১২ বছর বয়সী এক শিশুকে তুলে নিয়ে জন্মসনদ জাল করে দুই মাস আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শিশুটির আপন খালুর বিরুদ্ধে। দুই মাস পর পুলিশের সহযোগীতায় শিশুটিকে উদ্ধার করে তার পরিবার।
এ ঘটনায় রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সিরাজগঞ্জ সদর থানায় মামলা দায়ের করেন শিশুটির নানা মো. সাইফুল ইসলাম। নির্যাতিত শিশু সদর উপজেলার মেছড়া ইউনিয়নের তেঘরি রুপসা গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় একটি কিন্ডার গার্টেন স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী।
অভিযুক্ত খালু শিপন মিয়া, কাজিপুর উপজেলার তেকানি ইউনিয়নের কাজলগ্রাম গ্রামের হারুন-অর-রশিদের ছেলে।
নির্যাতিত শিশুটির ভাষ্যমতে তার আপন খালু শিপন। গত ১ জুলাই সকালে স্কুল থেকে মিথ্যা কথা বলে তুলে নিয়ে যায় তাকে। এরপর তার কোন আত্মীয়ের বাড়ি নিয়ে জন্মসনদ জাল করে বিয়ে করে।
শিশুটির মা বলেন, মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর শিশুটির মা বাদী হয়ে থানায় জিডি করেন। এরপর গত ২২ সেপ্টেম্বর গাজীপুর থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়। তবে গাজীপুর থানা পুলিশ আসামিকে ছেড়ে দেয় বলে দাবি করেন ভিকটিমের মা।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার উপ-পরিদর্শক মো. খোরশেদ আলম জানান, শিশু অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে তার খালুসহ ৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম। 



















