ওমর ফারুক ভুইয়া (কামারখন্দ), সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম। সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার পিপুলবাড়িয়া বাজারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি উৎপাদন, লাইসেন্স না থাকা এবং পণ্যের মোড়কে প্রয়োজনীয় লেবেল ব্যবহার না করার দায়ে দুইটি মিষ্টির প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (৩ জুন) বিকেল ৪টার দিকে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (ব্যবসা-বাণিজ্য শাখা) হালিমা খাতুন ইশার নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানকালে দেখা যায়, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরি ও সংরক্ষণ করা হচ্ছে, পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও পণ্যের লেবেলিং সংক্রান্ত বিধি অনুসরণ করা হয়নি। এসব অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে আকবরি সুইটসকে ১৮ হাজার টাকা এবং বসুন্ধরা সুইটসকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া একই অভিযানে একটি মুদি দোকানে বিপুল পরিমাণ বিদেশি সিগারেট ও চুরুট বিক্রির দায়ে ৬ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সিরাজগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সোহেল শেখ জানান, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।

দেশে সব রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের কর্মকাণ্ড করতে দিতে চান বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দেশে সুন্দর, সুষ্ঠু, সহনশীল ও উদারপন্থী রাজনীতি চাই৷ সব রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের কর্মকাণ্ড করতে দিতে চাই। বক্তব্য রাখতে দিতে চাই, জনগণের সামনে দিতে চাই৷ তাদের মধ্য থেকে জনগণ বেছে নেবে।
বুধবার (৩ জুন) বিকেলে কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নাগরিক গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন তিনি৷
বিপুল ভোটে নির্বাচিত করায় কুমারপুর এলাকাবাসীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আপনাদের এলাকা ঐতিহ্যবাহী এলাকা। অধিকার রক্ষার জন্য, গণতন্ত্রের জন্য, কৃষক-ছাত্র আন্দোলন হয়েছে৷ আমরা ৭১-এর বীরদের ভুলে যাবো না৷’
ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্যাতনে নেতা-কর্মীরা ঠিকমত ঘুমাতে পারেনি উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমি ভুলিনি এসব, ভুলতে পারি না৷ লুট করে নিয়ে গেছে। দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিয়েছে। ১৮ সালে আগের রাতে ভোট হয়ে গেছে৷’
এবারের নির্বাচনে কোনো কারচুপি হয়নি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপিরর ওপর আস্থা রেখেছে। তারেক রহমানের ওপর আস্থা রেখেছে। দুই-তৃতীয়াংশ ভোট পেয়েছে। একটা দল মনে করেছিল বিএনপি নেই৷ বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে৷’
এখন যারা বিএনপি করেন তাদের দায়িত্ব অনেক বেশি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জনগণ আপনাদের ওপর আস্থা রেখেছে৷ মারপিট করে ক্ষমতায় ঠিকে থাকলে হাসিনা থাকত৷ খুব অল্প সময়ের মধ্যে অনেকগুলো কাজ করতে সক্ষম হয়েছি৷ জনগণ বারবার বিএনপিকে ভোট দেয়৷ কারণ বিএনপি কাজ করতে পারে৷’
অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ভূল্লী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।

বাংলাদেশের ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যের ওপর পূর্ণ আস্থা পুনর্ব্যক্ত করেছে জাতিসংঘ। একই সঙ্গে নিহতের সংখ্যা ও প্রতিবেদনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে আওয়ামী লীগের উত্থাপিত প্রশ্নও নাকচ করেছে সংস্থাটি।
সোমবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক বলেন, মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিষয়ে সন্দেহ করার কোনো কারণ নেই।
প্রশ্নোত্তর পর্বে উল্লেখ করা হয়, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে জাতিসংঘের তথ্য-অনুসন্ধান প্রতিবেদনে দেওয়া কিছু তথ্য সঠিক নয়। বিশেষ করে নিহতের সংখ্যা নিয়ে দলটির আপত্তি রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে শেষ হওয়া জুলাই অভ্যুত্থানে প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন নিহত হয়েছিলেন।
প্রশ্নকারী আরও উল্লেখ করেন, ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে এমন খবর প্রকাশিত হয়েছে যে, দণ্ডপ্রাপ্ত ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন, যেখানে তিনি প্রতিবেদনে থাকা তথাকথিত ভুল তথ্যের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন।
এর জবাবে দুজারিক বলেন, প্রতিবেদনটি আমাদের মানবাধিকার দপ্তরের সহকর্মীরা প্রকাশ করেছেন এবং এটি নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো কারণ আমরা দেখি না।
শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটানো গণ-অভ্যুত্থান ঘিরে সংঘটিত সহিংসতার তদন্ত শেষে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জাতিসংঘের মুখপাত্র বলেন, বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্র থেকে অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ বিদেশে পাচার হওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, এটি উন্নয়নের পথে বড় বাধা সৃষ্টি করে। আমরা আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে উৎসাহিত করি, যাতে জনগণের অর্থ আবার সেই দেশগুলোর জনগণের কাছেই ফিরিয়ে দেওয়া যায়।

রাজধানীর নিউমার্কেট, বুয়েট ও বকশিবাজারসহ বিস্তীর্ণ এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধান এবং প্রধান সড়কসমূহের সংস্কার কাজের জন্য ২১০ কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দ চেয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)।
তিনটি পৃথক প্রকল্পের আওতায় ১১ দশমিক ৮৯ কিলোমিটার মাস্টার ড্রেনেজ লাইন নির্মাণ এবং ২০ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের জন্য এই জরুরি অর্থ চাওয়া হয়েছে।
গত ৯ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্যসচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার বরাবর এ বিষয়ে চিঠি দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
প্রায় দুই মাস পর গত ২১ মে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগের সদস্যের (সচিব) কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠি পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক (প্রশাসন) শাহরিয়ার জামিল স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে ‘সিটি করপোরেশন উন্নয়ন সহায়তা’ খাতের কোড ২২১০০০৮০০-এর অনুকূলে ২১০ কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ প্রদানের বিষয়টি পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানোর কথা জানানো হয়।
ডিএসসিসির চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন নিউমার্কেট, বিজিবি এলাকা, ঢাকেশ্বরী মন্দির, বুয়েট, ঢাকা শিক্ষা বোর্ড ও বকশিবাজার এলাকায় কার্যকর ড্রেনেজ আউটলেট এবং ড্রেনেজ লাইন না থাকায় বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই ব্যাপক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। তবে সংস্থাটির নিজস্ব অর্থ সঙ্কটের কারণে জলাবদ্ধতা নিরসনের প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে না। এ কারণে তিনটি প্রকল্প বাস্তবায়নে ২১০ কোটি টাকা বিশেষ বরাদ্দ প্রয়োজন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রকল্পগুলোর মধ্যে ঢাকা-নিউমার্কেট ও বিজিবি হয়ে নবাবগঞ্জ স্লুইস গেট পর্যন্ত জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে ৮ দশমিক ৪৩০ কিলোমিটার মাস্টার ড্রেনেজ লাইন নির্মাণে ১২০ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে।
এছাড়া ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), বকশিবাজার ও চকবাজার হয়ে সোয়ারীঘাট পর্যন্ত ৩ দশমিক ৪৬ কিলোমিটার মাস্টার ড্রেনেজ লাইন নির্মাণে ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে ডিএসসিসি।
অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ১০টি অঞ্চলের প্রধান সড়ক সংস্কারের জন্য চাওয়া হয়েছে ৩০ কোটি টাকা। এ প্রকল্পের আওতায় ২০ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার করার কথা রয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগরীতে আবারও ঝটিকা মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। বুধবার (৩ জুন) সকালে নগরীর অনন্যা আবাসিক এলাকা-সংলগ্ন একটি বেসরকারি হাসপাতালের সামনে এ মিছিলের ঘটনা ঘটে। মিছিলের দুটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, মিছিলটি অক্সিজেন-হাটহাজারী সড়কের কুয়াইশ এলাকা থেকে অনন্যা আবাসিক এলাকার দিকে অগ্রসর হয়। পরে আন্দোলনকারীরা স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালের সামনে জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের এক সহসভাপতির নেতৃত্বে এ ঝটিকা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
অনন্যা আবাসিক এলাকাটি মূলত মহানগরের বায়েজিদ বোস্তামী ও চান্দগাঁও থানা এবং জেলার হাটহাজারী মডেল থানার সীমানায় অবস্থিত। তবে মিছিলের মূল স্থানটি হাটহাজারী থানার আওতাধীন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুর রহমান বলেন, মিছিলের বিষয়ে তাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে গত সোমবার সকালে চট্টগ্রামের ব্যস্ততম জিইসি মোড় এলাকায় একইভাবে আকস্মিক মিছিল করেছিল সংগঠনটি। ওই ঘটনার পর নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ৭০ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

রাজধানীর মিরপুরে ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মৃত্যুকে ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার মধ্যেই তার ছেলে যুগ্ম সচিব ড. এ কে এম আনিসুর রহমানকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
বুধবার (৩ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
প্রত্যাহার হওয়া আনিসুর রহমান মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, তাকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হয়ে নির্ধারিত কর্মস্থলে যোগদান করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্ব হস্তান্তর না করলে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত হিসেবে গণ্য করা হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকার একটি বাসা থেকে নূর জাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, মরদেহটি দীর্ঘ সময় পড়ে থাকায় পচন ধরে এবং তাতে পোকার উপস্থিতি দেখা যায়। নূর জাহান বেগম তার মেয়ের সঙ্গে ওই বাসায় বসবাস করতেন। বাসাটির পরিবেশ ছিল অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নজরে আসে এবং পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, নূর জাহান বেগমের কক্ষসহ পুরো ফ্ল্যাটের পরিবেশ ছিল অস্বাস্থ্যকর ও অবহেলিত।
মরদেহ উদ্ধারের সময়কার দৃশ্যও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। প্রতিবেশীরা বলছেন, একজন বৃদ্ধ নারী এমন অবস্থায় জীবন কাটিয়ে মৃত্যুবরণ করবেন, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
জানা যায়, নূর জাহান বেগমের এক ছেলে যুগ্ম সচিব, আরেক ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক এবং মেয়ে স্থানীয় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেন।
সন্তানরা প্রতিষ্ঠিত অবস্থানে থাকলেও মায়ের এমন পরিণতি সমাজে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। ঘটনাটি সামনে আসার পর আবারও আলোচনায় এসেছে ২০১৩ সালের পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন।
আইনে প্রত্যেক সন্তানের ওপর পিতা-মাতার ভরণপোষণ, স্বাস্থ্যসেবা, নিয়মিত খোঁজখবর ও প্রয়োজনীয় পরিচর্যার দায়িত্ব আরোপ করা হয়েছে। কোনো পিতা-মাতার একাধিক সন্তান থাকলে তারা পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে এসব দায়িত্ব পালন করবেন বলে আইনে উল্লেখ রয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় মহাসড়কে চেকপোস্ট ডিউটির সময় পুলিশ সদস্যদের বহনকারী একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে এনা পরিবহনের একটি বাস ধাক্কা দেয়। এতে ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
আহতরা হলেন- উপ-পরিদর্শক (এসআই) নিজাম উদ্দিন, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সিরাজুল মনির, কনস্টেবল এমদাদুল হক।
বুধবার (৩ জুন) দিবাগত রাত পৌনে ৩টার দিকে কুটি চৌমুহনী এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কসবা থানার কুটি চৌমুহনী এলাকার ড্রাইভার ভিউ পেট্রোল পাম্পের সামনে সিলেট-কুমিল্লা মহাসড়কে রাত্রিকালীন চেকপোস্ট-৭ এ দায়িত্ব পালন করছিলেন পুলিশ সদস্যরা। এসময় এনা পরিবহনের একটি বাস সিএনজিচালিত অটোরিকশার বাম পাশের পেছনের অংশে ধাক্কা দেয়। এতে চার পুলিশসদস্য আহত হন।
স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার পর এনা পরিবহনের বাসটি জব্দ করে কসবা থানায় নেওয়া হয়েছে। তবে বাসের চালক, সুপারভাইজার ও হেলপার ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছেন।
কসবা থানার ওসি নাজনিন সুলতানা জানান, আহত পুলিশ সদস্যদের অবস্থা এখন কিছুটা ভালো। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

ভারতের রাজধানী দিল্লির মালভিয়া নগরের একটি রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচ জন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশন। তবে আহত বাংলাদেশিদের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।
দিল্লির বাংলাদেশ হাই কমিশনের ভেরিফায়েড অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়েছে, আহতদের মাঝে তিন জন সাকেতের ম্যাক্স হাসপাতালে ও বাকি দুইজন সফদারজাং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করে হাইকমিশন আরও জানায়, ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং তাদের অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, স্থানীয় সময় বুধবার (৩ জুন) সকালে দিল্লির মালভিয়া নগরের লেমন গ্রিন রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ আগুন লাগে। এ ঘটনায় ২১ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। প্রশাসন চারজনের মৃতদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক সতীশ উপাধ্যায় বলেছেন, নিহতের সংখ্যা ২১ জন এবং আহত ৪৭ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

দেশে সব রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের কর্মকাণ্ড করতে দিতে চান বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দেশে সুন্দর, সুষ্ঠু, সহনশীল ও উদারপন্থী রাজনীতি চাই৷ সব রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের কর্মকাণ্ড করতে দিতে চাই। বক্তব্য রাখতে দিতে চাই, জনগণের সামনে দিতে চাই৷ তাদের মধ্য থেকে জনগণ বেছে নেবে।
বুধবার (৩ জুন) বিকেলে কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নাগরিক গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন তিনি৷
বিপুল ভোটে নির্বাচিত করায় কুমারপুর এলাকাবাসীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘আপনাদের এলাকা ঐতিহ্যবাহী এলাকা। অধিকার রক্ষার জন্য, গণতন্ত্রের জন্য, কৃষক-ছাত্র আন্দোলন হয়েছে৷ আমরা ৭১-এর বীরদের ভুলে যাবো না৷’
ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্যাতনে নেতা-কর্মীরা ঠিকমত ঘুমাতে পারেনি উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমি ভুলিনি এসব, ভুলতে পারি না৷ লুট করে নিয়ে গেছে। দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিয়েছে। ১৮ সালে আগের রাতে ভোট হয়ে গেছে৷’
এবারের নির্বাচনে কোনো কারচুপি হয়নি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপিরর ওপর আস্থা রেখেছে। তারেক রহমানের ওপর আস্থা রেখেছে। দুই-তৃতীয়াংশ ভোট পেয়েছে। একটা দল মনে করেছিল বিএনপি নেই৷ বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে৷’
এখন যারা বিএনপি করেন তাদের দায়িত্ব অনেক বেশি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘জনগণ আপনাদের ওপর আস্থা রেখেছে৷ মারপিট করে ক্ষমতায় ঠিকে থাকলে হাসিনা থাকত৷ খুব অল্প সময়ের মধ্যে অনেকগুলো কাজ করতে সক্ষম হয়েছি৷ জনগণ বারবার বিএনপিকে ভোট দেয়৷ কারণ বিএনপি কাজ করতে পারে৷’
অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ভূল্লী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।

এক নারী কারারক্ষীর সঙ্গে আপত্তিকর ও অনভিপ্রেত কথোপকথনের অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক (জেল সুপার) মো. দিদারুল আলমকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে।
বুধবার (৩ জুন) কারা অধিদপ্তরের কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মো. দিদারুল আলমকে রাজশাহী কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কারা প্রশিক্ষক হিসেবে বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম কারাগারের হসপিটালাইজড প্রিজনার্স সিকিউরিটি ইউনিটের কারা তত্ত্বাবধায়ক মো. আনোয়ারুল করিমকে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার-১-এর অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
এর আগে জেলা কারাগারের এক নারী কারারক্ষীর সঙ্গে জেল সুপার দিদারুল আলমের কথোপকথনের একটি অডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অডিওতে নারী সহকর্মীর প্রতি তার কিছু বক্তব্যকে অনাকাঙ্ক্ষিত ও শালীনতাবিরোধী বলে অভিযোগ ওঠে।
অডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে কারা অধিদপ্তর প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে তাকে স্ট্যান্ড রিলিজের আদেশ দেয়।

রাজধানীর উত্তরা দিয়াবাড়ির ১৬ ও ১৮ নম্বর সেক্টর সংলগ্ন বউবাজার এলাকা এবং মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে অস্থায়ী গবাদিপশুর হাট পরিচালনার কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।
বুধবার (৩ জুন) ডিএনসিসির সচিব মোহাম্মদ মামুন-উল-হাসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অফিস আদেশে বলা হয়, দিয়াবাড়ির ১৬ ও ১৮ নম্বর সেক্টর সংলগ্ন বউবাজার এলাকার খালি জায়গা এবং মেট্রোরেলের পাশে ১৮ নম্বর সেক্টরের সি-ব্লকের খালি মাঠ পর্যন্ত অস্থায়ী পশুর হাট পরিচালনা করা হয়। এতে উত্তরা সেন্টার মেট্রো স্টেশনের নিচে রাস্তার আশপাশে ময়লা-আবর্জনা জমে। গাছপালা ভাঙাসহ পশুবাহী যানবাহন চলাচলের কারণে সড়ক ও আশপাশের অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি হয়।
কমিটিতে ডিএনসিসির অতিরিক্ত প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, অঞ্চল-৬ এর নির্বাহী প্রকৌশলী, অঞ্চল-৬ এর সহকারী প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তাকে সদস্য করা হয়েছে। গঠিত কমিটি প্রয়োজনে যে কোনো সদস্যকে কো-অপ্ট (অন্তর্ভুক্ত) করতে পারবে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ আদেশ জারি করেন ডিএনসিসির সচিব মোহাম্মদ মামুন-উল-হাসান।

‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি আর ৮ দিন। ৪৮ দেশের অংশগ্রহণে রেকর্ড ১০৪টি ম্যাচ এবং সর্বোচ্চ ব্যয়ের এই বিশ্বকাপ ঘিরে ইতোমধ্যেই বাড়তি উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত এই ফুটবল টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ সবসময়ই তুঙ্গে থাকে। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে যৌথভাবে আয়োজিত এই ঐতিহাসিক আসর নিয়ে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের মাঝেও তৈরি হয়েছে বিশেষ উচ্ছ্বাস।
ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় মঞ্চ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন ফারজিন গনি। জানা গেছে, তিনি এই আসরে বাংলাদেশের একমাত্র ভলান্টিয়ার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। বিশ্বকাপে অংশ নিতে তিনি ২ জুন টরন্টোর উদ্দেশে যাত্রা করেন।
২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য ফিফা বিশ্বব্যাপী প্রায় ৬৫ হাজার ভলান্টিয়ার নিয়োগ করছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ফারজিন গনিই একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে এই সুযোগ পেয়েছেন। এসব ভলান্টিয়ার স্টেডিয়াম অপারেশন, দর্শক সেবা, টিকিট ব্যবস্থাপনা, মিডিয়া সাপোর্টসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন।
ফিফা ভলান্টিয়ারদের জন্য প্রশিক্ষণ, থাকা-খাওয়া এবং টুর্নামেন্ট চলাকালীন বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করে। ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত চলমান এই আসরে ভলান্টিয়াররা বিশ্বের শীর্ষ ফুটবলারদের কাছ থেকে সরাসরি অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবেন এবং আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে পারবেন।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ভলান্টিয়ারদের বিষয়ে বলেছেন, স্বেচ্ছাসেবীরা ফিফা টুর্নামেন্টের হৃদয়, প্রাণ ও হাসি। তারা নিজেদের পরিচয় গর্বের সঙ্গে তুলে ধরতে পারে, টুর্নামেন্টের অন্তরালের দৃশ্য কাছ থেকে দেখার সুযোগ পায় এবং এমন স্মৃতি ও বন্ধুত্ব গড়ে তোলে, যা আজীবন থেকে যায়। একই সঙ্গে তারা ঐতিহাসিক আয়োজনকে সফল করতে সহায়তা করে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে চরম অস্থিরতার মধ্যে নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান ও সদ্য সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় সংকট এবং বিধায়কদের বিদ্রোহ নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গজুড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সব কমিটি ও শাখা সংগঠন ভেঙে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৩ জুন) দলটির পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে জানানো হয়, গভীর পর্যালোচনার পর পশ্চিমবঙ্গে অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের সব কমিটি ও শাখা সংগঠন অবিলম্বে বিলুপ্ত করা হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনো সাংগঠনিক পদাধিকারী থাকছে না। কার্যত মাঠপর্যায়ে দলটির আনুষ্ঠানিক সাংগঠনিক কাঠামো পুরোপুরি ভেঙে দেওয়া হয়েছে।
গত কয়েকদিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল, তাহলে কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে গড়া তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে যাচ্ছে?
৩১ মে কলকাতার কালীঘাটে নিজের বাসভবনে দলের বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক ডাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র ১৭ জন উপস্থিত হন। উপস্থিতির অভাবে শেষ পর্যন্ত বৈঠকটি কার্যত ভেস্তে যায়।
এরপর ১ জুন তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কলকাতার বিভিন্ন অঞ্চল, ব্লক ও ওয়ার্ডে মিছিল কর্মসূচি ঘোষণা করা হলেও মাঠে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল খুবই কম।
২ জুন কলকাতার ওয়াই চ্যানেলে অবস্থান কর্মসূচিতে বসেন মমতা। সেখানে তার সঙ্গে ছিলেন মাত্র আটজন বিধায়ক ও ছয়জন সাংসদ। তবে তারাও পুরো সময় সেখানে অবস্থান করেননি।
সংকট আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে বুধবার বিধানসভায়। তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধীদলীয় নেতা করার দাবিতে বিধানসভায় হাজির হন ৫৮ জন বিধায়ক। তারা বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুর কাছে চিঠি জমা দেন। ওই চিঠিতে দাবি করা হয়, তৃণমূলের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৫৮ জনই তাদের সঙ্গে রয়েছেন। ফলে তারাই আসল তৃণমূল।
চিঠিতে স্বাক্ষরকারী বিধায়কদের মধ্যে ছিলেন সাবিনা ইয়াসমিন, কানাইয়ালাল আগরওয়াল, রথীন ঘোষ, শিউলি সাহা, আখরুজ্জামানসহ আরও অনেকে। পরে তারা সংবাদমাধ্যমকে জানান, বর্তমান নেতৃত্বের নানা সিদ্ধান্তের সঙ্গে তারা একমত নন এবং প্রকাশ্যেই তার সমালোচনা করেন।
বুধবারই ৫৮ জন বিধায়ক নিজেদের নতুন তৃণমূল কংগ্রেস হিসেবে ঘোষণা দেন। তাদের দাবি, ভবিষ্যতে বিধানসভায় তারাই বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি পাবে, ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস নয়।
নতুন এই অংশের বিধায়কদের পছন্দের বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে সামনে এসেছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। একসময় সিপিআই(এম)-এর রাজনীতি করা ঋতব্রত পরে তৃণমূলে যোগ দেন এবং সর্বশেষ বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হন।
তবে নাটকীয় বিষয় হলো, স্পিকারের কাছে দেওয়া চিঠিতে নতুন তৃণমূলও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলীয় নেত্রী হিসেবে উল্লেখ করেছে বলে জানা গেছে। ফলে বাস্তবে ৫৮ জন বিধায়ক এই নতুন শিবিরে রয়েছেন কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে এখনো কোনও মন্তব্য করেননি বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসু।
নতুন তৃণমূলকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে কি না, কিংবা দিলে কোন বিধায়ককে কোন শিবিরের সদস্য হিসেবে গণ্য করা হবে; এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি।
পুরো বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য স্পিকার সময় নিয়েছেন বলে জানা গেছে। নতুন শিবির ইতোমধ্যে চারজনকে বিরোধীদলীয় নেতার উপনেতা হিসেবে মনোনয়নের প্রস্তাবও দিয়েছে। তবে বিধানসভা সেই প্রস্তাব অনুমোদন করবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত।
এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম এবং তৃণমূলের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ডাকা এক বৈঠকে অংশ নিতে তার দপ্তরে গেছেন। এই বৈঠককেও পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহল গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে।

