সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

৮ ঘণ্টায় রহস্য উদঘাটন, পরকিয়া প্রেমিকের হাতে খুন বিধবা নারী

সিরাজগঞ্জে মোছা. মরিয়ম বেগম (৪৮) নামে এক বিধবা নারীর মরদেহ উদ্ধারের মাত্র ৮ ঘণ্টা পর রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। দীর্ঘদিন পরিকয়ার পর বিয়েতে অস্বীকৃতি জানানো কারণে প্রেমিকের হাতে জীবন দিতে হয়েছে ওই নারীকে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত একমাত্র আসামি অটোরিকশাচালক মো. সোহেল রানাকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে সদর থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সিরাজগঞ্জ সদর সার্কেল) নাজরান রউফ।

 

গ্রেপ্তার সোহেল রানা সদর উপজেলার গুনেরগাঁতী গ্রামের মো. আসাদুল্লাহর ছেলে। নিহত মরিয়ম খোকসাবাড়ী হাসপাতাল এলাকার মৃত নুর ইসলামের স্ত্রী ও জাবেদ আলী সেখের মেয়ে।

 

সংবাদ সম্মেলনে নাজরান রউফ বলেন, রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকালে নলিছাপাড়া এলাকায় কলাগাছের নীচ থেকে কলাপাতায় মোড়ানো অবস্থায় মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ হত্যার রহস্য উৎঘাটনে পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনায় একটি টিম গঠন করা হয়। এ টিমটি তদন্ত করে তথ্য প্রযুক্তি ও নিখুঁত গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে হত্যাকারী সোহেল রানাকে সনাক্ত করে রাতেই গ্রেপ্তার করে।

 

গ্রেপ্তার সোহেল রানাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে পুলিশের কাছে বলেছেন, প্রায় ২-৩ বছর ধরে মরিয়মের সঙ্গে তার পরকিয়া প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। প্রতি সপ্তাহে তারা ১/২ বার দেখা করতেন। এক পর্যায়ে সোহেল রানা মরিয়মকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়। কিন্তু মরিয়ম বিয়ের জন্য সময়ক্ষেপন করে এবং অন্য একজনের সঙ্গে একইভাবে পরকিয়া প্রেমের সম্পর্ক শুরু করে।

 

গত ৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যার পর মরিয়মের সঙ্গে কুশাহাটা গ্রামে দেখা করার পর দুজনে মিলে শারিরীক সম্পর্ক করে। এরপর সোহেল রানা আবারও বিয়ের প্রস্তাব দিলে দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়। ঝগড়ার এক পর্যায়ে সোহেল রানা মরিয়মের গলায় ওড়না পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর মরদেহটি কলাগাছের নিচে ড্রেনের মধ্যে রেখে আসে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

৮ ঘণ্টায় রহস্য উদঘাটন, পরকিয়া প্রেমিকের হাতে খুন বিধবা নারী

আপডেট টাইম : ০৩:১০:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

সিরাজগঞ্জে মোছা. মরিয়ম বেগম (৪৮) নামে এক বিধবা নারীর মরদেহ উদ্ধারের মাত্র ৮ ঘণ্টা পর রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। দীর্ঘদিন পরিকয়ার পর বিয়েতে অস্বীকৃতি জানানো কারণে প্রেমিকের হাতে জীবন দিতে হয়েছে ওই নারীকে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত একমাত্র আসামি অটোরিকশাচালক মো. সোহেল রানাকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

 

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে সদর থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সিরাজগঞ্জ সদর সার্কেল) নাজরান রউফ।

 

গ্রেপ্তার সোহেল রানা সদর উপজেলার গুনেরগাঁতী গ্রামের মো. আসাদুল্লাহর ছেলে। নিহত মরিয়ম খোকসাবাড়ী হাসপাতাল এলাকার মৃত নুর ইসলামের স্ত্রী ও জাবেদ আলী সেখের মেয়ে।

 

সংবাদ সম্মেলনে নাজরান রউফ বলেন, রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকালে নলিছাপাড়া এলাকায় কলাগাছের নীচ থেকে কলাপাতায় মোড়ানো অবস্থায় মরিয়মের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ হত্যার রহস্য উৎঘাটনে পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনায় একটি টিম গঠন করা হয়। এ টিমটি তদন্ত করে তথ্য প্রযুক্তি ও নিখুঁত গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে হত্যাকারী সোহেল রানাকে সনাক্ত করে রাতেই গ্রেপ্তার করে।

 

গ্রেপ্তার সোহেল রানাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে পুলিশের কাছে বলেছেন, প্রায় ২-৩ বছর ধরে মরিয়মের সঙ্গে তার পরকিয়া প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। প্রতি সপ্তাহে তারা ১/২ বার দেখা করতেন। এক পর্যায়ে সোহেল রানা মরিয়মকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়। কিন্তু মরিয়ম বিয়ের জন্য সময়ক্ষেপন করে এবং অন্য একজনের সঙ্গে একইভাবে পরকিয়া প্রেমের সম্পর্ক শুরু করে।

 

গত ৫ ডিসেম্বর সন্ধ্যার পর মরিয়মের সঙ্গে কুশাহাটা গ্রামে দেখা করার পর দুজনে মিলে শারিরীক সম্পর্ক করে। এরপর সোহেল রানা আবারও বিয়ের প্রস্তাব দিলে দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়। ঝগড়ার এক পর্যায়ে সোহেল রানা মরিয়মের গলায় ওড়না পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর মরদেহটি কলাগাছের নিচে ড্রেনের মধ্যে রেখে আসে।