন। কিন্তু সরেজমিনে দুই দিনে মোট উপস্থিতি পাওয়া গেছে মাত্র চারজন।
নথিভুক্ত শিক্ষার্থী ও বাস্তব উপস্থিতির মধ্যে এত বড় ব্যবধান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা অতিরিক্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি এখনো বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করিনি। খুব শিগগিরই প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’

রায়গঞ্জে শ্রী রামচন্দ্রের ছবিতে জুতা নিক্ষেপের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন
- রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৭:২৬:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার নিমগাছী বাজারে শ্রী শ্রী রামচন্দ্রের ছবিতে জুতা নিক্ষেপের ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে “ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা করো, ধর্ম অবমাননা বন্ধ করো”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ সনাতন মহাসংঘ ও ছাত্র মহাসংসদের সিরাজগঞ্জ জেলা কমিটির উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন রায়গঞ্জ উপজেলা আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক নিমাই চন্দ্র মাহাতো।
সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সনাতন মহাসংঘের রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শিপেন কুমার শীল, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক পরেশ চন্দ্র মাহাতো, কুড়মালি ভাষার লেখক ও গবেষক উজ্জ্বল কুমার মাহাতো, ছাত্র মহাসংঘের সিরাজগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি দীপক কুমার মাহাতো, সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ কুমার মাহাতো এবং সনাতন মহাসংঘের নির্বাহী সভাপতি অনিবার্ণ দাস অনিকসহ অন্যান্য নেতারা।
বক্তারা ধর্মীয় অবমাননার ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা ও পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে। এ ধরনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।
এর আগে নিমগাছী সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে নিমগাছী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এসে মানববন্ধনে মিলিত হয়। কর্মসূচিতে শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ গোপাল জিউ মন্দির, অর্জুনগর-উত্তরহাজীপুর, নিমগাছী গীতা স্কুলের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা অংশগ্রহণ করেন।

ভারতের বিমানবন্দরে আটক বাংলাদেশি নারী, ছিল ভুয়া আইডি
- আন্তর্জাতিক ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৭:১৬:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
ভারতের আসামের গুয়াহাটির লোকপ্রিয় গোপীনাথ বরদলই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (এলজিবিআই) এক বাংলাদেশি নারীকে আটক করা হয়েছে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষের দাবি, তিনি অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন এবং তার কাছে একটি জাল পরিচয়পত্র পাওয়া গেছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) এনডিটিভির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বেঙ্গালুরু থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে গুয়াহাটি পৌঁছান ওই নারী। বিমানবন্দরে লাগেজ সংগ্রহের সময় তার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন।
জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে ওই নারী নিজেকে বাংলাদেশের নাগরিক বলে পরিচয় দেন বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ। পরে তাকে অধিকতর তদন্তের জন্য আজারা থানার বর্ডার শাখা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, মানবপাচার চক্রের সহায়তায় তিনি ত্রিপুরা সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। তদন্তকারীদের সন্দেহ, দেশে প্রবেশের আগে তাকে জাল পরিচয়পত্র সরবরাহ করা হয়েছিল।
পুলিশ সূত্র জানায়, আটক নারীর কাছে থাকা পরিচয়পত্রে নাম ছিল ‘পূজা দাস’ এবং সেখানে পশ্চিমবঙ্গের একটি ঠিকানা উল্লেখ ছিল। কর্তৃপক্ষের বিশ্বাস, প্রতারণার মাধ্যমে ওই পরিচয়পত্র সংগ্রহ করা হয়েছিল।
এদিকে সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী (বিএসএফ) কর্মকর্তারাও তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। পরিচয় যাচাইয়ের সময় তার স্থায়ী ঠিকানা বাংলাদেশের ঢাকার কাছাকাছি নারায়ণগঞ্জ জেলায় শনাক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
আরও জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারী তদন্তকারীদের জানান, তিনি গুয়াহাটিতে অবস্থানরত তার প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে সেখানে গিয়েছিলেন।
প্রাথমিক আইনি প্রক্রিয়া শেষে বুধবার তাকে আসামের গোয়ালপাড়া জেলার একটি আটককেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

স্কয়ার গ্রুপে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ, নিয়োগ চলছে
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৭:০৮:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
লোকবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে স্কয়ার গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি তাদের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স বিভাগে অফিসার পদে লোক নিয়োগের জন্য এ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে।
আবেদন নেওয়া শুরু হয়েছে ১৮ জুন থেকে এবং আগামী ২৭ জুন পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রার্থীরা মাসিক বেতন ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
এক নজরে দেখে নিন স্কয়ার গ্রুপে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬
প্রতিষ্ঠানের নাম : স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড
চাকরির ধরন : বেসরকারি চাকরি
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
পদ সংখ্যা : ১টি
লোকবল নিয়োগ : নির্ধারিত নয়
আবেদন করার মাধ্যম : অনলাইন
আবেদন শুরুর তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
আবেদনের শেষ তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
অফিশিয়াল ওয়েবসাইট : https://www.sfbl.com.bd
আবেদন করার লিংক : অফিশিয়াল নোটিশের নিচে
প্রতিষ্ঠানের নাম : স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড
পদের নাম : অফিসার
বিভাগ : অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স
পদসংখ্যা : নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা : অ্যাকাউন্টিং/ফিন্যান্সে বিবিএ/এমবিএ
অন্য যোগ্যতা : মাইক্রোসফট অফিসে দক্ষতা।
অভিজ্ঞতা : কমপক্ষে ১ বছর
চাকরির ধরন : ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র : অফিসে
প্রার্থীর ধরন : নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা : সর্বোচ্চ ৩২ বছর
কর্মস্থল : ঢাকা
বেতন : আকর্ষণীয় ও প্রতিযোগিতামূলক বেতন
অন্য সুবিধা : কোম্পানির নীতি অনুযায়ী সুযোগ-সুবিধা প্যাকেজ প্রদান করা হবে।
আবেদন করবেন যেভাবে : আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
আবেদনের শেষ সময় : ২৭ জুন ২০২৬