জামালপুরের মাদারগঞ্জে বিষাক্ত সাপের কামড়ে হুমায়রা নামে চার বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (০৩ জুন) দুপুরে উপজেলার বালিজুড়ী ইউনিয়নের বীর নাদাগাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত হুমায়রা ওই এলাকার স্বপন শেখের মেয়ে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে হুমায়রা ঘরে বসে মোবাইল দেখছিল। এসময় তার বাবা-মা ও দাদা-দাদি বাড়ির পাশের জমিতে ধানের কাজ করছিলেন। একপর্যায়ে খাট থেকে নামার সময় একটি বিষাক্ত সাপ শিশুটির পায়ে কামড় দেয়। পরে সে কান্নাকাটি শুরু করলে তার দাদা কামাল শেখ বাড়িতে এসে বিষয়টি জানতে পারেন। হুমায়রা দাদাকে জানায়, একটি বড় সাপ তার পায়ে কামড় দিয়েছে।
স্বজনরা প্রথমে তার পায়ে বাঁধন দিয়ে স্থানীয় এক কবিরাজের কাছে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. আবু রায়হান বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বালিজুড়ী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সুজন মাহমুদ বলেন, হুমাইরা আমার চাচাতো ভাইয়ের মেয়ে। মেয়েটি অত্যন্ত শান্ত শিষ্ট ও মিশুক ছিল। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বিশ্বখ্যাত মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস অনূর্ধ্ব ৩০ বছর বয়সি এশিয়ার সেরা প্রভাবশালী তরুণ তরুণীদের নিয়ে প্রতিবছর ‘ফোর্বস ৩০ আন্ডার ৩০ এশিয়া’ তালিকা প্রকাশ করে। চলতি বছর এ তালিকায় বিনোদন ও ক্রীড়া বিভাগে ২৮ বছর বয়সী পাকিস্তানি অভিনেত্রী হানিয়া আমিরের নাম দ্যুতি ছড়াচ্ছে।
২০১৬ সালে ‘জানান’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়জগতে যাত্রা শুরু করেন হানিয়া। এরপর একের পর এক নাটক ও সিনেমায় অভিনয়প্রতিভার মাধ্যমে দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। ‘ফির ওহি মোহাব্বতে’ নাটকে অভিনয়ের জন্য অর্জন করেন সেরা টেলিভিশন সেনসেশন নারী বিভাগে হাম অ্যাওয়ার্ডস।
ফোর্বসের তথ্য বলছে, বর্তমানে ইনস্টাগ্রামে সবচেয়ে বেশি অনুসারী থাকা পাকিস্তানি নারী তারকাদের একজন হানিয়া আমির। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার অনুসারীর সংখ্যা ২ কোটিরও বেশি। অভিনয়, বিনোদন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তার প্রভাব এবং জনপ্রিয়তার স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায়।
এই অর্জন উদ্যাপন করতে নিজের স্বাভাবিক ও স্টাইলিশ উপস্থিতিতেই দেখা দেন হানিয়া। লাল রঙের ক্যামিসোল টপ ও জিন্সে ধরা দেন তিনি, যা নজর কাড়ে ভক্তদের।
গত বছরের শেষে জাতিসংঘের ‘ইউএন উইমেন’ এর জাতীয় শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নিযুক্ত হন হানিয়া আমির। এবার ফোর্বসের ‘৩০ আন্ডার ৩০’ তালিকায় জায়গা করে নেওয়ায় এটি অভিনেত্রীর ক্যারিয়ারে শুধুমাত্র একটি অর্জন বা সম্মান নয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের অবস্থান আরও শক্ত ও বড় সাফল্যের পথে এটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে বলে ধারণা করছেন অনেকে।
বর্তমানে একটি বড় আন্তর্জাতিক প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন হানিয়া আমির। জানা গেছে, একটি ঐতিহাসিক পাকিস্তানি অরিজিনাল সিরিজে অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। সিরিজটি বিশ্বের অন্যতম বড় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

হবিগঞ্জে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে ফুটবল খেলা ও হার-জিতকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের নারী-পুরুষসহ অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।
বুধবার (৩ জুন) সকালে সদর উপজেলার লোকড়া ইউনিয়নের কাশীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত বেশ কয়েকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে কাশীপুর গ্রামে স্থানীয় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়। খেলায় আর্জেন্টিনা দল ২-০ গোলে ব্রাজিল দলকে হারিয়ে দেয়। খেলা শেষে হার-জিত ও ট্রল করা নিয়ে মাঠেই দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে তর্কাতর্কি ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
সে সময় স্থানীয় মুরুব্বিরা বিষয়টি সাময়িকভাবে মীমাংসা করে দিলে সবাই বাড়ি ফিরে যান। তবে সেই বিরোধের জেরে বুধবার সকালে দুই পক্ষ আবারও নতুন করে তর্কে জড়ায়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের শত শত মানুষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলা এই ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হন। খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খেলা নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেছে। এলাকা এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে এ ঘটনায় দুপুর পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পুনরায় সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশি নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় এক ভারতীয় নাগরিক নিহত হওয়ায় গভীর শোক ও নিন্দা জানিয়েছে ভারত। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংঘাতের শুরু থেকেই বেসামরিক মানুষ ও অবকাঠামোতে হামলার বিরোধিতা করে আসছে ভারত। তারা অবিলম্বে এ ধরনের হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে।
এ ঘটনায় আহত ভারতীয় নাগরিকদের সহায়তায় কুয়েতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস কাজ করছে বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে থাকা ভারতীয় মিশনগুলোকে সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।
এর আগে কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ভোরে ইরানের হামলায় কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কয়েকটি কূটনৈতিক স্থাপনাও ক্ষতির মুখে পড়েছে।
হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে কুয়েত বলেছে, নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে।
এদিকে ইরানের ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর আংশিকভাবে আবারও চালু হয়েছে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
কুয়েতের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত টার্মিনাল বন্ধ থাকলেও বিকল্প টার্মিনাল থেকে সীমিত পরিসরে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হয়েছে। তবে আপাতত অন্যান্য এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট চালু হয়নি।

দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ভাড়া ভবনে কার্যক্রম পরিচালনার পর অবশেষে নিজস্ব সদর দপ্তরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। দেশের জ্বালানি তেল আমদানি, সংরক্ষণ ও সরবরাহ কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু চট্টগ্রামে রাষ্ট্রায়ত্ত এই প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ভবন নির্মাণকে ঘিরে কর্মকর্তা-কর্মচারী থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট মহলের মধ্যে ছিল ব্যাপক আগ্রহ ও প্রত্যাশা।
কিন্তু ৫০ কোটিরও বেশি টাকা ব্যয়ে নির্মিত নতুন সদর দপ্তর ভবনটি উদ্বোধনের আগেই এর বিভিন্ন অংশে দৃশ্যমান ফাঁক ও ফাটল সদৃশ চিহ্ন দেখা যাওয়ায় নির্মাণমান, তদারকি এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
নগরীর জামালখান এলাকার জয় পাহাড়ে নির্মিত পাঁচতলা স্টিল স্ট্রাকচার ভবনটির অধিকাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। রং, পাইপ ফিটিং, বৈদ্যুতিক সংযোগসহ সমাপ্তি পর্যায়ের কাজও প্রায় শেষ। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ভবনটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালুর প্রস্তুতি চলছিল। এমন সময় ভবনের বিভিন্ন দেয়াল ও সংযোগস্থলে দৃশ্যমান ফাঁক এবং ফাটল সদৃশ চিহ্ন চোখে পড়ে।
প্রতিবেদকের মঙ্গলবার ও বুধবারের সরেজমিন পরিদর্শনের চেষ্টা করা হলেও ভবনটিতে প্রবেশের অনুমতি মেলেনি। গেটে দায়িত্বরত নিরাপত্তাকর্মীরা জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া ভেতরে প্রবেশ করা যাবে না। পরে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা একে অপরের কাছে বিষয়টি জানতে বললেও কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে গেটের বাইরে থেকে ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ ও ছবিতে ভবনের কয়েকটি স্থানে শ্রমিকদের প্লাস্টার ও রংয়ের কাজ করতে দেখা যায়।
নির্মাণকাজে নিয়োজিত কয়েকজন শ্রমিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ভবনের কয়েকটি দেয়াল ও প্লাস্টারকৃত অংশে চিড় ও ফাঁক দেখা যাওয়ায় সেখানে পুনরায় প্লাস্টার ও রংয়ের কাজ করা হচ্ছে। তবে এসব চিহ্ন ভবনের কাঠামোগত নিরাপত্তার জন্য কোনো ঝুঁকি তৈরি করছে কি না, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত নন।
ভবনের কয়েকটি অংশে দ্রুত রং ও প্লাস্টারের কাজ করা হচ্ছে, ফলে আপাতদৃষ্টিতে দেয়ালগুলো চকচকে ও নতুন রূপ ধারণ করেছে। তবে এটি স্থায়ী সমাধান কি না, তা নিয়ে স্থানীয়ভাবে প্রশ্ন রয়েছে
এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিপিসির কয়েকজন কর্মকর্তা কালবেলাকে বলেন, ভবন নির্মাণে কনসালটেন্ট নিয়োগ, প্রকৌশল তদারকি এবং টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঠিকাদার নির্বাচন করা হয়েছিল। তারপরও উদ্বোধনের আগেই ভবনের বিভিন্ন অংশে দৃশ্যমান ফাঁক দেখা যাওয়ার বিষয়টি তাদের কাছেও অস্বস্তির। তাদের মতে, নির্মাণকাজের বিভিন্ন ধাপে প্রয়োজনীয় তদারকি ও গুণগত মান নিশ্চিতকরণ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তবে এ বিষয়ে তারা প্রকাশ্যে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
জানা যায়, দেশের জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপণনের একমাত্র নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিপিসির সদর দপ্তর স্বাধীনতার পর ঢাকায় থাকলেও প্রশাসনিক ও কার্যক্রমগত কারণে ১৯৯০ সালে তা চট্টগ্রামে স্থানান্তর করা হয়। কারণ দেশের প্রায় সব জ্বালানি তেল আমদানি, সংরক্ষণ এবং বিতরণ কার্যক্রম চট্টগ্রামকে ঘিরেই পরিচালিত হয়। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে আগ্রাবাদ এবং পরে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের ভবনে ভাড়া নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।
বিপিসির নিজস্ব জমি থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন সময়ে সদর দপ্তর নির্মাণের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়নি। একপর্যায়ে বাকলিয়া এলাকায় বৃহৎ প্রকল্পের পরিকল্পনা নেওয়া হলেও সেটি বাস্তবায়ন হয়নি। পরে জয় পাহাড় এলাকায় নিজস্ব অর্থায়নে নতুন সদর দপ্তর নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নির্মাণকাজের দায়িত্ব পায় ইউনাইটেড কর্পোরেশন।
তবে নির্মাণকাজের শুরু থেকেই প্রকল্পটি বিতর্কমুক্ত ছিল না। ভবন নির্মাণের সময় পাহাড় কাটার অভিযোগ ওঠে বিপিসির বিরুদ্ধে। পরে পরিবেশ অধিদপ্তরের তদন্তে পাহাড় কাটার সত্যতা পাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটিকে ৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৯ হাজার ৬০০ ঘনফুট পাহাড় কাটার প্রমাণ পাওয়া যায়। শুনানি শেষে পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের আওতায় ওই জরিমানা আরোপ করা হয়।
ফাটল সদৃশ চিহ্নের বিষয়ে জানতে চাইলে বিপিসির উপ-মহাব্যবস্থাপক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) প্রকৌশলী মো. আপেল মামুন কালবেলাকে বলেন, স্টিল স্ট্রাকচারের পুরো বিল্ডিংয়ে কাঠামোগত ফাটল ধরার সুযোগ নেই। স্টিল ও কংক্রিটের সংযোগস্থলে কিছু জায়গায় প্লাস্টারের গ্যাপ তৈরি হয়েছিল, যা পুটিংয়ের মাধ্যমে সমাধান করা হয়েছে। এটিকে কাঠামোগত ফাটল বলা যাবে না, এটি মূলত প্লাস্টারের গ্যাপ।
তিনি আরও বলেন, বিপিসিকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় স্থানান্তরের পক্ষে একটি মহল কাজ করছে। তারা এসব বিষয় নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করছে। আমাদের অফিসের সামনে আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের বাড়ি রয়েছে, সেখানে এই প্রকল্প হোক সেটা তারা চাচ্ছে না। নেগেটিভভাবে বিষয়গুলো তুলে ধরলে সেটি প্রভাবিত করার চেষ্টা হয়।
চট্টগ্রামের কয়েকজন ব্যবসায়ী ও জ্বালানি খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বলেন, দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু চট্টগ্রাম হওয়ায় বিপিসির নিজস্ব সদর দপ্তর নির্মাণ ছিল দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা। তাদের মতে, রাষ্ট্রীয় অর্থে নির্মিত এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নিয়ে কোনো প্রশ্ন উঠলে তা কারিগরি পরীক্ষার মাধ্যমে স্বচ্ছভাবে জনসমক্ষে তুলে ধরা উচিত। এতে একদিকে জনমনে থাকা সংশয় দূর হবে, অন্যদিকে প্রকল্পের মান নিয়েও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।
দেশের জ্বালানি খাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিপিসির নতুন সদর দপ্তরকে ঘিরে দীর্ঘদিনের যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, উদ্বোধনের আগেই দৃশ্যমান ফাঁক ও ফাটল সদৃশ চিহ্নের বিষয়টি সেই প্রকল্পকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।

আবারও ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী নেপালকে আজ ২–১ গোলে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে টানা তৃতীয়বার ফাইনালের টিকিট কাটল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের হয়ে দুটি গোল করেছেন ঋতুপর্ণা ও সাগরিকা। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ঋতুপর্ণা কর্নার থেকে সরাসরি গোল করেন। আর সাগরিকা গোল করেছেন দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে, শামসুন্নাহার জুনিয়রের সহায়তায়। এর আগে বাংলাদেশ গোল হজম করেছিল ২৩ মিনিটে, গোল করেন নেপালের গীতা রানা।
গোয়ার মারগাঁওয়ের জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই চরম উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে একসময় পিছিয়ে পড়েও অলিম্পিক গোল আর শেষ মুহূর্তের চমৎকার ফিনিশিংয়ে জয় ছিনিয়ে নিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এই জয়ের ফলে দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলে বাংলাদেশের চার বছরের গৌরবময় রাজত্ব টিকে রইল, আর এক ধাপ দূরে রইল শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার মিশন।
ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে নেপাল। শুরুতেই নেপালের আক্রমণের চাপে কোণঠাসা হয়ে পড়ে বাংলাদেশের রক্ষণভাগ। ম্যাচের ২৩ মিনিটে কর্নার থেকে গোল করে নেপালকে এগিয়ে নেন গীতা রানা। দীপা শাহির দারুণ ক্রসে কেবল পায়ের টোকা দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। পিছিয়ে পড়ে গোল শোধের জন্য মরিয়া আক্রমণ তো দূরে থাক, উল্টো আফঈদাদের ব্যস্ত থাকতে হয়েছে প্রতিপক্ষের আক্রমণ সামাল দিতে। ব্যবধান ২-০ হতে পারত ম্যাচের ৩৬ মিনিটে, তবে প্রীতি রাজের দূরপাল্লার শটটি গোলরক্ষক মিলির হাতে লেগে পোস্টে প্রতিহত হলে কোনোমতে রক্ষা পায় বাংলাদেশ।
যখন মনে হচ্ছিল প্রথমার্ধে বাংলাদেশ আর ম্যাচে ফিরতে পারছে না, ঠিক তখনই মাঠে দেখা গেল জাদুকরী এক মুহূর্ত। পুরো ম্যাচ জুড়ে প্রায় নিষ্ক্রিয় থাকা ঋতুপর্ণা চাকমা প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সরাসরি কর্নার থেকে এক অবিশ্বাস্য গোল করে বসেন। ফুটবল পরিভাষায় যাকে বলা হয় ‘অলিম্পিক গোল’। সরাসরি কর্নার থেকে বল জালে জড়িয়ে তিনি বাংলাদেশকে ১-১ সমতায় ফেরান এবং এই গোলের পর মাঠে নতুন করে উজ্জীবিত হয়ে ওঠে সাবিনারা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই অবশ্য বাংলাদেশ আবারও গোল হজমের হাত থেকে অল্পের জন্য বেঁচে যায়। নেপালের রেখা বাংলাদেশের গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বল ফাঁকা জালের দিকে ঠেলে দিলেও তা পোস্টে লেগে দিক পরিবর্তন করে। এরপর দুই দলই পালাক্রমে সুযোগ তৈরি করতে থাকে। ম্যাচের ৬৯ মিনিটে নেপালের সারু লিম্বুর একটি বিপজ্জনক বাঁকানো শট গোলপোস্টের সামান্য ওপর দিয়ে চলে যায়। এর ঠিক মিনিটখানেক আগে নেপালের আরেকটি আক্রমণ দক্ষতার সাথে রুখে দেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিলি।
ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার ১২ মিনিট আগে অর্থাৎ ৭৮ মিনিটে লিড নেওয়ার সবচেয়ে সুবর্ণ সুযোগটি পেয়েছিলেন সাগরিকা। কিন্তু তার নেওয়া জোরালো শটটি নেপাল অধিনায়ক তথা গোলরক্ষক সুব্বা লাফিয়ে উঠে দারুণভাবে ঘুষি মেরে ফিরিয়ে দেন। তবে সেই সুযোগ মিসের হতাশা কাটাতে বেশি সময় নেননি সাগরিকা। ম্যাচের ৮১ মিনিটে শামসুন্নাহার জুনিয়রের নিখুঁত পাস থেকে বল পান তিনি। পেছনে নেপালের দুজন ডিফেন্ডার লেগে থাকলেও তাঁদের ফাঁকি দিয়ে অসাধারণ দক্ষতায় বল জালে জড়িয়ে দেন সাগরিকা।
সাগরিকার এই জয়সূচক গোলেই উল্লাসে মেতে ওঠে বাংলাদেশ শিবির। শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধান ধরে রেখে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ এবং টানা তৃতীয়বারের মতো শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার লক্ষ্যে ফাইনালের মঞ্চে পা রাখল লাল-সবুজ বাহিনী।

দেশের প্রতিটি মানুষের কথা চিন্তা করে বাজেট দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, বাজেটে সকল অংশগ্রহণ নিশ্চিতের চেষ্টা করছে সরকার। অর্থনীতির সুফল যেন প্রতিটি মানুষ পায় সেটি মাথায় রেখেই বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে।
বুধবার (৩ জুন) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিগত সময়ের অনিয়ম ও লুটপাটের কারণে অর্থনীতি দুর্বল অবস্থার মধ্যে রয়েছে। তবে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
অতীতের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার কারণে দেশ ঋণনির্ভর অবস্থায় চলে গেছে এবং সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে সরকার বিনিয়োগভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি বিনিয়োগভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তরিত করতে হবে। ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি পরিচালন ব্যয়ও ধীরে ধীরে কমিয়ে আনতে হবে।
তিনি আরও বলেন, জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং দীর্ঘমেয়াদে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সত্ত্বেও নতুন বাজেটের মাধ্যমে ইতিবাচক সূচনা হবে বলে আশার কথা জানান মন্ত্রী। বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং উৎপাদনশীল খাতের সম্প্রসারণের মাধ্যমে অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।


বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় প্রায় ১২০০ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী। বুধবার (৩ জুন) দুপুরে সদর উপজেলার নিজড়া ইউনিয়নের জাঙ্গাল বাজার এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে তারা দল পরিবর্তনের ঘোষণা দেন।
অনুষ্ঠানে নিজড়া মধ্যপাড়ার আওয়ামী লীগ নেতা ছনোয়ার হোসেন মোল্লা ও নুর ইসলাম শেখ প্রায় ১২০০ নেতাকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপিতে যোগ দেন। তারা গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. কে এম বাবরের হাতে ফুল দিয়ে বিএনপিতে যোগদান করেন।
এ সময় সংসদ সদস্য ড. কে এম বাবর বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণে বিএনপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে অভিজ্ঞ ও জনপ্রিয় ব্যক্তিরা বিএনপিতে যোগদান করলে তাদের স্বাগত জানানো হবে।
নবাগত দুই নেতা ছনোয়ার হোসেন মোল্লা ও নুর ইসলাম শেখ বলেন, এলাকার উন্নয়ন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তারা বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছেন। তারা দলের আদর্শ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে সক্রিয়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শিকদার শহিদুল ইসলাম লেনিন, ফজলুল কবির দারা, পৌর বিএনপির সভাপতি শেখ হাচিবুর রহমান, বিএনপি নেতা এস এম জিয়াউল কবির বিপ্লব, সাজ্জাদ হোসেন হীরা, যুবদল নেতা রাজিব বিশ্বাস, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম, ইমরুল মিয়া সহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

ব্র্যাক সিড অ্যান্ড অ্যাগ্রো এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে হাইব্রিড ধান চাষের আধুনিক কলাকৌশল ও অধিক ফলন নিশ্চিতকরণ শীর্ষক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) দিনব্যাপী উপজেলার কৃষকগঞ্জ বাজারে আয়োজিত এ কর্মশালায় স্থানীয় কৃষকদের হাইব্রিড ধান চাষের আধুনিক প্রযুক্তি ও রোগবালাই দমনে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উল্লাপাড়া উপজেলার অতিরিক্ত কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ মো: তাসিন বিন নূর ,বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক সিডের বগুড়া রিজিওনাল সেলস্ ম্যানেজার মানিক রাহা। সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া টেরিটোরি সেলস অফিসার আল আমিন – এর সঞ্চালনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়। উল্লাপাড়া টেরিটোরির সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার কৃষকগঞ্জ বাজারের এর রিটেইলার মো: জহুরুল ইসলাম । আরোও উপস্থিত ছিলেন ধনুট টেরিটোরির সেলস অফিসার প্রতাপ চন্দ্র দাদা ।
কর্মশালায় বক্তারা গুণগত মানসম্পন্ন হাইব্রিড ধানের উৎপাদন ও ফলন বৃদ্ধিতে ব্র্যাকের বীজর গুরুত্ব তুলে ধরেন। চাষাবাদের আধুনিক পদ্ধতি হিসেবে মাটি নির্বাচন, মাটির পিএইচ পরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ, জমি শোধন এবং সঠিক দূরত্বে বীজ রোপণের ওপর বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়া মাটির গুণাগুণ অনুযায়ী সারের সঠিক ব্যবহার এবং সেচ প্রয়োগের সময়সূচী মেনে চলার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় অধিবেশনে হাইব্রিড ধানের মড়ক বা ‘ধানের শিষ ব্লাষ্ট রোগসহ কাণ্ডপচা রোগের আধুনিক প্রতিকার নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। বিশেষ করে ভাইরাসজনিত রোগ নিয়ন্ত্রণে জাব পোকা (এফিড) দমনের রাসায়নিক ও ম্যানুয়াল পদ্ধতিগুলো কৃষকদের হাতে-কলমে শিখিয়ে দেওয়া হয়।
উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ মো: তাসিন বিন নূর বলেন ফসল সংগ্রহের আগের ও পরের ব্যবস্থাপনাও অত্যন্ত জরুরি।
আয়োজক প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক সিড জানায়, দেশব্যাপী কৃষক পর্যায়ে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকরা আধুনিক কৃষি ব্যবস্থাপনায় আরও দক্ষ হয়ে উঠবে। এর ফলে হাইব্রিড ধান চাষে ঝুঁকি কমবে এবং হাইব্রিড জাতের কাঙ্ক্ষিত ফলন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
আয়োজিত প্রোগ্রাম শেষে ব্র্যাক সিডের হাইব্রিড ধান রাজা কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।


রাজধানীর মিরপুরে নিজ ফ্ল্যাট থেকে বৃদ্ধা নুরজাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তার ছেলে যুগ্ম-সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ সংক্রান্ত প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একজন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তার নৈতিক দায়বদ্ধতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত এ কে এম আনিসুর রহমান বর্তমানে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
উল্লেখ্য, রোববার (৩১ মে) জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল পেয়ে মিরপুর-১১ এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে নুরজাহান বেগমের পচা-গলা ও পোকা ধরা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
প্রতিবেশীদের অভিযোগ, ওই বৃদ্ধা দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত অবস্থায় দিন পার করছিলেন। তার আরেক ছেলে এ কে এম আশিকুর রহমান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক এবং মেয়ে একজন স্কুল শিক্ষিকা।
মায়ের সঙ্গে একই বাসায় মেয়ে অবস্থান করলেও তিনি মৃত্যুর বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাননি। অন্যদিকে, দুই ছেলে আলাদা থাকতেন এবং তাদের সঙ্গেও মায়ের কোনো যোগাযোগ ছিল না ।


রাজধানীর বিভিন্ন থানায় করা সাত মামলার মধ্যে এক মামলায় জামিন পেয়েছেন সাবেক মন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি। বাকি ছয় মামলায় তাকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।
বুধবার (৩ জুন) বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৫ বছরে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী ছিলেন। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১৯ আগস্ট রাতে রাজধানীর বারিধারা থেকে দীপু মনিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে হত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, দুর্নীতি ও সহিংসতার নির্দেশনাসহ প্রায় ৩৮টিরও বেশি মামলা করা হয়েছে।

এ কে এম রহমতুল্লাহ পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এছাড়া তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬০টি দেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রশাসনের অভিযোগ, এসব দেশ জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে, যা মার্কিন বাণিজ্য ও শ্রমিকদের জন্য ক্ষতিকর। খবর রয়টার্সের।
মঙ্গলবার মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর জানায়, তাদের পরিচালিত সেকশন ৩০১ তদন্তে এ ধরনের অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় নতুন শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, বাংলাদেশ, কানাডা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, মেক্সিকো, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান, কম্বোডিয়া, গুয়াতেমালা, এল সালভাদর, আর্জেন্টিনা, ইন্দোনেশিয়াসহ ১৫টি দেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। বাকি ৪৫টি দেশের ক্ষেত্রে শুল্কের হার হবে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ।
এক বিবৃতিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, আমাদের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদারদের জোরপূর্বক শ্রমে তৈরি পণ্যের আমদানি বন্ধে ব্যর্থতা গ্রহণযোগ্য নয়। এর ফলে মার্কিন শ্রমিকদের বৈশ্বিক বাজারে অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হচ্ছে।
নতুন এ প্রস্তাব এসেছে এমন সময়ে, যখন গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প প্রশাসনের জরুরি ক্ষমতা আইনের আওতায় আরোপিত শুল্ক বাতিল করে দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন নতুন আইনি কাঠামোর অধীনে শুল্ক ব্যবস্থা পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে।
তবে প্রস্তাবিত শুল্ক থেকে জ্বালানি, বিরল খনিজ, কিছু ধাতু, গরুর মাংস, কফি, নির্দিষ্ট ফল ও সবজি, ওষুধ, জৈব রাসায়নিক এবং বিমানযন্ত্রাংশকে অব্যাহতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এছাড়া পোশাক ও বস্ত্রখাতের জন্য একটি বিশেষ ব্যবস্থা প্রস্তাব করা হয়েছে, যার আওতায় নির্দিষ্ট পরিমাণ আমদানি কম শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ পেতে পারে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর জানিয়েছে, প্রস্তাবিত শুল্ক নিয়ে আগামী ৬ জুলাই পর্যন্ত জনমত গ্রহণ করা হবে এবং ৭ জুলাই একটি প্রকাশ্য শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপ বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির ওপর সম্ভাব্য প্রভাব ফেলতে পারে, যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং সম্ভাব্য অব্যাহতির বিষয়গুলো এখনও স্পষ্ট নয়।


