সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বিরামপুরে ঈদ উদযাপন ​

Oplus_131072

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে প্রতি বছরের ন্যায় দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার দুইটি ইউনিয়নের প্রায় ১৫টি গ্রামের মুসল্লিরা আগাম ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন। ​এই জামাতে পুরুষদের পাশাপাশি নারী মুসল্লিরাও অংশগ্রহণ করেন।
আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৮টায় উপজেলার জোতবানি ইউনিয়নের খয়েরবাড়ি-মির্জাপুর জামে মসজিদ এবং একই সময়ে বিনাইল ইউনিয়নের আয়ড়া মাদরাসা মাঠে পৃথক দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। খয়েরবাড়ি জামে মসজিদে ইমামতি করেন মাওলানা দেলোয়ার হোসেন কাজী এবং আয়ড়া মাদরাসা মাঠে ইমামতি করেন হাফেজ আল আমিন।
সরেজমিনে দেখা যায়, আশপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে মুসল্লিরা ভ্যান, সাইকেল ও মোটরসাইকেলে করে জামাতে অংশ নিতে আসেন। এতে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
​সম্ভাব্য কোনো বিশৃঙ্খলা এড়াতে বিরামপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। নির্ধারিত সময় সকাল ৮টায় আয়ড়া মাদরাসা মাঠে নামাজ শুরু হয়।
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপনের বিষয়ে আয়ড়া জামাতের ইমাম হাফেজ আল আমিন বলেন, “সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য মাত্র তিন ঘণ্টা। এই ব্যবধানের কারণে দিনের পরিবর্তন হয় না। তাই আমরা তাদের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখি এবং নামাজ আদায় করি।
তিনি আরও জানান যে, ১৯৯৭ সাল থেকে এ ধরনের উদ্যোগের চিন্তা থাকলেও মূলত ২০১৩ সাল থেকে নিয়মিতভাবে সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করা হচ্ছে।
​বিরামপুর থানার এসআই দুলু মিয়া জানান, উপজেলার জোতবানি ও বিনাইল ইউনিয়নে এই দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেখানে পুলিশ মোতায়েন ছিল। এই দুইটি জামাতে প্রায় ২২০ জন মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অদম্য পলি রানী: পা দিয়ে লিখেই দিচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বিরামপুরে ঈদ উদযাপন ​

আপডেট টাইম : ০১:২৬:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে প্রতি বছরের ন্যায় দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার দুইটি ইউনিয়নের প্রায় ১৫টি গ্রামের মুসল্লিরা আগাম ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন। ​এই জামাতে পুরুষদের পাশাপাশি নারী মুসল্লিরাও অংশগ্রহণ করেন।
আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৮টায় উপজেলার জোতবানি ইউনিয়নের খয়েরবাড়ি-মির্জাপুর জামে মসজিদ এবং একই সময়ে বিনাইল ইউনিয়নের আয়ড়া মাদরাসা মাঠে পৃথক দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। খয়েরবাড়ি জামে মসজিদে ইমামতি করেন মাওলানা দেলোয়ার হোসেন কাজী এবং আয়ড়া মাদরাসা মাঠে ইমামতি করেন হাফেজ আল আমিন।
সরেজমিনে দেখা যায়, আশপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে মুসল্লিরা ভ্যান, সাইকেল ও মোটরসাইকেলে করে জামাতে অংশ নিতে আসেন। এতে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
​সম্ভাব্য কোনো বিশৃঙ্খলা এড়াতে বিরামপুর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। নির্ধারিত সময় সকাল ৮টায় আয়ড়া মাদরাসা মাঠে নামাজ শুরু হয়।
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপনের বিষয়ে আয়ড়া জামাতের ইমাম হাফেজ আল আমিন বলেন, “সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য মাত্র তিন ঘণ্টা। এই ব্যবধানের কারণে দিনের পরিবর্তন হয় না। তাই আমরা তাদের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখি এবং নামাজ আদায় করি।
তিনি আরও জানান যে, ১৯৯৭ সাল থেকে এ ধরনের উদ্যোগের চিন্তা থাকলেও মূলত ২০১৩ সাল থেকে নিয়মিতভাবে সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করা হচ্ছে।
​বিরামপুর থানার এসআই দুলু মিয়া জানান, উপজেলার জোতবানি ও বিনাইল ইউনিয়নে এই দুটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেখানে পুলিশ মোতায়েন ছিল। এই দুইটি জামাতে প্রায় ২২০ জন মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।