লড়াই করেও হার বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়ার সিরিজ জয়
- ক্রীড়া ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৬:৫৯:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে মাত্র ৭ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। হাইস্কোরিং ম্যাচে দুই দলই লড়েছে দুর্দান্তভাবে। তবে শেষ পর্যন্ত জেতা হয়নি টাইগারদের। এই জয়ের ফলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করলো অস্ট্রেলিয়া।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফট্যানেন্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। মিচেল মার্শ এবং জশ ইংলিসের ব্যাটে ভর করে দারুণ শুরু পায় অজিরা। ৬ বলে ১১ রান করা ইংলিসকে ফিরিয়ে ব্রেক থ্রু এনে দেন নাসুম আহমেদ। তিনে নামা কুপার কনোলি সুবিধা করতে পারেননি। ৪ বলে ১ রান করা কনোলিকে ফেরান নাহিদ রানা। অধিনায়ক মিচেল মার্শ খেলেন ১৯ বলে ২০ রানের ইনিংস। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৪৪ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া।
পাওয়ারপ্লের পর টাইগার বোলারদের উপর চড়াও হন অজি ব্যাটাররা। ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিং চালিয়েছেন ম্যাট রেনশ এবং টিম ডেভিড। উইকেটের চারপাশে দারুণ সব শটে দলের বোর্ডে রান তুলেছেন রেনশ এবং ডেভিড। আগ্রাসি ব্যাটিংয়ে রান বাড়িয়েছেন দুজন। দলের ১৪১ রানের মাথাতে ২৬ বলে ৪৫ রান করে থামেন ডেভিড। রেনশ অবশ্য ফিফটি ছুঁয়েছেন।
এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলে গেছেন রেনশ। শেষ দিকে নিখিল চৌধুরী খেলেছেন ৬ বলে ৮ রানের ইনিংস। রেনশর ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিং ফিফটির পরেও চলেছে। বাংলাদেশের বোলারদের পিটিয়ে তক্তা বানিয়েছেন রেনশ। অজিরাও ছুটেছে দুইশ রানের দিকে। শেষ পর্যন্ত দুইশর খুব কাছে গিয়ে থেমেছে অস্ট্রেলিয়া। ৫২ বলে ৮৯ রান করে টিকে ছিলেন রেনশ। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় অজিরা।
বাংলাদেশের হয়ে ২ উইকেট নেন নাসুম আহমেদ। এছাড়া ১টি করে উইকেট শিকার করেছেন আবদুল গাফফার সাকলাইন, নাহিদ রানা এবং মুস্তাফিজুর রহমান।
জবাব দিতে নেমে তানজিদ হাসান তামিমের ব্যাটে ভর করে দারুণ শুরু পায় বাংলাদেশ। আরেক ওপেনার সাইফ হাসানও ছিলেন দারুণ সাবলীল। ৩ ওভারেই ৪২ রান তুলে ফেলে বাংলাদেশ, বিনা উইকেটে। ৪র্থ ওভারেই থেমেছে তানজিদের উইলোবাজি। ১৫ বলে ৩০ রানের ক্যামিও খেলা তানজিদকে ফেরান ম্যাট রেনশ।
পাওয়ারপ্লের ফায়দাটা সুদে আসলে লুটেছে বাংলাদেশ। তিনে নেমে সাইফ হাসানের সাথে যোগ দেন সৌম্য সরকার। ৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৭২ রান তোলে বাংলাদেশ, যা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ পাওয়ারপ্লের রান।
সৌম্য থেমেছেন পাওয়ারপ্লে শেষেই। ভালো শুরু পেলেও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি সৌম্য সরকার। ৯ বলে ১৫ রান করে দলের ৭৭ রানের মাথাতে থামেন সৌম্য। এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলে গেছেন সাইফ। চারে নেমে বেধড়ক পিটুনি শুরু করেন পারভেজ হোসেন ইমন। দারুণ সব শটে রান বের করেছেন ইমন। হাঁকিয়েছেন দারুণ সব বাউন্ডারি। সাইফও ছুটেছেন ফিফটির দিকে।
সাইফ-ইমনের জুটিটা ভালোই এগোচ্ছিল। তবে টানা দুই ওভারে দুজনের বিদায়ে কিছুটা চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। কমে যায় দলের রানের গতি। ৩ ছক্কা ২ চারে ২২ বলে ৩৬ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন ইমন। দলের ১৩৪ রানের মাথাতে থামেন সাইফ হাসান, ৩৩ বলে করেছেন ৪২ রান।
সুবিধা করতে পারেননি শামীম হোসেন পাটোয়ারী। ৮ বলে ৭ রান করেছেন তিনি। পাঁচে নামা অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়ও কিছুটা সংগ্রাম করেছেন। সাতে নামেন আবদুল গাফফার সাকলাইন। দুজনে রান তুলেছেন ধীর গতিতে। বাউন্ডারি বের করতে সংগ্রাম করতে হয়েছে। ১৮তম ওভারে অ্যাডাম জাম্পার বোলিং সামলে ৮ রান নেন হৃদয় এবং সাকলাইন। শেষ ২ ওভারে দরকার ছিল ৩৪ রান, হাতে ৫ উইকেট।
বোলিংয়ে আসেন নাথান এলিস, স্ট্রাইকে সাকলাইন। প্রথম দুই বল ডট, পরের বলে চার মারেন সাকলাইন। পরের বল আবার ডট। পরের বলে ১ রান নেন সাকলাইন। স্ট্রাইকে ফেরেন হৃদয়। শেষ বলে দারুণ এক ছক্কা হাঁকান তিনি। শেষ ওভারে দরকার ২৩ রান।
শেষ ওভারে বোলিংয়ে আসেন অ্যারন হার্ডি, স্ট্রাইকে সাকলাইন। প্রথম বলে ওয়াইড, পরের বলে আসে ১ রান। স্ট্রাইকে ফেরেন হৃদয়। পরের বলে ডট, পরের বলে ২ রান। এরপর আবারও ওয়াইড। সমীকরণ চলে আসে ৩ বলে ১৮ রানে। পরে বলে দারুণ এক ছক্কা হাঁকিয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন হৃদয়। পরের বলে দারুণ এক শট খেলেন হৃদয়, তবুও হয়েছে কেবল চার। শেষ বলে বাংলাদেশের দরকার ছিল ৮ রান। তুলে মারলেন হৃদয়, ধরা পড়লেন একদম বাউন্ডারিতে। ৭ রানে জয়লাভ করে অস্ট্রেলিয়া, জিতে নেয় সিরিজটাও। ২০ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান করে থেমেছে বাংলাদেশ। হৃদয় আউট হয়েছেন ২২ বলে ৩৫ রান করে। সাকলাইন টিকে ছিলেন ১১ বলে ১৩ রান করে।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২ উইকেট নেন অ্যারন হার্ডি। এছাড়া ১টি করে উইকেট শিকার করেছেন জোয়েল ডেভিস, অ্যাডাম জাম্পা, নাথান এলিস এবং ম্যাট রেনশ।