আওয়ামী লীগের এক নেতাকে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে ৩ কোটি টাকা দাবি করেছিলেন হান্নান মাসউদ বলে অভিযোগ তুলেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন।
বুধবার (৩ জুন) ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে এ অভিযোগ করেন রাশেদ খাঁন।
রাশেদ খাঁন বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে হান্নান মাসউদ! গণঅভ্যুত্থানের পরে হান্নান মাসউদের মিটিং শুরু হয় আওয়ামী লীগ নেতাদের দিয়ে। আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তার অসংখ্য মিটিং হয়েছে। পল্টনের হোটেল ফার্সের কয়েকটা টেবিল যেন একপ্রকার হান্নান মাসউদের জন্য বরাদ্দ থাকত।
তিনি বলেন, একবার আওয়ামী লীগের এক এমপিকে ৪ কোটিতে বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার আলাপ ওঠে। আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষ করে হান্নান মাসউদ জিসানকে বলে, ‘ভাই, ওরা ১ কোটি দিতে চায়, আপনি ৩ কোটিতে ডিল করেন। ওদের সব কাঁচা টাকা, টাকা-পয়সার দরকার আছে!’ এ কথা শুনে এক ধরনের স্তব্ধ হয়ে যায় জিসান! হান্নান মাসউদের অনেক ঘটনার রাজসাক্ষী হাতিয়ার এই সন্তান আবদুল গাফফার জিসান।
স্ট্যাটাসে রাশেদ বলেন, ২৭ জুলাই থেকে রিফাত রশিদ, মাহিন সরকার ও আবদুল গফফার জিসান আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় তাদের সঙ্গে এই ছেলেটি ছিল। ৩ জন সমন্বয়কদের ভিডিও বা ছবি তুলতে ক্যামেরার পেছনের মানুষটিই ছিলেন এই আবদুল গফফার জিসান। জিসান সম্পর্কে রিফাত রশিদ ও মাহিন সরকারকে জিজ্ঞেস করলেও উত্তর পাবেন। জিসানের ছোট ভাই হান্নান মাসউদের বন্ধু। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে এবং শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।
‘আর জিসান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। হান্নান মাসউদের সঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের পরেও বেশকিছুদিন জিসান ছিল। মূলত গণঅভ্যুত্থানের সময় থেকে জিসান-হান্নান মাসউদকে নিরাপত্তা দেওয়ার কাজেই সঙ্গে থাকত। কিন্তু হান্নান মাসউদের টাকার প্রতি মোহ ও আকস্মিক পরিবর্তন জিসান মেনে নিতে পারেনি। যে কারণে সে আর হান্নান মাসউদের সঙ্গে থাকেনি।’
স্ট্যাটাসের শেষে রাশেদ বলেন, নোয়াখালীর হাতিয়ার আওয়ামী লীগের এমপি মোহাম্মদ আলী যেন ছিল হান্নান মাসউদের এমপি হওয়ার পথের কাঁটা! হান্নান মাসউদ এটা বুঝতে পেরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রভাব খাটিয়ে শুরুতেই তাকে গ্রেপ্তার করাতে ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন জায়গায় মোহাম্মদ আলীর বিরুদ্ধে বক্তব্যও দিয়েছে হান্নান মাসউদ। ঘরোয়া আলাপে সে বলেছে, নোয়াখালীর যত আওয়ামী লীগ আছে, কারও সঙ্গে আমার কোনো দ্বন্দ্ব নেই। আমার একমাত্র দ্বন্দ্ব মোহাম্মদ আলীর সঙ্গে। এমনকি বিভিন্ন আলাপে সে লোকজনকে বোঝাতে চেয়েছে, নোয়াখালীর এমপি হতে কোয়ালিটি ও কোয়ানটিটিতে তাকে মোহাম্মদ আলীর মতো অর্থবিত্তের মালিক হতে হবে।

শিল্পের কাজে ব্যবহারের জন্য রক সল্ট আমদানি করে ওয়ারদা অ্যান্ড জুবায়ের এগ্রো ইন্ডাস্ট্রি। হুট করে গত ৪ মে বিল অব এন্ট্রি সাবমিট করার পর প্রতিষ্ঠানটির পণ্যের চালান আটকে দেন চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কর্মকর্তারা। চালানটি আটকে রেখে শিল্প মন্ত্রণালয় ও লবণ নীতিসহ নানা প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্যতা চাওয়া হয়। যদিও কাস্টমসে এ ধরনের কোনো আইন রয়েছে বলে আমদানিকারককে দেখাতে পারেননি শুল্ক কর্মকর্তারা। তবু পণ্য চালানটি আটকে রেখে শুরু হয় নানা টালবাহানা। পরে উপায় না দেখে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয় প্রতিষ্ঠানটি এবং আদালতে রায় প্রতিষ্ঠানটির পক্ষেই আসে। তবে ঈদুল আজহার আগে পক্ষে রায় পেলেও পণ্যের চালানটি খালাস করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। কৌশলে আদালতের রায়ের কপি গ্রহণ না করে কমিশনার ঈদের ছুটিতে ঢাকায় চলে আসেন। এরই মধ্যে পণ্যের চালানের দামের তুলনায় প্রায় দিগুণ হয়ে গেছে পোর্ট চার্জ। কাঁচামাল আটকে যাওয়ায় বাধাগ্রস্ত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন। এ কারণে ঈদে কর্মচারীদের ঠিকমতো বেতন-বোনাস পর্যন্ত দিতে পারেননি প্রতিষ্ঠানটির মালিক। এভাবে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে প্রতিদিনই হয়রানির শিকার হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। এটা যেন কাস্টম হাউস নয়, এ যেন এক হয়রানির আঁতুড়ঘর।
সরেজমিন ঘুরে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে আমদানিকারকদের হয়রানির এমন ঘটনা আরও পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস দিয়ে স্টিল স্ট্রাকচার আমদানি করেন এক আমদানিকারক। প্রথমবারের মতো আমদানি করা পণ্যে চালানটি আটকে দেয় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অডিট ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ উইং (এআইআর) শাখা। স্টিল স্ট্রাকচার নিয়ে এর আগে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অ্যাসেসমেন্ট কমিটির সিদ্ধান্ত রয়েছে। এ ছাড়া কাস্টম হাউসের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) একটি নির্দেশনাও রয়েছে। এর বাইরেও ওয়ার্ল্ড কাস্টম অর্গানাইজেশনের একটি ব্যাখ্যা রয়েছে। এতকিছুর পরও এআইআর শাখার কর্মকর্তাদের মনে হয়েছে স্টিলের স্ট্রাকচারটি ফার্নিচার পার্টসের এইচএস কোড অনুযায়ী শুল্কায়ন হবে। এরপর সব আইনের ঊর্ধ্বে উঠে কর্মকর্তারা সেই অনুযায়ী শুল্কায়নের জন্য রিপোর্ট দেন এবং প্রতিষ্ঠানটি রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে বলেও সুপারিশ করেন। প্রতিষ্ঠানটি এনবিআরের রুলিং দেখানোর পর পণ্য চালানটি আটকে রাখতে নতুন যুক্তি উপস্থাপন করেন কর্মকর্তারা—এটা রুলিংয়ের সঙ্গে যায় না। কর্মকর্তাদের নতুন যুক্তি, রুলিংয়ে একই পণ্য আলাদা তিনটি কনটেইনারে আনা হয়েছিল। এ চালানে একটি কনটেইনার, তাই এইচএস কোড পরিবর্তন হয়েছে। আর এতে মিথ্যা ঘোষণা হয়েছে। এ ছাড়া এনবিআরের এ রুলিং সঠিক নয় বলেও দাবি করেন কর্মকর্তারা। যদিও রুলিং সঠিক নয়—এ কথা আনুষ্ঠানিকভাবে বলতে রাজি নন এআইআরের উপকমিশনার। সর্বশেষ নিজেদের সিদ্ধান্তে অটল থেকেই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন শুল্ক কর্মকর্তারা। এতে আমদানিকারকের মাত্র আঠারো হাজার ডলারের পণ্য এখন দেড় কোটির ঘরে গিয়ে ঠেকেছে। মজার বিষয় হলো, স্টিল স্ট্রাকচার শুল্ক কর্মকর্তাদের বদৌলতে হয়ে গেল ফার্নিচার পার্টস, আর আমদানিকারক রাতারাতি হয়ে গেল শুল্ক ফাঁকিবাজ।
অভিযোগ রয়েছে, এভাবেই প্রতিনিয়ত ছোট ব্যবসায়ীদের হয়রানি করেন এআইআর শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা আসাদ ও আরেফিন। তাদের টিম লিডার হিসেবে আছেন এআইআর শাখার উপকমিশনার তারেক মাহমুদ। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে এআইআরের দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং সদ্য সাময়িক বরখাস্তের আদেশ থেকে মুক্তি পাওয়া চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার আমীমুল ইহসানের সঙ্গে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে গিয়ে সাক্ষাৎ করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সময়ে ফোনে একাধিকবার কল দিয়েও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এমনকি মোবাইল ফোনে খুদে বার্তা পাঠিয়েও তার সাড়া মেলেনি। পরবর্তী সময়ে এআইআর শাখার উপকমিশনার তারেক মাহমুদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি কালবেলাকে বলেন, ওয়ার্ল্ড কাস্টম অর্গানাইজেশনের ব্যাখ্যা মানার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে বাংলাদেশে মানা হয়। আর এনবিআরের রুলিং মানার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে স্টিল স্ট্রাকচারের চালানটি এ রুলিংয়ে যথাযথ নয়। কারণ হিসেবে ওই কর্মকর্তা বলেন, রুলিংয়ে যে পণ্য চালানের বিষয়টি ছিল ওখানে তিনটি আলাদা আলাদা পণ্য চালান ছিল। আর এটি একটি পণ্য চালান। যেহেতু তিনটি নয়; তাই এ সুবিধা এ আমদানিকারক পাবেন না।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে আটকে রাখার জন্য এ ধরনের আরও উদ্ভট কিছু যুক্তিও মিলেছে বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান ওয়ারদা অ্যান্ড জুবায়ের ইন্ডাস্ট্রিজের শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে রক সল্ট আমদানির ক্ষেত্রে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ ইয়াছির আরাফাত কালবেলাকে বলেন, প্রায় এক মাসের কাছাকাছি হয়ে গেছে পণ্য চালানটি আটকে রেখেছে কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ। আমরা বিডা নিবন্ধিত একটি প্রতিষ্ঠান। বিডার অনুমতি সাপেক্ষে আমরা আমদানি করে থাকি। আমদানি নীতি আদেশেও কোনো বাধা নেই। অযথাই হয়রানি করে আমাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। কমিশনারের মেইলে আদেশের মূল কপি পাঠানো হলেও তিনি রিসিভ করেননি ঈদের আগে। এরই মধ্যে পণ্য চালানটির দামের প্রায় দ্বিগুণ পোর্ট চার্জ এখন পরিশোধ করতে হবে। আর উৎপাদন এবং কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হওয়ায় ঈদের আগে আমি ঠিকমতো কর্মচারীদের বেতন-বোনাস দিতে পারিনি।
শুধু এ দুটি প্রতিষ্ঠান নয়, শিল্প প্রতিষ্ঠানের পণ্য চালানও আটকে রাখার অভিযোগ রয়েছে। জানা গেছে, সব নিয়ম মেনে আমদানি করা ঢাকার একটি বন্ডেড প্রতিষ্ঠানের তিন কনটেইনার পণ্য আটকে দেন চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কমিশনার মুহা. মাহবুবুর রহমান। বৃষ্টির মধ্যে ট্রাকে লোড হওয়া পণ্য নষ্ট হলেও সর্বশেষ আট দিন পর ছেড়ে দেন। পরবর্তী সময়ে আরেকটি বন্ডেড পণ্যের চালান আটক করলেও পরে অদৃশ্য কারণে ছেড়েও দেন। এ ছাড়া এ কমিশনার নির্ধারিত সময়ের আগেই অফিস ত্যাগ করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয়ে কথা বলতে সরাসরি এবং ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া হয়রানির নানা অভিযোগের কথা উল্লেখ করে এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খানের বক্তব্য জানতে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানোর পর তিনি বার্তা দেখলেও কোনো বক্তব্য দেননি।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের এআইআর টিমের বিরুদ্ধে পান থেকে চুন খসলেই ছোট ব্যবসায়ীদের আইনি ঝামেলায় ফেলার অভিযোগ বেশ পুরোনো। বিগত দিনে কেমিক্যাল থেকে শুরু করে অবৈধ সিগারেট আমদানি বন্ধে তৎপর হলেও বর্তমান টিম রহস্যজনক কারণে ঠুঁটো জগন্নাথের ভূমিকা পালন করছে। বিভিন্ন কাস্টম হাউসে শিট নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠলে এসব ক্ষেত্রেও এআইআর টিম যেন নীরব দর্শক। এ ছাড়া আরও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে এ টিমের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, রাজস্ব কর্মকর্তা আসাদ ও আরেফিনের নেতৃত্বে ল্যাপটপের ব্যাটারির গ্রুপ দিয়ে অন্য পণ্যের চালান গেলেও আসাদ নিজে গিয়ে দেখেও তা ছেড়ে দেন। এক্ষেত্রে কোনো ধরনের ফাইন্ডিং নেই। মূলত বড় বড় আমদানিকারকের পরিবর্তে এ টিমের নজর ছোট ব্যবসায়ীদের দিকে। এতে বাইরে আলোচনা হবে—খুব কড়া কাস্টম হাউসের এ এআইআর টিম। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে এআইআর টিমের রাজস্ব কর্মকর্তা আসাদকে গতকাল সোমবার দফায় দফায় ফোন দিয়েও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কাস্টমসে হয়রানির শিকার হওয়া ব্যবসায়ীদের মধ্যে রয়েছেন বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমও। এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বিকেএমইএ সভাপতি রিনিউয়েবল এনার্জির প্লান্ট করতে পণ্য আমদানি করেন। প্রথম দিকে সোলার নিয়ে এলে সহজেই শুল্ক কর্মকর্তারা ছেড়ে দেন। তবে স্ট্রাকচার আনার পর আটকে দেয় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস কর্তৃপক্ষ। এ পণ্য চালানটি খালাস করতে ব্যবসায়ী নেতা হওয়ার পরও বেশ বেগ পেতে হয়েছে মোহাম্মদ হাতেমের। আর সময় লেগেছে প্রায় পনেরো দিন এবং এনবিআরের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দ্বারস্থ হতে হয়েছে। একই সঙ্গে গুনতে হয়েছে পোর্টের বড় অঙ্কের ডেমারেজ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম কালবেলাকে বলেন, প্রথম দিকে সোলার সহজে খালাস হলেও পরবর্তী সময়ে স্ট্রাকচার আটকে দেয় চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। এ চালানটির জন্য আমাকে এনবিআরের দ্বারস্থ হতে হয়েছে প্রজ্ঞাপন থাকার পরও। আর এ কারণে আমাকে পোর্ট ডেমারেজ দিতে হয়েছে ৩৫ লাখ টাকা।
সুত্র: দৈনিক কালবেলা

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ভক্তি আর আধ্যাত্মিক আবহে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ঐতিহাসিক বারদী আশ্রমে শুরু হয়েছে উপমহাদেশের প্রখ্যাত সাধক শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর ১৩৬তম তীরোধান উৎসব।
বুধবার (৩ জুন) দেশ-বিদেশ থেকে আসা লাখো ভক্তের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো বারদী এলাকা। তিন দিনব্যাপী এ ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে আশ্রম প্রাঙ্গণে বিরাজ করছে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশ। ভোর থেকেই ভক্তরা আশ্রমে সমবেত হয়ে পূজা-অর্চনা, প্রার্থনা ও নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছেন। আশ্রমের বিভিন্ন স্থাপনা বর্ণিল আলোকসজ্জা ও নান্দনিক সাজে সজ্জিত করা হয়েছে, যা ভক্ত ও দর্শনার্থীদের বাড়তি আকর্ষণ যোগ করেছে।
উৎসবে অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও প্রতিবেশী ভারতসহ বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে হাজার হাজার লোকনাথ ভক্ত বারদীতে ছুটে এসেছেন। তাদের জন্য আশ্রম কর্তৃপক্ষ তীর্থ নিবাসসহ বিভিন্ন স্থানে আবাসন ও খাবারের বিশেষ ব্যবস্থা করেছে।
তিরোধান উৎসব উপলক্ষে বারদী এলাকায় বসেছে সাত দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী মেলা। মেলায় বিভিন্ন ধরনের লোকজ পণ্য, ধর্মীয় সামগ্রী ও গ্রামীণ সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ স্থান পেয়েছে। ফলে ধর্মীয় আয়োজনের পাশাপাশি উৎসবটি পরিণত হয়েছে এক মিলনমেলায়।
উৎসবের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে পূজা-অর্চনা, ঊষাকীর্তন, গীতা পাঠ, বাল্যভোগ ও রাজভোগ বিতরণ, প্রসাদ বিতরণ, ধর্মীয় আলোচনা, ভক্তিমূলক সংগীত এবং সন্ধ্যাকালীন কীর্তন। এসব আয়োজনে অংশ নিয়ে ভক্তরা মহাসাধকের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন এবং নিজেদের ও পরিবারের কল্যাণ কামনা করছেন। উৎসবকে কেন্দ্র করে গ্রহণ করা হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
মঙ্গলবার আশ্রম এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ ব্রিফিং ও প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী।
তিনি বলেন, উৎসবস্থলে পুলিশ, র্যাব, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ছয় শতাধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি সিসিটিভির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি, মেঘনা নদীতে নৌ-পুলিশের টহল এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
সোনারগাঁ থানার ওসি গোলাম সারোয়ার বলেন, ভক্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। উৎসব চলাকালে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে।
বারদী লোকনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শংকর কুমার দে বলেন, উৎসবের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আসা ভক্তরা যাতে নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে আশ্রম কর্তৃপক্ষ সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাত বলেন, উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভক্তদের নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী বলেন, উৎসবস্থলে পুলিশ, র্যাব, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ছয় শতাধিক সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি সিসিটিভির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি, মেঘনা নদীতে নৌ-পুলিশের টহল এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ১৭৩০ খ্রিস্টাব্দে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কচুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মহাসাধক লোকনাথ ব্রহ্মচারী। দীর্ঘ সাধনা, ত্যাগ ও মানবসেবার মাধ্যমে তিনি আধ্যাত্মিক জগতে বিশেষ মর্যাদা লাভ করেন। জীবনের শেষ ২৬ বছর তিনি সোনারগাঁয়ের বারদীতে অবস্থান করেন। বাংলা ১২৯৭ সালের ১৯ জ্যৈষ্ঠ বারদী আশ্রমেই তার মহাপ্রয়াণ ঘটে। সেই স্মৃতিকে ধারণ করেই প্রতিবছর ১৯ জ্যৈষ্ঠ পালিত হয় তার তীরোধান উৎসব।
ভক্তদের বিশ্বাস, মানবতা, প্রেম ও সেবার যে বাণী লোকনাথ ব্রহ্মচারী রেখে গেছেন, তা আজও মানুষকে আলোকিত পথের সন্ধান দেয়। আর সেই বিশ্বাসের টানেই প্রতি বছর লাখো ভক্ত সমবেত হন বারদীর এই পবিত্র তীর্থভূমিতে।

পরপরই বাড়তি খরচের নতুন চাপের মুখে পড়তে পারেন বিদ্যুৎ গ্রাহকেরা। আজ বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার ঘোষণা করতে যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। তবে স্বল্প আয়ের গ্রাহকদের জন্য চালু থাকা ‘লাইফ লাইন’ সুবিধায় আপাতত কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না।
বিইআরসির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বুধবার সকাল ১১টায় কমিশনের কারিগরি কমিটির বৈঠকে ইউনিটপ্রতি মূল্যবৃদ্ধির হার চূড়ান্ত করা হবে। এরপর বিকেলে নতুন ট্যারিফ ঘোষণা করা হতে পারে।
সূত্র জানায়, নতুন মূল্যহার জুন থেকে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, কারিগরি কমিটি বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে এবং আজই এ বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত পূরণ এবং জ্বালানি খাতে ভর্তুকি কমানোর অংশ হিসেবেই এ মূল্য সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে একটি মন্ত্রিসভা কমিটি ইউনিটপ্রতি ১ থেকে ১ দশমিক ৫০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর সুপারিশ করে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুতের দাম বাড়লে এর প্রভাব শুধু বিদ্যুৎ বিলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; শিল্প-কারখানা, সেচ, পরিবহন, কোল্ড স্টোরেজসহ প্রায় সব খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে। ফলে নিত্যপণ্যের বাজারেও চাপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এরই মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও পরিবহন ব্যয় বাড়ায় বাজারে নিত্যপণ্যের মূল্যও ঊর্ধ্বমুখী। এখন বিদ্যুতের নতুন মূল্য কার্যকর হলে মূল্যস্ফীতির ওপর আরও চাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা অর্থনীতিবিদদের।
বিদ্যুৎ খাতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম, ডলারের বিনিময় হার এবং এলএনজি, কয়লা ও তেল আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। একইসঙ্গে ভর্তুকির চাপও বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিইআরসির গণশুনানিতে বিভিন্ন বিতরণ কোম্পানি খুচরা পর্যায়ে ইউনিটপ্রতি ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। পরে কারিগরি দল গড়ে ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ২৫ পয়সা বৃদ্ধির সুপারিশ করে, যা কমিশন গ্রহণ করতে পারে বলে জানা গেছে।
সূত্র আরও জানায়, ২০০ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারীদের জন্য তুলনামূলক কম হারে মূল্যবৃদ্ধি এবং এর বেশি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ধাপে ধাপে হার বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, লোকসান কমানো এবং ভর্তুকি হ্রাসের লক্ষ্যেই এ সমন্বয় করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সিস্টেম লস, ক্যাপাসিটি চার্জ ও অদক্ষতা নিয়ন্ত্রণ ছাড়া মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ গ্রাহকের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে।
ভোক্তা সংগঠনগুলোও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির বিরোধিতা করে বলছে, এতে জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বাড়বে এবং সীমিত আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
সূত্র: বাংলানিউজ

মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে চলমান আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানে নতুন করে ‘আত্মরক্ষামূলক’ হামলা চালিয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন জাহাজ ও উপসাগরীয় দেশগুলোর দিকে ছোড়া ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে তারা।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের হামলার চেষ্টার জবাবে হরমুজ প্রণালীর কেশম দ্বীপে (ইরানের বৃহত্তম দ্বীপ) এ হামলা চালানো হয়েছে।
এদিকে ইরান বলেছে, প্রতিশোধ হিসেবে একটি ‘আঞ্চলিক দেশে’ অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি ও হেলিকপ্টারে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে তারা।
তবে সেন্টকম দাবি করেছে, তেহরান কুয়েতের দিকে দুটি এবং বাহরাইনের দিকে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল, যার সব কটিই মাঝপথে বিধ্বস্ত হয়েছে অথবা প্রতিহত করা হয়েছে।
কয়েক মাস ধরে চলা যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে গত সপ্তাহান্তে অনুষ্ঠিত আলোচনা কোনো অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হয়।
এ যুদ্ধবিরতি আলোচনা থমকে থাকার মধ্যেই নতুন করে এ হামলার ঘটনা ঘটল। সেন্টকম বলেছে, কেশম দ্বীপের হামলায় ইরানের একটি সামরিক স্থল নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র নিশানা করা হয়েছিল।
এ ছাড়া আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে বৈধভাবে চলাচলকারী বেসামরিক নাবিকদের লক্ষ্য করে ইরান তিনটি ড্রোন ছুড়েছিল, যা মার্কিন বাহিনী গুলি করে নামিয়েছে।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (০২ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া দেওয়া এক পোস্টে এ অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী।
পোস্টে তিনি বলেন, এই অর্জন বিশ্ব মঞ্চে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অবদান ও বিশ্বাসযোগ্যতারই প্রতিফলন।
পোস্টে তিনি আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, তিনি (খলিলুর রহমান) গর্বের সঙ্গে প্রতিনিধিত্ব করবেন এবং বহুপাক্ষিক ও অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সংযোগ, সংলাপ ও সহযোগিতা গড়ে তুলবেন। এই নতুন দায়িত্বে আমরা তার সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করি।
উল্লেখ্য, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ৯৯ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। মঙ্গলবার হওয়া ভোটাভুটিতে তিনি জয়ী হন।
বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের ৪১তম অধিবেশনে সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার বাংলাদেশের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হলেন।

