ঢাকার পর সিলেট টেস্টেও জয়ের মানসিকতা ধরে রাখার তাগিদ দিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোচ ড্যারেন স্যামি। ঘরের মাঠে প্রথম টেস্টে জয় দিয়ে সিরিজ শুরু করলেও সিলেটেও কোনো ছাড় দিতে নারাজ ক্যারিবীয়রা। বাংলাদেশ দলকে হালকাভাবে না নিয়ে বছরটি জয় দিয়ে রাঙাতে চান তারা।
টেস্ট সিরিজের আগে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে স্যামি বলেন, এখানে আসার পর থেকেই অধিনায়ক (রোস্টন চেজ) দলের সবার সামনে লক্ষ্য স্পষ্ট করে দিয়েছেন। বছরটি জয় দিয়ে শেষ করাটা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বর্তমান চক্রে এর আগে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের বিপক্ষে একটি করে ম্যাচ জিতেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে কোনো সিরিজ জেতা হয়নি তাদের। বাংলাদেশের বিপক্ষে সেই আক্ষেপ ঘোচানোর সুযোগ দেখছেন স্যামি। তবে প্রতিপক্ষ হিসেবে বাংলাদেশকে ঘরের মাঠে বেশ কঠিন বলেই মনে করছেন তিনি।
ফিল সিমন্সকে নিয়ে ক্যারিবীয় কোচ বলেন, ফিলকে আমি যতদূর জানি, সে কাজটা আমাদের জন্য সহজ করবে না। সেও জিততে চায়। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে তাদেরও নিজেদের লক্ষ্য আছে। তবে ছেলেদের মধ্যে যে ক্ষুধা, জেদ ও কঠোর পরিশ্রমের মানসিকতা দেখেছি, তাতে সিলেটে আমরা যেকোনো পরিস্থিতির জন্যই প্রস্তুত।
ঢাকার উইকেটে স্পিন সামলানোর পেছনের রহস্য নিয়ে কথা বলতে গিয়ে চেন্নাইয়ের বিশেষ ক্যাম্পের কথা উল্লেখ করেন স্যামি। চেন্নাইয়ের সুপার কিংস একাডেমি ও শ্রী রামচন্দ্র সেন্টারে দলের প্রস্তুতি দারুণ কাজে দিয়েছে বলে জানান তিনি। বিশেষ করে ব্যাটিং কোচ ফ্লয়েড রাইফার এবং হাই-পারফরম্যান্স কোচ শ্রীরাম কৃষ্ণমূর্তির অধীনে ব্যাটারদের স্পিন মোকাবিলার প্রস্তুতি ঢাকায় জয় সহজ করে দিয়েছে।
স্যামি আরও বলেন, আমাদের স্পিনাররা তাদের স্পিনারদের চেয়ে ভালো বোলিং করেছে এবং আমাদের ব্যাটাররা স্পিন মোকাবিলায় তাদের চেয়ে ভালো খেলেছে। চতুর্থ ইনিংসে ব্র্যান্ডন কিংয়ের অপরাজিত ৮১ রানের ইনিংসটি ছিল বিশেষ কিছু।
ঢাকার মাঠে দুই ইনিংসে ৯ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হওয়া জোমেল ওয়ারিকান এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেটশিকারি অধিনায়ক রোস্টন চেজের নেতৃত্বেরও প্রশংসা করেন স্যামি। চেজের অধিনায়কত্ব ও ধৈর্য দলের তরুণদের দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করছে বলে মনে করেন তিনি। সিরিজের প্রথম টেস্টে জয়ের পর আত্মবিশ্বাসী ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল এখন সিলেটে সিরিজ জয়ের মিশন নিয়ে মাঠে নামবে।
জনতার কন্ঠ/এস এ

ক্রীড়া ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম 
























