সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সদর এলাকায় স্থাপনের দাবিতে কানার বাজারে বিক্ষোভ

শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় জেলা শহরের কাছাকাছি শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কের পাশে পূর্বনির্ধারিত স্থানে স্থাপনের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন সর্বস্তরের জনগণ। সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার পালং ইউনিয়নের কানার বাজারে জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম লিটন মুন্সীর নেতৃত্বে এ কর্মসূচি পালিত হয়। একই দাবিতে তুলাসার ও ডোমসার ইউনিয়নসহ সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

 

 

 

 

কানার বাজারে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিয়ে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপি নেতা সরদার একেএম চাঁন মিয়া। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর সিদ্দিক বেপারী, পালং ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি নুরুল ইসলাম ফকির, যুবদল নেতা মিন্টু খান, আফজাল সরদার, পারভেজ খলিফা ও সাগর বেপারীসহ বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক।

 

 

 

 

কর্মসূচি চলাকালে বিক্ষোভকারীরা প্রায় ৩০ মিনিট শরীয়তপুর-ডামুড্যা-ভেদরগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে রাখেন। এতে ওই সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়।

 

 

 

 

বিক্ষোভ মিছিল শেষে নজরুল ইসলাম লিটন মুন্সী বলেন, ২০২৩ সালে শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আইন পাস হওয়ার পর সদর উপজেলার ডোমসার ও নড়িয়া উপজেলার নশাসন এলাকাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাব্য স্থান হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু ডামুড্যা উপজেলার প্রস্তাবিত স্থানটি জেলার এক প্রান্তে অবস্থিত। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হলে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ভোগান্তি পোহাতে হবে। পাশাপাশি আবাসন, চিকিৎসা, টিউশনসহ প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাও কঠিন হবে।

 

 

 

 

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ ও সার্বিক সুবিধার কথা বিবেচনা করে জেলা সদর অথবা এর আশপাশে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা প্রয়োজন।

 

 

 

 

জেলা বিএনপি নেতা সরদার একেএম চাঁন মিয়া বলেন, শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু কোনো নির্দিষ্ট এলাকার মানুষের জন্য নয়; এটি পুরো জেলার শিক্ষার্থী ও জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান। তাই জেলার সর্বস্তরের মানুষের যাতায়াত ও নাগরিক সুবিধার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জেলা সদর অথবা এর আশপাশে বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপন করা প্রয়োজন। এতে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি আবাসন, চিকিৎসা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাও সহজ হবে।

 

 

 

 

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সদর এলাকায় স্থাপনের দাবিতে কানার বাজারে বিক্ষোভ

আপডেট টাইম : ০৮:১৬:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় জেলা শহরের কাছাকাছি শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কের পাশে পূর্বনির্ধারিত স্থানে স্থাপনের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন সর্বস্তরের জনগণ। সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার পালং ইউনিয়নের কানার বাজারে জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম লিটন মুন্সীর নেতৃত্বে এ কর্মসূচি পালিত হয়। একই দাবিতে তুলাসার ও ডোমসার ইউনিয়নসহ সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

 

 

 

 

কানার বাজারে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নিয়ে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপি নেতা সরদার একেএম চাঁন মিয়া। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর সিদ্দিক বেপারী, পালং ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি নুরুল ইসলাম ফকির, যুবদল নেতা মিন্টু খান, আফজাল সরদার, পারভেজ খলিফা ও সাগর বেপারীসহ বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক।

 

 

 

 

কর্মসূচি চলাকালে বিক্ষোভকারীরা প্রায় ৩০ মিনিট শরীয়তপুর-ডামুড্যা-ভেদরগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে রাখেন। এতে ওই সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়।

 

 

 

 

বিক্ষোভ মিছিল শেষে নজরুল ইসলাম লিটন মুন্সী বলেন, ২০২৩ সালে শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আইন পাস হওয়ার পর সদর উপজেলার ডোমসার ও নড়িয়া উপজেলার নশাসন এলাকাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাব্য স্থান হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু ডামুড্যা উপজেলার প্রস্তাবিত স্থানটি জেলার এক প্রান্তে অবস্থিত। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হলে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ভোগান্তি পোহাতে হবে। পাশাপাশি আবাসন, চিকিৎসা, টিউশনসহ প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাও কঠিন হবে।

 

 

 

 

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বার্থ ও সার্বিক সুবিধার কথা বিবেচনা করে জেলা সদর অথবা এর আশপাশে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা প্রয়োজন।

 

 

 

 

জেলা বিএনপি নেতা সরদার একেএম চাঁন মিয়া বলেন, শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু কোনো নির্দিষ্ট এলাকার মানুষের জন্য নয়; এটি পুরো জেলার শিক্ষার্থী ও জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান। তাই জেলার সর্বস্তরের মানুষের যাতায়াত ও নাগরিক সুবিধার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জেলা সদর অথবা এর আশপাশে বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপন করা প্রয়োজন। এতে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহজ হওয়ার পাশাপাশি আবাসন, চিকিৎসা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাও সহজ হবে।