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।
স্পেন চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক উনাই সিমোন, ডেভিড রায়া, জোয়ান গার্সিয়া
ডিফেন্ডার পেদ্রো পোরো, মার্কোস লরেন্তে, আয়মেরিক লাপোর্তে, পাউ কুবারসি, মার্ক পুবিল, এরিক গার্সিয়া, মার্ক কুকুরেয়া, আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো
মিডফিল্ডার রদ্রি (রদ্রিগো হার্নান্দেজ), মার্টিন জুবিমেন্ডি, পেদ্রি গনসালেস, ফাবিয়ান রুইজ, মিকেল মেরিনো, পাবলো পায়েজ ‘গাভি’, আলেক্স বায়েনা
ফরোয়ার্ড মিকেল ওয়ারিয়াবাল, লামিনে ইয়ামাল, ফেরান তোরেস, বোরহা ইগলেসিয়াস, দানি ওলমো, ভিক্টর মুনিয়োস, নিকো উইলিয়ামস, এরেমি পিনো
সৌদি আরব চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক আহমেদ আল কাসার, মোহাম্মেদ আল ওয়াইস, নাওয়াফ আল আকিদি, আবদুলকুদুস আতিয়া
ডিফেন্ডার সাউদ আবদুলহামিদ, মোহাম্মেদ আবু আল শামাত, খালিদ আল ঘান্নাম, মোতেব আল হারবি, আবদুল্লাহ আল আমরি, নাওয়াফ বউশাল, জাকারিয়া হাওয়াসাভি, হাসান কাদেশ, আলি লাজামি, আলি মাজারাশি, হাসান তাম্বাকতি, জেহাদ থিকরি
মিডফিল্ডার নাসের আল দাওসারি, আলা আল হাজ্জি, জিয়াদ আল জোহানি, মুসআব আল জুয়াইর, আবদুল্লাহ আল খাবাইরি, সালেহ আবু আল শামাত, মোহাম্মেদ কান্নো, সুলতান মানদাশ, আয়মান ইয়াহিয়া
ফরোয়ার্ড ফেরাস আল ব্রিকান, সালেম আল দাওসারি, আবদুল্লাহ আল হামদান, আবদুল্লাহ আল সালেম, সালেহ আল শেহরি
উরুগুয়ে চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক সান্তিয়াগো মেলে, ফার্নান্দো মুস্লেরা, সার্জিও রোচেত
ডিফেন্ডার রোনাল্ড আরাউহো, সান্তিয়াগো বুয়েনো, সেবাস্তিয়ান কাসেরেস, হোসে মারিয়া গিমেনেজ, মাতিয়াস অলিভেরা, জোয়াকিন পিকেরেজ, গুইয়ের্মো ভ্যারেলা, মাতিয়াস ভিনা
মিডফিল্ডার ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো, জর্জিয়ান দে আরাসকায়েতা, রদ্রিগো বেন্টানকুর, আগুস্তিন ক্যানোবিও, নিকোলাস দে লা ক্রুজ, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, ফাকুন্দো পেলিস্ত্রি, ব্রায়ান রদ্রিগেজ, হুয়ান ম্যানুয়েল সানাব্রিয়া, ম্যানুয়েল উগার্তে, ফেদেরিকো ভালভার্দে, রদ্রিগো জালাজার
ফরোয়ার্ড রদ্রিগো আগুইরে, ফেদেরিকো ভিনাস, ডারউইন নুনিয়েজ
কাবো ভার্দে চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক ভোজিনহা, মার্সিও রোজা, সি. জে. দোস সান্তোস
ডিফেন্ডার ডিনে বোর্হেস, সিডনি কাব্রাল, লোগান কস্তা, স্টিভেন মোরেরা, ওয়াগনার পিনা, জোয়াও পাওলো ফার্নান্দেস, রবার্তো ‘পিকো’ লোপেস, কেভিন পিরেস, ইআনিকে ‘স্টোপিরা’ তাভারেস
মিডফিল্ডার টেলমো আরকানজো, লারোস দুয়ার্তে, ডেরয় দুয়ার্তে, জামিরো মন্টেইরো, কেভিন পিনা, ইয়ানিক সেমেদো
ফরোয়ার্ড গিলসন বেনচিমল, জোভানে কাব্রাল, নুনো দা কস্তা, দাইলন লিভ্রামেন্তো, রায়ান মেন্দেস, গ্যারি রদ্রিগেস, উইলি সেমেদো, হেলিও ভেরেলা

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।
বেলজিয়াম চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক থিবো কুর্তোয়া, সেনে ল্যামেন্স, মাইক পেন্ডার্স
ডিফেন্ডার টিমোথি কাস্তানিয়ে, জেনো ডেবাস্ট, ম্যাক্সিম ডে কুইপার, কোনি ডে উইন্টার, ব্র্যান্ডন মেখেলে, থমাস মুনিয়ে, নাথান এনগয়, জোয়াকিন সেইস, আর্থার থিয়াতে
মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইনে, আমাদু ওনানা, নিকোলাস রাসকিন, ইউরি টিলেমান্স, হান্স ভানাকেন, অ্যাক্সেল উইটসেল
ফরোয়ার্ড চার্লস ডে কেতেলায়েরে, জেরেমি ডোকু, মাতিয়াস ফার্নান্দেজ-পার্দো, রোমেলু লুকাকু, দোদি লুকেবাকিও, দিয়েগো মোরেইরা, আলেক্সিস সালেমেকার্স, লিয়ান্দ্রো ত্রোসার্ড।
মিশর চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক মোহামেদ আলা, মোহামেদ এল শেনাওয়ি, মোস্তফা শোবেয়র, এল মাহদি সোলিমান
ডিফেন্ডার হোসাম আবদেলমাগিদ, মোহামেদ আবদেলমোনেম, তারেক আলা, আহমেদ ফাতহি, কারিম হাফেজ, মোহামেদ হানি, ইয়াসের ইব্রাহিম, রামি রাবিয়া
মিডফিল্ডার ইমাম আশুর, মারওয়ান আত্তিয়া, নাবিল এমাদ, হামদি ফাথি, হাইথাম হাসান, মোহান্নাদ লাশিন, মাহমুদ সাবের, মাহমুদ হাসান ট্রেজেগুয়েত, মোস্তফা জিকো, আহমেদ সাঈদ জিজো
ফরোয়ার্ড হামজা আবদুলকরিম, ইব্রাহিম আদেল, ওমর মারমুশ, মোহামেদ সালাহ
ইরান চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দ, হোসেইন হোসেইনি, পায়াম নিয়াজমান্দ
ডিফেন্ডার দানিয়াল ইরি, এহসান হাজসাফি, সালেহ হার্দানি, হোসেইন কানানি, শুজা খলিলজাদে, মিলাদ মোহাম্মাদি, আলি নেমাতি, রামিন রেজায়িয়ান
মিডফিল্ডার রৌজবেহ চেশমি, সাঈদ এজাতোলাহি, মেহদি ঘাইদি, সামান ঘোদ্দোস, মোহাম্মদ ঘোরবানী, আলিরেজা জাহানবাখশ, মোহাম্মদ মোহেবি, আমির মোহাম্মদ রাজাঘিনিয়া, মেহদি তারেমি, আরিয়া ইউসেফি
ফরোয়ার্ড আলি আলিপুর, ডেনিস দারঘাহি, আমিরহোসেইন হোসেইনজাদে, শাহরিয়ার মোগানলু, মেহদি তারেমি
নিউজিল্যান্ড চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক ম্যাক্স ক্রোকম্ব, অ্যালেক্স পলসেন, মাইকেল উড
ডিফেন্ডার টাইলার বিন্ডন, মাইকেল বক্সঅল, লিবারাতো কাকাচে, ফ্রান্সিস দে ভ্রিস, ক্যালান এলিয়ট, টিম পেইন, ন্যান্ডো পাইনাকার, টমি স্মিথ, ফিন সারম্যান
মিডফিল্ডার ল্যাচলান বেইলিস, জো বেল, ম্যাট গারবেট, এলি জাস্ট, ক্যালাম ম্যাককাওয়াট, বেন ওল্ড, অ্যালেক্স রুফার, মার্কো স্ট্যামেনিচ, স্যারপ্রিত সিং, রায়ান থমাস
ফরোয়ার্ড কোস্টা বারবারোসেস, জেসি র্যান্ডাল, বেন ওয়েইন, ক্রিস উড

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী আগের তুলনায় বেশি প্রস্তুত এবং ভবিষ্যতের যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্পূর্ণ সক্ষম।
মঙ্গলবার (২ জুন) ফার্স নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি বলেন, বিদ্যমান সামরিক সক্ষমতার পাশাপাশি শত্রুর সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষ থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতাও ইরানের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।
তিনি বলেন, শত্রুপক্ষ যদি আবার সামরিক সংঘাতে ফিরে আসে, তাহলে অভিযানের ধরন, যুদ্ধক্ষেত্রের ভৌগোলিক পরিসর এবং ব্যবহৃত অস্ত্র; সবকিছুই ভিন্ন হবে। সম্ভাব্য সব পরিস্থিতির জন্য আইআরজিসি সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
মোহেব্বির দাবি, যুদ্ধবিরতির সময়কে কাজে লাগিয়ে ইরান তার সামরিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করেছে এবং ক্ষয়ক্ষতিও মেরামত করেছে।
তিনি বলেন, বাস্তবতা হলো, যুদ্ধবিরতির সময় আমাদের সামরিক ও অপারেশনাল সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
মোহেব্বি বলেন, সাম্প্রতিক সংঘর্ষের অন্যতম বড় অর্জন হলো শত্রুপক্ষ সম্পর্কে আরও গভীর ও বাস্তবভিত্তিক ধারণা পাওয়া।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, আগে যেসব তথ্য গোয়েন্দা প্রতিবেদন ও গণমাধ্যমের তথ্যের ওপর নির্ভরশীল ছিল, এখন তার সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধক্ষেত্রের অভিজ্ঞতাও যুক্ত হয়েছে।
তিনি দাবি করেন, ইরানের বাহিনী এখন শত্রুপক্ষের সামরিক সম্পদ, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ঘাঁটি এবং যুদ্ধকৌশল সম্পর্কে অনেক বেশি নির্ভুল ধারণা রাখে।
মোহেব্বি বলেন, আজ শত্রুর আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক সরঞ্জাম, প্রতারণামূলক কৌশল এবং সামরিক অভিযানের প্রকৃতি সম্পর্কে আমাদের ধারণা আগের তুলনায় অনেক বেশি স্পষ্ট।
ইরানের সামরিক শক্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে, এমন দাবিও প্রত্যাখ্যান করেন তিনি। তার মতে, যেসব দাবি করা হচ্ছে, তার বিপরীতে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের নৌবাহিনী ধ্বংস হয়নি এবং দেশের সামরিক সক্ষমতাও কমে যায়নি।
মোহেব্বি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপক সামরিক শক্তি ব্যবহার করলেও হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। কৌশলগত এই জলপথের ওপর ইরানের সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণ এখনো পুরোপুরি অক্ষুণ্ন রয়েছে।

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।
নেদারল্যান্ডস চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক মার্ক ফ্লেকেন, রবিন রোয়েফস, বার্থ ফারব্রুগেন
ডিফেন্ডার নাথান আক, ডেনজেল ডামফ্রিস, জোরেল হাটো, জুরিয়েন টিম্বার, ইয়ান পল ভ্যান হেক, ভার্জিল ভ্যান ডাইক, মিকি ভ্যান ডে ভেন
মিডফিল্ডার ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং, মার্টেন ডে রুন, রায়ান গ্রাভেনবার্খ, টেইন কুপমেইনার্স, তিজানি রেইনডার্স, গুস টিল, কুইন্টেন টিম্বার, ম্যাটস উইফার
ফরোয়ার্ড ব্রায়ান ব্রোবি, মেমফিস ডিপাই, কোডি গাকপো, জাস্টিন ক্লুইভার্ট, নোয়া ল্যাং, ডনিয়েল মালেন, ক্রেসেনসিও সামারভিল, ওউট ভেগহর্স্ট
জাপান চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক তোমোকি হায়াকাওয়া, কেইসুকে ওসাকো, জায়ন সুজুকি
ডিফেন্ডার কো ইটাকুরা, হিরোকি ইতো, ইউতো নাগাতোমো, আয়ুমু সেকো, ইউকিনারি সুগাওয়ারা, জুনোসুকে সুজুকি, শোগো তানিগুচি, টেকহিরো তমিয়াসু, তসুইয়োশি ওয়াতানাবে
মিডফিল্ডার রিতসু দোয়ান, ওয়াতারু এন্ডো, জুনিয়া ইতো, দাইচি কামাদা, তাকেফুসা কুবো, কেইতো নাকামুরা, কাইশু সানো, আও তানাকা
ফরোয়ার্ড কেইসুকে গোটো, দাইজেন মায়েদা, কোকি ওগাওয়া, কেন্তো শিওগাই, ইউইতো সুজুকি, আয়াসে উএদা
তিউনিশিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক সাবরি বেন হাসান, আবদেলমউহিব চামাখ, আয়মান দাহমেনে
ডিফেন্ডার আলি আবদি, মোহামেদ আমিন বেন হামিদা, আদেম আরৌস, ডিলান ব্রোন, রায়েদ চিকাহুই, মউতাজ নেফাতি, ওমর রেকিক, মন্তাসার তালবি, ইয়ান ভ্যালেরি
মিডফিল্ডার মরতাদা বেন ওয়ানেস, আনিস বেন স্লিমান, ইসমাইল ঘারবি, রানি খেদিরা, হাদজ মাহমুদ, হানিবাল মেজব্রি, এলিয়েস স্কিরি
ফরোয়ার্ড এলিয়াস আচৌরি, খলিল আয়ারি, ফিরাস শাওয়াত, রায়ান এল্লুমি, হাযেম মাস্তুরি, এলিয়াস সাদ, সেবাস্তিয়ান তৌনেকতি
সুইডেন চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক ভিক্টর ইয়োহানসন, গুস্তাফ লাগারবিয়েলকে, ক্রিস্টোফার নর্ডফেল্ট, জ্যাকব জেটারস্ট্রম
ডিফেন্ডার হ্যালমার একডাল, গ্যাব্রিয়েল গুডমুন্ডসন, ইসাক হিয়েন, ভিক্টর লিন্ডেলফ, এরিক স্মিথ, কার্ল স্টারফেল্ট, ড্যানিয়েল সুয়েনসন
মিডফিল্ডার ইয়াসিন আয়ারি, লুকাস বের্গভাল, ইয়েসপার কার্লস্ট্রম, বেঞ্জামিন নাইগ্রেন, কেন সেমা, এলিয়ট স্ট্রাউড, ম্যাটিয়াস স্ভানবার্গ, বেসফর্ট জেনেলি
ফরোয়ার্ড তাহা আলি, আলেকজান্ডার বার্নহার্ডসন, অ্যান্থনি এলাঙ্গা, ভিক্টর গিয়োকেরেস, আলেকজান্ডার ইসাক, গুস্তাফ নিলসন

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।
জার্মানি চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক অলিভার বাউমান, ম্যানুয়েল নয়্যার, আলেকজান্ডার নুবেল
ডিফেন্ডার ওয়াল্ডেমার আন্তন, নাথানিয়েল ব্রাউন, জশুয়া কিমিখ, ডেভিড রাউম, আন্তোনিও রুডিগার, নিকো শ্লটারবেক, জোনাথন তাহ, মালিক থিয়াও
মিডফিল্ডার নাদিয়েম আমিরি, লেওন গোরেটজকা, পাসকাল গ্রস, লেনার্ট কার্ল, জেমি লেভেলিং, জামাল মুসিয়ালা, ফেলিক্স এনমেচা, আলেকসান্দার পাভলোভিচ, লেরয় সানে, অ্যাঞ্জেলো স্টিলার, ফ্লোরিয়ান ভির্ট্জ
ফরোয়ার্ড ম্যাক্সিমিলিয়ান বায়ার, কাই হাভার্টজ, ডেনিজ উন্দাভ, নিক ভোল্টেমেড
আইভরি কোস্ট চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক ইয়াহিয়া ফোফানা, মোহামেদ কোনে, আলবান লাফোঁ
ডিফেন্ডার এমমানুয়েল আগবাদু, ক্রিস্টোফার ওপেরি, ওসমান দিওমান্দে, গ্যুয়েলা দোয়ে, ঘিসলাঁ কোনান, ওডিলন কসুনু, উইলফ্রিড সিঙ্গো, ইভান এনডিক্কা
মিডফিল্ডার সেকো ফোফানা, পারফে গুইয়াগন, ক্রিস্ট ইনাওয়া ওলাই, ফ্রাঙ্ক কেসিয়ে, ইব্রাহিম সাঙ্গারে, জ্যাঁ-মিশেল সেরি
ফরোয়ার্ড সাইমন আদিংরা, আঞ্জ-ইয়োয়ান বনি, আমাদ দিওলো, ওমর দিয়াকিতে, ইয়ান দিওমান্দে, ইভান গুয়েসঁদ, নিকোলাস পেপে, বাজারমানা তুরে, এলিয়ে ওয়াহি
ইকুয়েডর চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক হেরনান গালিন্দেস, গনসালো ভাল্লে, মোইসেস রামিরেস
ডিফেন্ডার পিয়েরো হিনকাপিয়ে, উইলিয়ান পাচো, পেরভিস এস্তুপিনিয়ান, অ্যাঞ্জেলো প্রেসিয়াদো, জোয়েল অর্দোনিয়েজ, ফেলিক্স তোরেস, জ্যাকসন পোরোজো, ইয়াইমার মেদিনা
মিডফিল্ডার মোইসেস কাইসেদো, অ্যালান ফ্রাঙ্কো, গনসালো প্লাতা, কেন্দ্রি পায়েস, পেদ্রো ভিতে, জর্ডি আলসিভার, ডেনিল কাস্তিলো, জন ইয়েবোয়া, নিলসন আঙ্গুলো, অ্যালান মিন্ডা
ফরোয়ার্ড এন্নার ভালেন্সিয়া, কেভিন রদ্রিগেজ, জর্ডি কাইসেদো, অ্যান্থনি ভালেন্সিয়া, জেরেমি আরেভালো
কুরাসাও চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক টাইরিক বডাক, ট্রেভর ডুর্নবুশ, এলয় রুম
ডিফেন্ডার রিশেদলি বাজোয়ার, জোশুয়া ব্রেনেট, রোশন ভ্যান আইজমা, শেরেল ফ্লোরানুস, ডেভেরন ফোনভিল, জুরিয়েন গারি, আরমান্দো ওবিস্পো, শুরান্দি সাম্বো
মিডফিল্ডার জুনিনহো বাকুনা, লিয়ান্দ্রো বাকুনা, লিভানো কোমেনেনসিয়া, কেভিন ফেলিদা, আরজানি মার্থা, টাইরিস নসলিন, গডফ্রিড রোমেরাতোয়ে
ফরোয়ার্ড জেরেমি আন্তোনিসে, তাহিথ চং, কেনজি গোরে, সঁতিয়ে হ্যানসেন, জারভেন কাস্তানিয়ার, ব্র্যান্ডলি কুয়াস, জুর্গেন লোকাদিয়া, জার্ল মার্গারিথা

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি আগামী এক বছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং জার্মানির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবকের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২ জুন) জাতিসংঘের সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের প্রার্থীকে হারিয়ে বিজয়ী হন তিনি।
জানা যায়, জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ দূত আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস।

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।
অস্ট্রেলিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ, পল ইজ্জো, ম্যাথিউ রায়ান
ডিফেন্ডার আজিজ বেহিচ, জর্ডান বস, ক্যামেরন বার্গেস, আলেসান্দ্রো সিরকাতি, মিলোস ডেগেনেক, জেসন গেরিয়া, লুকাস হেরিংটন, জ্যাকব ইতালিয়ানো, হ্যারি সাউতার, কাই ট্রেউইন
মিডফিল্ডার ক্যামেরন ডেভলিন, আজদিন হ্রুস্টিচ, জ্যাকসন আরভিন, কনর মেটকাফ, পল ওকন-এংস্টলার, এইডেন ও’নিল
ফরোয়ার্ড নেস্টরি ইরানকুন্ডা, ম্যাথিউ লেকি, আওয়ার মাবিল, মোহামেদ তুরে, নিশান ভেলুপিল্লাই, ক্রিস্টিয়ান ভলপাটো, টেটে ইয়েঙ্গি।
প্যারাগুয়ে চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিল, রবার্তো ফার্নান্দেস, গাস্তন ওলভেইরা
ডিফেন্ডার হুয়ান কাসেরেস, গুস্তাভো ভেলাসকেস, গুস্তাভো গোমেস, জুনিয়র আলোনসো, হোসে কানালে, ওমার আলদেরেতে, আলেক্সান্দ্রো মাইদানা, ফাবিয়ান বালবুয়েনা
মিডফিল্ডার দিয়েগো গোমেস, মৌরিসিও মাগালায়েস, দামিয়ান বোবাডিয়া, ব্রায়ান ওহেদা, আন্দ্রেস কুবাস, মাতিয়াস গালারজা, আলেহান্দ্রো গামাররা
ফরোয়ার্ড গুস্তাভো কাবালেরো, রামন সোসা, আলেক্স আরসে, ইসিদ্রো পিত্তা, গ্যাব্রিয়েল আভালোস, মিগেল আলমিরন, হুলিও এনসিসো, আন্তোনিও সানাব্রিয়া
তুর্কি চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক আলতায় বাইয়িন্দির, এরসিন দেস্তানোউলু, মের্ত গুনক, মুহাম্মেদ শেংজের, উগুরচান চাকির
ডিফেন্ডার আবদুলকেরিম বারদাকচি, আহমেতজান কাপলান, চাগলার সোয়ুনচু, এরেন এলমালি, ফেরদি কাদিওগ্লু, মেরিহ দেমিরাল, মের্ত মুলদুর, মুস্তাফা এস্কিহেল্লাচ, ওজান কাবাক, সামেত আকায়দিন, ইউসুফ আকচিচেক, জেকি চেলিক
মিডফিল্ডার আতাকান কারাজোর, দেমির এজে তিকনাজ, হাকান চালহানওগ্লু, ইসমাইল ইউকশেক, কান আয়হান, ওরকুন কোকচু, সালিহ ওজকান
ফরোয়ার্ড আরাল সিমসির, আর্দা গুলের, বারিশ আলপার ইলমাজ, ক্যান উজুন, ডেনিজ গুল, ইরফান কান কাহভেচি, কেনান ইয়িলদিজ, কেরেম আক্তুরকোগলু, ওগুজ আয়দিন, ইউনুস আকগুন, ইউসুফ সারি
যুক্তরাষ্ট্র চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক ক্রিস ব্র্যাডি, ম্যাট ফ্রিস, ম্যাট টার্নার
ডিফেন্ডার ম্যাক্স আর্ফস্টেন, সার্জিনো ডেস্ট, অ্যালেক্স ফ্রিম্যান, মার্ক ম্যাকেঞ্জি, টিম রিম, ক্রিস রিচার্ডস, অ্যান্টোনি রবিনসন, মাইলস রবিনসন, জো স্ক্যালি, অস্টন ট্রাস্টি
মিডফিল্ডার টাইলার অ্যাডামস, সেবাস্তিয়ান বেরহাল্টার, ওয়েস্টন ম্যাককেনি, ক্রিশ্চিয়ান রোলদান, ব্রেন্ডেন অ্যারনসন, ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিক, জিও রেয়না, মালিক টিলম্যান, টিমোথি ওয়াহ, আলেহান্দ্রো জেনদেজাস
ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুন, রিকার্ডো পেপি, হাজি রাইট।

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।
ব্রাজিল চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক আলিসন, এদেরসন, ওয়েভারতন
ডিফেন্ডার আলেক্স সান্দ্রো, ব্রেমার, দানিলো, ডগলাস সান্তোস, গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস, ইবানিয়েজ, লেও পেরেইরা, মার্কিনিয়োস, ওয়েসলি
মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারায়েস, কাসেমিরো, দানিলো সান্তোস, ফাবিনিও, লুকাস পাকেতা
ফরোয়ার্ড এন্দ্রিক, গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি, ইগর থিয়াগো, লুইজ হেনরিকে, মাতেউস কুনিয়া, নেইমার জুনিয়র, রাফিনিয়া, রায়ান, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
হাইতি চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক জোস্যু দুভেরজে, আলেক্সান্দ্রে পিয়ের, জনি প্লাসিদ
ডিফেন্ডার রিকার্দো আডে, কার্লেন্স আর্কুস, হানেস ডেলক্রোয়া, জঁ-কেভিন দুভের্নে, মার্টিন এক্সপেরিয়েন্স, ডিউক ল্যাক্রোয়া, উইলগুয়েন্স পোগাঁ, কেতো থেরমন্সি
মিডফিল্ডার কার্ল ফ্রেড সাঁত, জঁ-রিকনার বেলগার্দ, লেভারটন পিয়ের, ড্যানলি জাঁ জ্যাক, উডেনস্কি পিয়ের, ডমিনিক সাইমন
ফরোয়ার্ড জোস্যু কাসিমির, লুইসিয়াস ডিডসন, ডেরিক এত্যিয়েন জুনিয়র, ইয়াসিন ফর্চুন, উইলসন ইসিডর, লেনি জোসেফ, ডুকেন্স নাজঁ, ফ্রাঁৎসদি পিয়েরে, রুবেন প্রভিদঁস
মরক্কো চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনু, মুনির এল কাজুই, রেদা তাগনাউতি
ডিফেন্ডার নুসাইর মাজরাউই, আনাস সালাহ-এদ্দিন, ইউসুফ বেলামারি, আচরাফ হাকিমি, জাকারিয়া এল ওয়াহদি, নায়েফ আগুয়ের্ড, চাদি রিয়াদ, রেদোয়ান হালহাল, ইসা দিয়োপ
মিডফিল্ডার সামির এল মরাবেত, আয়্যুব বোউআদি, নীল এল আয়নাউই, সোফিয়ান আম্রাবাত, আজজেদিন উনাহি, বিলাল এল খান্নুস, ইসমাইল সাইবারি
ফরোয়ার্ড আবদে এজালজুলি, শেমসদিন তালবি, সুফিয়ান রহিমি, আয়্যুব এল কাবি, ব্রাহিম দিয়াজ, গেসিম ইয়াসিন, আয়ুব আমাইমুনি
স্কটল্যান্ড চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক ক্রেগ গর্ডন, অ্যাঙ্গাস গান, লিয়াম কেলি
ডিফেন্ডার গ্রান্ট হ্যানলি, জ্যাক হেনড্রি, অ্যারন হিকি, ডম হাইয়াম, স্কট ম্যাককেনা, নাথান প্যাটারসন, অ্যান্থনি রালস্টন, অ্যান্ডি রবার্টসন, জন সাউটার, কিয়েরান টিয়ার্নি
মিডফিল্ডার রায়ান ক্রিস্টি, ফিন্ডলে কার্টিস, লুইস ফার্গুসন, টাইলার ফ্লেচার, বেন গ্যানন-ডোয়াক, জন ম্যাকগিন, কেনি ম্যাকলিন, স্কট ম্যাকটমিনে
ফরোয়ার্ড চে অ্যাডামস, লিন্ডন ডাইমন, জর্জ হার্স্ট, লরেন্স শ্যাঙ্কল্যান্ড, রস স্টুয়ার্ট

কেরানীগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নাম পরিবর্তন করে ‘বেগম খালেদা জিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, কেরানীগঞ্জ’ হিসেবে পুনঃনামকরণের একটি সার-সংক্ষেপ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কর্তৃক সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়। তবে, প্রধানমন্ত্রী এ প্রস্তাবটি অনুমোদন না করে একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত প্রদান করেন।
তিনি সুস্পষ্টভাবে অনুশাসন দেন যে, ‘প্রয়োজনে নতুন প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করুন, পুরাতন নয়।’ অর্থাৎ, পুরাতন প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন না করে, প্রয়োজনে নতুন কোনো উদ্যোগ বা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই নামকরণ বিবেচনা করা যেতে পারে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে চাপে রাখতে রাজনৈতিক কর্মসূচির মধ্যে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ টেনে এনে বিস্ফোরক দাবি করেছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে সরকার বদল হলেও তার স্মৃতি খয়ে যায়নি। তার সবই জানা। তিনি মুখ খুললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে।
এ মন্তব্যে মমতা কারও নাম উল্লেখ করেননি। তবে স্থানীয় সাংবাদিকরা বলছেন, বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি হত্যা এবং ভারতে আসামি গ্রেপ্তার প্রসঙ্গেই মমতা মন্তব্য করেছেন।
বিজেপির বিরুদ্ধে মঙ্গলবার (২ জুন) অবস্থান কর্মসূচিতে বসেছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে দেওয়া বক্তব্যে তাকে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে বলতে শোনা যায়।
বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল। যা নিয়ে বাংলাদেশে অনেক আন্দোলন হয়েছিল। রাজ্য পুলিশের এসটিএফ সেই আসামিদের গ্রেপ্তার করেছিল উল্লেখ করে মমতা বলেন, ‘অন্য দেশের কথা আমি বলছি না। আমার অধিকারও নেই বলার। কিন্তু আমি যেটা বলতে চাইছি তা হলো ওই হত্যাকারীরা পশ্চিমবঙ্গে চলে আসে। বাংলায় আসার পর আমাদের এসটিএফ তাদের ধরে। এইটা তাদের কৃতিত্ব। কিন্তু তারপর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজে আমাকে ফোন করে জানিয়েছিলেন, আপনি রাজ্য পুলিশকে জানিয়ে দিন এটা যেন বাইরে না যায়। কারণ এটা দেশের ব্যাপার।’
মমতা আরও বলেন, ‘কাকে দিয়ে খুন করিয়েছিলেন? কার কার নাম বেরিয়ে ছিল? আজকের সরকার পরিবর্তন হলেও আমি সবটাই জানি। আমার হৃদয়টাই একটা কথার ভান্ডার। তথ্য ভান্ডার।’
তিনি বলেন, এত দিন আমি বলিনি। কিন্তু আজকে অত্যাচারে শেষ সীমায় গেছে বলে আমাকে মুখ খুলতে হয়েছে। আমি সেই নামটা বলতে চাইছি না, বললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে। আমি বাংলাদেশকে ভালবাসি। দেশের স্বার্থে ওই নাম আমি বলব না।’
কলকাতার ওয়াই চ্যানেলে তিনি অবস্থান কর্মসূচিতে বসেছেন। সেখানে তার পাশাপাশি নয়না ব্যানার্জী, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, দোলা সেন, কল্যাণ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, কল্যাণ ব্যানার্জী-সহ তৃণমূলের একাধিক নেতা ও কর্মীরা উপস্থিত হন।

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।
কানাডা চূড়ান্ত স্কোয়াড গোলরক্ষক ম্যাক্সিম ক্রেপো, ওয়েন গুডম্যান, ডেন স্ট. ক্লেয়ার
ডিফেন্ডার মোইসে বোম্বিতো, ডেরেক কর্নেলিয়াস, আলফনসো ডেভিস, লুক দ্য ফুয়েরোলেস, অ্যালিস্টার জনস্টন, আলফি জোন্স, রিচি লারিয়া, নিকো সিগুর, জোয়েল ওয়াটারম্যান
মিডফিল্ডার আলি আহমেদ, তাজন বুকানান, ম্যাথিউ চোইনিয়েরে, স্টিফেন ইউস্তাকিও, ইসমাইল কোনে, লিয়াম মিলার, জনাথন ওসোরিও, নাথান-ডিলান সালিবা, জ্যাকব শ্যাফেলবার্গ
ফরোয়ার্ড জনাথন ডেভিড, প্রমিস ডেভিড, সাইলে লারিন, তানি ওলুওসেয়ি
কাতার চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক মাহমুদ আবুনাদা, শেহাব আল লিথি, মেশাল বারশাম, সালাহ জাকারিয়া
ডিফেন্ডার রায়ান আল আলি, আল হাশেমি আল হুসেইন, আয়ুব আল আলাওয়ি, বাসাম আল রাওয়ি, হোমাম আল আমিন, সুলতান আল ব্রাক, বুয়ালেম খুকি, নিয়াল মেসন, লুকাস মেন্ডেস, পেদ্রো মিগুয়েল, তারেক সালমান
মিডফিল্ডার করিম বৌদিয়াফ, আহমেদ ফাতহি, জাসেম গাবের, আবদুলআজিজ হাতেম, ইসা লাই, আসিম মাদিবো, মোহাম্মদ মানাই, তাহসিন মোহাম্মদ, মোহাম্মদ ওয়াদ
ফরোয়ার্ড ইউসুফ আবদেলরিসাক, আকরাম আফিফ, আহমেদ আলাএদ্দিন, হাসান আল হায়দোস, আলমোয়েজ আলি, আহমেদ আল জানহি, এডমিলসন জুনিয়র, মোহাম্মদ মুনতারি, মুবারক শানান, সেবাস্তিয়ান সোরিয়া
সুইজারল্যান্ড চূড়ান্ত স্কোয়াড গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেল, মারভিন কেলার, ইয়ভঁ ম্ভোগো
ডিফেন্ডার ম্যানুয়েল আকাঞ্জি, অরেল আমেন্ডা, এরায় কোর্মেট, নিকো এলভেদি, লুকা ইয়াকেজ, মিরো মুইহেম, রিকার্ডো রদ্রিগেজ, সিলভান উইডমার
মিডফিল্ডার মিশেল আয়েবিশার, ক্রিশ্চিয়ান ফাসনাখট, রেমো ফ্রয়লার, সেড্রিক ইতেন, আরদন জাশারি, ফ্যাবিয়ান রাইডার, দ্যব্রিল সাও, গ্রানিত জাকা, ডেনিস জাকারিয়া
ফরোয়ার্ড জেকি আমদুনি, ব্রিল এমবলো, জোহান মানজাম্বি, ড্যান এনডয়ে, নোয়া ওকাফর, রুবেন ভারগাস
বসনিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড গোলরক্ষক ওসমান হাজদিকিচ, নিকোলা ভাসিলজ, মার্টিন জ্লোমিসলিচ
ডিফেন্ডার নিদাল চেলিক, আমার দেদিচ, ডেনিস হাজদিকাদুনিচ, নিকোলা কাটিচ, সেয়াদ কোলাশিনাচ, তারিক মুহারেমোভিচ, নিহাদ মুজাকিচ, স্তিয়েপান রাদেলিয়িচ
মিডফিল্ডার কেরিম আলাইবেগোভিচ, এসমির বাইরাকতারেভিচ, ইভান বাসিচ, জেনিস বুরনিচ, আরমিনা গিগোভিচ, আমির হাজদিয়াহমেতোভিচ, এরমিন মাহমিচ, আমার মেমিচ, ইভান শুনজিচ, বেঞ্জামিন তাহিরোভিচ
ফরোয়ার্ড সামেদ বাজদার, এরমেদিন দেমিরোভিচ, এদিন জেকো, জোভো লুকিচ, হারিস তাবাকোভিচ।

লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েল পারস্পরিক উত্তেজনা কমাতে এবং সংঘর্ষ সীমিত করতে সম্মত হয়েছে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। মঙ্গলবার (২ জুন) এই হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের পিতা ও তার দুই সন্তানও রয়েছে।
এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ সব ধরনের গোলাগুলি বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে।
তবে বাস্তবে সংঘাত প্রশমনের তেমন কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় নতুন হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। পাল্টা জবাবে অধিকৃত ভূখণ্ডে ইসরায়েলি সামরিক অবস্থান ও বসতিগুলো লক্ষ্য করে রকেট ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ।
লেবাননের জাতীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, মারজাইউন ও নাবাতিয়েহ সংযোগ সড়কে একটি গাড়িতে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় লেবাননের দন্তচিকিৎসক জেমস কারাম এবং তার দুই সন্তান নিহত হন।
অন্যদিকে নাবাতিয়েহর কাছে আরেকটি এলাকায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় দুই লেবানিজ সেনা আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী।
সোমবার লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, সাইদা জেলার মারওয়ানিয়েহ শহরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় ছয়জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন নারী ও দুই শিশু রয়েছে। এ হামলায় আরও এক নারী, এক শিশু এবং চারজন আহত হয়েছেন।
সংঘাত থামানোর চেষ্টার অংশ হিসেবে সোমবার ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলেন। একই সঙ্গে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হিজবুল্লাহর সঙ্গেও যোগাযোগ করেন তিনি।
এরপর ট্রাম্প দাবি করেন, বৈরুতে কোনো সেনা যাবে না। সাম্প্রতিক সময়ে বৈরুতের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের স্থল অভিযান চালানোর হুমকির প্রসঙ্গ টেনে তিনি এ কথা বলেন।
তেহরান সতর্ক করেছিল, বৈরুতে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু হলে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী প্রতিক্রিয়া জানাবে এবং ওয়াশিংটনের সঙ্গে বিদ্যমান নাজুক যুদ্ধবিরতিও ভেঙে পড়তে পারে। এর পরই সংঘাতরত পক্ষগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করেন ট্রাম্প।
কিন্তু ট্রাম্পের ঘোষণার পর নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে বলেন, ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাবে। সেখানে তাদের স্থলবাহিনী জাহরানি নদীর দিকে অগ্রসর হচ্ছে। তার বিবৃতিতে নতুন কোনো যুদ্ধবিরতির উল্লেখ ছিল না।

বগুড়ায় পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় যুবদল নেতাসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও দুই ব্যক্তি। সোমবার (০১ জুন) রাতে এবং মঙ্গলবার (০২ জুন) সকাল ও দুপুরে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
সোমবার রাত ৮টার দিকে দুপচাঁচিয়া উপজেলার জিয়ানগর ইউনিয়নের মর্তুজাপুর কলেজ গেটসংলগ্ন দুপচাঁচিয়া-আক্কেলপুর সড়কে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় পলাশ হোসেন (৪০) নিহত হন।
তিনি নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার চাকলা গ্রামের বাবু মন্ডলের ছেলে। এছাড়াও তিনি পাহাড়পুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ছিলেন। দুপচাঁচিয়া থানার ওসি তাজলিমুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন৷
এদিকে কাহালু থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, কাহালুতে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী তামিম হোসেন (১৮) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তার সঙ্গে থাকা অপর একজন। মঙ্গলবার (২ জুন) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তামিম হোসেন বগুড়া সদর উপজেলার এরুলিয়া উত্তরপাড়া গ্রামের মো. খোকনের ছেলে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন একই গ্রামের মো. ফজলুর রহমানের ছেলে মো. শামীম হোসেন (১৮)। তারা দুজনেই পেশায় ফ্রিজ মিস্ত্রি ছিলেন।
ধুনট থানার ওসি আতিকুল ইসলাম বলেন, ধুনট উপজেলায় অজ্ঞাতনামা একটি ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী শাকিল হোসেন (২৮) নিহত ও তার সঙ্গি আশিক আহমেদ (২২) আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার দুপুরে ধুনট-শেরপুর আঞ্চলিক সড়কের মাঠপাড়া সেতু এলাকায় এ দূর্ঘটনা ঘটে। নিহত শাকিল ও আহত আশিক কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার রসুনশিমুলবাড়ী এলাকার বাসিন্দা।

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।
মেক্সিকো চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক কার্লোস আসেভেদো, গিয়েরমো ওচোয়া, রাউল রাঙ্গেল
ডিফেন্ডার এডসন আলভারেজ, মাতেও চাভেজ, হেসুস গালিয়ার্দো, সেসার মন্তেস, ইসরায়েল রেয়েস, হোর্হে সানচেজ, জোহান ভাসকেস
মিডফিল্ডার লুইস চাভেজ, আলভারো ফিদালগো, ব্রায়ান গুতিয়েরেস, এরিক লিরা, গিলবার্তো মোরা, লুইস রোমো, ওর্বেলিন পিনেদা, ওবেদ ভার্গাস
ফরোয়ার্ড রবার্তো আলভারাদো, সান্তিয়াগো হিমেনেস, আরমান্দো গনসালেস, সেসার উয়ার্তা, রাউল হিমেনেস, গিয়েরমো মার্টিনেস, হুলিয়ান কুইনোনেস, আলেক্সিস ভেগা।
সাউথ আফ্রিকা চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামস, রিকার্ডো গস, সিফো শেইনে
ডিফেন্ডার খুলিসো মুদাউ, ওলওয়েথু মাখানিয়া, ব্র্যাডলি ক্রস, অব্রি মোদিবা, থাবাং মাতুলুদি, নকোসিনাথি সিবিসি, খুলুমানি এনডামানে, আইমে ওকন, সামুকেলে কাবিনি, মবেকেজেলি এমবোকাজি, কামোগেলো সেবেলেবে
মিডফিল্ডার তেবোহো মোকোয়েনা, জেইডেন অ্যাডামস, থালেন্তে এমবাথা, স্পেপেলো সিথোলি
ফরোয়ার্ড ওসউইন অ্যাপোলিস, চেপাং মোরেমি, এভিডেন্স মাকগোপা, লাইল ফস্টার, ইকরাাম রায়নার্স, রিলেহবিলে মোফোকেং, থেম্বা জ্বানে, থাপেলো মাশেকো।
দক্ষিণ কোরিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক সঙ বুমগিউন, জো হিউনউ, কিম সেউং-গিউ
ডিফেন্ডার জেন্স কাস্ত্রোপ, লি হানবেম, পার্ক জিনসিওব, লি কিহিউক, কিম মিন-জে, কিম মুনহোয়ান, কিম তায়েহিউন, লি তাইসোক, সল ইয়ংউ, চো উইজে
মিডফিল্ডার লি ডংগিয়ং, হোয়াং হি-চান, ইয়াং হিউনজুন, হোয়াং ইনবিওম, লি জায়েসুং, কিম জিনগিউ, উম জিসুং, বে জুনহো, লি কাং-ইন, প্যাক সেউংহো
ফরোয়ার্ড চো গিউসুং, সন হিউং-মিন, ও হিয়নগিউ।
চেকিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক লুকাস হর্নিচেক, মাতেই কোভার, ইন্দ্রিখ স্তানার্ক
ডিফেন্ডার ভ্লাদিমির কৌফাল, ডেভিড দৌদেরা, তোমাশ হোলেশ, রবিন হ্রানাচ, স্তেপান চালৌপেক, ডেভিড জুরাসেক, লাদিস্লাভ ক্রেইচি, ইয়ারোস্লাভ জেলেনি, ডেভিড জিমা
মিডফিল্ডার পাভেল বুচা, লুকাস চের্ভ, ভ্লাদিমির দারিদা, তোমাশ লাদ্রা, লুকাস প্রোভোদ, মিখাল সাদিলেক, হুগো সোচুরেক, আলেক্সান্দ্র সোজকা, তোমাশ সউচেক, পাভেল শুলচ, ডেনিস ভিসিনস্কি
ফরোয়ার্ড আদাম হ্লোজেক, তোমাশ চোরি, ময়মির খিতিল, ক্রিস্তোফ কাবোঙ্গো, ইয়ান কুখতা, প্যাট্রিক শিক

দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের বোঝা আরও ভারী হয়ে উঠেছে। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে (গত বছরের ডিসেম্বরের তুলনায়) ব্যাংকিং খাতে শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
এর ফলে গত মার্চ শেষে মোট শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা, যা বিতরণকৃত মোট ঋণের ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মঙ্গলবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর দেশের ৬১টি তফসিলি ব্যাংকের মোট শ্রেণিকৃত ঋণ ছিল ৫ লাখ ৫৭ হাজার ২১৬ কোটি ৯২ লাখ টাকা। যা ছিল ওই সময় পর্যন্ত বিতরণ করা ঋণের ৩০ দশমিক ৬০ শতাংশ।
মার্চ ২০২৬ শেষে তা ১ দশমিক ৬৬ শতাংশ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশে ঠেকেছে।
অন্যদিকে, প্রকৃত খেলাপি ঋণ-এর হিসাব ধরলে, তিন মাসে তা ১৯ হাজার ২৭৩ কোটি ৭৬ লাখ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৬৪ হাজার ১০৫ কোটি টাকায়, যা মোট ঋণের ৩০ দশমিক ৯২ শতাংশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতেই খেলাপি ঋণের হার সবচেয়ে বেশি।
রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংক: মার্চ ২০২৬ শেষে এই ব্যাংকগুলোর শ্রেণিকৃত ঋণের গ্রস হার দাঁড়িয়েছে ৪৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ, যা গত ডিসেম্বরে ছিল ৪৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণের হার ২৮ দশমিক ২৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩০ দশমিক ১১ শতাংশ হয়েছে।
বিশেষায়িত ব্যাংক: এই খাতে শ্রেণিকৃত ঋণের হার ৩৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৪০ দশমিক ৭২ শতাংশ।
বিদেশী ব্যাংক: বিদেশী ব্যাংকগুলো তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকলেও তাদের খেলাপি ঋণের হার ৪ দশমিক ৫১ শতাংশ থেকে সামান্য বেড়ে ৪ দশমিক ৮২ শতাংশ হয়েছে।
খেলাপি ঋণের বার্ষিক বা এক বছরের ব্যবধানের চিত্রটি আরও ভয়াবহ। গত মার্চ ২০২৫ ত্রৈমাসিকে ব্যাংকিং খাতে মোট শ্রেণিকৃত ঋণের গ্রস হার ছিল মাত্র ২৪.১৩ শতাংশ। অর্থাৎ, মাত্র এক বছরের ব্যবধানে দেশের ব্যাংক খাতে শ্রেণিকৃত ঋণের গ্রস হার ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে।
খেলাপি ঋণ বাড়ার পাশাপাশি ব্যাংকগুলোর প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশন ঘাটতিও আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে । মার্চ ২০২৬ শেষে ব্যাংক খাতের মোট রক্ষিতব্য প্রভিশন ছিল ৪ লাখ ৬১ হাজার ৭১৪ কোটি টাকা, যার বিপরীতে ব্যাংকগুলো সংরক্ষণ করতে পেরেছে ২ লাখ ৫৬ হাজার ৪৯ কোটি টাকা। ফলে সামগ্রিক ব্যাংক খাতে প্রভিশন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫ হাজার ৬৬৫ কোটি টাকা।
গত ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে এই ঘাটতি ছিল ১ লাখ ৯১ হাজার ৪৪১ কোটি টাকা। অর্থাৎ, তিন মাসে প্রভিশন ঘাটতি বেড়েছে ১৪ হাজার ২২৩ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ ২০২৫ শেষে ব্যাংকিং খাতে বিতরণকৃত ঋণের স্থিতি ছিল ১৭ লাখ ৪১ হাজার ৯৯২ কোটি টাকা, যা মার্চ ২০২৬ এ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ২৪ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ, বিগত এক বছরে ঋণ বিতরণের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৮২ হাজার ৬৭৬ কোটি টাকা বা ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ।
এই সময়ে সবচেয়ে বেশি ঋণ বেড়েছে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে (৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ) এবং সবচেয়ে কম বেড়েছে বিদেশী ব্যাংকগুলোতে (০.৯২ শতাংশ)।