শ্লীলতাহানির অভিযোগে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অন্তঃসত্ত্বা নারীর মামলা দায়ের
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৬:৫১:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
নরসিংদীর মনোহরদীতে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারী উদ্যোক্তাকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. আমিনুর রহমান সরকার দোলনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে।
মামলাটি করেছেন ভুক্তভোগী পপি আক্তার নামের এক নারী উদ্যোক্তা। তিনি অভিযোগ করেছেন, চাঁদার দাবিতে তার বিউটি পার্লারে হামলা চালিয়ে তাকে মারধর, শ্লীলতাহানি এবং নগদ টাকা ও স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।
আদালতে করা মামলার অন্য দুই আসামি হলেন উপজেলার হাররদিয়া এলাকার আব্দুল হালিমের ছেলে আব্দুল জব্বার (৩০) এবং অর্জুনচর এলাকার মৃত আব্দুল আউয়ালের ছেলে মোক্তার উদ্দিন তালুকদার (৪৮)।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, বিএনপি নেতা দোলন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে পপি আক্তারের কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ৭ মে দুপুরে অভিযুক্তরা তার বিউটি পার্লারে গিয়ে পুনরায় চাঁদা দাবি করেন। এতে রাজি না হলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে অন্তঃসত্ত্বা ওই নারীকে মারধর করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, একপর্যায়ে বিএনপি নেতা দোলন তার পরনের কাপড় টানাহেঁচড়া করে শ্লীলতাহানি করেন এবং ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ভেঙে ফেলেন। এ ছাড়া অন্য দুই আসামি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ড্রয়ারে থাকা ৫২ হাজার টাকা ও তার গলায় থাকা প্রায় আট আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পপির চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
ভুক্তভোগী পপি আক্তার বলেন, চিকিৎসা শেষে তিনি মনোহরদী থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি। লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হলেও পরবর্তী সময়ে কোনো মামলা বা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও থানায় মামলা করতে পারিনি। পরে বাধ্য হয়ে ১৮ জুন নরসিংদীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেছি। আমার এবং আমার অনাগত সন্তানের ওপর হামলার সুষ্ঠু বিচার চাই।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে বিএনপি নেতা আমিনুর রহমান সরকার দোলনের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মনোহরদী থানার ওসি জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, ‘এ ধরনের কোনো ঘটনার বিষয়ে আমি অবগত নই। কোনো নারী থানায় এসে এ বিষয়ে অভিযোগ করেছেন বলেও আমার জানা নেই।’
আদালতে করা মামলার বিষয়ে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
একদলীয় শাসনের চেষ্টা প্রত্যাখ্যান করবে জনগণ: জামায়াত আমির
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৫:৩৫:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
দেশে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠার যে কোনো প্রচেষ্টা জনগণ মেনে নেবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, জনগণের মতামত উপেক্ষা করে জোর করে শাসনব্যবস্থা চালাতে চাইলে জনগণই হিমালয়ের মতো প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
শুক্রবার (১৯ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় নারায়ণগঞ্জ শহরের মাসদাইর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নারায়ণগঞ্জ মহানগর আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান ও শহীদদের আত্মত্যাগের ফলেই দেশে বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। জুলাইয়ের আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের অবদানকে খাটো করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। তাদের আত্মত্যাগের প্রতি অসম্মান জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।
সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের সমালোচনা করে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ, ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে হস্তক্ষেপ, বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ্য ব্যক্তিদের সরিয়ে দলীয় অনুগতদের নিয়োগ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দলীয় লোক বসানোর মাধ্যমে দেশে একদলীয় শাসনের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘ইতিহাস সাক্ষী, একদলীয় শাসন কখনো টেকসই হয়নি। জনগণের মতামত উপেক্ষা করে কোনো ব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়া হলে দেশের মানুষ তা প্রতিহত করবে।’
সংসদে বিরোধী দলকে অবমূল্যায়নের রাজনৈতিক সংস্কৃতিরও সমালোচনা করেন জামায়াত আমির। তিনি বলেন, অতীতে আওয়ামী লীগ যেমন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কটূক্তি করত, এখন বিএনপিও একই ধরনের ভাষা ব্যবহার করছে। রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহনশীলতার চর্চা করা।
প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, বড় বাজেট প্রণয়ন করাই যথেষ্ট নয়, সেটি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করাই বড় চ্যালেঞ্জ। দুর্নীতি ও অপচয় বন্ধ না হলে উন্নয়নের সুফল জনগণের কাছে পৌঁছাবে না।
