সিরাজগঞ্জ , বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নিহত শ্রমিকের পরিবারকে ১ লাখ টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে: শ্রমমন্ত্রী Logo ‘রাজপথের লড়াকু সৈনিক ছিলেন খোকা’: মির্জা আব্বাস Logo সৌদি আরবে জরুরি সতর্কতা জারি Logo চাকরি হারানোর মুখে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৬৮ কর্মচারী Logo সাংবাদিক গ্রেপ্তারে আদালতের অনুমতির প্রস্তাব Logo বিএনপির র‌্যালিতে নেতৃত্ব দিতে ৭ নভেম্বর মাঠে নামছেন তারেক রহমান Logo তাহসিফের মৃত্যু তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে শেখ হাসিনার সেই ভিডিও Logo সরকারি অনুমোদন ছাড়াই রিফাইনারি নির্মাণ, নীরব কেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ? Logo দেড় কোটি টাকার পণ্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণভান্ডারে দিল হিলি কাস্টমস Logo ফেসবুকে স্ত্রীর ছবি প্রকাশের জেরে বন্ধুকে হত্যা, কুয়েতে বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড

বরিশালে ওসিসহ ৭ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে রাজমিস্ত্রির মামলা

বানারীপাড়া থানা। ছবি: সংগৃহীত

পোশাকের অপব্যবহার, মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন, অবৈধ আটক ও শিশু অপহরণের অভিযোগে বরিশালের বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জসহ (ওসি) সাত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন একজন রাজমিস্ত্রি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বরিশাল সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করেন রাজমিস্ত্রি জালিস মাহমুদ।

 

 

 

 

 

জালিস মাহমুদ বানারীপাড়া উপজেলার মহিষাপোতা গ্রামের ফকির বাড়ির সহিদুল ইসলামের ছেলে।

 

 

 

 

 

বিচারক সৈয়দ আবিদুল হক মামলাটি আমলে নিয়ে এএসপি মর্যাদার নিচে নন- এমন একজন কর্মকর্তাকে দিয়ে অভিযোগের তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে বরিশাল পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন।

 

 

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান ও উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জাহিদ। এ ছাড়া ৪-৫ জন পুলিশ সদস্যকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

 

 

মামলার নথি এবং আদেশ সূত্রে জানা গেছে, রাজমিস্ত্রি জাসিল মাহমুদ তার স্ত্রী পপি আক্তারকে তালাক দিলে পপি তার বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা করেন। পরে বাদী বকেয়া খোরপোষ ও দেনমোহরসহ সকল পাওনা পরিশোধ করে মামলা থেকে খালাস পান।

এদিকে জালিছ মাহমুদ ও তার সাবেক স্ত্রী পপি আক্তারের দাম্পত্য জীবনে ‘হুমায়রা জান্নাত’ নামের তিন বছর বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে। পপি তালাকের পরে অন্যত্র বিয়ে করেন। এ কারণে শিশু কন্যা তার বাবা জালিস মাহমুদের বাড়িতে ছিল।

 

 

 

 

হঠাৎ করে গত ১২ অক্টোবর সকাল ১১টার দিকে বানারীপাড়া থানার ওসির নির্দেশে উপ-পরিদর্শক মো. জাহিদ ৪-৫ জন পোশাকধারী পুলিশ সদস্য নিয়ে জালিস মাহমুদকে তার বাড়ির সামনে থেকে আটক করে। এসময় এসআই জাহিদ, জালিস মাহমুদের গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। একপর্যায় পুলিশ সদস্যরা তাকে মারধর করে।

বাদী জানান, তার সাবেক স্ত্রী থানায় মামলা দায়ের করেছেন বলে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এমনকি নাবালিকা কন্যা সন্তানের আইনানুগ অভিভাবক হওয়া স্বত্ত্বেও মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে এবং থানায় দীর্ঘসময় আটকে রেখে ওসির নির্দেশে শিশুকন্যাকে সাবেক স্ত্রীর জিম্মায় দেওয়া হয় বলে অভিযোগ জালিসের।

 

 

 

 

তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, ‘দুই বছর ৮ মাস বয়সী কন্যা সন্তানটি খুব অসুস্থ। তার মাতৃস্নেহে সুস্থ হওয়া প্রয়োজন। তাই শিশুটিকে চিকিৎসা করিয়ে মায়ের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।’

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিহত শ্রমিকের পরিবারকে ১ লাখ টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে: শ্রমমন্ত্রী

বরিশালে ওসিসহ ৭ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে রাজমিস্ত্রির মামলা

আপডেট টাইম : ০৯:০১:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

পোশাকের অপব্যবহার, মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন, অবৈধ আটক ও শিশু অপহরণের অভিযোগে বরিশালের বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জসহ (ওসি) সাত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন একজন রাজমিস্ত্রি। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বরিশাল সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করেন রাজমিস্ত্রি জালিস মাহমুদ।

 

 

 

 

 

জালিস মাহমুদ বানারীপাড়া উপজেলার মহিষাপোতা গ্রামের ফকির বাড়ির সহিদুল ইসলামের ছেলে।

 

 

 

 

 

বিচারক সৈয়দ আবিদুল হক মামলাটি আমলে নিয়ে এএসপি মর্যাদার নিচে নন- এমন একজন কর্মকর্তাকে দিয়ে অভিযোগের তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে বরিশাল পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন।

 

 

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান ও উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জাহিদ। এ ছাড়া ৪-৫ জন পুলিশ সদস্যকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

 

 

মামলার নথি এবং আদেশ সূত্রে জানা গেছে, রাজমিস্ত্রি জাসিল মাহমুদ তার স্ত্রী পপি আক্তারকে তালাক দিলে পপি তার বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা করেন। পরে বাদী বকেয়া খোরপোষ ও দেনমোহরসহ সকল পাওনা পরিশোধ করে মামলা থেকে খালাস পান।

এদিকে জালিছ মাহমুদ ও তার সাবেক স্ত্রী পপি আক্তারের দাম্পত্য জীবনে ‘হুমায়রা জান্নাত’ নামের তিন বছর বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে। পপি তালাকের পরে অন্যত্র বিয়ে করেন। এ কারণে শিশু কন্যা তার বাবা জালিস মাহমুদের বাড়িতে ছিল।

 

 

 

 

হঠাৎ করে গত ১২ অক্টোবর সকাল ১১টার দিকে বানারীপাড়া থানার ওসির নির্দেশে উপ-পরিদর্শক মো. জাহিদ ৪-৫ জন পোশাকধারী পুলিশ সদস্য নিয়ে জালিস মাহমুদকে তার বাড়ির সামনে থেকে আটক করে। এসময় এসআই জাহিদ, জালিস মাহমুদের গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। একপর্যায় পুলিশ সদস্যরা তাকে মারধর করে।

বাদী জানান, তার সাবেক স্ত্রী থানায় মামলা দায়ের করেছেন বলে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এমনকি নাবালিকা কন্যা সন্তানের আইনানুগ অভিভাবক হওয়া স্বত্ত্বেও মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে এবং থানায় দীর্ঘসময় আটকে রেখে ওসির নির্দেশে শিশুকন্যাকে সাবেক স্ত্রীর জিম্মায় দেওয়া হয় বলে অভিযোগ জালিসের।

 

 

 

 

তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, ‘দুই বছর ৮ মাস বয়সী কন্যা সন্তানটি খুব অসুস্থ। তার মাতৃস্নেহে সুস্থ হওয়া প্রয়োজন। তাই শিশুটিকে চিকিৎসা করিয়ে মায়ের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।’