২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের ৪৮টি দল তাদের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে গ্রুপপর্বের সূচিও ঘোষণা করেছে ফিফা। আগামী ১১ জুন রাতে মেক্সিকো সিটিতে মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে। ২৮ জুন প্রথম পর্ব শেষ হয়ে একই দিনে শুরু হবে নকআউট পর্ব।
গোলরক্ষক ওসামা বেনবট, মেলভিন মাস্টিল, লুকা জিদান
ডিফেন্ডার আশরাফ আবাদা, রায়ান আইত-নুরি, জিনেদ্দিন বেলাইদ, রাফিক বেলঘালি, রামি বেনসেবাইনি, সামির শেরগুই, জাওয়েন হাদজাম, আইসা মান্দি, মোহামেদ তুগাই
মিডফিল্ডার হৌসেম আওয়ার, নাবিল বেনতালেব, হিচাম বুদাউই, ফারেস শাইবি, ইব্রাহিম মাজা, ইয়াসিন তিত্রাউই, রামিজ জেরুকি
ফরোয়ার্ড মোহামেদ আমুরা, নাধির বেনবুয়ালি, আদিল বুলবিনা, ফারেস ঘেদজেমিস, আমিন গুইরি, রিয়াদ মাহরেজ, আনিস হাজ মুসা।
গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, জেরোনিমো রুলি, হুয়ান মুসো
ডিফেন্ডার নাহুয়েল মোলিনা, গনসালো মন্টিয়েল, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, লিওনার্দো বালের্দি, নিকোলাস ওতামেন্দি, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, ফাকুন্দো মেদিনা
মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস, আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, রদ্রিগো দে পল, জিওভানি লো সেলসো, এক্সেকিয়েল পালাসিওস, এনজো ফার্নান্দেস, ভ্যালেন্তিন বার্কো
ফরোয়ার্ড লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ, লাউতারো মার্তিনেজ, থিয়াগো আলমাদা, নিকোলাস পাজ, নিকোলাস গনসালেস, জুলিয়ানো সিমিওনে, হোসে ম্যানুয়েল লোপেস।
গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ, পল ইজ্জো, ম্যাথিউ রায়ান
ডিফেন্ডার আজিজ বেহিচ, জর্ডান বস, ক্যামেরন বার্গেস, আলেসান্দ্রো সিরকাতি, মিলোস ডেগেনেক, জেসন গেরিয়া, লুকাস হেরিংটন, জ্যাকব ইতালিয়ানো, হ্যারি সাউতার, কাই ট্রেউইন
মিডফিল্ডার ক্যামেরন ডেভলিন, আজদিন হ্রুস্টিচ, জ্যাকসন আরভিন, কনর মেটকাফ, পল ওকন-এংস্টলার, এইডেন ও’নিল
ফরোয়ার্ড নেস্টরি ইরানকুন্ডা, ম্যাথিউ লেকি, আওয়ার মাবিল, মোহামেদ তুরে, নিশান ভেলুপিল্লাই, ক্রিস্টিয়ান ভলপাটো, টেটে ইয়েঙ্গি।
গোলরক্ষক প্যাট্রিক পেনৎস, আলেকজান্ডার শ্লাগার, ফ্লোরিয়ান উইগেলে
ডিফেন্ডার ডেভিড আফেনগ্রুবার, ডেভিড আলাবা, কেভিন ডানসো, মার্কো ফ্রিডল, ফিলিপ লিনহার্ট, ফিলিপ মভেনে, স্টেফান পসখ, আলেকজান্ডার প্রাস, মাইকেল সভোবোদা
মিডফিল্ডার ক্রিস্টফ বাউমগার্টনার, কার্নি চুকুয়েমেকা, ফ্লোরিয়ান গ্রিলিচ, কনরাড লাইমার, মার্সেল সাবিৎসার, জাভের শ্লাগার, রোমানো শ্মিড, আলেসান্দ্রো শপফ, নিকোলাস সাইভাল্ড, পল ভানার, প্যাট্রিক ভিমার
ফরোয়ার্ড মার্কো আরনাউটোভিচ, মাইকেল গ্রেগোরিচ, সাশা কালাইডজিচ।
গোলরক্ষক থিবো কুর্তোয়া, সেনে ল্যামেন্স, মাইক পেন্ডার্স
ডিফেন্ডার টিমোথি কাস্তানিয়ে, জেনো ডেবাস্ট, ম্যাক্সিম ডে কুইপার, কোনি ডে উইন্টার, ব্র্যান্ডন মেখেলে, থমাস মুনিয়ে, নাথান এনগয়, জোয়াকিন সেইস, আর্থার থিয়াতে
মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইনে, আমাদু ওনানা, নিকোলাস রাসকিন, ইউরি টিলেমান্স, হান্স ভানাকেন, অ্যাক্সেল উইটসেল
ফরোয়ার্ড চার্লস ডে কেতেলায়েরে, জেরেমি ডোকু, মাতিয়াস ফার্নান্দেজ-পার্দো, রোমেলু লুকাকু, দোদি লুকেবাকিও, দিয়েগো মোরেইরা, আলেক্সিস সালেমেকার্স, লিয়ান্দ্রো ত্রোসার্ড।
গোলরক্ষক ওসমান হাজদিকিচ, নিকোলা ভাসিলজ, মার্টিন জ্লোমিসলিচ
ডিফেন্ডার নিদাল চেলিক, আমার দেদিচ, ডেনিস হাজদিকাদুনিচ, নিকোলা কাটিচ, সেয়াদ কোলাশিনাচ, তারিক মুহারেমোভিচ, নিহাদ মুজাকিচ, স্তিয়েপান রাদেলিয়িচ
মিডফিল্ডার কেরিম আলাইবেগোভিচ, এসমির বাইরাকতারেভিচ, ইভান বাসিচ, জেনিস বুরনিচ, আরমিনা গিগোভিচ, আমির হাজদিয়াহমেতোভিচ, এরমিন মাহমিচ, আমার মেমিচ, ইভান শুনজিচ, বেঞ্জামিন তাহিরোভিচ
ফরোয়ার্ড সামেদ বাজদার, এরমেদিন দেমিরোভিচ, এদিন জেকো, জোভো লুকিচ, হারিস তাবাকোভিচ।
গোলরক্ষক আলিসন, এদেরসন, ওয়েভারতন
ডিফেন্ডার আলেক্স সান্দ্রো, ব্রেমার, দানিলো, ডগলাস সান্তোস, গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস, ইবানিয়েজ, লেও পেরেইরা, মার্কিনিয়োস, ওয়েসলি
মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারায়েস, কাসেমিরো, দানিলো সান্তোস, ফাবিনিও, লুকাস পাকেতা
ফরোয়ার্ড এন্দ্রিক, গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি, ইগর থিয়াগো, লুইজ হেনরিকে, মাতেউস কুনিয়া, নেইমার জুনিয়র, রাফিনিয়া, রায়ান, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
গোলরক্ষক ভোজিনহা, মার্সিও রোজা, সি. জে. দোস সান্তোস
ডিফেন্ডার ডিনে বোর্হেস, সিডনি কাব্রাল, লোগান কস্তা, স্টিভেন মোরেরা, ওয়াগনার পিনা, জোয়াও পাওলো ফার্নান্দেস, রবার্তো ‘পিকো’ লোপেস, কেভিন পিরেস, ইআনিকে ‘স্টোপিরা’ তাভারেস
মিডফিল্ডার টেলমো আরকানজো, লারোস দুয়ার্তে, ডেরয় দুয়ার্তে, জামিরো মন্টেইরো, কেভিন পিনা, ইয়ানিক সেমেদো
ফরোয়ার্ড গিলসন বেনচিমল, জোভানে কাব্রাল, নুনো দা কস্তা, দাইলন লিভ্রামেন্তো, রায়ান মেন্দেস, গ্যারি রদ্রিগেস, উইলি সেমেদো, হেলিও ভেরেলা
গোলরক্ষক ম্যাক্সিম ক্রেপো, ওয়েন গুডম্যান, ডেন স্ট. ক্লেয়ার
ডিফেন্ডার মোইসে বোম্বিতো, ডেরেক কর্নেলিয়াস, আলফনসো ডেভিস, লুক দ্য ফুয়েরোলেস, অ্যালিস্টার জনস্টন, আলফি জোন্স, রিচি লারিয়া, নিকো সিগুর, জোয়েল ওয়াটারম্যান
মিডফিল্ডার আলি আহমেদ, তাজন বুকানান, ম্যাথিউ চোইনিয়েরে, স্টিফেন ইউস্তাকিও, ইসমাইল কোনে, লিয়াম মিলার, জনাথন ওসোরিও, নাথান-ডিলান সালিবা, জ্যাকব শ্যাফেলবার্গ
ফরোয়ার্ড জনাথন ডেভিড, প্রমিস ডেভিড, সাইলে লারিন, তানি ওলুওসেয়ি
গোলরক্ষক আলভারো মন্টেরো, কামিলো ভারগাস, ডেভিড ওসপিনা
ডিফেন্ডার ড্যানিয়েল মুনোজ, সান্তিয়াগো আরিয়াস, ডেভিনসন সানচেজ, জন লুকুমি, ইয়েরি মিনা, উইলার ডিটা, ডাইভার মাচাদো, জোহান মোকিকা
মিডফিল্ডার গুস্তাভো পুয়ের্তা, জেমস রদ্রিগেজ, জেফারসন লেরমা, জন আরিয়াস, হোর্হে কারাসকাল, হুয়ান ফার্নান্দো কিন্তেরো, রিচার্ড রিওস, কেভিন কাস্তানো, জামিনটন ক্যাম্পাজ, হুয়ান পোর্তিয়া
ফরোয়ার্ড লুইস দিয়াজ, লুইস সুয়ারেজ, জন কর্ডোবা, কার্লোস গোমেজ, হুয়ান কামিলো হের্নান্দেজ
গোলরক্ষক লিওনেল ম্পাসি, থিমোথি ফায়ুলু, ম্যাথিয়ু এপোলো
ডিফেন্ডার শঁসেল এমবেম্বা, অ্যারন ওয়ান-বিসাকা, অ্যালেক্স তুয়ানজেবে, আর্থার মাসুয়াকু, জোরিস কায়েম্বে, স্টিভ কাপুয়াদি, অ্যারন তশিবালা, ডিলান বাতুবিনসিকা, গেদিওঁ কালুলু
মিডফিল্ডার নোয়া সাদিকি, স্যামুয়েল মুতুসামি, এদো কায়েম্বে, ন্যাঙ্গাল’আয়েল মুকাউ, চার্লস পিকেল, নাথানায়েল এমবুকু, ব্রায়ান সিপেঙ্গা, মেশাক এলিয়া, গায়েল কাকুতা
ফরোয়ার্ড থিও বংগোন্ডা, ফিস্টন মায়েলে, সেড্রিক বাকাম্বু, সিমন বানজা, ইয়োয়ানে উইসা
গোলরক্ষক ইয়াহিয়া ফোফানা, মোহামেদ কোনে, আলবান লাফোঁ
ডিফেন্ডার এমমানুয়েল আগবাদু, ক্রিস্টোফার ওপেরি, ওসমান দিওমান্দে, গ্যুয়েলা দোয়ে, ঘিসলাঁ কোনান, ওডিলন কসুনু, উইলফ্রিড সিঙ্গো, ইভান এনডিক্কা
মিডফিল্ডার সেকো ফোফানা, পারফে গুইয়াগন, ক্রিস্ট ইনাওয়া ওলাই, ফ্রাঙ্ক কেসিয়ে, ইব্রাহিম সাঙ্গারে, জ্যাঁ-মিশেল সেরি
ফরোয়ার্ড সাইমন আদিংরা, আঞ্জ-ইয়োয়ান বনি, আমাদ দিওলো, ওমর দিয়াকিতে, ইয়ান দিওমান্দে, ইভান গুয়েসঁদ, নিকোলাস পেপে, বাজারমানা তুরে, এলিয়ে ওয়াহি
গোলরক্ষক ডমিনিক লিভাকোভিচ, ডমিনিক কোটারস্কি, ইভর পান্দুর
ডিফেন্ডার ইয়োশকো গভার্দিওল, দুয়ে চালেতা-সার, ইয়োসিপ শুতালো, ইয়োসিপ স্তানিসিচ, মারিন পংরাচিচ, মার্টিন এরলিচ, লুকা ভুসকোভিচ
মিডফিল্ডার লুকা মদ্রিচ, মাতেও কোভাচিচ, মারিও পাসালিচ, নিকোলা ভ্লাসিচ, লুকা সুচিচ, মার্টিন বাতুরিনা, ক্রিস্তিয়ান ইয়াকিচ, পেতার সুচিচ, নিকোলা মোরো, টনি ফ্রুক
ফরোয়ার্ড ইভান পেরিসিচ, আন্দ্রেই ক্রামারিচ, আনে বুডিমির, মার্কো পাসালিচ, পেতার মুসা, ইগর মাতানোভিচ
গোলরক্ষক টাইরিক বডাক, ট্রেভর ডুর্নবুশ, এলয় রুম
ডিফেন্ডার রিশেদলি বাজোয়ার, জোশুয়া ব্রেনেট, রোশন ভ্যান আইজমা, শেরেল ফ্লোরানুস, ডেভেরন ফোনভিল, জুরিয়েন গারি, আরমান্দো ওবিস্পো, শুরান্দি সাম্বো
মিডফিল্ডার জুনিনহো বাকুনা, লিয়ান্দ্রো বাকুনা, লিভানো কোমেনেনসিয়া, কেভিন ফেলিদা, আরজানি মার্থা, টাইরিস নসলিন, গডফ্রিড রোমেরাতোয়ে
ফরোয়ার্ড জেরেমি আন্তোনিসে, তাহিথ চং, কেনজি গোরে, সঁতিয়ে হ্যানসেন, জারভেন কাস্তানিয়ার, ব্র্যান্ডলি কুয়াস, জুর্গেন লোকাদিয়া, জার্ল মার্গারিথা
গোলরক্ষক লুকাস হর্নিচেক, মাতেই কোভার, ইন্দ্রিখ স্তানার্ক
ডিফেন্ডার ভ্লাদিমির কৌফাল, ডেভিড দৌদেরা, তোমাশ হোলেশ, রবিন হ্রানাচ, স্তেপান চালৌপেক, ডেভিড জুরাসেক, লাদিস্লাভ ক্রেইচি, ইয়ারোস্লাভ জেলেনি, ডেভিড জিমা
মিডফিল্ডার পাভেল বুচা, লুকাস চের্ভ, ভ্লাদিমির দারিদা, তোমাশ লাদ্রা, লুকাস প্রোভোদ, মিখাল সাদিলেক, হুগো সোচুরেক, আলেক্সান্দ্র সোজকা, তোমাশ সউচেক, পাভেল শুলচ, ডেনিস ভিসিনস্কি
ফরোয়ার্ড আদাম হ্লোজেক, তোমাশ চোরি, ময়মির খিতিল, ক্রিস্তোফ কাবোঙ্গো, ইয়ান কুখতা, প্যাট্রিক শিক
গোলরক্ষক হেরনান গালিন্দেস, গনসালো ভাল্লে, মোইসেস রামিরেস
ডিফেন্ডার পিয়েরো হিনকাপিয়ে, উইলিয়ান পাচো, পেরভিস এস্তুপিনিয়ান, অ্যাঞ্জেলো প্রেসিয়াদো, জোয়েল অর্দোনিয়েজ, ফেলিক্স তোরেস, জ্যাকসন পোরোজো, ইয়াইমার মেদিনা
মিডফিল্ডার মোইসেস কাইসেদো, অ্যালান ফ্রাঙ্কো, গনসালো প্লাতা, কেন্দ্রি পায়েস, পেদ্রো ভিতে, জর্ডি আলসিভার, ডেনিল কাস্তিলো, জন ইয়েবোয়া, নিলসন আঙ্গুলো, অ্যালান মিন্ডা
ফরোয়ার্ড এন্নার ভালেন্সিয়া, কেভিন রদ্রিগেজ, জর্ডি কাইসেদো, অ্যান্থনি ভালেন্সিয়া, জেরেমি আরেভালো
গোলরক্ষক মোহামেদ আলা, মোহামেদ এল শেনাওয়ি, মোস্তফা শোবেয়র, এল মাহদি সোলিমান
ডিফেন্ডার হোসাম আবদেলমাগিদ, মোহামেদ আবদেলমোনেম, তারেক আলা, আহমেদ ফাতহি, কারিম হাফেজ, মোহামেদ হানি, ইয়াসের ইব্রাহিম, রামি রাবিয়া
মিডফিল্ডার ইমাম আশুর, মারওয়ান আত্তিয়া, নাবিল এমাদ, হামদি ফাথি, হাইথাম হাসান, মোহান্নাদ লাশিন, মাহমুদ সাবের, মাহমুদ হাসান ট্রেজেগুয়েত, মোস্তফা জিকো, আহমেদ সাঈদ জিজো
ফরোয়ার্ড হামজা আবদুলকরিম, ইব্রাহিম আদেল, ওমর মারমুশ, মোহামেদ সালাহ
গোলরক্ষক ডিন হেন্ডারসন, জর্ডান পিকফোর্ড, জেমস ট্র্যাফোর্ড
ডিফেন্ডার ড্যান বার্ন, মার্ক গেহি, রিস জেমস, এজরি কনসা, টিনো লিভরামেন্টো, নিকো ও’রাইলি, জারেল কুয়ানসা, জেড স্পেন্স, জন স্টোনস
মিডফিল্ডার এলিয়ট অ্যান্ডারসন, জুড বেলিংহাম, এবেরেচি এজে, জর্ডান হেন্ডারসন, কোবি মাইনু, ডেক্লান রাইস, মরগান রজার্স
ফরোয়ার্ড অ্যান্থনি গর্ডন, হ্যারি কেইন, ননি মাদুয়েকে, মার্কাস র্যাশফোর্ড, বুকায়ো সাকা, ইভান টনি, ওলি ওয়াটকিন্স
গোলরক্ষক মাইক মেনিয়ান, রবিন রিসার, ব্রিস সাম্বা
ডিফেন্ডার লুকাস দিন্য, মালো গুস্তো, লুকাস হার্নান্দেজ, থিও হার্নান্দেজ, ইব্রাহিমা কোনাতে, জুল কুন্দে, ম্যাক্সেন্স লাক্রোয়া, উইলিয়াম সালিবা, দায়ো উপামেকানো
মিডফিল্ডার এন’গোলো কান্তে, মানু কোনে, আদ্রিয়েন রাবিও, অরেলিয়াঁ শুয়ামেনি, ওয়ারেন জায়ের-এমেরি
ফরোয়ার্ড মাগনেস আকলিউশ, ব্র্যাডলি বারকোলা, রায়ান শেরকি, উসমান দেম্বেলে, দেজিরে দুয়ে, জ্যঁ-ফিলিপ মাতেতা, কিলিয়ান এমবাপ্পে, মাইকেল ওলিসে, মার্কাস তুরাম
গোলরক্ষক অলিভার বাউমান, ম্যানুয়েল নয়্যার, আলেকজান্ডার নুবেল
ডিফেন্ডার ওয়াল্ডেমার আন্তন, নাথানিয়েল ব্রাউন, জশুয়া কিমিখ, ডেভিড রাউম, আন্তোনিও রুডিগার, নিকো শ্লটারবেক, জোনাথন তাহ, মালিক থিয়াও
মিডফিল্ডার নাদিয়েম আমিরি, লেওন গোরেটজকা, পাসকাল গ্রস, লেনার্ট কার্ল, জেমি লেভেলিং, জামাল মুসিয়ালা, ফেলিক্স এনমেচা, আলেকসান্দার পাভলোভিচ, লেরয় সানে, অ্যাঞ্জেলো স্টিলার, ফ্লোরিয়ান ভির্ট্জ
ফরোয়ার্ড ম্যাক্সিমিলিয়ান বায়ার, কাই হাভার্টজ, ডেনিজ উন্দাভ, নিক ভোল্টেমেড
গোলরক্ষক লরেন্স আতি-জিগি, বেঞ্জামিন আসারে, সলোমন আগবাসি, জোসেফ আনাং, পল রেভারসন
ডিফেন্ডার জোনাস আদজেতে, আবদুল রহমান বাবা, আলেকজান্ডার দিকু, গিদেওন মেনসা, আবদুল মুমিন, জেরোম ওপোকু, কোজো পেপ্রা ওপং, আলিদু সেদু, মার্ভিন সেনায়া
মিডফিল্ডার অগাস্টিন বোয়াকি, আবদুল ফাতাউ, এলিশা ওয়ুসু, থমাস পার্টে, কওয়াসি সিবো, কামালদিন সুলেমানা, ক্যালেব ইয়িরেনকাই
ফরোয়ার্ড জর্ডান আয়েউ, ক্রিস্টোফার বোনসু বাহ, প্রিন্স কওয়াবেনা আদু, আর্নেস্ট নুয়ামা, আনতোয়ান সেমেনিও, ব্র্যান্ডন থমাস-আসান্তে, ইনাকি উইলিয়ামস
গোলরক্ষক জোস্যু দুভেরজে, আলেক্সান্দ্রে পিয়ের, জনি প্লাসিদ
ডিফেন্ডার রিকার্দো আডে, কার্লেন্স আর্কুস, হানেস ডেলক্রোয়া, জঁ-কেভিন দুভের্নে, মার্টিন এক্সপেরিয়েন্স, ডিউক ল্যাক্রোয়া, উইলগুয়েন্স পোগাঁ, কেতো থেরমন্সি
মিডফিল্ডার কার্ল ফ্রেড সাঁত, জঁ-রিকনার বেলগার্দ, লেভারটন পিয়ের, ড্যানলি জাঁ জ্যাক, উডেনস্কি পিয়ের, ডমিনিক সাইমন
ফরোয়ার্ড জোস্যু কাসিমির, লুইসিয়াস ডিডসন, ডেরিক এত্যিয়েন জুনিয়র, ইয়াসিন ফর্চুন, উইলসন ইসিডর, লেনি জোসেফ, ডুকেন্স নাজঁ, ফ্রাঁৎসদি পিয়েরে, রুবেন প্রভিদঁস
গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দ, হোসেইন হোসেইনি, পায়াম নিয়াজমান্দ
ডিফেন্ডার দানিয়াল ইরি, এহসান হাজসাফি, সালেহ হার্দানি, হোসেইন কানানি, শুজা খলিলজাদে, মিলাদ মোহাম্মাদি, আলি নেমাতি, রামিন রেজায়িয়ান
মিডফিল্ডার রৌজবেহ চেশমি, সাঈদ এজাতোলাহি, মেহদি ঘাইদি, সামান ঘোদ্দোস, মোহাম্মদ ঘোরবানী, আলিরেজা জাহানবাখশ, মোহাম্মদ মোহেবি, আমির মোহাম্মদ রাজাঘিনিয়া, মেহদি তারেমি, আরিয়া ইউসেফি
ফরোয়ার্ড আলি আলিপুর, ডেনিস দারঘাহি, আমিরহোসেইন হোসেইনজাদে, শাহরিয়ার মোগানলু, মেহদি তারেমি
গোলরক্ষক আহমেদ বাসিল, জালাল হাসান, ফাহাদ তালিব
ডিফেন্ডার হুসেইন আলি, মেরচাস দোস্কি, আকাম হাসেম, ফ্রান্স পুট্রোস, মুস্তাফা সাদ্দুন, রেবিন সুলাকা, জায়েদ তাহসিন, আহমেদ ইয়াহইয়া, মানাফ ইউনিস
মিডফিল্ডার আমির আল-আম্মারি, ইউসুফ আমিন, ইব্রাহিম বায়েশ, মার্কো ফারজি, জিদান ইকবাল, জায়েদ ইসমাইল, আলি জাসিম, আহমেদ কাসিম, আইমার শের, কেভিন ইয়াকব
ফরোয়ার্ড মোহানাদ আলি, আইমেন হুসেইন, আলি আল-হামাদি, আলি ইউসেফ
গোলরক্ষক তোমোকি হায়াকাওয়া, কেইসুকে ওসাকো, জায়ন সুজুকি
ডিফেন্ডার কো ইটাকুরা, হিরোকি ইতো, ইউতো নাগাতোমো, আয়ুমু সেকো, ইউকিনারি সুগাওয়ারা, জুনোসুকে সুজুকি, শোগো তানিগুচি, টেকহিরো তমিয়াসু, তসুইয়োশি ওয়াতানাবে
মিডফিল্ডার রিতসু দোয়ান, ওয়াতারু এন্ডো, জুনিয়া ইতো, দাইচি কামাদা, তাকেফুসা কুবো, কেইতো নাকামুরা, কাইশু সানো, আও তানাকা
ফরোয়ার্ড কেইসুকে গোটো, দাইজেন মায়েদা, কোকি ওগাওয়া, কেন্তো শিওগাই, ইউইতো সুজুকি, আয়াসে উএদা
গোলরক্ষক ইয়াজিদ আবুলাইলাহ, আবদুল্লাহ আল ফাখুরি, আহমাদ আল জুয়াইদি, নূর বানী আত্তিয়া
ডিফেন্ডার মোহাম্মাদ আবু আলনাদি, ইউসুফ আবু আল জাজার, হুসাম আবু দাহাব, মোহাম্মাদ আবু হাশিশ, মোহান্নাদ আবু তাহা, ইয়াজান আল আরব, সাঈদ আল রোসান, আহমাদ আসসাফ, আনাস বাদাউই, আবদুল্লাহ নাসিব, ইহসান হাদ্দাদ, সালীম ওবাইদ, মোহাম্মাদ তাহা
মিডফিল্ডার মোহাম্মাদ আল দাউদ, নিযার আল রাশদান, নূর আল রাওয়াবদেহ, রাজাই আয়েদ, আমের জামুস, ইউসুফ কাশী, ইব্রাহিম সাদেহ
ফরোয়ার্ড মোহাম্মাদ আবু জুরাইক, মুসা আল তামারি, আলি আজাইজা, ওদেহ ফাখুরি, আলি ওলওয়ান, ইব্রাহিম সাবরা
গোলরক্ষক সঙ বুমগিউন, জো হিউনউ, কিম সেউং-গিউ
ডিফেন্ডার জেন্স কাস্ত্রোপ, লি হানবেম, পার্ক জিনসিওব, লি কিহিউক, কিম মিন-জে, কিম মুনহোয়ান, কিম তায়েহিউন, লি তাইসোক, সল ইয়ংউ, চো উইজে
মিডফিল্ডার লি ডংগিয়ং, হোয়াং হি-চান, ইয়াং হিউনজুন, হোয়াং ইনবিওম, লি জায়েসুং, কিম জিনগিউ, উম জিসুং, বে জুনহো, লি কাং-ইন, প্যাক সেউংহো
ফরোয়ার্ড চো গিউসুং, সন হিউং-মিন, ও হিয়নগিউ
গোলরক্ষক কার্লোস আসেভেদো, গিয়েরমো ওচোয়া, রাউল রাঙ্গেল
ডিফেন্ডার এডসন আলভারেজ, মাতেও চাভেজ, হেসুস গালিয়ার্দো, সেসার মন্তেস, ইসরায়েল রেয়েস, হোর্হে সানচেজ, জোহান ভাসকেস
মিডফিল্ডার লুইস চাভেজ, আলভারো ফিদালগো, ব্রায়ান গুতিয়েরেস, এরিক লিরা, গিলবার্তো মোরা, লুইস রোমো, ওর্বেলিন পিনেদা, ওবেদ ভার্গাস
ফরোয়ার্ড রবার্তো আলভারাদো, সান্তিয়াগো হিমেনেস, আরমান্দো গনসালেস, সেসার উয়ার্তা, রাউল হিমেনেস, গিয়েরমো মার্টিনেস, হুলিয়ান কুইনোনেস, আলেক্সিস ভেগা
গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনু, মুনির এল কাজুই, রেদা তাগনাউতি
ডিফেন্ডার নুসাইর মাজরাউই, আনাস সালাহ-এদ্দিন, ইউসুফ বেলামারি, আচরাফ হাকিমি, জাকারিয়া এল ওয়াহদি, নায়েফ আগুয়ের্ড, চাদি রিয়াদ, রেদোয়ান হালহাল, ইসা দিয়োপ
মিডফিল্ডার সামির এল মরাবেত, আয়্যুব বোউআদি, নীল এল আয়নাউই, সোফিয়ান আম্রাবাত, আজজেদিন উনাহি, বিলাল এল খান্নুস, ইসমাইল সাইবারি
ফরোয়ার্ড আবদে এজালজুলি, শেমসদিন তালবি, সুফিয়ান রহিমি, আয়্যুব এল কাবি, ব্রাহিম দিয়াজ, গেসিম ইয়াসিন, আয়ুব আমাইমুনি
গোলরক্ষক মার্ক ফ্লেকেন, রবিন রোয়েফস, বার্থ ফারব্রুগেন
ডিফেন্ডার নাথান আক, ডেনজেল ডামফ্রিস, জোরেল হাটো, জুরিয়েন টিম্বার, ইয়ান পল ভ্যান হেক, ভার্জিল ভ্যান ডাইক, মিকি ভ্যান ডে ভেন
মিডফিল্ডার ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং, মার্টেন ডে রুন, রায়ান গ্রাভেনবার্খ, টেইন কুপমেইনার্স, তিজানি রেইনডার্স, গুস টিল, কুইন্টেন টিম্বার, ম্যাটস উইফার
ফরোয়ার্ড ব্রায়ান ব্রোবি, মেমফিস ডিপাই, কোডি গাকপো, জাস্টিন ক্লুইভার্ট, নোয়া ল্যাং, ডনিয়েল মালেন, ক্রেসেনসিও সামারভিল, ওউট ভেগহর্স্ট
গোলরক্ষক ম্যাক্স ক্রোকম্ব, অ্যালেক্স পলসেন, মাইকেল উড
ডিফেন্ডার টাইলার বিন্ডন, মাইকেল বক্সঅল, লিবারাতো কাকাচে, ফ্রান্সিস দে ভ্রিস, ক্যালান এলিয়ট, টিম পেইন, ন্যান্ডো পাইনাকার, টমি স্মিথ, ফিন সারম্যান
মিডফিল্ডার ল্যাচলান বেইলিস, জো বেল, ম্যাট গারবেট, এলি জাস্ট, ক্যালাম ম্যাককাওয়াট, বেন ওল্ড, অ্যালেক্স রুফার, মার্কো স্ট্যামেনিচ, স্যারপ্রিত সিং, রায়ান থমাস
ফরোয়ার্ড কোস্টা বারবারোসেস, জেসি র্যান্ডাল, বেন ওয়েইন, ক্রিস উড
গোলরক্ষক অরিয়ান হাস্কিয়োল্ড নাইল্যান্ড, এগিল সেলভিক, সান্ডার ট্যাংভিক
ডিফেন্ডার ক্রিস্টোফার ভাসবাক আয়ের, ফ্রেডরিক বিয়র্কান, হেনরিক ফালকেনার, সন্ড্রে ল্যাংগাস, তোরবিয়র্ন হেগগেম, মার্কুস হোমগ্রেন পেদারসেন, জুলিয়ান রাইয়েরসন, ডেভিড মোলার উলফ, লেও অস্টিগার্ড
মিডফিল্ডার থেলোনিয়াস আসগার্ড, ফ্রেডরিক অউরেস্নেস, প্যাট্রিক বার্গ, সান্ডার বার্গে, অস্কার বব, জেন্স পেটার হাউগে, আন্তোনিও নুসা, আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ, মর্টেন থর্সবাই, ক্রিস্টিয়ান থর্স্টভেড্ট, মার্টিন ওডেগার্ড
ফরোয়ার্ড এরলিং হালান্ড, জর্গেন স্ট্র্যান্ড লারসেন, আলেকসান্ডার সোরলোথ
গোলরক্ষক অরল্যান্ডো মস্কেরা, লুইস মেহিয়া, সিজার সামুডিও
ডিফেন্ডার সিজার ব্ল্যাকম্যান, হোর্হে গুতিয়েরেস, আমির মুরিলো, ফিদেল এসকোবার, আন্দ্রেস আন্দ্রাদে, এদগার্দো ফারিনা, হোসে কর্ডোবা, এরিক ডেভিস, জিওভানি রামোস, রডেরিক মিলার
মিডফিল্ডার আনিবাল গোদয়, আদালবের্তো কারাসকিয়া, কার্লোস হার্ভে, ক্রিস্টিয়ান মার্টিনেস, হোসে লুইস রদ্রিগেজ, সিজার ইয়ানিস, ইয়োয়েল বার্সেনাস, আলবের্তো কুইন্টারো, আজারিয়াস লন্ডোনো
ফরোয়ার্ড ইসমাইল দিয়াজ, সেসিলিও ওয়াটারম্যান, হোসে ফাজার্দো, তোমাস রদ্রিগেজ
গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিল, রবার্তো ফার্নান্দেস, গাস্তন ওলভেইরা
ডিফেন্ডার হুয়ান কাসেরেস, গুস্তাভো ভেলাসকেস, গুস্তাভো গোমেস, জুনিয়র আলোনসো, হোসে কানালে, ওমার আলদেরেতে, আলেক্সান্দ্রো মাইদানা, ফাবিয়ান বালবুয়েনা
মিডফিল্ডার দিয়েগো গোমেস, মৌরিসিও মাগালায়েস, দামিয়ান বোবাডিয়া, ব্রায়ান ওহেদা, আন্দ্রেস কুবাস, মাতিয়াস গালারজা, আলেহান্দ্রো গামাররা
ফরোয়ার্ড গুস্তাভো কাবালেরো, রামন সোসা, আলেক্স আরসে, ইসিদ্রো পিত্তা, গ্যাব্রিয়েল আভালোস, মিগেল আলমিরন, হুলিও এনসিসো, আন্তোনিও সানাব্রিয়া
গোলরক্ষক দিয়োগো কোস্তা, হোসে সা, রুই সিলভা, রিকার্দো ভেলহো
ডিফেন্ডার তোমাস আরাউজো, জোয়াও ক্যানসেলো, দিয়োগো দালোত, রুবেন দিয়াস, গনসালো ইনাসিও, নুনো মেন্ডেস, মাতেউস নুনেস, নেলসন সেমেদো, রেনাতো ভেইগা
মিডফিল্ডার স্যামুয়েল কোস্তা, ব্রুনো ফার্নান্দেস, জোয়াও নেভেস, রুবেন নেভেস, বার্নার্দো সিলভা, ভিতিনিয়া
ফরোয়ার্ড ফ্রান্সিসকো কনসেইসাও, জোয়াও ফেলিক্স, গনসালো গেদেস, রাফায়েল লেও, পেদ্রো নেটো, গনসালো রামোস, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, ফ্রান্সিসকো ত্রিনকাও
গোলরক্ষক মাহমুদ আবুনাদা, শেহাব আল লিথি, মেশাল বারশাম, সালাহ জাকারিয়া
ডিফেন্ডার রায়ান আল আলি, আল হাশেমি আল হুসেইন, আয়ুব আল আলাওয়ি, বাসাম আল রাওয়ি, হোমাম আল আমিন, সুলতান আল ব্রাক, বুয়ালেম খুকি, নিয়াল মেসন, লুকাস মেন্ডেস, পেদ্রো মিগুয়েল, তারেক সালমান
মিডফিল্ডার করিম বৌদিয়াফ, আহমেদ ফাতহি, জাসেম গাবের, আবদুলআজিজ হাতেম, ইসা লাই, আসিম মাদিবো, মোহাম্মদ মানাই, তাহসিন মোহাম্মদ, মোহাম্মদ ওয়াদ
ফরোয়ার্ড ইউসুফ আবদেলরিসাক, আকরাম আফিফ, আহমেদ আলাএদ্দিন, হাসান আল হায়দোস, আলমোয়েজ আলি, আহমেদ আল জানহি, এডমিলসন জুনিয়র, মোহাম্মদ মুনতারি, মুবারক শানান, সেবাস্তিয়ান সোরিয়া সৌদি আরব চূড়ান্ত স্কোয়াড
গোলরক্ষক আহমেদ আল কাসার, মোহাম্মেদ আল ওয়াইস, নাওয়াফ আল আকিদি, আবদুলকুদুস আতিয়া
ডিফেন্ডার সাউদ আবদুলহামিদ, মোহাম্মেদ আবু আল শামাত, খালিদ আল ঘান্নাম, মোতেব আল হারবি, আবদুল্লাহ আল আমরি, নাওয়াফ বউশাল, জাকারিয়া হাওয়াসাভি, হাসান কাদেশ, আলি লাজামি, আলি মাজারাশি, হাসান তাম্বাকতি, জেহাদ থিকরি
মিডফিল্ডার নাসের আল দাওসারি, আলা আল হাজ্জি, জিয়াদ আল জোহানি, মুসআব আল জুয়াইর, আবদুল্লাহ আল খাবাইরি, সালেহ আবু আল শামাত, মোহাম্মেদ কান্নো, সুলতান মানদাশ, আয়মান ইয়াহিয়া
ফরোয়ার্ড ফেরাস আল ব্রিকান, সালেম আল দাওসারি, আবদুল্লাহ আল হামদান, আবদুল্লাহ আল সালেম, সালেহ আল শেহরি
গোলরক্ষক ক্রেগ গর্ডন, অ্যাঙ্গাস গান, লিয়াম কেলি
ডিফেন্ডার গ্রান্ট হ্যানলি, জ্যাক হেনড্রি, অ্যারন হিকি, ডম হাইয়াম, স্কট ম্যাককেনা, নাথান প্যাটারসন, অ্যান্থনি রালস্টন, অ্যান্ডি রবার্টসন, জন সাউটার, কিয়েরান টিয়ার্নি
মিডফিল্ডার রায়ান ক্রিস্টি, ফিন্ডলে কার্টিস, লুইস ফার্গুসন, টাইলার ফ্লেচার, বেন গ্যানন-ডোয়াক, জন ম্যাকগিন, কেনি ম্যাকলিন, স্কট ম্যাকটমিনে
ফরোয়ার্ড চে অ্যাডামস, লিন্ডন ডাইমন, জর্জ হার্স্ট, লরেন্স শ্যাঙ্কল্যান্ড, রস স্টুয়ার্ট
গোলরক্ষক মোরি দিয়াও, ইয়েভান ডিওফ, এদোয়ার্দ মেন্ডি
ডিফেন্ডার ইলাই কামারা, ক্রেপিন দিয়াত্তা, এল হাদজি মালিক দিয়ুফ, ইসমাইল জাকবস, কালিদু কুলিবালি, মুস্তাফা এমবো, আন্তোয়ান মেন্ডি, মুসা নিয়াখাতে, মামাদু সার, আবদুলাই সেক
মিডফিল্ডার লামিন কামারা, পাথে সিস, হাবিব দিয়ারা, ইদ্রিসা গানা গেই, পাপে গেই, পাপে মাতার সার, বারা সাপোকো নিয়ায়ে
ফরোয়ার্ড আসানে দিয়াও, বাম্বা দিয়েং, নিকোলাস জ্যাকসন, সাদিও মানে, ইব্রাহিম মবায়ে, শেরিফ নিয়ায়ে, ইলিমান নিয়ায়ে, ইসমাইলা সার
গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামস, রিকার্ডো গস, সিফো শেইনে
ডিফেন্ডার খুলিসো মুদাউ, ওলওয়েথু মাখানিয়া, ব্র্যাডলি ক্রস, অব্রি মোদিবা, থাবাং মাতুলুদি, নকোসিনাথি সিবিসি, খুলুমানি এনডামানে, আইমে ওকন, সামুকেলে কাবিনি, মবেকেজেলি এমবোকাজি, কামোগেলো সেবেলেবে
মিডফিল্ডার তেবোহো মোকোয়েনা, জেইডেন অ্যাডামস, থালেন্তে এমবাথা, স্পেপেলো সিথোলি
ফরোয়ার্ড ওসউইন অ্যাপোলিস, চেপাং মোরেমি, এভিডেন্স মাকগোপা, লাইল ফস্টার, ইকরাাম রায়নার্স, রিলেহবিলে মোফোকেং, থেম্বা জ্বানে, থাপেলো মাশেকো
গোলরক্ষক উনাই সিমোন, ডেভিড রায়া, জোয়ান গার্সিয়া
ডিফেন্ডার পেদ্রো পোরো, মার্কোস লরেন্তে, আয়মেরিক লাপোর্তে, পাউ কুবারসি, মার্ক পুবিল, এরিক গার্সিয়া, মার্ক কুকুরেয়া, আলেহান্দ্রো গ্রিমালদো
মিডফিল্ডার রদ্রি (রদ্রিগো হার্নান্দেজ), মার্টিন জুবিমেন্ডি, পেদ্রি গনসালেস, ফাবিয়ান রুইজ, মিকেল মেরিনো, পাবলো পায়েজ ‘গাভি’, আলেক্স বায়েনা
ফরোয়ার্ড মিকেল ওয়ারিয়াবাল, লামিনে ইয়ামাল, ফেরান তোরেস, বোরহা ইগলেসিয়াস, দানি ওলমো, ভিক্টর মুনিয়োস, নিকো উইলিয়ামস, এরেমি পিনো
সুইডেন চূড়ান্ত স্কোয়াড গোলরক্ষক ভিক্টর ইয়োহানসন, গুস্তাফ লাগারবিয়েলকে, ক্রিস্টোফার নর্ডফেল্ট, জ্যাকব জেটারস্ট্রম
ডিফেন্ডার হ্যালমার একডাল, গ্যাব্রিয়েল গুডমুন্ডসন, ইসাক হিয়েন, ভিক্টর লিন্ডেলফ, এরিক স্মিথ, কার্ল স্টারফেল্ট, ড্যানিয়েল সুয়েনসন
মিডফিল্ডার ইয়াসিন আয়ারি, লুকাস বের্গভাল, ইয়েসপার কার্লস্ট্রম, বেঞ্জামিন নাইগ্রেন, কেন সেমা, এলিয়ট স্ট্রাউড, ম্যাটিয়াস স্ভানবার্গ, বেসফর্ট জেনেলি
ফরোয়ার্ড তাহা আলি, আলেকজান্ডার বার্নহার্ডসন, অ্যান্থনি এলাঙ্গা, ভিক্টর গিয়োকেরেস, আলেকজান্ডার ইসাক, গুস্তাফ নিলসন
গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেল, মারভিন কেলার, ইয়ভঁ ম্ভোগো
ডিফেন্ডার ম্যানুয়েল আকাঞ্জি, অরেল আমেন্ডা, এরায় কোর্মেট, নিকো এলভেদি, লুকা ইয়াকেজ, মিরো মুইহেম, রিকার্ডো রদ্রিগেজ, সিলভান উইডমার
মিডফিল্ডার মিশেল আয়েবিশার, ক্রিশ্চিয়ান ফাসনাখট, রেমো ফ্রয়লার, সেড্রিক ইতেন, আরদন জাশারি, ফ্যাবিয়ান রাইডার, দ্যব্রিল সাও, গ্রানিত জাকা, ডেনিস জাকারিয়া
ফরোয়ার্ড জেকি আমদুনি, ব্রিল এমবলো, জোহান মানজাম্বি, ড্যান এনডয়ে, নোয়া ওকাফর, রুবেন ভারগাস
তিউনিশিয়া চূড়ান্ত স্কোয়াড গোলরক্ষক সাবরি বেন হাসান, আবদেলমউহিব চামাখ, আয়মান দাহমেনে
ডিফেন্ডার আলি আবদি, মোহামেদ আমিন বেন হামিদা, আদেম আরৌস, ডিলান ব্রোন, রায়েদ চিকাহুই, মউতাজ নেফাতি, ওমর রেকিক, মন্তাসার তালবি, ইয়ান ভ্যালেরি
মিডফিল্ডার মরতাদা বেন ওয়ানেস, আনিস বেন স্লিমান, ইসমাইল ঘারবি, রানি খেদিরা, হাদজ মাহমুদ, হানিবাল মেজব্রি, এলিয়েস স্কিরি
ফরোয়ার্ড এলিয়াস আচৌরি, খলিল আয়ারি, ফিরাস শাওয়াত, রায়ান এল্লুমি, হাযেম মাস্তুরি, এলিয়াস সাদ, সেবাস্তিয়ান তৌনেকতি
গোলরক্ষক আলতায় বাইয়িন্দির, এরসিন দেস্তানোউলু, মের্ত গুনক, মুহাম্মেদ শেংজের, উগুরচান চাকির
ডিফেন্ডার আবদুলকেরিম বারদাকচি, আহমেতজান কাপলান, চাগলার সোয়ুনচু, এরেন এলমালি, ফেরদি কাদিওগ্লু, মেরিহ দেমিরাল, মের্ত মুলদুর, মুস্তাফা এস্কিহেল্লাচ, ওজান কাবাক, সামেত আকায়দিন, ইউসুফ আকচিচেক, জেকি চেলিক
মিডফিল্ডার আতাকান কারাজোর, দেমির এজে তিকনাজ, হাকান চালহানওগ্লু, ইসমাইল ইউকশেক, কান আয়হান, ওরকুন কোকচু, সালিহ ওজকান
ফরোয়ার্ড আরাল সিমসির, আর্দা গুলের, বারিশ আলপার ইলমাজ, ক্যান উজুন, ডেনিজ গুল, ইরফান কান কাহভেচি, কেনান ইয়িলদিজ, কেরেম আক্তুরকোগলু, ওগুজ আয়দিন, ইউনুস আকগুন, ইউসুফ সারি
গোলরক্ষক সান্তিয়াগো মেলে, ফার্নান্দো মুস্লেরা, সার্জিও রোচেত
ডিফেন্ডার রোনাল্ড আরাউহো, সান্তিয়াগো বুয়েনো, সেবাস্তিয়ান কাসেরেস, হোসে মারিয়া গিমেনেজ, মাতিয়াস অলিভেরা, জোয়াকিন পিকেরেজ, গুইয়ের্মো ভ্যারেলা, মাতিয়াস ভিনা
মিডফিল্ডার ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো, জর্জিয়ান দে আরাসকায়েতা, রদ্রিগো বেন্টানকুর, আগুস্তিন ক্যানোবিও, নিকোলাস দে লা ক্রুজ, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, ফাকুন্দো পেলিস্ত্রি, ব্রায়ান রদ্রিগেজ, হুয়ান ম্যানুয়েল সানাব্রিয়া, ম্যানুয়েল উগার্তে, ফেদেরিকো ভালভার্দে, রদ্রিগো জালাজার
ফরোয়ার্ড রদ্রিগো আগুইরে, ফেদেরিকো ভিনাস, ডারউইন নুনিয়েজ
গোলরক্ষক ক্রিস ব্র্যাডি, ম্যাট ফ্রিস, ম্যাট টার্নার
ডিফেন্ডার ম্যাক্স আর্ফস্টেন, সার্জিনো ডেস্ট, অ্যালেক্স ফ্রিম্যান, মার্ক ম্যাকেঞ্জি, টিম রিম, ক্রিস রিচার্ডস, অ্যান্টোনি রবিনসন, মাইলস রবিনসন, জো স্ক্যালি, অস্টন ট্রাস্টি
মিডফিল্ডার টাইলার অ্যাডামস, সেবাস্তিয়ান বেরহাল্টার, ওয়েস্টন ম্যাককেনি, ক্রিশ্চিয়ান রোলদান, ব্রেন্ডেন অ্যারনসন, ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিক, জিও রেয়না, মালিক টিলম্যান, টিমোথি ওয়াহ, আলেহান্দ্রো জেনদেজাস
ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগুন, রিকার্ডো পেপি, হাজি রাইট
গোলরক্ষক বোটিরালি এরগাশেভ, আব্দুভোহিদ নেমাতভ, উতকির ইউসুপভ
ডিফেন্ডার আব্দুল্লাহ আব্দুল্লায়েভ, খোজিয়াকবার আলিজোনভ, রুস্তমজন আশুরমাতভ, উমারবেক এশমুরাদভ, বেখরুজ কারিমভ, আব্দুকোদির খুসানোভ, শেরজোদ নাসরুল্লায়েভ, উমারালি রাহমোনালিয়েভ, ফাররুখ সাইফিয়েভ, আভাজবেক উলমাসালিয়েভ, জাখোংগির উরোজভ, রুসলানবেক ইয়িয়ানোভ
মিডফিল্ডার শেরজোদ এসানোভ, আজিজবেক গানিয়েভ, দোস্তনবেক হামদামভ, ওদিলজন হামরোবেকভ, জামশিদ ইসকান্দেরভ, জাশুর জালোলিদ্দিনভ, আকমাল মোজগোভয়, ওতাবেক শুকুরভ
ফরোয়ার্ড আজিজবেক আমোনভ, আব্বাসবেক ফাইজুল্লায়েভ, জালোলিদ্দিন মাশারিপভ, এলদোর শোমুরোদভ, ইগর সের্গিয়েভ, শেরজোদ তেমিরভ, অস্টন উরুনভ