ব্যবসায়ীদের দুরবস্থার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সম্মেলনে আসার আগে নারায়ণগঞ্জের কয়েকজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে তার বৈঠক হয়েছে। সেখানে ব্যবসায়ীদের মধ্যে চাঁদাবাজি ও অনিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ লক্ষ্য করেছেন। ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
গণভোট প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের রায়কে সম্মান করা গণতন্ত্রের মৌলিক শর্ত। গণভোটে যে সংস্কার প্রস্তাবগুলো জনগণের সমর্থন পেয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে সরকারের আন্তরিকতা থাকা উচিত।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে সরকারের এক উপদেষ্টার বক্তব্যে জনগণের রায় ও গণতান্ত্রিক চেতনা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
সরকারকে জনগণের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এখনো সময় আছে, জনগণের রায়কে সম্মান করুন। অন্যথায় জোর করে শাসনব্যবস্থা চালাতে চাইলে জনগণ আপনাদের সামনে হিমালয় পর্বত হয়ে দাঁড়িয়ে যাবে।’
সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও জনগণ গণতান্ত্রিক চর্চার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তবে ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণার ক্ষেত্রে আরও স্বচ্ছতা থাকলে তাদের জোট আরও ভালো ফল করতে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নারায়ণগঞ্জের শিল্পখাতের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমির বলেন, একসময় দেশের শিল্প রাজধানী হিসেবে পরিচিত এই জেলার গৌরব পুনরুদ্ধারে শিল্প ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সন্ত্রাস ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীর আধিপত্যমুক্ত নারায়ণগঞ্জ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমালোচনার জবাব দিতে গিয়ে তিনি বলেন, মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করা সম্ভব নয়। জনগণ এখন অনেক বেশি সচেতন এবং তারা কথার চেয়ে কাজের মূল্যায়ন করে।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতের আমির মাওলানা আবদুল জব্বারের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মনোয়ার হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এই পাল্টাপাল্টি যুক্তিতর্ক হয়। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
‘ব্যাংকগুলো সরকারকে কীভাবে ঋণ দেবে?’
বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা ব্যাংকিং খাতের বেহাল দশা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিনিয়োগ যদি একপাশে সরিয়েও রাখি, ব্যাংক সরকারকে ঋণ দেবে কোথা থেকে? এই সংসদে দাঁড়িয়ে বলতে হচ্ছে, দেশে মোট মন্দ ঋণের পরিমাণ ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা।
এর সঙ্গে অবলোপন, পুনঃতফসিল করা এবং মামলার কারণে আটকে থাকা টাকা—যেটা এখনো খাতায় তোলা হয় নাই, তা যোগ করলে এই পরিমাণ গিয়ে দাঁড়াবে ১১ লাখ কোটি টাকা; যা মোট ঋণের ৫৯.৭৩ শতাংশ। ব্যাংকগুলো চাইলেও সরকারকে বেশি সহায়তা দিতে পারবে না। তখন কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকা ছাপানো ছাড়া উপায় থাকে না, যাকে আমরা ‘হাই পাওয়ারড মানি’ বলি। এতে মূল্যস্ফীতি বাড়ে।
এসময় সংসদে ফ্লোর নিয়ে বর্তমান সংসদের মর্যাদা তুলে ধরে ফজলুল হক মিলন বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সবাই বলছেন যে এই সংসদ একটি ব্যতিক্রমধর্মী সংসদ। অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম ও ত্যাগের বিনিময়ে, একটি সর্বজন গ্রহণযোগ্য অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে এই সংসদ গঠিত হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশে-বিদেশে আমরা সম্মানিত হয়েছি, দেশবাসীও সম্মানিত হয়েছে। বিগত অনেক বছর ‘ভোটারবিহীন’ নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদকে কলুষিত করা হয়েছিল। সেই জায়গা থেকে এই সংসদের মর্যাদা অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক উচ্চে বলে আমরা মনে করি।
‘এটি ঋণখেলাপিদের সংসদ’
অধিবেশনে ফ্লোর নিয়ে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সংসদ সদস্যদের ঋণখেলাপি হওয়ার বিষয়টি সামনে আনেন। তিনি বলেন, আমি প্রথম অধিবেশনেও অনেক সম্মানিত সংসদ সদস্যের কত ঋণখেলাপি রয়েছে, তার সংখ্যা উল্লেখ করেছিলাম, তবে সম্মানের কারণে নাম প্রকাশ করিনি। এখন যে দল ঋণখেলাপিদের নমিনেশন দিয়ে সংসদে নিয়ে আসে, এটা তাদের দায়। সংসদে এতগুলো ঋণখেলাপি থাকলে সাধারণ মানুষ স্বাভাবিকভাবেই এই সংসদকে ‘ঋণখেলাপিদের সংসদ’ বলবে।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের বক্তব্যের জবাব দিতে দাঁড়িয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, মহান জাতীয় সংসদের সব সদস্যকে সম্মান প্রদর্শন করা আমাদের উচিত। এখানে যারা আছেন, কেউ ঋণখেলাপি নন। নির্বাচনী আইন (আরপিও) এবং অন্যান্য বিধিমালা অনুসারে, আদালত কর্তৃক কেউ ঋণখেলাপি সাব্যস্ত হলে তিনি নির্বাচনের অযোগ্য হন। তার নমিনেশন অবৈধ হয়ে যায়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের পর ফ্লোর নিয়ে আইনি ফাঁকফোকরের বিষয়টি তুলে ধরেন রুমিন ফারহানা। টিআইবির (ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ) তথ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘টিআইবি সম্প্রতি বলেছে, এই সংসদের সদস্যদের কাছে দেশের ব্যাংকগুলোর পাওনা ১১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা।’

