সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ইব্রাহিমের গোলে এগিয়ে বাংলাদেশ Logo পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে দ্বিতীয় সভা ৯ নভেম্বর Logo সরকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম Logo হরমুজ প্রণালিতে ভারত-চীনসহ ৪ দেশকে বিশেষ ছাড় দিল ইরান Logo একের পর এক সুযোগ নষ্ট, প্রথমার্ধে গোল পায়নি বাংলাদেশ Logo চালু হচ্ছে পাবনা-ঢাকা রুটে নতুন দুই আন্তঃনগর ট্রেন Logo গোপালগঞ্জ জেলা স্কুলে ‘জয়বাংলা’ স্লোগান, ছাড়পত্র পেল ৯ শিক্ষার্থী Logo স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ নতুন দায়িত্ব পেলেন ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী Logo নতুন করে দুটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী Logo নদীভাঙন কবলিত জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি ও মানবিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গবেষণার প্রাথমিক ফলাফল উপস্থাপন

সাজেকে সড়ক অবরোধ, দুর্ভোগে ৩ হাজার পর্যটক

পুলিশ ও সেনাবাহিনীর নিরাপত্তায় সাজেক। ছবি: সংগৃহীত

রাঙামাটির সাজেকে আধিপত্যের দ্বন্দ্বে সড়কে তৃতীয় দফায় অনির্দিষ্টকালের অবরোধ পালন করছে স্থানীয় দুটি সংগঠন গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন। এতে উজোবাজার এলাকায় সাজেক ছেড়ে আসা তিন হাজার পর্যটক আটকা পড়েছে।

 

 

 

 

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে দীঘিনালা-সাজেক সড়কের মাছালং ও উজোবাজরসহ বেশ কিছু এলাকায় অবরোধের সমর্থনে টায়ারে আগুন জ্বালায় সমর্থনকারীরা। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা পর্যটকদের নিজ নিজ গন্তব্যে পাঠাতে অবরোধকারীদের সঙ্গে আলোচনা করছে।

 

 

 

 

৩ দফা দাবিতে সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও কার্বারী অ্যাসোসিয়েশনের নামে স্থানীয় দুটি সংগঠন এই অবরোধের ডাক দেয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অবরোধকারীরা উজোবাজারে অবস্থান করছেন। সেখানে বিপুল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

অবরোধকারীদের অভিযোগ, সাজেকের মাছালং এলাকার বিভিন্ন স্থানে জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যরা অবস্থান করে সাধারণ মানুষকে হুমকি, হত্যাসহ নানা অপকর্ম চালাচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের অবরোধ চলবে।

তবে সন্তু লারমা নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জন সংহতি সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা বলেন, এসব হচ্ছে ইউপিডিএফের ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার।

দীর্ঘদিন ধরে সাজেকে ইউপিডিএফের সদস্যরা সন্ত্রাসী তৎপরতা ও জনগণের ওপর শোষণ কার্যক্রম চালাচ্ছে। জনসংহতি সমিতি পার্বত্য সমস্যার সমাধান ও শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ জনগণের অধিকারের জন্যই কাজ করছে। কাজেই সাজেকসহ সমগ্র পার্বত্য চট্টগ্রামেই তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম চালানোর অধিকার রয়েছে।

রাঙামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বাঘাইছড়ি সার্কেল) মোজাম্মেল হক জানান, পর্যটকদের নিরাপদে পৌঁছে দিতে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমরা কাজ করছি।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইব্রাহিমের গোলে এগিয়ে বাংলাদেশ

সাজেকে সড়ক অবরোধ, দুর্ভোগে ৩ হাজার পর্যটক

আপডেট টাইম : ১১:৩৪:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

রাঙামাটির সাজেকে আধিপত্যের দ্বন্দ্বে সড়কে তৃতীয় দফায় অনির্দিষ্টকালের অবরোধ পালন করছে স্থানীয় দুটি সংগঠন গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন। এতে উজোবাজার এলাকায় সাজেক ছেড়ে আসা তিন হাজার পর্যটক আটকা পড়েছে।

 

 

 

 

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে দীঘিনালা-সাজেক সড়কের মাছালং ও উজোবাজরসহ বেশ কিছু এলাকায় অবরোধের সমর্থনে টায়ারে আগুন জ্বালায় সমর্থনকারীরা। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা পর্যটকদের নিজ নিজ গন্তব্যে পাঠাতে অবরোধকারীদের সঙ্গে আলোচনা করছে।

 

 

 

 

৩ দফা দাবিতে সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও কার্বারী অ্যাসোসিয়েশনের নামে স্থানীয় দুটি সংগঠন এই অবরোধের ডাক দেয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অবরোধকারীরা উজোবাজারে অবস্থান করছেন। সেখানে বিপুল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

অবরোধকারীদের অভিযোগ, সাজেকের মাছালং এলাকার বিভিন্ন স্থানে জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যরা অবস্থান করে সাধারণ মানুষকে হুমকি, হত্যাসহ নানা অপকর্ম চালাচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের অবরোধ চলবে।

তবে সন্তু লারমা নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জন সংহতি সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা বলেন, এসব হচ্ছে ইউপিডিএফের ষড়যন্ত্রমূলক অপপ্রচার।

দীর্ঘদিন ধরে সাজেকে ইউপিডিএফের সদস্যরা সন্ত্রাসী তৎপরতা ও জনগণের ওপর শোষণ কার্যক্রম চালাচ্ছে। জনসংহতি সমিতি পার্বত্য সমস্যার সমাধান ও শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সাধারণ জনগণের অধিকারের জন্যই কাজ করছে। কাজেই সাজেকসহ সমগ্র পার্বত্য চট্টগ্রামেই তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম চালানোর অধিকার রয়েছে।

রাঙামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বাঘাইছড়ি সার্কেল) মোজাম্মেল হক জানান, পর্যটকদের নিরাপদে পৌঁছে দিতে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমরা কাজ করছি।