ভোলার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুর আড়াইটায় অনুষ্ঠিত এই জানাজায় হাজারো মানুষের ঢল নামে।
জানাজার পূর্বে বীর এই মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদানের মাধ্যমে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়।
আজ বেলা দেড়টার দিকে ঢাকা থেকে বিশেষ হেলিকপ্টারে করে তোফায়েল আহমেদের মরদেহ ভোলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন হেলিপ্যাডে নিয়ে আসা হয়। প্রিয় নেতাকে শেষবার দেখতে এ সময় দলীয় নেতাকর্মী, স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা হেলিপ্যাডে ভিড় জমান। পরে সেখান থেকে একটি ফ্রিজিং ভ্যানে করে মরদেহ জানাজার জন্য ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নেওয়া হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জানাজা শেষে জেলার দক্ষিণ দীঘলদি ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের পাশেই তাঁকে চিরনিদ্রায় সমাহিত করা হবে।
বাংলাদেশের রাজনীতি ও মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য নাম তোফায়েল আহমেদ। ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলার কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর বাবা মৌলভী আজহার আলী ছিলেন একজন ব্যবসায়ী এবং মা ফাতেমা খানম ছিলেন গৃহিণী। ১৯৬৪ সালে তিনি সদর উপজেলার ধনিয়ার বাসিন্দা মফিজুল হক তালুকদারের বড় মেয়ে আনোয়ারা বেগমের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তোফায়েল আহমেদ এক কন্যার জনক।
শিক্ষাজীবন ও ছাত্ররাজনীতির সূচনা
ম্যাট্রিক ও আইএসসি: তোফায়েল আহমেদ ১৯৬০ সালে ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। এরপর বরিশাল ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ থেকে ১৯৬Snapshot২ সালে আইএসসি ও ১৯৬৪ সালে বিএসসি পাস করেন।
উচ্চশিক্ষা: পরবর্তীতে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকাবিজ্ঞানে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন।
নেতৃত্বের হাতেখড়ি: কলেজ জীবনেই তাঁর ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ শুরু হয়। তিনি বিএম কলেজ ছাত্রসংসদের ক্রীড়া সম্পাদক এবং অশ্বিনী কুমার হলের সহসভাপতি নির্বাচিত হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ইকবাল হল (বর্তমানে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) ছাত্রসংসদের ক্রীড়া সম্পাদক, মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগের সহসভাপতি এবং ১৯৬৬-৬৭ সালে ইকবাল হল ছাত্রসংসদের সহসভাপতি নির্বাচিত হন।
‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি ও ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান
১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ডাকসুর ভিপির দায়িত্ব পালনকালে চারটি ছাত্রসংগঠনের সমন্বয়ে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করেন তোফায়েল আহমেদ। এরপর শেখ মুজিবুর রহমানের ৬ দফাকে ১১ দফায় অন্তর্ভুক্ত করে ‘৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেন তিনি।
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলাসহ সব রাজবন্দির নিঃশর্ত মুক্তির জন্য তাঁর নেতৃত্বে সারা বাংলায় তৃণমূল পর্যন্ত গণ-আন্দোলন গড়ে ওঠে। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবসহ সব রাজবন্দি মুক্তি পাওয়ার পর, ২৩ ফেব্রুয়ারি ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান) লাখো জনতার উপস্থিতিতে তিনি বাঙালি জাতির পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
মুক্তিসংগ্রাম ও জাতীয় রাজনীতি
তোফায়েল আহমেদ ১৯৬৯ সালে ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন এবং ১৯৭০ সালের ৭ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগের যোগ দেন। ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে ভোলার দৌলতখাঁ-তজুমদ্দিন-মনপুরা আসন থেকে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও মুজিব বাহিনীর অঞ্চলভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত চার অধিনায়কের একজন ছিলেন তোফায়েল আহমেদ। বরিশাল, পটুয়াখালী, খুলনা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া ও পাবনা এলাকার সমন্বয়ে গঠিত মুজিব বাহিনীর পশ্চিমাঞ্চলের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ার সংগ্রামেও তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল।
সংসদীয় রাজনীতি ও মন্ত্রিত্ব
বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক সচিব: ১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় তোফায়েল আহমেদকে তাঁর রাজনৈতিক সচিব নিয়োগ দেন।
সংসদ সদস্য: ১৯৭৩ সালে নিজ জেলা ভোলা থেকে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালে দেশে রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ঘোষণার পর তিনি প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় রাষ্ট্রপতির বিশেষ সহকারী নিযুক্ত হন।
কারাজীবন ও ঘুরে দাঁড়ানো: ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ৬ সেপ্টেম্বর তোফায়েল আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। দীর্ঘ ৩৩ মাস কারান্তরালে থাকার সময় ১৯৭৮ সালে কুষ্টিয়া কারাগারে অন্তরীণ থাকা অবস্থায় তিনি আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।
নির্বাচনী রেকর্ড: ১৯৮৬, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের সংসদ নির্বাচনে পরপর তিনবার তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে তিনি শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ২০০১ সালের নির্বাচনে ভোলার ৩টি আসনে দাঁড়িয়ে পরাজিত হলেও, ২০০৮ সালে ভোলা-২ আসন থেকে আবারও বিজয়ী হন। এরপর ২০১৪ সালে ভোলা-১ আসন থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ২০১৮ সালের নির্বাচনেও তিনি একই আসন থেকে বিজয়ী হন।
২০২১ সালে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তাঁর রাজনৈতিক গতি কিছুটা স্তিমিত হয়ে আসে। এর পরেও চরম শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে ২০২৪ সালের নির্বাচনে তিনি এমপি নির্বাচিত হন। জীবদ্দশায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ১২টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্যে তিনি ৯টিতেই বিজয়ী হয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
তাঁর এই চিরবিদায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি দীর্ঘ, সংগ্রামী ও গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের অবসান ঘটলো।


ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তির প্রথম ধাপ খুব শিগগিরই চূড়ান্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল। সোমবার রাতে দিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, চুক্তির প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়েছে।
গয়াল বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ভারতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর বলেছেন, চুক্তির ৯৯ শতাংশ প্রস্তুত। এখন শুধু ছোটখাটো বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক কিছু আইনি পরিবর্তন চুক্তির চূড়ান্ত খসড়ায় কীভাবে প্রতিফলিত হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে তিনি আশাবাদী যে খুব দ্রুতই প্রথম ধাপের বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হবে।
আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাণিজ্য আলোচনা এগিয়ে নিতে একটি মার্কিন প্রতিনিধি দল ভারতে পৌঁছেছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল গত সপ্তাহে বলেন, দুই দেশের মধ্যে আলোচনা ইতিবাচক ও গঠনমূলকভাবে এগোচ্ছে।
গত ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশ একটি অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য কাঠামোতে সম্মত হওয়ার ঘোষণা দেয়, যার লক্ষ্য ছিল দীর্ঘদিনের বাণিজ্য বিরোধের সমাধান।
গত বছর রুশ তেল আমদানিকে কেন্দ্র করে মার্কিন প্রশাসন ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করলে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ে।
এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছিলেন, আগামী পাঁচ বছরে জ্বালানি, প্রযুক্তি ও কৃষিখাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে ভারত ৫০০ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৪৯.৪ বিলিয়ন ডলার।

সড়কের ওপর ধান-খড় শুকাতে দেওয়ার চরম অবহেলায় প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা, ঝরছে তাজা প্রাণ। এই জনদুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি এড়াতে জয়পুরহাটের কালাই ও ক্ষেতলাল উপজেলায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। সড়কে ধান মাড়াই এবং খড় শুকানোর অপরাধে গত দুই দিনে দুই উপজেলায় পৃথক অভিযানে ৫ জনকে জরিমানা ও সতর্ক করা হয়েছে।
সর্বশেষ আজ মঙ্গলবার (২ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ক্ষেতলাল উপজেলার সরদারপাড়া মোড় থেকে মনঝার বাজার হয়ে বিলের ঘাট পর্যন্ত আঞ্চলিক সড়কে এক বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
ক্ষেতলাল উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আব্দুর রউফ এই অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় সড়কের ওপর খড় শুকিয়ে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করার অপরাধে দুইজনকে মোট ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান ও তা আদায় করা হয়।
আদালত সূত্র জানায়, গতকাল সোমবার এই ক্ষেতলাল উপজেলারই খড়িকাটা এলাকায় সড়কে বিছিয়ে রাখা খড়ে পিছলে পিকআপ ভ্যানের চাপায় দুলাভাই ও শ্যালক নিহত হওয়ার ঘটনার পর আজ এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়।
দুর্ঘটনার পর বিকেলেই জয়পুরহাটের কালাইয়ে সড়কের ওপর ধান মাড়াই এবং খড় শুকানোর অপরাধে তিনজনকে মোট ২ হাজার টাকা জরিমানা করেন কালাই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মাহবুব।
অভিযানকালে উভয় উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ সড়কে খড়, ধান বা অন্যান্য কৃষিপণ্য শুকানোর কারণে সম্ভাব্য দুর্ঘটনা ও জনদুর্ভোগ সম্পর্কে স্থানীয় কৃষকদের সচেতন করেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে কেউ যেন সড়ক ব্যবহার করে কৃষিপণ্য না শুকান, সে বিষয়ে কঠোরভাবে সতর্ক করে দেওয়া হয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে হুশিয়ারি দিয়ে জানানো হয়, সড়ক সকলের নিরাপদে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত। সড়কে খড় বা অন্যান্য কৃষিপণ্য শুকানোর ফলে চাকা পিছলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা শতভাগ বেড়ে যায় এবং মানুষের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ে। তাই জনস্বার্থে এবং সড়ক নিরাপদ রাখতে জেলাজুড়ে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় মাদকবিরোধী যৌথ অভিযানে এক মাদকসেবীকে গ্রেপ্তার করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে উপজেলার চৌয়াড়ি এলাকায় কামারখন্দ থানা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে মাদক সেবনের অভিযোগে শিশির (২২) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে মাদক সেবনের দায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত শিশির উপজেলার চৌয়াড়ি গ্রামের মৃত আব্দুল মতিনের ছেলে।
কামারখন্দ থানা থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।




নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার বাঁশগাড়িতে অস্ত্র ঠেকিয়ে এক যুবকের কাছ থেকে মটর সাইকেলসহ পাঁচ লক্ষ টাকা মুক্তিপন আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে অত্র এলকার শীর্ষ সন্ত্রাসী ছোট রুবেলে বিরুদ্ধে। ঈদের চারদিন আগে এই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, টঙ্গী হিমারদীগি কেরানীর টেক এলকার বাসিন্দা মোঃ অনিক শেখ ঈদের আগে অত্র বাঁশগাড়ি এলাকায় মটর সাইকেল করে তার বন্ধু বান্ধব নিয়ে বেড়াতে গিয়েছিলো।
কিন্তু হঠাৎ একদল যুবক আচমকা এসে অস্ত্র ঠেকিয়ে তার মটর সাইকেল সহ তাকে চোখ বেধে নিয়ে যায়। পরবর্তী তাকে দুইদিন আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতন চালাই বলে অভিযোগ করে তিনি। তারপর মোবাইল যোগে তার পরিবারে কাছে চাওয়া হয় মুক্তিপন, তার পরিবারকে হুমকি দেওয়া হয় যদি মুক্তিপনের টাকা না দেওয়া হয় তাহলে তাকে হত্যা করা হবে।
এসব হুমকি ও দিনবর অমানবিক নির্যাতনের মাধ্যমে তার কাছ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা মুক্তিপন আদায় করে অত্র এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী ছোট রুবেল। এবং তার সাছে থাকা আর ওয়ান ফাইভ মটর সাইকেলটি (যার রেজিষ্টেশন নং- ঢাকা মেট্রো-ল ৭১-৮৬২৬) ছিন্তাই করে রেখে দেয়।
এবিষয়ে আরোও জানা যে, এই ছোট রুবেল তার সন্ত্রাসী বাহানী প্রকাশ্যে অস্ত্র মহরা দিয়ে বিভিন্ন জনের ভূমি দখল সহ মানুষকে আটকে রেখে মুক্তিপন আদায় করেন।
মঙ্গলবার (২ জুন) সংবাদকর্মীরা বাঁশগাড়ি এলাকায় গেলে মো. হাসিম হাসিম নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, এই ছোট রুবেল কাঁধে অস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে গ্রামের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়। এতে করে গ্রামে আতঙ্ক ছড়াই। তার বিষয়ে কেউ মুখ খুললে তাকে ধরে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন চালায় ও মুক্তিপন আদায় করে। তাই তার বিষয়ে কেউ মুখ খোলতে ভয় পায়।
রায়পুরা থানার ওসির নিকট মোবাইল যোগে জানতে চাইলে, তিনি সংবাদ কর্মীদেরকে জানান বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) সুজন চন্দ্র সরকার বলেন, অপরাধ যেই করুক না কোনো কেউ আইনের উর্ধে না, আমরা মাননীয় পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় যেই অপরাধ করুক না কোনো আমরা তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবো।



আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (০২ জুন) দুপুর আড়াইটায় ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
এর আগে, জানাজা ঘিরে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদের ২য় জানাজার জন্য প্রস্তুত করা হয় ভোলা সরকারি স্কুল মাঠ। তবে জানাজাটি ঘিরে জেলা যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে উত্তেজনা। এদিকে সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল লতিফ টিটুর নেতৃত্বে কিছু নেতাকর্মী জানাজাস্থলে এসে জানাজা করতে না দেওয়ার ঘোষণা দেয়।
এ সময় তারা পুলিশকে জানায়, জানাজাকে কেন্দ্র করে যদি কোনো ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য বা স্লোগান দেওয়া হয় তবে তারা তা প্রতিহত করবে। পরে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলম জানাজাস্থলে এসে যুবদলের নেতাকর্মীদের নিয়ে যান।
সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল লতিফ টিটু বলেন, ২০২২ সালে গ্যাস-বিদ্যুতের দাবিতে বিএনপির আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে জেলা ছাত্রদলের তৎকালীন সভাপতি নুরে আলম নিহত হন। তার জানাজা সরকারি স্কুল মাঠে আয়োজন করলে করতে দেয়নি আওয়ামী লীগ ও প্রশাসন। পরে সংসদে দাঁড়িয়ে তোফায়েল আহমেদ নুরে আলমের মৃত্যু নিয়ে মিথ্যা বক্তব্য প্রদান করেছিলেন।


মঙ্গলবার (২ জুন) ভোরে চালানো এই হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় রাজধানী কিয়েভ ও মধ্যাঞ্চলীয় শহর দিনিপ্রো। স্থানীয় কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, কিয়েভে চারজন এবং দিনিপ্রোতে ছয়জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১০০ জনেরও বেশি মানুষ।
হামলায় কিয়েভের বিভিন্ন আবাসিক ভবন, বাণিজ্যিক স্থাপনা ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বহু স্থানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং বেশ কয়েকটি গাড়ি পুড়ে যায়। বিস্ফোরণের শব্দে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে শহরজুড়ে।
কিয়েভের মেয়র জানান, পোদিলস্কি জেলায় একটি বহুতল আবাসিক ভবন রুশ বাহিনীর পরপর দুটি হামলায় আংশিক ধসে পড়েছে। ভবনটির ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এদিকে হামলার পর উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় রাজধানীতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।
রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান যুদ্ধের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় হামলা হিসেবে এটিকে দেখা হচ্ছে। ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম মঙ্গলবার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের লাভ কমে আসা এবং হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে আংশিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ায় স্বর্ণের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তাও বাজারে প্রভাব ফেলছে। খবর রয়টার্সের।
মঙ্গলবার জিএমটি ৭টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ৪,৫৩২.৭৪ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে আগস্ট ডেলিভারির মার্কিন স্বর্ণ ফিউচার ১ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ৪,৫৬২.৯০ ডলারে লেনদেন হয়েছে।
মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ফলন কমে যাওয়ায় সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের আকর্ষণ বেড়েছে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে বিনিয়োগকারীরা সতর্ক অবস্থানে থাকায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাজারের দৃষ্টি এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার দিকে। আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরান থেকে ভিন্নধর্মী বার্তা আসায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
এদিকে, চলতি সপ্তাহে প্রকাশিতব্য যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থানসংক্রান্ত তথ্য এবং ফেডারেল রিজার্ভ কর্মকর্তাদের বক্তব্যও স্বর্ণবাজারের পরবর্তী দিকনির্দেশনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় চার্জশিটভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে মামলার বাদী ও ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লার জবানবন্দির মাধ্যমে এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।
এরপর ভিকটিমের মা পারভীন আক্তার, বড় বোন রাইসা আক্তার, ফুপু মাহমুদা আক্তার, চাচা মিজানুর রহমান লিটন, চতুর্থ তলার বাসিন্দা মনির হোসেন, প্রতিবেশী জাকিরুল ইসলাম রাজু, দ্বিতীয় তলার বাসিন্দা শেখ আবু সামা, ফুপা মনিরুজ্জামান শাহীন ও কনস্টেবল রোমা আক্তার পর্যায়ক্রমে আদালতে জবানবন্দি দেন।
এ সময় রাষ্ট্র নিযুক্ত আসামি পক্ষের আইনজীবী মুসা কলিমউল্লাহ তাদের জেরা করেন। পরে আদালত দুপুর দেড়টা পর্যন্ত মূলতবি করে পরবর্তীতে আজ (মঙ্গলবার) আবারও সাক্ষ্যগ্রহণ করবেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ বলেন, সব সাক্ষী আদালতে উপস্থিত আছে। সময় সংকুলান হলে আজই সবার সাক্ষ্য শেষ হতে পারে।
এদিকে সকাল পৌনে নয়টায় মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জ থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। এ সময় তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সাক্ষ্যগ্রহণের আগে তাদের এজলাসে নেওয়া হয়।
এর আগে গতকাল (সোমবার) আদালত সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একই দিন বিকেলে মামলার বাদীসহ ১৭ সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়।
গত ২৪ মে ট্রাইব্যুনাল দুই আসামির বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নেয়। এর আগে একই দিনে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ১৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
মামলার সূত্রে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নেয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা বাথরুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারে সক্ষম হয় পুলিশ।
এ ঘটনায় ২০ মে ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন।

লেবাননের ভূখণ্ডে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দীর্ঘ সময় ধরে অবস্থান ও সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই। এ মন্তব্য করেছেন ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-নোয়েল ব্যারোট।
ফ্রান্স টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, লেবাননের অভ্যন্তরে গভীরভাবে ইসরায়েলের দীর্ঘস্থায়ী সামরিক উপস্থিতি এবং চলমান সামরিক কর্মকাণ্ডের কোনো গ্রহণযোগ্য কারণ থাকতে পারে না।
বর্তমানে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে বিপুল সংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
অন্যদিকে, হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে সংঘাতও থেমে নেই। পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।
এদিকে, ইরান হিজবুল্লাহর প্রধান মিত্র হিসেবে এখনো সমর্থন বজায় রেখেছে। দেশটি জানিয়েছে, লেবাননে একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা করা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য যে কোনো শান্তি চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।
ফ্রান্স লেবাননের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষার আহ্বান জানিয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে উত্তেজনা কমানোর এবং যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে। এর আগেও দেশটি এমন আহ্বান জানিয়েছিল। কিন্তু ইসরায়েলি বাহিনী কোনো আন্তর্জাতিক আহ্বানই পাত্তা দিচ্ছে না।

ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ এবং দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিকভাবে গভীর যোগসূত্র রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার মনোজ কুমার।
মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ ভবনে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের উদ্যোগে আয়োজিত ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে মনোজ কুমার বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ। দুই দেশের মানুষের মধ্যে রয়েছে শক্তিশালী সাংস্কৃতিক বন্ধন, যা ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে।
তিনি আশা করেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের ভিত্তিতে দুই দেশ ভবিষ্যতে আরও অগ্রসর হবে।
তিনি আরও বলেন, যোগব্যায়ামের ইতিহাস, স্বাস্থ্যগত উপকারিতা এবং বিশ্বব্যাপী এর বিস্তৃত প্রসার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে তিনি ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, রাজশাহী–৩ ও রাজশাহী–৫ আসনের সংসদ সদস্যসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।
পরে বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগব্যায়াম অনুশীলনে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানসিক ও শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে নিয়মিত যোগব্যায়ামের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

রাজধানীর পল্লবীতে মেয়ে রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যা মামলায় আদালতে সাক্ষী দিয়েছেন বাবা আব্দুল মান্নান মোল্লা। সাক্ষ্যতে শিশু রামিসাকে কীভাবে দরজা ভেঙে লাশ খুঁজে পান, ওইসময় কী করেছিলেন ও কী কী দেখেছিলেন তা জানান তিনি।
সাক্ষ্যগ্রহণে মান্নান মোল্লা আদালতে জানান, স্ত্রীর ফোন পেয়ে ৩০ মিনিটের ভেতর বাসায় আসেন। এসে দেখেন অনেক মানুষ দরজার সামনে জড়ো। দরজা না খোলায় হাতুড়ি নিয়ে আসেন। এরপর লক তালা ভাঙার পর দেখেন ভেতরে আসামি স্বপ্না। বাথরুমে পড়ে আছে রক্ত।
দরজা ভাঙার পর আসামি স্বপ্নাকে তিনি বলেন, ‘আমার মেয়ে কোথায়?’ কিন্তু তখন চুপ ছিলেন স্বপ্না। পরে বাথরুমে রামিসার খণ্ডিত মাথা দেখতে পান।
মঙ্গলবার (৩ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে এ সাক্ষ্য দেন তিনি।
এদিন প্রথমে রামিসার বাবা সাক্ষ্য দেন। দ্বিতীয় সাক্ষী হিসেবে রামিসার মা পারভীন আক্তার সাক্ষ্য দেন। সকাল ১১টা ৩ মিনিটের দিকে পারভীনের সাক্ষ্য শুরু হয়। এসময় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না বেগমকে কাঠগড়ায় হাজির করা হয়।
সাক্ষ্যগ্রহণে রামিসার বাবা আব্দুল মান্নান মোল্লা আদালতে বলেন, ‘আমি সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ অফিসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হই। এরপর বনানীর কাকলীতে অফিসে যাই। অফিসে যাবার পর ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে আমার স্ত্রী পারভীন আক্তার আমাকে ফোন করেন। ফোন পেয়ে বাসায় যাই ৩০ মিনিটের ভেতর।’
‘এসে দেখি আমার বাসার বিল্ডিংয়ের মেইন গেইটের সামনে অনেক লোক জড়ো। এরপর আমি দৌড় দিয়ে তিন তালায় আমার ফ্ল্যাটের সামনে যাই। সেখানেও দেখি অনেক লোক জড়ো হয়ে আছে। তখন আমার স্ত্রী বলেন, সোহেলদের ফ্ল্যাটের মধ্যে আমাদের মেয়ে রামিসাকে আটকে রেখেছে। সেখানে রাজু, আমার স্ত্রীসহ অনেকে ছিল। রাজু তালা ভাঙার চেষ্টা করছিল,’ বলেন তিনি।
আব্দুল মান্নান আরও বলেন, ‘আমার স্ত্রী অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করলেও দরজা খোলেনি। তাই আমি নিচে দৌড়ে তাড়াতাড়ি গিয়ে একটা হাতুড়ি নিয়ে আসি। এরপর আমি দরজার বোল্ড লক ভাঙার চেষ্টা করি। একপর্যায়ে বোল্ড লক ভাঙা হয়। সে লকের ছিদ্র দিয়ে স্বপ্নাকে দেখি। টয়লেটের রুমের ভিতর দেখি অনেক রক্ত। তখন দরজা ভাঙার পর সোহেল-স্বপ্নার কমন রুমের দরজা বন্ধ পাই। স্বপ্নাকে বলি আমার মেয়ে কোথায়? কিন্তু স্বপ্না কিছু বলে না। চুপ ছিল। পরে টয়লেটে বালতির মধ্যে মেয়ের খণ্ডিত মাথা দেখি। তার দেহ খোঁজার জন্য দুই রুমে থাকা দমদরজাও ভেঙে ফেলা হয়। সেখানেও নেই। এরপর সোহেলদের রুমের ভেতর স্টিলের খাটের নিচে মাথাবিহীন আমার মেয়ে রামিসার মরদেহ দেখতে পাই। তারপর পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। আমি থানায় মামলা করি।’
সাক্ষ্য শেষে আব্দুল মান্নানকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মূসা কালিমূল্যাহ। এরপর বেলা ১১টার দিকে তার জেরা শেষ হয়। এরপর ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে রামিসার বড় বোনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত। এদিন আদালতে মামলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীরা সাক্ষ্য দিবেন বলে জানা গেছে। এদের মধ্যে রয়েছেন- ম্যাজিস্ট্রেট, চিকিৎসক, আলামত সংগ্রহকারী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রতিবেশীরা।
এদিকে সকাল পৌনে ৯টায় মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জ থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়েছে। এসময় তাদেরকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ চলাকালে তাদেরকে এজলাসে নেওয়া হয়।
এর আগে গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে আট বছরের শিশু রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ফ্ল্যাটটিতে বসবাসকারী সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতের কাছে ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করে সোহেল।
তদন্ত শেষে মামলার চার্জশিটে প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে, মাদকে আসক্ত থাকতেন সোহেল। ঘটনার দিন শিশু রামিসাকে বাথরুমে টেনে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। রামিসা চিৎকার করে কান্নাকাটি করায় ও পরিবারকে জানানোর কথা বললে ক্ষিপ্ত হয়ে মাথা ও হাত কেটে হত্যা করে সোহেল। এ ছাড়া লাশ গুম করতে ও পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করে তার স্ত্রী স্বপ্না।

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও নিয়মিত মামলার ৬ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। সোমবার (২ জুন) রায়গঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন কুখ্যাত ডাকাত আক্তার মন্ডল (৫০)। তিনি উপজেলার রামকৃষ্ণপুর কোদলা গ্রামের সোনা মন্ডলের ছেলে। তার বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইন, ৪ ধারার মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।
এছাড়া গ্রেপ্তার হওয়া অন্য আসামিরা হলেন— আবু তালেব (২৮), পিতা আলিমুদ্দিন, গ্রাম বন্দিহার; মো. রেজাউল করিম (৪০), পিতা আবুল হোসেন, গ্রাম চান্দাইকোনা; রিপন (২৩), পিতা মজিদ সেখ, গ্রাম চর ব্রাহ্মণবাড়িয়া; মো. শয়ন মিয়া ওরফে জাকারিয়া (৩০), পিতা স্বপন মিয়া, গ্রাম চান্দাইকোনা এবং নিয়মিত মামলার আসামি ও মাদক ব্যবসায়ী ভুট্ট খলিফা (৩৮), পিতা রইচ উদ্দিন, গ্রাম নিঝুরি উত্তরপাড়া।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আবু তালেবের বিরুদ্ধে এনআই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারার মামলা, রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে মাদক মামলার ওয়ারেন্ট এবং অপর আসামিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত সকল আসামিকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পুলিশ স্কোর্টের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসানুজ্জামান বলেন, “আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং আদালতের পরোয়ানা বাস্তবায়নে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধ দমনে রায়গঞ্জ থানা পুলিশ নিয়মিতভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে।”

রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকায় একটি বাসা থেকে নুরজাহান বেগম (৭২) নামে এক বৃদ্ধা নারীর পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে কোনো খোঁজ না নেওয়ার অভিযোগ এবং পারিবারিক দায়িত্বহীনতা নিয়ে ঘটনাটিকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (৩১ মে) গভীর রাতে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পল্লবী থানা পুলিশ মিরপুরের ৬ নম্বর সেকশনের সি ব্লকের ১২ নম্বর রোডের ওই বাসায় যায়। পরে বাসার একটি কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
পুলিশের ধারণা, নুরজাহান বেগমের মৃত্যু হয়েছে প্রায় সাত থেকে আট দিন আগে। এ সময় মরদেহে পচন ধরেছিল এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে পচনজনিত ক্ষয় দেখা যায়।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাসান বশির জানান, নুরজাহান বেগম ওই বাসায় তার মেয়ের সঙ্গে থাকতেন। তবে মেয়েটি আলাদা কক্ষে অবস্থান করতেন। বৃদ্ধা দীর্ঘ সময় সাড়া না দেওয়ায় একপর্যায়ে পরিবারের পক্ষ থেকে একজন নার্সকে ডাকা হয়। পরে নার্স ওই কক্ষে প্রবেশ করে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হলে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, প্রাথমিকভাবে বাসার কক্ষটি ছিল অত্যন্ত অপরিচ্ছন্ন, অগোছালো ও দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত অবস্থায়। সেখানে পরিচর্যার অভাব স্পষ্টভাবে দেখা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি তাদের নজরে আসে এবং পরে ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে জানানো হয়।
ওসি মো. হাসান বশির আরও জানান, নিহত নুরজাহান বেগমের পরিবারে দুই ছেলে রয়েছেন। তাদের একজন সরকারি যুগ্মসচিব এবং অন্যজন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। তারা আলাদা বাসায় থাকেন। পরিবারের অন্য সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিষয়টি স্পষ্ট হবে।
ঘটনাটি সামনে আসার পর স্বজনদের দায়িত্ব ও বৃদ্ধা নারীর দীর্ঘদিনের একাকিত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের মতে, এমন একটি ঘটনায় উচ্চশিক্ষিত ও উচ্চপদস্থ সন্তানদের ভূমিকা নিয়েও নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। গতকাল সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দেন। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র তিন মাসের মাথায় একজন মন্ত্রীর পদত্যাগে মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরা বেশ বিব্রত ও অস্বস্তিতে রয়েছেন বলে জানা গেছে। দীপেন দেওয়ান সত্যিই অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করেছেন, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে,তা নিয়ে নানা আলোচনা ও গুঞ্জন চলছে সরকার ও প্রশাসনে। এদিকে দীপেন দেওয়ানের আকস্মিক পদত্যাগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে রাঙামাটিতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। অন্যদিকে, শিগগির মন্ত্রিসভায় কয়েকটি নতুন মুখ যুক্ত হতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে। সেইসঙ্গে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা কয়েকজন মন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন হতে পারে বলে জোর আলোচনা চলছে।
গতকাল দেওয়া পদত্যাগপত্রে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান উল্লেখ করেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছেন। অসুস্থতার কারণে মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত দায়িত্ব পালনে নানা সমস্যা তৈরি হচ্ছিল। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজের গতিশীলতা বাড়াতে তিনি পদ থেকে অব্যাহতি নিচ্ছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রতিমন্ত্রী বলেন, হঠাৎ করে তিনি পদত্যাগ করে অন্যদের মনেও ভয় ধরিয়ে দিয়েছেন। সরকার নতুন। আমরাও নতুন। সবকিছু এখনো বুঝে উঠতে পারছি না। ফলে একটু টেনশন তো হয়-ই। কখন আবার ব্যর্থতার দায় ঘাড়ে চলে আসে। তবে দীপেন দেওয়ান অত্যন্ত সজ্জন ব্যক্তি। মন্ত্রিসভায় এমন লোকের দরকার ছিল।
দীপেন দেওয়ান কেন পদত্যাগ করেছেন—এমন প্রশ্ন সচিবালয়ের দপ্তরে দপ্তরে ঘুরপাক খাচ্ছে। কেউই সুনির্দিষ্ট কারণ বলতে পারছেন না। এ নিয়ে মন্ত্রিসভার কোনো সদস্যও প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে বিষয়টি নিয়ে যে সরকারের ভেতরে অস্বস্তি রয়েছে, তা বোঝা যাচ্ছে।
৬৩ বছর বয়সী দীপেন দেওয়ান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছিলেন। নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে সর্বাধিক ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন তিনি। প্রথমবার সংসদ সদস্য হয়েই পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী হন দীপেন দেওয়ান। এ মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন।
২০০৫ সালে যুগ্ম জেলা জজের চাকরি ছেড়ে দীপেন দেওয়ান বিএনপিতে যোগ দেন। ২০১০ সালে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি হন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি কেন্দ্রীয় বিএনপির ধর্মবিষয়ক সহসম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। দীপেন দেওয়ানের বাবা সুবিমল দেওয়ান প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপজাতিবিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন।
দীপেন দেওয়ানের আকস্মিক পদত্যাগের সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে একটি ‘বিরল ও অনন্য দৃষ্টান্ত’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) অন্যতম সদস্য সর্বমিত্র চাকমা। তিনিও পার্বত্য অঞ্চলের বাসিন্দা।
পদত্যাগপত্র গ্রহণ করলেন রাষ্ট্রপতি: পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। পরে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতি কর্তৃক গৃহীত হয়েছে। এ পদত্যাগ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
পদত্যাগ প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ-অবরোধ: দীপেন দেওয়ানের আকস্মিক পদত্যাগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে রাঙামাটিতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। গতকাল পদত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা সড়কে নেমে বিক্ষোভ দেখান। তারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের প্রধান পয়েন্টগুলোতে অবস্থান নেন।
রাঙামাটি বিএনপি অফিসের সামনে প্রায় আধাঘণ্টার জন্য যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে সড়কের দুপাশে শত শত যানবাহন আটকে পড়ে এবং সাধারণ যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা তীব্র ভোগান্তির শিকার হন।
রাঙামাটি জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ নুরনবী বলেন, বিএনপি বা অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কারও সঙ্গে দীপেন দেওয়ান পদত্যাগের বিষয়ে কোনো আলোচনা করেননি। তিনি হঠাৎ করে কেন পদত্যাগ করলেন তা বুঝতে পারছি না। তিনি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু তিনি তো সংসদ নির্বাচনে প্রচারণায় দুর্গম পাহাড়ে গিয়েছেন। তাহলে তিনি সত্যিই অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করেছেন, নাকি এর পেছনে অন্য কারণ রয়েছে তা খতিয়ে দেখতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে অনুরোধ করছি।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন বলেন, আমরা মিডিয়ার মাধ্যমে শুনছি পদত্যাগের বিষয়টি। তিনি আমাদের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো আলোচনা করেননি। রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর সুমন বলেন, দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ আমরা মেনে নিতে পারছি না। এখানে ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ থাকবে বিষয়টি খতিয়ে দেখার এবং দীপেন দেওয়ানকে পুনরায় মন্ত্রী পদে বহাল করার।
শিগগির মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ: সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রগুলো বলছে, প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনা, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং রাজনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে শিগগিরই মন্ত্রিসভায় কয়েকজন নতুন মুখ দেখা যাবে। তাদের মধ্যে নারায়ণগঞ্জের একজন তরুণ এমপির নাম বেশ আলোচনায় আছে। প্রধানমন্ত্রীর খুব কাছের হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে। পাশাপাশি নরসিংদী থেকে আরও একজনকে মন্ত্রিসভায় দেখা যেতে পারে। এ ছাড়া নেত্রকোনা থেকে একজন এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহের একজন নারী এমপির নাম মন্ত্রী হিসেবে বেশ আলোচনা রয়েছে। আর বৃহত্তর নোয়াখালী জেলার একজন সিনিয়র বিএনপি নেতাকেও তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় শিগগির দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিষদের কাউকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার কথাও শোনা যাচ্ছে।

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দিয়ে প্রাইভেটকারের ৫ যাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২ জুন) ভোরে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের উপজেলার মালীগ্রাম ফ্লাইওভারের ওপর এ দুর্ঘটনা ঘটে। ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আবু জাফর জানান, একটি প্রাইভেটকার ভোরে ঢাকা থেকে যশোর যাওয়ার পথে মালীগ্রাম এলাকায় একই লেনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দিয়ে দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই নারী ও দুই পুরুষ নিহত হন।
এসময় একটি শিশুসহ কয়েকজন আহত হন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন।
আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে গুরুতর আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহত শিশুটির মৃত্যু হয়।
শিবচর হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুর আলম জানান, দুর্ঘটনায় প্রাইভেটকারের চালকসহ মোট ৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তাদের পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।
তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঘন কুয়াশা, কম দৃশ্যমানতা কিংবা দ্রুতগতির কারণে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দিতে পারেন।























One thought on “অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরি, দুই প্রতিষ্ঠানকে ৩৮ হাজার টাকা জরিমানা”