দিনাজপুরের ২৯ বিজিবির অভিযান: বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক চোরাচালান জব্দ
- হাসান আলী (হাকিমপুর) দিনাজপুর প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম।
- আপডেট টাইম : ০৮:২৪:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সিরাজগঞ্জ–বগুড়া রেলপথে রায়পুর জংশনের দাবিতে শহরজুড়ে পথসভা
- নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৭:৫১:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জ–বগুড়া নির্মাণাধীন রেলপথে রায়পুর স্টেশন এলাকায় জংশন করার দাবিতে আগামি শনিবারের মানববন্ধনকে সফল করার লক্ষ্যে শহরজুড়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
“সিরাজগঞ্জ রেল বাঁচাও আন্দোলন’ এর উদ্যোগে বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে শহরের চৌরাস্তা মোড়, বড়পুলের পশ্চিমপাড়ে, ১ নম্বর খলিফা পট্টির মাথায়, বড় বাজার, বাজার স্টেশন চত্বর ও মুক্তাপ্লাজার সামনে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসব পথসভায় বক্তারা বলেন, নির্মাণাধীন সিরাজগঞ্জ–বগুড়া রেলপথকে রায়পুর স্টেশনের সঙ্গে সংযুক্ত এবং রায়পুর স্টেশনকে উত্তরাঞ্চলগামী রেল যোগাযোগের কেন্দ্রীয় জংশন হিসেবে গড়ে তোলার দাবিতে শহরবাসীকে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে নামার আহ্বান জানানো হয়।
এসব পথসভায় বক্তব্য রাখেন, সিরাজগঞ্জ রেল বাঁচাও আন্দোলনের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মাহবুব এ খোদা টুটুল, জেলা সিপিবির সভাপতি ইসমাইল হোসেন, জেলা বাসদের আহ্বায়ক নব কুমার, রেল বাঁচাও আন্দোলনের সদস্য সচিব তারিকুজ্জামান টরিক, কবি জাহিদ হোসেন ও সঞ্জয় গৌড়।

