সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সেনবাগে ৬২ হাজার ইয়াবাসহ ট্রাকচালক গ্রেপ্তার, জব্দ মিনি ট্রাক Logo দুই মাসের মধ্যে নতুন মজুরি নির্ধারণের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদন শুরুর তারিখ ঘোষণা Logo ইসরায়েলের নতুন প্রধানমন্ত্রী কে, সিদ্ধান্ত নেবেন প্রেসিডেন্ট Logo ১২ দেশে কর্মী পাঠাতে লাগবে মন্ত্রণালয়ের অনুমতি Logo পর্তুগালের জার্সিতে রোনালদোর ২৩ বছরের অধ্যায়ের সমাপ্তি Logo স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী আজহার Logo জুলাই হত্যা মামলায় কারাগারে পাঠানো হলো ইকবাল সোবহান চৌধুরীকে Logo জামায়াতের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও চাকরি মেলেনি, পাশে দাঁড়ালেন শাহে আলম Logo পরীমনির আচরণে ক্ষুব্ধ সাংবাদিকরা

১২ দেশে কর্মী পাঠাতে লাগবে মন্ত্রণালয়ের অনুমতি

১২ দেশে কর্মী পাঠাতে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন বাধ্যতামূলক

মানবপাচার ও প্রতারণা ঠেকাতে ১২ দেশে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে নজরদারি জোরদার করেছে সরকার। এসব দেশে কর্মী পাঠাতে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নিয়োগানুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অনুমোদন ছাড়া কোনো কর্মীকে বহির্গমন ছাড়পত্র না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

 

 

 

 

বুধবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

 

 

 

 

চিঠিতে বলা হয়েছে, সার্বিয়া, মলদোভা, বেলারুশ, কঙ্গো, রাশিয়া, জাপান, ইরাক, লাওস, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, ইউক্রেন ও লিবিয়াগামী কর্মীদের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের নিয়োগানুমতি বা অনুমোদন ছাড়া বহির্গমন ছাড়পত্র দেওয়া যাবে না।

 

একই দিন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার বিষয়টি সদস্য রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে জানায় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজ। সংস্থাটির পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়ের চিঠির অনুলিপিও সদস্যদের পাঠানো হয়েছে।

 

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আগে সর্বোচ্চ সাতটি পর্যন্ত নিয়োগের চাহিদাপত্রের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের প্রয়োজন হতো না। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভুয়া নিয়োগপত্রের মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর অভিযোগ রয়েছে। নতুন নির্দেশনার ফলে প্রতিটি নিয়োগের চাহিদাপত্রের জন্য আগে অনুমোদন নিতে হবে। এতে বিদেশে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় নজরদারি ও জবাবদিহি বাড়বে বলে মনে করছেন তারা।

 

 

 

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এসব দেশে যাওয়ার আগে নিয়োগপত্র, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ও বহির্গমন ছাড়পত্র যাচাই না করে কোনো আর্থিক লেনদেন বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। শুধু ভিসা পাওয়া বা কোনো রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে চাকরির প্রস্তাব পাওয়াই নিরাপদ অভিবাসনের নিশ্চয়তা নয়।

 

 

 

 

বিশেষ করে কম্বোডিয়া, লাওস ও ভিয়েতনামসহ কয়েকটি দেশে অনলাইন প্রতারণা ও স্ক্যাম কম্পাউন্ডে আটকে রেখে জোর করে প্রতারণামূলক কাজে বাধ্য করার অভিযোগ রয়েছে। চাকরির প্রলোভনে এসব দেশে গিয়ে বাংলাদেশিরা প্রতারণা, শোষণ ও মানবপাচারের শিকার হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এছাড়া রাশিয়ায় গিয়ে বিভিন্ন বাংলাদেশি নাগরিকের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। ফলে এসব দেশে কর্মসংস্থানের প্রস্তাবের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

 

 

জনতার কণ্ঠ/জেডএইচ

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সেনবাগে ৬২ হাজার ইয়াবাসহ ট্রাকচালক গ্রেপ্তার, জব্দ মিনি ট্রাক

১২ দেশে কর্মী পাঠাতে লাগবে মন্ত্রণালয়ের অনুমতি

আপডেট টাইম : ০৫:৫৮:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

মানবপাচার ও প্রতারণা ঠেকাতে ১২ দেশে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে নজরদারি জোরদার করেছে সরকার। এসব দেশে কর্মী পাঠাতে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নিয়োগানুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অনুমোদন ছাড়া কোনো কর্মীকে বহির্গমন ছাড়পত্র না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

 

 

 

 

বুধবার (৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

 

 

 

 

চিঠিতে বলা হয়েছে, সার্বিয়া, মলদোভা, বেলারুশ, কঙ্গো, রাশিয়া, জাপান, ইরাক, লাওস, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, ইউক্রেন ও লিবিয়াগামী কর্মীদের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের নিয়োগানুমতি বা অনুমোদন ছাড়া বহির্গমন ছাড়পত্র দেওয়া যাবে না।

 

একই দিন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার বিষয়টি সদস্য রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে জানায় বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিজ। সংস্থাটির পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়ের চিঠির অনুলিপিও সদস্যদের পাঠানো হয়েছে।

 

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আগে সর্বোচ্চ সাতটি পর্যন্ত নিয়োগের চাহিদাপত্রের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের প্রয়োজন হতো না। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভুয়া নিয়োগপত্রের মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর অভিযোগ রয়েছে। নতুন নির্দেশনার ফলে প্রতিটি নিয়োগের চাহিদাপত্রের জন্য আগে অনুমোদন নিতে হবে। এতে বিদেশে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় নজরদারি ও জবাবদিহি বাড়বে বলে মনে করছেন তারা।

 

 

 

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এসব দেশে যাওয়ার আগে নিয়োগপত্র, মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ও বহির্গমন ছাড়পত্র যাচাই না করে কোনো আর্থিক লেনদেন বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। শুধু ভিসা পাওয়া বা কোনো রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে চাকরির প্রস্তাব পাওয়াই নিরাপদ অভিবাসনের নিশ্চয়তা নয়।

 

 

 

 

বিশেষ করে কম্বোডিয়া, লাওস ও ভিয়েতনামসহ কয়েকটি দেশে অনলাইন প্রতারণা ও স্ক্যাম কম্পাউন্ডে আটকে রেখে জোর করে প্রতারণামূলক কাজে বাধ্য করার অভিযোগ রয়েছে। চাকরির প্রলোভনে এসব দেশে গিয়ে বাংলাদেশিরা প্রতারণা, শোষণ ও মানবপাচারের শিকার হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এছাড়া রাশিয়ায় গিয়ে বিভিন্ন বাংলাদেশি নাগরিকের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। ফলে এসব দেশে কর্মসংস্থানের প্রস্তাবের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

 

 

জনতার কণ্ঠ/জেডএইচ