সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ইব্রাহিমের গোলে এগিয়ে বাংলাদেশ Logo পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে দ্বিতীয় সভা ৯ নভেম্বর Logo সরকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম Logo হরমুজ প্রণালিতে ভারত-চীনসহ ৪ দেশকে বিশেষ ছাড় দিল ইরান Logo একের পর এক সুযোগ নষ্ট, প্রথমার্ধে গোল পায়নি বাংলাদেশ Logo চালু হচ্ছে পাবনা-ঢাকা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন Logo গোপালগঞ্জ জেলা স্কুলে ‘জয়বাংলা’ স্লোগান, ছাড়পত্র পেল ৯ শিক্ষার্থী Logo স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ নতুন দায়িত্ব পেলেন ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী Logo নতুন করে দুটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী Logo নদীভাঙন কবলিত জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি ও মানবিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গবেষণার প্রাথমিক ফলাফল উপস্থাপন

সফরসঙ্গীদের রেখেই ফিরতে পারতেন, তবু একসঙ্গেই দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। ছবি: সংগৃহীত

জাপানের নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নির্ধারিত সময়ে উড্ডয়ন করতে পারেনি প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি ৩৭৭। এ অবস্থায় চাইলে অন্য বিমানে দেশে ফিরতে পারতেন প্রধানমন্ত্রী। এমনকি জাপানে অবস্থানেরও সুযোগ ছিল তার। তবে সেই সুযোগ গ্রহণ না করে সফরসঙ্গীদের সঙ্গে একই ফ্লাইটে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

 

 

 

 

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

 

 

 

 

তিনি বলেন, ‘যান্ত্রিক ত্রুটি একটি সাধারণ ঘটনা, যা ঘটতেই পারে। তবে এটি খুব বড় ধরনের কোনো ত্রুটি ছিল না। এ কারণে ফ্লাইট উড্ডয়ন প্রায় দেড় থেকে দুই ঘণ্টা বিলম্বিত হয়। বিমান উড্ডয়নের আগে পরীক্ষার সময় ত্রুটিটি ধরা পড়ে। বিমানের ইঞ্জিন সম্পূর্ণ ঠিক ছিল; বাতাস নিয়ন্ত্রণ ও পাখার ওঠানামার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সফটওয়্যারজনিত সমস্যা দেখা দিয়েছিল, যা সমাধানের পর ফ্লাইট প্রস্তুত করা হয়।’

 

 

 

 

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী চাইলে অন্য বিমানে দেশে ফেরার সুযোগ ছিল, এমনকি জাপানে অবস্থানও করতে পারতেন। কিন্তু তিনি সফরসঙ্গীদের আশ্বস্ত করেন এবং সবাইকে নিয়ে একই ফ্লাইটে দেশে ফেরার প্রতিশ্রুতি দেন। শেষ পর্যন্ত তিনি সবার সঙ্গেই ফেরেন।

ফ্লাইট বিলম্বের সময় প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা তুলে ধরে আতিকুর রহমান রুমন বলেন, প্রধানমন্ত্রী ওই সময় সবার সঙ্গে কথা বলেন ও খোঁজখবর নেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী বিশেষ করে ফ্লাইটে থাকা শিশুদের খাবারের ব্যবস্থা করেন এবং শিশুরা যেন নির্বিঘ্নে ও স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করতে পারে, সে বিষয়ে খেয়াল রাখেন।

 

 

 

এদিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উপব্যবস্থাপনা পরিচালকের উপস্থিতিতে বিমানের ইঞ্জিনিয়ারিং টিম ও জাপানের টেকনিশিয়ানরা যৌথভাবে কারিগরি ত্রুটি মেরামতের কাজ সম্পন্ন করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, মেরামত শেষে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার রাত ৭টা ৪৩ মিনিটে ফ্লাইটটির পুশব্যাক করা হয়। এরপর রাত ৭টা ৫৫ মিনিটে ফ্লাইট বিজি ৩৭৭ নিরাপদে বাংলাদেশের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।

 

 

জনতার কণ্ঠ/জেডএইচ

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইব্রাহিমের গোলে এগিয়ে বাংলাদেশ

সফরসঙ্গীদের রেখেই ফিরতে পারতেন, তবু একসঙ্গেই দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১২:১৭:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

জাপানের নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নির্ধারিত সময়ে উড্ডয়ন করতে পারেনি প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি ৩৭৭। এ অবস্থায় চাইলে অন্য বিমানে দেশে ফিরতে পারতেন প্রধানমন্ত্রী। এমনকি জাপানে অবস্থানেরও সুযোগ ছিল তার। তবে সেই সুযোগ গ্রহণ না করে সফরসঙ্গীদের সঙ্গে একই ফ্লাইটে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

 

 

 

 

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

 

 

 

 

তিনি বলেন, ‘যান্ত্রিক ত্রুটি একটি সাধারণ ঘটনা, যা ঘটতেই পারে। তবে এটি খুব বড় ধরনের কোনো ত্রুটি ছিল না। এ কারণে ফ্লাইট উড্ডয়ন প্রায় দেড় থেকে দুই ঘণ্টা বিলম্বিত হয়। বিমান উড্ডয়নের আগে পরীক্ষার সময় ত্রুটিটি ধরা পড়ে। বিমানের ইঞ্জিন সম্পূর্ণ ঠিক ছিল; বাতাস নিয়ন্ত্রণ ও পাখার ওঠানামার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সফটওয়্যারজনিত সমস্যা দেখা দিয়েছিল, যা সমাধানের পর ফ্লাইট প্রস্তুত করা হয়।’

 

 

 

 

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী চাইলে অন্য বিমানে দেশে ফেরার সুযোগ ছিল, এমনকি জাপানে অবস্থানও করতে পারতেন। কিন্তু তিনি সফরসঙ্গীদের আশ্বস্ত করেন এবং সবাইকে নিয়ে একই ফ্লাইটে দেশে ফেরার প্রতিশ্রুতি দেন। শেষ পর্যন্ত তিনি সবার সঙ্গেই ফেরেন।

ফ্লাইট বিলম্বের সময় প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা তুলে ধরে আতিকুর রহমান রুমন বলেন, প্রধানমন্ত্রী ওই সময় সবার সঙ্গে কথা বলেন ও খোঁজখবর নেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী বিশেষ করে ফ্লাইটে থাকা শিশুদের খাবারের ব্যবস্থা করেন এবং শিশুরা যেন নির্বিঘ্নে ও স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করতে পারে, সে বিষয়ে খেয়াল রাখেন।

 

 

 

এদিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উপব্যবস্থাপনা পরিচালকের উপস্থিতিতে বিমানের ইঞ্জিনিয়ারিং টিম ও জাপানের টেকনিশিয়ানরা যৌথভাবে কারিগরি ত্রুটি মেরামতের কাজ সম্পন্ন করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, মেরামত শেষে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার রাত ৭টা ৪৩ মিনিটে ফ্লাইটটির পুশব্যাক করা হয়। এরপর রাত ৭টা ৫৫ মিনিটে ফ্লাইট বিজি ৩৭৭ নিরাপদে বাংলাদেশের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।

 

 

জনতার কণ্ঠ/জেডএইচ