৪-২-৩-১, ৪-৩-৩ নাকি ৪-৪-২? যে ফর্মেশনে এবারের বিশ্বকাপে বাজিমাত
- ক্রীড়া ডেস্ক। জনতারকণ্ঠ.কম।
- আপডেট টাইম : ০৭:৩৬:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
৪-৪-২, ৪-২-৩-১, ৪-৩-৩ কিংবা ৫-৩-২—ফুটবলের ধারাভাষ্যে এই সংখ্যাগুলো প্রায়ই শোনা যায়। অনেকের কাছে এগুলো ধাঁধা। যদিও জটিল কিছু নয়। সহজ বাংলায়, গোলরক্ষক বাদ দিয়ে মাঠের ১০ ফুটবলারকে কোন ছকে সাজানো হচ্ছে, সেটাই বোঝায় এই বিন্যাস। বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এমন ফর্মেশন অনেক সময় ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। কোচেরা সাধারণত নিজেদের পছন্দের ফর্মেশন নিয়ে মাঠে নামলেও প্রতিপক্ষ, ম্যাচের পরিস্থিতি কিংবা নির্দিষ্ট কোনও ফুটবলারের সামর্থ্য মাথায় রেখে পরিকল্পনা বদলে ফেলেন। অনেক দল এক ছকে ম্যাচ শুরু করেন, শেষ করেন অন্য ছকে।
সবচেয়ে জনপ্রিয় দুই ছক
গ্রুপ পর্বের প্রথম ২৪ ম্যাচে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়েছে ৪-৪-২ ফর্মেশন। ৪৮টি দলের মধ্যে ১২টি দল এই সিস্টেমে খেলেছে। চার ডিফেন্ডার, চার মিডফিল্ডার ও দুই ফরোয়ার্ডের এই ঐতিহ্যবাহী ফর্মুলা ভারসাম্যের জন্য পরিচিত। তবে সাফল্যের নিরিখে খুব একটা এগিয়ে নেই। মাত্র দু’টি জয় এসেছে এই ছকে—স্কটল্যান্ডের হাইতির বিপক্ষে এবং ইকুয়েডরকে হারিয়েছে আইভরি কোস্ট।
অন্যদিকে আধুনিক ফুটবলের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফর্মেশন ৪-২-৩-১ ব্যবহার করেছে ১০টি দল। এখানে দুই রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডার ডিফেন্সকে সুরক্ষা দেন, তাদের সামনে তিন আক্রমণভাগের ফুটবলার একমাত্র স্ট্রাইকারকে সাহায্য করেন। এই ছকে জিতেছে আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়া।
আক্রমণাত্মক ফুটবলে এগিয়ে ৪-১-২-৩
বিশ্বকাপের প্রথম পর্বে সবচেয়ে সফল ফর্মেশনগুলোর একটি ৪-১-২-৩। চার ডিফেন্ডার, এক রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডার, দুই মিডফিল্ডার এবং তিন ফরোয়ার্ড নিয়ে গড়া এই ছকে খেলেছে আটটি দল। মেক্সিকো, নরওয়ে, ঘানা এবং কলম্বিয়া নিজেদের প্রথম ম্যাচ জিতেছে এই ফর্মেশন ব্যবহার করে। একমাত্র রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডার থাকায় আক্রমণে বাড়তি ফুটবলার পাওয়া যায়। দুই উইঙ্গার ও একজন সেন্টার ফরোয়ার্ডকে ঘিরে তৈরি হয় দ্রুত উপরে ওঠার সুযোগ। বিশ্বকাপের অন্যতম দাবিদার স্পেন ও নেদারল্যান্ডসও এই ছক বেছে নিয়েছে।
পুরনো ছক, নতুন ভাবনা
লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা খেলছে ৪-৩-৩ ফর্মেশনে। আলজেরিয়ার বিপক্ষে ৩-০ জয়ে মেসির হ্যাটট্রিকের পিছনেও ছিল এই পরিচিত ছকের কার্যকারিতা। তিন মিডফিল্ডার সামনে দুই প্রান্তের আক্রমণভাগের ফুটবলার ও স্ট্রাইকারকে বল জোগান দেন। ১৯৭০ সালের পেলের ব্রাজিল এই ফর্মেশন কাজে লাগায়। আর্জেন্টিনা ২০২২ বিশ্বকাপও জিতেছিল একই ছকে।
অন্যদিকে ৫-৩-২ ফর্মেশন ব্যবহার করে এখনও কোনও দল জিততে পারেনি। তবে পর্তুগালের বিপক্ষে ১-১ ড্র করে চমক দেখিয়েছে কঙ্গো। চেক প্রজাতন্ত্র একমাত্র দল হিসেবে খেলেছে ৫-২-৩ ছকে। অস্ট্রেলিয়া ৫-৪-১ ফর্মেশন ব্যবহার করে তুরস্ককে ঘোল খাইয়েছে।
৩-৪-১-২ ফর্মেশনে তিউনিসিয়াকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে সুইডেন। জার্মানি ও দক্ষিণ কোরিয়া খেলেছে ৩-৪-৩ ছকে। জার্মানি এই বিন্যাসেই এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ সাত গোল করেছে।

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাশে ইইউ, বরাদ্দ দেড় কোটি ইউরো
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৭:২১:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
বাংলাদেশের কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য এক কোটি ৪০ লাখ ইউরো (১৯৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকা) অর্থ সহায়তা ঘোষণা করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআর।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই অর্থ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জরুরি সহায়তা ও সুরক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীকেও সহায়তা করবে।
ঘোষিত ইইউ-এর এই অর্থায়ন, বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী ও আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা ও ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে বিদ্যমান ২৩ মিলিয়ন (দুই কোটি ৩০ লাখ) ইউরোর কয়েক বছরের (২০২৪-২০২৭) একটি চুক্তির অংশ।
বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধি দলের প্রধান মাইকেল মিলার বলেন, বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী ও আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর পাশে থাকতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
এই সহায়তা রোহিঙ্গা পরিবারগুলোকে তাদের প্রয়োজনীয় সুরক্ষা সেবা পাওয়া, মৌলিক চাহিদা পূরণ, একটি নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ ভবিষ্যতের আশা ধরে রাখতে সাহায্য করবে বলে মন্তব্য করেন বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইসেন।

সিরাজগঞ্জে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৭:১১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জে উদ্বোধন করা হলো তিনদিনব্যাপী জাতীয় ফলমেলা। করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার সকালে বাজার স্টেশন পৌর মুক্তমঞ্চে এই ফলমেলার উদ্বোধন করা হয়।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সিরাজগঞ্জ খামারবাড়ির আয়োজনে তিনদিনব্যাপী ফলমেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সিরাজগঞ্জ খামারবাড়ির উপপরিচালক কৃষিবিদ এ কে এম মনজুরে মাওলার সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) গণপতি রায়, সিভিল সার্জন ডা. মো. নুরুল আমীন, সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান বাচ্চু, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আনোয়ারুল হক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, সিরাজগঞ্জ খামারবাড়ির অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (পিপি) কৃষিবিদ মো. আনোয়ার সাদাত, অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মোহাম্মদ রেজাউল হক, অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) জেরিন আহমেদ, হর্টিকালচার সেন্টার, খোকশাবাড়ীর সিনিয়র উদ্যানতত্ত্ববিদ কৃষিবিদ মো. শহিদুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এস. এম. নাসিম হোসেন, তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শমিষ্ঠা সেনগুপ্ত প্রমূখ।
এ সময় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, কৃষিপরিবার, বাগান ও নার্সারি মালিকরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সাইদী রহমান।
উদ্বোধনের পর জেলা প্রশাসক মেলায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, গবেষণা সংস্থা, কৃষি উদ্যোক্তা ও কৃষকদের স্টল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি দেশীয় ফলের উৎপাদন, আধুনিক চাষাবাদ, সংরক্ষণ প্রযুক্তি ও বাজারজাতকরণ কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা দেশীয় ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি, সংগ্রহোত্তর ক্ষতি হ্রাস, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ সম্প্রসারণ, পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ফল রপ্তানির সম্ভাবনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শহীদ এ. কে. শামসুদ্দিন সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘দেশে আম, কাঁঠাল, পেয়ারা, লিচু, আনারস ও ড্রাগন ফলসহ বিভিন্ন ফলের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারেও বাংলাদেশের ফলের চাহিদা বাড়ছে। নিরাপদ ও মানসম্মত ফল উৎপাদন, আধুনিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং রপ্তানি বৃদ্ধি করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।’
উল্লেখ্য, জাতীয় ফল মেলা-২০২৬ আগামী ২০ জুন পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মেলা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মেলায় আগত দর্শনার্থীরা দেশীয় ফলের বৈচিত্র্য, পুষ্টিগুণ এবং আধুনিক উৎপাদন ও সংরক্ষণ প্রযুক্তি সম্পর্কে সরাসরি জানার সুযোগ পাবেন।

জয়পুরহাটে শিশু ধর্ষণে কৃষকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
- জয়পুরহাট প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৭:০৫:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

চিকিৎসা অবহেলায় শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৬:৫৬:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
চট্টগ্রামে বেসরকারি হাসপাতাল সাজিনাজে ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগে আদালতে মামলা করেছেন শিশুর মা।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) আমাতুল মাকনুন নামে ওই নারী আটজনকে সুনির্দিষ্ট আসামি ও আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাত রেখে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন (তৃতীয়) আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।
মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- ইম্পেরিয়াল হাসপাতালের সহযোগী কনসালটেন্ট ডা. আনোয়ার হোসেন (৫০), সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. ফয়সাল আহমেদ, পেডিয়াট্রিক সার্জন ডা. আদনান ওয়ালিদ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (চমেক) কার্ডিওথোরাসিক ও ভাসকুলার সার্জন ডা. মো. মিনহাজুল হাসান (৪৫), শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. হাবিবুর রহমান (৬০), কার্ডিওথোরাসিক ও ভাসকুলার সার্জন ডা. মো. ফজলে মারুফ (৫০), ডা. মো. তানিম সাফায়েত চৌধুরী আলভি (৪৫) ও সাজিনাজ হাসপাতালের পরিচালক হাসান মাহমুদ চৌধুরী(৫২)। এছাড়া সাজিনাজ হাসপাতালে ওই সময়ে দায়িত্বরত ডাক্তার ও নার্সদেরও আসামি করা হয়েছে।
বাদীর আদালতে দাখিলকৃত আর্জি সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ মে নগরীর সার্জিস্কোপ হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে (সি সেকশন) উনার পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। জন্মের পর ওই বাচ্চার শ্বাসকষ্ট থাকার কারণে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার আরেফিন নগর এলাকার সাজিনাজ হাসপাতালে এনআইসিইউতে ভর্তি করানো হলে ডা. ফয়সাল আহমেদের তত্ত্বাবধানে শুরু হয় চিকিৎসা। পরবর্তীতে তিনি ঈদুল আজহার ছুটিতে গেলে নগরীর ইম্পেরিয়াল হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. আনোয়ার হোসেন বাচ্চার নিয়মিত চিকিৎসা দেন।
চিকিৎসার ৫ দিনের মাথায় ভিজিটিং আওয়ারে বাচ্চাকে দেখতে গেলে বাম হাতে একটি ব্যান্ডেজ দেখতে পান এবং চিকিৎসকের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ‘কিছু না’ বলে তারা এড়িয়ে যান৷ পরবর্তীতে ডা. ফয়সাল ছুটি থেকে ফিরে এসে বাচ্চার হাত দেখালে তারা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে এই ব্যাপারে জানতে চেয়ে সঠিক কোনো ব্যাখ্যা পাননি।
পরবর্তীতে আরও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখে গেলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দেন বাচ্চার কোনো সমস্যা হবে না। ওই সময় হাতের কালোভাব শুরুতে কিছুটা কমলেও দুই একদিন পর আবারও তা খারাপের দিকে যাওয়ার কারণে পেডিয়াট্রিক সার্জন ডা. আদনান ওয়ালিদের মাধ্যমে ছোট একটা অপারেশন করানো হয়৷
এরপর তারা আইসিইউ এম্বুলেন্সে করে ঢাকায় ইবনে সিনা হাসপাতালে নিয়ে গেলে ব্যান্ডেজ খুলে দেখে বাচ্চার হাতের কবজি পর্যন্ত গ্যাংগ্রিন এবং এর কারণে বাচ্চার পুরো শরীরে সংক্রমণ ছড়িয়ে গেছে। পরবর্তীতে ইবনেসিনা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য অপারগতা প্রকাশ করলে এভার কেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং ওইখানে ডাক্তারদের পরামর্শমতে বাম হাত কেটে ফেলা হলেও বাচ্চাটিকে বাঁচানো যায়নি।
গত ১২ জুন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া নবজাতক শিশুটির মায়ের একটি আবেগঘন স্ট্যাটাসকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হলে সাজিনাজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শনিবার (১৩ জুন) সামাজিক মাধ্যমে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে।
বিবৃতিতে দাবি করা হয়, পূর্বের হাসপাতাল থেকে স্থানান্তরের সময় শিশুটির ডান পায়ের তালুতে কাটা দাগ ও বাম হাতের উপরের অঙ্গে উল্লেখযোগ্য ফোলা বিদ্যমান ছিলো যা ভর্তির সময়ই নবজাতকের পিতাকে অবহিত করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মামলার বাদী আমাতুল মাকনুন কালবেলাকে জানান, সিজারের পর থেকে আমি অসুস্থ থাকায় এতদিন এই ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে পারিনি। এখন সুস্থতা অনুভব করলে আদালতে এই ব্যাপারে মামলা করতে এসেছি। আশা করছি ন্যায়বিচার পাব।
বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট শুভাশীষ শর্মা জানান, ভুল চিকিৎসায় শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় আদালত আমাদের দেওয়া আর্জি আমলে নিয়ে সিআইডিকে এই ঘটনায় দ্রুত তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলায় অভিযুক্ত সাজিনাজ হাসপাতালের পরিচালক হাসান মাহমুদ চৌধুরী জানান, আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে শুনেছি তবে এখন পর্যন্ত এই সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র হাতে পাইনি। সবার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে আমরা পরবর্তীতে এ ব্যাপারে আগাব।

দুই মামলায় ব্যারিস্টার সুমনের জামিন স্থগিত করল আদালত
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৬:৪৬:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
সাবেক সংসদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের বিরুদ্ধে দায়ের করা আদাবর ও যাত্রাবাড়ী থানার দুটি মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী লিটন আহমেদ। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী অনীক আর হক।
এর আগে ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর দিবাগত রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর মিরপুর-৬ এলাকা থেকে ব্যারিস্টার সুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের কিছুক্ষণ আগে রাত সোয়া ১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দিয়ে তিনি লিখেছিলেন, ‘আমি পুলিশের সঙ্গে যাচ্ছি। দেখা হবে আদালতে। দোয়া করবেন সবাই।’
জানা যায়, সাবেক এই স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানা এবং হবিগঞ্জে একাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে মিরপুর থানার একটি মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করলে আদালত তাকে জামিন দিয়ে রুল জারি করেন। পরে ওই জামিনাদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করলেও আপিল বিভাগ তার জামিন বহাল রাখেন।
পরবর্তীতে আদাবর ও যাত্রাবাড়ী থানার আরও দুটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পান ব্যারিস্টার সুমন। তবে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত বৃহস্পতিবার ওই দুই মামলার জামিন স্থগিতের আদেশ দেন।

সড়ক দুর্ঘটনায় কক্সবাজারে অভিনেতা জোভান আহত
- বিনোদন ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৬:৪২:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা ফারহান আহমেদ জোভান। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নিজেই এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি। কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভে মোটরসাইকেল চালানোর সময় এই দুর্ঘটনার শিকার হন অভিনেতা। তবে বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়েছেন জোভান। একই সঙ্গে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে ভক্ত-অনুরাগীদের নিরাপদে যানবাহন চালানোর আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে জোভান লেখে, ‘কিছুদিন আগে কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভে আমি বাইক এক্সিডেন্ট করি। আল্লাহর অশেষ রহমতে বড় কোনো ক্ষতি হয়নি, কিন্তু ঘটনাটি আমাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিয়েছে।’
তিনি আরও লেখেন, “রাস্তায় আমরা অনেক সময় ভাবি, ‘আরেকটু স্পিডে গেলে কী হবে?’ বা ‘আমি তো ভালোই চালাই।’ কিন্তু দুর্ঘটনা কখন, কীভাবে, কার সঙ্গে ঘটবে—তা কেউ জানে না। কয়েক সেকেন্ডের অসাবধানতা জীবন বদলে দিতে পারে।”
সড়কে সবসময় নিরাপত্তার সঙ্গে বাইক চালানোর আহ্বান জানিয়ে অভিনেতা বলেন, ‘বাইক চালানোর সময় হেলমেট ব্যবহার করুন, ট্রাফিক আইন মেনে চলুন। কারণ আপনার জন্য অপেক্ষা করে আছে আপনার পরিবার, আপনার প্রিয় মানুষগুলো।গন্তব্যে একটু দেরিতে পৌঁছানো ভালো, কিন্তু নিরাপদে পৌঁছানোই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
অভিনেতার এই পোস্টে তার ভক্ত-অনুরাগীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে মন্তব্য করছেন।

বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কন্ঠ.কম0 





































































































One thought on “শ্রী রামচন্দ্রের অবমাননার প্রতিবাদে বেলকুচিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ”