সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের লক্ষ্যে কাজ এগিয়ে চলছে। তবে মূল বেতন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর পাশাপাশি সরকারের ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিভিন্ন ভাতা যৌক্তিকীকরণ বা পুনর্নির্ধারণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত সচিব কমিটির উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে নতুন পে-স্কেলের আর্থিক প্রভাব, বাস্তবায়ন কৌশল এবং ভাতার কাঠামো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। নতুন অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
যেসব ভাতায় পরিবর্তনের প্রস্তাব
বাড়িভাড়া ভাতা
বর্তমানে অঞ্চলভেদে সরকারি চাকরিজীবীরা মূল বেতনের ৪৫ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িভাড়া ভাতা পান। নতুন পে-স্কেলে মূল বেতন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়লে একই হারে ভাতা বহাল থাকলে সরকারের ব্যয় অনেক বেড়ে যাবে। তাই বাড়িভাড়া ভাতার শতাংশ কমিয়ে যৌক্তিক পর্যায়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।
চিকিৎসা ভাতা
বর্তমানে সব গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা পান। নতুন কাঠামোতে এই ভাতার হার পুনর্নির্ধারণ অথবা একটি নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।
শিক্ষা সহায়ক ভাতা
দুই সন্তানের জন্য দেওয়া শিক্ষা সহায়ক ভাতাও পুনর্বিবেচনার আওতায় এসেছে। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ভাতার সীমা নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে।
যাতায়াত ও গাড়ি সুবিধা
নির্দিষ্ট গ্রেডের কর্মচারীদের যাতায়াত ভাতা এবং প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ও জ্বালানি সুবিধা পুনর্মূল্যায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যাতে সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
অপ্রাসঙ্গিক ভাতা
বর্তমান প্রেক্ষাপটে কার্যকারিতা হারানো বা সীমিত গুরুত্বের কিছু ছোটখাটো ভাতা পুরোপুরি বাতিলের প্রস্তাবও আলোচনায় রয়েছে।
বেতন বাড়লেও বাড়বে জবাবদিহি
বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেছেন, সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের জন্য সরকার বেতন বৃদ্ধি করছে। তবে একই সঙ্গে জনপ্রশাসনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও জনসেবার মান আরও উন্নত করতে হবে। আর্থিক সুবিধার পাশাপাশি জনগণ যেন দ্রুত ও মানসম্মত সেবা পায়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গেজেটে
অর্থ বিভাগ ও সচিব কমিটির সুপারিশ প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। ভাতার হার, কাটছাঁট বা নতুন কাঠামো সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকারি গেজেট প্রকাশের পরই জানা যাবে।

কামারখন্দে ৮০ বছর পর পৈত্রিক জমি ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত বৃদ্ধ
- কামারখন্দ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কন্ঠ.কম।
- আপডেট টাইম : ০৭:৪২:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে প্রায় ৮০ বছর পর পৈতৃক জমি দখলে লাল নিশান উড়িয়ে নিয়েছেন ৮০বছর বয়স্ক মকবুল সরকার। এ সময় তিনি বাবার সম্পত্তির মধ্যে দাঁড়িয়ে আবেক আপ্লুত হয়ে পড়েন। সম্প্রতি উপজেলা ভূমি অফিস থেকে করণিক ভুল থাকা জমির কাগজপত্র সংশোধনের পর(২৪ জুন) বুধবার উপজেলার বড়কুড়া গ্রামে ৬৪শতাংশ একটি ফসলি জমি দখলে নেন মকবুল সরকার। এসময় মকুবল সরকারের বাবা মৃত জমসের প্রামানিকের ওয়ারিশরা উপস্থিত ছিলেন।
জমির কাগজপত্রে করণিক ভুল থাকায় ভুল সংশোধনের জন্য উপজেলা ভূমি অফিসে মামলা করেন জমসের প্রামানিকের নাতী জাহিদুল ইসলাম। দাখিলকৃত কাগজপত্রের সার্বিক পর্যালোচনা করে আদেশ দেন সহকারি কমিশনার (ভূমি)। আদেশের কপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ৪২ নম্বর জেএল ভুক্ত কুড়া মৌজার আরএস ৯৬ খতিয়ানের মালিকরা ধারাবাহিকভাবে সর্বশেষ আরএস রেকর্ডভুক্ত হয়েছেন। খতিয়ানে মালিকের নাম সমসের আলী, পিতা- ইমান আলী এর স্থলে জমসের প্রামানিক, পিতা- এলামদি প্রামানিক এবং জিলন নেছা, স্বামী- সমসের প্রামানিক এর স্থলে জিলমন্নেছা বিবি, স্বামী- জোমসের প্রামানিক লিখে করণিক ভুল সংশোধনের আদেশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে গতকাল বুধবার সেই জমি দখলে নেন মৃত জমসের প্রামানিকের ওয়ারিশরা।
মৃত জমসের প্রামানিকের ছেলে মোকবুল হোসেন জানান, ৮০ বছর আগে আমার বাবা নিখোঁজ হন। বাবা নিখোঁজের পর গ্রামের বাসিন্দারা আমার মায়ের উপর অত্যাচার করতে থাকেন। অত্যাচার সইতে না পেরে আমার মা তার বাবার বাড়ী ধোপাকান্দি গ্রামে চলে যান। পরে সেখানে আমার জন্ম হয়। এভাবে কেটে গেল বহু বছর। বেশ কয়েক বছর আগে আমার ছোট ছেলে আমার বাবার জায়গা জমি নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় বড়কুড়ার এই জমিটির কাগজপত্রে কিছু করণিক ভুল থাকলে সংশোধনে উপজেলা ভূমি অফিসে আবেদন দেওয়া হয়। পরে কাগজপত্র যাচাই বাছাই ও পর্যালোচনা করে করণিক ভুল সংশোধন করে আদেশ জারি করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি)। তারই প্রেক্ষিতে আমার ছেলে, ভাতিজা ও নাতীদের সঙ্গে নিয়ে জমিটি দখল করলাম। দুপুর পর্যন্ত আগে থেকে দখলে থাকা কাউকে দেখতে পাইনি। তাদের কাছে জমির কাগজ থাকলে তো আসবে। বাবার স্মৃতি জড়িত এই জমি উদ্ধার করতে পেয়ে খুব আনন্দিত।
জমি দীর্ঘদিন ধরে দখলে থাকা বড়কুড়া গ্রামের মৃত লালচান মণ্ডলের ছেলে আব্দুল লতিফ জানান, এই জমিটি অনেক বার বেচাকেনা হয়েছে। আমিও প্রায় ২০ বছর ধরে জমিটি গ্রামের একজনের কাছ থেকে কিনে আবাদ করছি। হঠাৎ করে মৃত জমসের প্রামানিকের ওয়ারিশরা জমিটি দখলে নিচ্ছে। কোন ভাবেই জমি দখলে নিতে দেবো না৷
সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লা আল মামুন জানান, তদন্ত প্রতিবেদন ও কাগজপত্র পর্যালোচনা করে ৪২ নম্বর জেএলভুক্ত কুড়া মৌজার আরএস ৯৬ খতিয়ানের করণিক ভুল সংশোধনের আদেশ দেওয়া হয়েছে। তবে বিবাদী পক্ষ বাধা না দিলে বাদী পক্ষ সেই জমিতে যেতে পারেন। তবে আইনশৃঙ্খলা অবনতি ঘটার সম্ভাবনা থাকলে কোন ভাবেই সেই জমি দখলে নেওয়া যাবে না। বাদী পক্ষ দখল নিতে চাইলে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করতে পারেন।

বিশ্বকাপ চলাকালেই অবসরের ঘোষণা তারকা গোলরক্ষকের
- ক্রীড়া ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৭:৩৯:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
বিশ্বকাপ চলাকালীনই বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন মেক্সিকোর কিংবদন্তি গোলরক্ষক গুইলার্মো ওচোয়া। চলতি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ম্যাচের ৭৭তম মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেই পেশাদার ফুটবলকে বিদায় জানান তিনি। এর মধ্য দিয়ে দুই দশকেরও বেশি সময়ের এক গৌরবময় যাত্রার সমাপ্তি ঘটল।
২০০৪ সালে ক্লাব আমেরিকার হয়ে অভিষেকের পর থেকেই নিজের অসাধারণ প্রতিভার জানান দেন ওচোয়া। মাত্র ১৯ বছর বয়সেই দুর্দান্ত রিফ্লেক্স ও ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠেন তিনি। ক্লাব আমেরিকার জার্সিতে খেলেই ২০০৭ সালে মহাদেশের সেরা গোলরক্ষকের স্বীকৃতি পান।
একই বছর ব্যালন ডি’অরের ৫০ জন মনোনীত খেলোয়াড়ের তালিকায় জায়গা করে নিয়ে ইতিহাস গড়েন, যা এখনো কোনো মেক্সিকান ফুটবলারের পক্ষে সম্ভব হয়নি।
দেশের গণ্ডি পেরিয়ে ইউরোপেও নিজের ছাপ রেখেছেন ওচোয়া। ফ্রান্সের আজাসিও, স্পেনের মালাগা ও গ্রানাডা, বেলজিয়ামের স্ট্যান্ডার্ড লিয়েজ, ইতালির সালার্নিতানা এবং পরবর্তীতে এভিএস ও এইইএল লিমাসলের হয়ে খেলেছেন তিনি। বিভিন্ন ইউরোপীয় ক্লাবের হয়ে খেলা একমাত্র মেক্সিকান গোলরক্ষক হিসেবে অনন্য এক রেকর্ডও গড়েছেন।
ক্লাব ক্যারিয়ারে জিতেছেন লিগা এমএক্স, কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ক্যাম্পিয়ন অব চ্যাম্পিয়নস এবং বেলজিয়ান কাপের শিরোপা। তবে ওচোয়াকে অমর করে রেখেছে জাতীয় দলের জার্সিতে তার অবদান। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে মেক্সিকোর অন্যতম সেরা খেলোয়াড় ছিলেন তিনি।
ব্রাজিল, জার্মানি ও পোল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে তার দুর্দান্ত গোলরক্ষণের স্মৃতি এখনো ফুটবলপ্রেমীদের মনে উজ্জ্বল। এছাড়া ছয়টি গোল্ড কাপ, একটি কনকাকাফ নেশনস লিগ শিরোপা এবং ২০২২ অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ পদক জয়ের কৃতিত্বও রয়েছে তার ঝুলিতে।
ফুটবল বিশ্বকাপে বয়স্ক ফুটবলারের তালিকায় ছিলেন গুইলার্মো ওচোয়া। ১৩ জুলাই, ১৯৮৫ সালে জন্ম নেওয়া এই গোলরক্ষক ইতোমধ্যে ৪০ বছর পার করেছেন। চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে খেলতে নেমে মেসি, রোনালদোর সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ মৌসুমে নামার রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
বিদায়ী ম্যাচে ৭৭তম মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন গুইলার্মো ওচোয়া। নির্ধারিত ১৩ মিনিট ও সংযুক্তি সময় মিলিয়ে মোট ১৯ মিনিট খেলেছেন তিনি। শেষ ম্যাচে দলের দুর্গও অক্ষত রেখেছেন এই গোলরক্ষক। ম্যাচ শেষে বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারকে বিদায় জানিয়েছেন মেক্সিকোর এই কিংবদন্তি গোলরক্ষক।
ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘মনে পড়ছে অসংখ্য গল্প, অসংখ্য স্মৃতি। এই গোলপোস্টে দাঁড়িয়ে আমার প্রথম ম্যাচ, শিরোপা জয়, বিশ্বকাপ, জাতীয় দলের অসংখ্য মুহূর্ত। মানুষ যে ভালোবাসা দিয়েছে, তার জন্য ধন্যবাদ জানানোর ভাষা আমার নেই। পরিবার, সতীর্থ ও কোচদের সহায়তায় এই পথটা পাড়ি দিতে পেরেছি। সব ত্যাগ আর পরিশ্রম সার্থক হয়েছে।’

নিজের গল্প নিয়েই নতুন অধ্যায় শুরু করতে চান পপি
- বিনোদন ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৭:২৯:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
একসময় ঢাকাই চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় ও গ্ল্যামারাস নায়িকা ছিলেন পপি। দীর্ঘদিন ধরেই অভিনয় থেকে দূরে রয়েছেন তিনি। ফলে ভক্তদের অনেকের মনেই প্রশ্ন ছিল, তিনি কি আর কখনো পর্দায় ফিরবেন? সেই প্রশ্নের জবাব এবার নিজেই দিয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এই অভিনেত্রী।
সম্প্রতি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে পপি স্পষ্ট জানিয়েছেন, নিয়মিত অভিনয়ে ফেরার কোনো পরিকল্পনা তার নেই। তবে একটি বিশেষ শর্তে তিনি আবারও ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে পারেন। আর সেটি হলো, তাকে নিয়ে নির্মিত একটি মানসম্পন্ন বায়োপিক।
পপি বলেন, ‘আমি আর কোনো সিনেমা, নাটক কিংবা বিজ্ঞাপনে কাজ করতে চাই না। এখন আমি আমার স্বামী ও একমাত্র সন্তান আয়াতকে নিয়েই সময় কাটাতে চাই। সুখী পারিবারিক জীবনই এখন আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।’
তবে নিজের জীবন নিয়ে নির্মিত কোনো বায়োপিক হলে সেখানে অভিনয়ের আগ্রহ রয়েছে বলে জানান তিনি। পপির ভাষায়, ‘কেউ যদি খুব সুন্দরভাবে আমার জীবন নিয়ে বায়োপিক নির্মাণ করতে চান, তাহলে অবশ্যই আমি অভিনয় করব। আমার জন্ম, বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা, ফটোসুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ, ব্যক্তিগত জীবন, সংগ্রাম এবং চলচ্চিত্রজীবনের নানা অধ্যায় যদি সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়, তাহলে সেই কাজের অংশ হতে চাই।’
তবে শুধু বায়োপিক হলেই হবে না, সেটি হতে হবে ব্যতিক্রমী ও দৃষ্টান্তমূলক। এমন প্রত্যাশার কথা জানিয়ে পপি বলেন, ‘কোনোরকম একটি বায়োপিকে আমি কাজ করতে চাই না। দেশ-বিদেশে আমার অনেক ভক্ত আছেন। তাদের প্রত্যাশার কথা মাথায় রেখেই বলতে চাই, যদি কখনো ফিরি, তাহলে সেটি যেন সত্যিই স্মরণীয় একটি কাজ হয়।’
অভিনেত্রী আরও জানান, একসময় চলচ্চিত্রে যেমন মৌসুমী ও শাবনূর-এর দাপট ছিল, তেমনি তিনিও নিজের সময়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। একইভাবে পূর্ণিমা-ও দর্শকদের ভালোবাসা অর্জন করেছেন। তাই নিজের জীবনভিত্তিক কোনো কাজ হলে সেটি যেন মানসম্পন্ন হয়, সেটিই তার চাওয়া।
উল্লেখ্য, পপি সর্বশেষ সাদেক সিদ্দিকী পরিচালিত ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশান’ সিনেমায় অভিনয় করেন। এরপর আর নতুন কোনো সিনেমায় তাকে দেখা যায়নি। ক্যারিয়ারে তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জনের পাশাপাশি বিভিন্ন সংগঠন থেকে শতাধিক সম্মাননা ও পুরস্কার পেয়েছেন এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী। বর্তমানে অভিনয়জগত থেকে দূরে থাকলেও একটি ব্যতিক্রমী বায়োপিকই হতে পারে তার প্রত্যাবর্তনের একমাত্র উপলক্ষ।

এ বি এম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক পদ বাতিল, ফেরত দিতে হবে বেতন-ভাতা
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ.কম।
- আপডেট টাইম : ০৭:১৮:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর আজীবন নিয়োগ বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে ওই পদে দায়িত্ব পালনের সময় উত্তোলিত সব বেতন-ভাতা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তফা কামাল স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়, ২০২৪ সালের ২০ জুন অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৯২তম বাজেট অধিবেশনে আলোচ্যসূচির বাইরে একজন সদস্যের প্রস্তাবের ভিত্তিতে ‘ইমেরিটাস অধ্যাপক নিয়োগ অধ্যাদেশ’ সংশোধন করা হয়। পরে একই সভায় অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহকে আজীবন মেয়াদে ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, ওই নিয়োগ বিধিবহির্ভূত হওয়ায় তা অনুমোদনযোগ্য নয়।
এ কারণে ৯২তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তার ইমেরিটাস অধ্যাপক পদে আজীবন নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি ওই সভার তারিখ থেকে ইমেরিটাস অধ্যাপক পদে উত্তোলিত সব বেতন-ভাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাগারে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে অধ্যাপক ডা. এ বি এম আবদুল্লাহ এক গণমাধ্যমকে বলেন, তিনি ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত চিঠি পেয়েছেন। তার দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তার সঙ্গে অন্যায় ও অবিচার করেছে।
তিনি বলেন, ‘পৃথিবীর কোথাও এমন সম্মানজনক পদ এভাবে কেড়ে নেওয়ার নজির নেই। প্রায় ৫০ বছর ধরে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছি। আমার অনেক ছাত্র আজ দেশের স্বনামধন্য অধ্যাপক। জীবনের শেষ সময়ে এসে এমন আচরণ মোটেও প্রত্যাশিত নয়। কারা এবং কী কারণে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা তারাই ভালো জানে।’

সাইপ্রাসে ছাদ থেকে পড়ে তাড়াশের নির্মাণ শ্রমিক সৌরভের মৃত্যু
- তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৭:১৬:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
ভূমধ্যসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র সাইপ্রাসে বহুতল ভবনের ছাদ থেকে পড়ে মো. সৌরভ সরকার (৩২) নামে এক বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত ২টার দিকে স্থানীয় একটি বহুতল ভবনের তিন তলা ছাদ থেকে পড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
সৌরভ সরকার সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার দেশিগ্রাম ইউনিয়নের আরঙ্গাইল গ্রামের স্কুল শিক্ষক আব্দুর রশিদের ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে দেশিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জ্ঞানেন্দ্র নাথ বসাক বলেন, সৌরভের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, দেড় বছর আগে স্ত্রী ও শিশুসন্তানকে রেখে জীবিকার তাগিদে সাইপ্রাসে যান সৌরভ। সেখানে একটি কোম্পানিতে তিনি ম্যানেজার পদে কাজ করতেন। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার মৃত্যুর খবরটি ভোরের দিকে পরিবারকে জানানো হয়।
এদিকে তার মৃত্যুর খবরে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

জড়তাই আপন
- এনায়েতপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৭:১০:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

ভ্রমণ ও সাংবাদিকতায় সমান পদচারণায় হাসিমাখা মুখে এগিয়ে চলছেন বিটিএসএফ মহাসচিব শাওন
- শরীয়তপুর প্রতিনিধি। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৭:০৪:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
বাংলাদেশের গণমাধ্যম, সাহিত্য, মানবাধিকার ও সামাজিক সংগঠনের অঙ্গনে এক পরিচিত নাম মোঃ আল-আমিন শাওন (এলএল.বি)। তিনি বাংলাদেশ তৃণমূল সাংবাদিক ফোরাম (বিটিএসএফ)-এর কেন্দ্রীয় মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি দেশের জনপ্রিয় সংবাদপত্র দৈনিক দিনকাল এবং ডেইলি সান-এর শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সাংবাদিকতা করে যাচ্ছেন।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি মোঃ আল-আমিন শাওন একজন ভ্রমণপিপাসু মানুষ হিসেবেও পরিচিত। দেশের বিভিন্ন জেলা ও দর্শনীয় স্থান ভ্রমণের মাধ্যমে তিনি প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও মানুষের জীবনযাত্রা সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। তার ভ্রমণ শুধু বিনোদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং তা সমাজ, সংস্কৃতি ও মানুষের বাস্তব চিত্র জানার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
তিনি শুধু একজন সাংবাদিকই নন, একজন প্রতিভাবান কবিও। তার লেখনীতে ফুটে ওঠে সমাজের বাস্তবতা, মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং জীবনের নানা অনুভূতি। সাহিত্যচর্চার মাধ্যমে তিনি মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন।
মানবাধিকার কর্মী হিসেবেও তার ভূমিকা প্রশংসনীয়। সমাজের অসহায়, নির্যাতিত ও বঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি সবসময় সোচ্চার। বিভিন্ন মানবিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে তিনি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছেন।
এছাড়াও তিনি হাস্য উজ্জ্বল ফোরাম (হাউফো)-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসেবে একটি ইতিবাচক সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলেছেন, যেখানে হাসি, মানবিকতা ও সৌহার্দ্য ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হয়।
তার সদা হাস্যোজ্জ্বল, প্রাণবন্ত ও আন্তরিক ব্যক্তিত্ব তাকে সবার কাছে প্রিয় করে তুলেছে।
একজন সফল সংগঠক হিসেবে তিনি সমাজের উন্নয়ন, সাংবাদিকদের অধিকার এবং মানবকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।
সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতে, মোঃ আল-আমিন শাওন একজন উদ্যমী, মানবিক ও বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। যিনি ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করবেন; এমনটাই সবার প্রত্যাশা।
অন্যদিকে, বিটিএসএফ নেতৃবৃন্দের মতে, বাংলাদেশের তরুণ সাংবাদিকদের মাঝে পরিচিত এক নাম আল-আমিন শাওন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি ভ্রমণপ্রিয় মানুষ হিসেবেও তিনি নিজেকে আলাদা এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়ে প্রকৃতি, মানুষের জীবনযাত্রা ও সমাজের নানা বাস্তবতা কাছ থেকে দেখছেন এবং সেই অভিজ্ঞতাকে সাংবাদিকতার কাজে দক্ষতার সঙ্গে কাজে লাগাচ্ছেন।
তার হাসিমাখা মুখ, ইতিবাচক মনোভাব এবং মানুষের প্রতি আন্তরিকতা তাকে সহকর্মী ও সাধারণ মানুষের কাছে আরও জনপ্রিয় করে তুলেছে।
এদিকে, ভ্রমণ আর সাংবাদিকতা; দুই পথেই সমানতালে এগিয়ে চলা আল-আমিন শাওন মনে করেন, মানুষের গল্প জানার সবচেয়ে বড় মাধ্যম হলো মাঠে থাকা এবং মানুষের কাছাকাছি যাওয়া। আর সেই বিশ্বাস নিয়েই তিনি এগিয়ে চলেছেন নতুন স্বপ্ন, নতুন সম্ভাবনা আর নতুন গন্তব্যের পথে।

রেলসিটিতে বাঁজবে না আর ট্রেনের হুঁইসেল!
- জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৬:৫৬:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
ভোরের ট্রেনের হুঁইসেল শুনে এক সময় ঘুম ভাঙতো সিরাজগঞ্জ শহরবাসীর। উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সকল জেলার ট্রেনের শেষ ঠিকানা ছিল এ শহরেই। শহরের মাঝে চারটি রেলওয়ে স্টেশন। সারাদিন ঝিকঝিক আওয়াজ ও হাজার মানুষের কোলাহলে মুখরিত থাকতো।
রেলসিটি হিসেবে গড়ে ওঠা সেই সিরাজগঞ্জ শহরটি কালের পরিক্রমায় রেলশূন্য হতে চলেছে। রেলসিটির কফিনে সর্বশেষ পেরেকটি মারা হচ্ছে সিরাজগঞ্জ-বগুড়া ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের মাধ্যমে।
দেড় যুগ ধরে সিরাজগঞ্জবাসীর দাবী করে আসা ওই প্রকল্পটি তাদের বুকেই কুড়াল মারছে এমনটাই দাবি করছেন সচেতন মহল। প্রকল্পের আওতায় শহরের ৫ কিলোমিটার দূরে একটি জংশন করার মধ্য দিয়ে শহরকে রেলবঞ্চিত করা হচ্ছে। এতে ক্ষুব্ধ সিরাজগঞ্জবাসী আন্দোলনে নেমেছে। সিরাজগঞ্জ রেল বাঁচাও আন্দোলনের ব্যানারে মানববন্ধন, পদযাত্রা, স্মারকলিপি প্রদান, লিফলেট বিতরণসহ নানা কর্মসূচি দেওয়া হচ্ছে।
আন্দোলনরতদের দাবী, নির্মাণাধীন ওই প্রকল্পে শহরের দুই কিলোমিটার দক্ষিণে রায়পুর রেল স্টেশনকে জংশন করতে হবে। যেখানে উত্তরাঞ্চলবাসীর রেল যোগাযোগের কেন্দ্রবিন্দু হবে।
ঐতিহাসিত সূত্র থেকে জানা যায়, উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার যমুনা নদী বেষ্টিত সিরাজগঞ্জ শহরটির পূর্বে দেশের অন্যতম নদীবন্দর ছিল। বৃটিশ ভারতের বিভিন্ন শহর থেকে এই নদীবন্দরে লঞ্চ, জাহাজ আর ফেরি ভীড়তো। উনিশ শতকের গোড়ার দিকে বৃটিশ-ভারত আমলে সিরাজগঞ্জ শহরটিকে গড়ে তোলা হয়েছিল রেলসিটি হিসেবে। শহরের বুক চিরে বের হওয়া দুটি রেলসড়ক যমুনার তীরে দুই প্রান্তে গিয়ে শেষ হয়। এ শহরেই ছিল রায়পুর, সিরাজগঞ্জ বাজার, সিরাজগঞ্জ ঘাট ও বাহিরগোলা চারটি রেলওয়ে স্টেশন। স্টেশনগুলো ঘিরেই চলতো শহরবাসির জীবিকা।
১৯৯৮ সালে যমুনা সেতু নির্মাণের পর পরিকল্পনাহীনতায় পর্যায়ক্রমে গৌরব হারাতে বসে রেলসিটি সিরাজগঞ্জ। যমুনা সেতু হওয়ার পরও রাজশাহীগামী পদ্মা ও খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস নামে দুটি আন্ত:নগর ট্রেন, একটি মেইল ট্রেন ও একটি লোকান ট্রেন চলাচল করতো। পরবর্তীতে একে একে সব ট্রেন বন্ধ হয়।
সিরাজগঞ্জ রেল বাঁচাও আন্দোলন কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মাহমুব-এ-খোদা টুটুল বলেন, ১৯১৫ সালে তৎকালিন বৃটিশ সরকার চলনবিলের বুক চিরে নির্মাণ করে ইশ্বরদী-সিরাজগঞ্জ রেলপথ। এতে উত্তরাঞ্চলের সাথে ঢাকাসহ সমগ্র পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার নতুন দিগন্তের সূচনা হয়। ট্রেনযোগে সিরাজগঞ্জে আসার পর যমুনার ঘাট থেকে ফেরি সার্ভিসের মাধ্যমে জগন্নাথগঞ্জ ঘাট হয়ে ঢাকায় যাতায়াত করতো উত্তরাঞ্চলের মানুষ।
তিনি বলেন, ঈশ্বরদী-সিরাজগঞ্জ রেলপথের মাধ্যমে নদীবন্দর সিরাজগঞ্জকে গড়ে তোলা হয় রেলসিটি হিসেবে। শহরের বুক চিরে দুটি রেলসড়ক যমুনা ঘাটে যায়। শহরেই স্থাপন করা হয় চারটি রেলওয়ে স্টেশন। সিরাজগঞ্জ থেকে ঈশ্বরদী ও দর্শনা হয়ে কলকাতার সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন হয়। একটি আসাম-বেঙ্গল রেলওয়ে ছিল, যেটা শিলিগুড়ি, দার্জিলিং হয়ে ইশ্বরদী দিয়ে সিরাজগঞ্জে আসতো। এভাবে সিরাজগঞ্জের সাথে সরাসরি কলকতার সংযোগ স্থাপিত হয়। ব্যবসা-বানিজ্য, অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি সকল ক্ষেত্রেই এগিয়ে যেতে থাকে সিরাজগঞ্জ। এখানকার কৃষিপণ্য যেত কলকাতায় আর কলকাতা থেকে বিভিন্ন পণ্য আসতো সিরাজগঞ্জে। সকালের ট্রেনে গিয়ে রাতের ট্রেনেই ফেরা যেত। কলকাতার প্রভাবে সাংস্কৃতিক দিক দিয়েও সিরাজগঞ্জ এগিয়ে যায়। সিরাজগঞ্জের হরিহর শুকলা ও তার মেয়ে হৈমন্তী শুকলা, বাঁশরী লাহিড়ী ও তার ছেলে বাপ্পী লাহিড়ী ভারতীয় সঙ্গীতাঙ্গনে ভূমিকা রাখতেন। যাদব চন্দ্র চক্রবর্তী কলকাতায় থাকতেন। ওনার ছেলে কলকাতা থেকে এসে দাতব্য চিকিৎসালয় স্থাপন করেছিলেন।
বগুড়া থেকে যে রেলপথ নির্মাণ করা হচ্ছে সেখানে সিরাজগঞ্জ শহরে জংশন না করলে এই রেলসিটির একেবারেই অপমৃত্যু ঘটবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সিরাজগঞ্জ রেল বাঁচাও আন্দোলনের সদস্য সচিব তারিকুজ্জামান টরিক বলেন, সিরাজগঞ্জ ছিল রেলভিত্তিক একটি শহর। রেলকে বাইপাস করে শহরকে আলাদা করতে পারে না। যে শহর বন্দর কেন্দ্রিক সেটা বন্দর হবে যে শহর রেল কেন্দ্রিক সেটা রেলশহর থাকতে হবে। যারা এ শহরকে রেলবঞ্চিত করেছে তাদের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সাথে কোন সম্পর্ক নাই।
প্রবীণ সাংবাদিক আব্দুল কুদ্দুস বলেন, সিরাজগঞ্জ ছিল বাংলাদেশ থেকে কলকাতার কেন্দ্র। রায়পুরে ছিল ট্রেনের রক্ষণাবেক্ষণ, রেল ঘোরানো ও কয়লার ইঞ্জিন মেরামত কারখানা। অনেক যন্ত্রপাতি ছিল, এখনো ধ্বংশাবশেষ রয়েছে। এটা ছিল বাংলাদেশ থেকে কলকাতার কেন্দ্রভূমি। সিরাজগঞ্জ, ময়মনসিংহ জামালপুর, টাঙ্গাইলসহ সমস্ত এলাকার পাট ও কৃষিজাত দ্রব্য সিরাজগঞ্জ থেকে কলকাতা যাবার জন্য রেললাইন প্রতিষ্ঠিত হয়। রায়পুর, বাজার স্টেশন এলাকায় শত শত একর রেলের জায়গা পড়ে আছে।
সিরাজগঞ্জ জেলা বাসদের আহ্বায়ক নব কুমার কর্মকার বলেন, যমুনা সেতু হওয়ার পর রেলস্টেশন কড্ডার মোড়ে চলে গেল। আমরা তখনই বলছিলাম সিরাজগঞ্জ শহর যদি রেল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, শহরটি হাটখোলায় পরিণত হবে। বাস্তবে তাই হলো। আমরা সেটি নিয়ে আন্দোলন করলাম, হরতাল মিছিল, মিটিং করলাম। তখন সরকার ঘোষণা দিল সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলসড় নির্মাণ হবে। সেই রেলপথে শহরে দক্ষিণে রায়পুর রেলওয়ে স্টেশনকে জংশন করা হবে। পরবর্তীতে রেল মন্ত্রণালয়ের কোন কর্মকর্তার ইন্দনে আমাদের রায়পুরের পরিবর্তে ৫ কিলোমিটার দুরে কালিয়া হরিপুর দিয়ে বগুড়ায় রেলপথ নেয়া হচ্ছে।
সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির প্রেসিডেন্ট ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, রেলজংশন আমাদের আন্দোলন নয়, এটা আমাদের অধিকার, যার বাস্তবায়ন চাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেহেতু রিভাইজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন, আমরা চাই সিরাজগঞ্জের রায়পুরে জংশন করতে হবে।
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, সিরাজগঞ্জবাসী রায়পুরে জংশন করার দাবী জানিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন। আমরা সেটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠিয়ে দেব। তারপর ওখান থেকে যদি প্রজেক্ট সংশোধন করে ব্যবস্থা নেওয়ার হলে নেবে। প্রজেক্টের পিডি যদি গুরুত্ব দেন তাহলে প্রজেক্ট সংশোধন সম্ভব। তবে সেটা দীর্ঘমেয়াদী প্রসেস।
বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আবু জাফর মিয়া বলেন, প্রকল্প এখন যে পর্যায়ে আছে নতুন করে ডিজাইন করে আবার স্টাডি করে চুড়ান্ত করা সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। ২০২১ সাল থেকে স্টাডি চলছিল, তখন এটাকে হাইলাইটস করা উচিৎ ছিল। এখন আমরা টেন্ডারিংয়ের পর্যায়ে রয়েছে।
তিনি বলেন, একটা জিনিস দীর্ঘ সময় ডিজাইন করা হয়েছে। এখন নতুন করে এলাইনমেন্ট চেইঞ্জ করা মানে আবার প্রথম থেকে শুরু করা। এই পর্যায়ে এসে নতুনভাবে শুরু করা জটিল ও সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। সিরাজগঞ্জবাসী এই আন্দোলনটা আগে কেন করেনি, প্রশ্ন তোলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী প্রকল্প রিভাইজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সম্ভবত আমরা ওই আলোচনা থেকে সরে এসেছি।
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে একনেক সভায় ৫ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকার বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েলগেজ রেলপথ প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়। তখন প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছিল ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত। ভারতীয় একটি ব্যাংকের ঋণে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করার কথা ছিল। তবে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ভারতীয় অর্থায়ন বাতিল হয়। অর্থায়নে এগিয়ে আসে এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি)। সময়ের ব্যবধানে বেড়েছে প্রকল্পের ব্যয়। ৫ হাজার ৫৭৯ কোটির যায়গায় সংশোধিত প্রস্তাবে ব্যয় ধরা হয়েছে ১২ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা। সেই সঙ্গে মেয়াদ বাড়িয়ে ২০৩০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে।
বগুড়া-সিরাজগঞ্জ পথে নতুন এই ৭৬ কিলোমিটার ডুয়েলগেজ রেললাইন নির্মাণ হলে এ পথে দূরত্ব কমবে ১১৪ কিলোমিটার। এতে যাত্রার সময় বাঁচবে প্রায় তিন ঘণ্টা

নিয়মের বেড়াজালে সূর্যবংশী, ড্রেসিংরুম ব্যবহার করতে না পারার কারণ
- ক্রীড়া ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৬:৪৮:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
ভারতের ১৫ বছর বয়সী তরুণ সেনসেশন বৈভব সূর্যবংশী এবার ইতিহাস গড়ার দোরগোড়ায়। জাতীয় সিনিয়র দলে প্রথমবার ডাক পাওয়ার পর ইংল্যান্ড সফরে তার অভিষেক ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আলোড়ন। তবে বয়স কম হওয়ায় সফরে তাকে ঘিরে থাকছে বিশেষ সুরক্ষা ব্যবস্থা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইসিসির সেফগার্ডিং নিয়ম অনুযায়ী নাবালক খেলোয়াড়দের জন্য নির্ধারিত প্রোটোকল মেনে বৈভবকে সিনিয়র সতীর্থদের থেকে আলাদা ড্রেসিংরুম বা আলাদা সুবিধা ব্যবহার করতে হবে। বিষয়টি দলে নির্বাচনের কোনও সমস্যা নয়, বরং সম্পূর্ণভাবে নিরাপত্তা ও শিশু সুরক্ষা নীতির অংশ।
ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের এক মুখপাত্রও নিশ্চিত করেছেন যে এই সফর আইসিসি নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় তাদের সেফগার্ডিং নীতিই কার্যকর থাকবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আইসিসি পরিস্থিতি সামাল দেবে। সবকিছু ঠিক থাকলে আসন্ন আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচেই অভিষেকের সুযোগ পেতে পারেন এই তরুণ ব্যাটার। এরপর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে ভারত।
মাত্র ১৫ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হলে বৈভব ভেঙে দিতে পারেন বহু রেকর্ড। বর্তমানে ভারতের সর্বকনিষ্ঠ টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে রেকর্ড রয়েছে শচীন টেন্ডুলকারের, যিনি ১৬ বছর ২০৫ দিন বয়সে অভিষেক করেছিলেন।
ঘরোয়া ও বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পর জাতীয় দলে জায়গা করে নেওয়া বৈভবকে ঘিরে এখন ক্রিকেট মহলে বাড়ছে প্রত্যাশা। বিশেষ সুরক্ষা ব্যবস্থার কারণে তার সফর কিছুটা ভিন্ন হলেও, সম্ভাব্য অভিষেককে ঘিরে ভারতীয় ক্রিকেটে তৈরি হয়েছে নতুন ইতিহাসের অপেক্ষা।

ভেনেজুয়েলায় আফটারশকের ভয়ে বাইরে রাত কাটাচ্ছেন হাজারো মানুষ
- আন্তর্জাতিক ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৬:৩৫:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
ভেনেজুয়েলাকে কাঁপিয়ে দেওয়া পরপর দুটি ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত কারাকাসসহ বিভিন্ন এলাকায় উদ্ধার ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
সম্ভাব্য আফটারশক বা ক্ষতিগ্রস্ত ভবন ধসে পড়ার আশঙ্কা থাকায় অনেকেই রাস্তায় তাঁবু স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।
অন্যরা বাগানে বা ফুটপাথে গদি, মাদুর বা চাদর পেতে রাত কাটাচ্ছেন—তারা অপেক্ষা করছেন কখন নিজেদের বাড়িতে ফিরে যাওয়া নিরাপদ হবে তা জানতে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, বড় ধরনের আফটারশকের শঙ্কা এখনো রয়েছে।

রাত ১টার মধ্যে দেশের ১৭ অঞ্চলে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ.কম।
- আপডেট টাইম : ০৬:২৩:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
দেশের ১৭ অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসময় সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেল ৩টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সমূহের জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাংগাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে পূর্ব বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
একইসঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

আবারও ফিরছে জনপ্রিয় সুপারহিরো ‘সুপারগার্ল’
- বিনোদন ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম
- আপডেট টাইম : ০৬:২৩:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
চার দশকেরও বেশি সময় পর আবারও বড় পর্দায় ফিরছে জনপ্রিয় সুপারহিরো চরিত্র ‘সুপারগার্ল’। ১৯৮৪ সালে মুক্তি পাওয়া প্রথম ‘সুপারগার্ল’ সিনেমার ৪২ বছর পর নতুন রূপে দর্শকদের সামনে হাজির হচ্ছে ডিসি ইউনিভার্সের এই শক্তিশালী নারী নায়ক। আন্তর্জাতিকভাবে সিনেমাটি মুক্তি পাবে ২৬ জুন। নতুন ‘সুপারগার্ল’ পরিচালনা করেছেন ক্রেইগ গিলেস্পি। এতে কেন্দ্রীয় চরিত্র কারা জোর-এল বা সুপারগার্লের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন মিলি অ্যালকক। এছাড়া রয়েছেন ম্যাথিয়াস শোনার্টস, ইভ রিডলি, ডেভিড ক্রামহোল্টজ, এমিলি বিচাম, ডেভিড কোরেনসওয়েট এবং জেসন মোমোয়া।
১৯৮৪ সালের প্রথম ‘সুপারগার্ল’ সিনেমাটি নির্মিত হয়েছিল সুপারম্যান ফ্র্যাঞ্চাইজির স্পিন-অফ হিসেবে। তবে বক্স অফিসে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি সিনেমাটি। সমালোচকদের কাছ থেকেও নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পায়, যার প্রভাব দীর্ঘদিন নারী সুপারহিরো-কেন্দ্রিক চলচ্চিত্র নির্মাণে দেখা গিয়েছিল।
নতুন সংস্করণের প্রতি দর্শকদের আগ্রহের অন্যতম কারণ মিলি অ্যালককের উপস্থিতি। এর আগে জনপ্রিয় সিরিজ ‘হাউস অফ দ্য ড্রাগন’ -এ তরুণ টারগারিয়েন চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। এছাড়া ২০২৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সুপারম্যান সিনেমায় অল্প সময়ের উপস্থিতিতেই তিনি দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এবারের গল্পে সুপারগার্লকে দেখা যাবে আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর ও বাস্তববাদী এক চরিত্র হিসেবে। পৃথিবীতে বড় হওয়া সুপারম্যানের মতো সুখী শৈশব তার ছিল না। ধ্বংসপ্রাপ্ত ক্রিপ্টনের একটি অংশে বেড়ে ওঠা কারা জোর-এল ছোটবেলা থেকেই মৃত্যু ও ধ্বংসযজ্ঞের সাক্ষী। সেই অভিজ্ঞতাই তাকে গড়ে তুলেছে ভিন্ন মানসিকতার নায়ক হিসেবে।
গল্পে নিজের বিশ্বস্ত সঙ্গী কুকুর ক্রিপ্টোকে নিয়ে মহাকাশ ভ্রমণে বের হন সুপারগার্ল। এ সময় তার পরিচয় হয় রুথি নামের এক কিশোরীর সঙ্গে, যার পরিবারকে হত্যা করেছে এক নির্মম দস্যু নেতা। এরপর প্রতিশোধ ও ন্যায়বিচারের খোঁজে দুজন এক বিপজ্জনক আন্তঃগ্যালাক্টিক অভিযানে পা বাড়ায়।
সিনেমাটির আরেকটি বড় আকর্ষণ হলো জনপ্রিয় কমিকস চরিত্র লোবোর লাইভ-অ্যাকশন অভিষেক। ভয়ংকর এই মহাকাশ-ভাড়াটে শিকারির চরিত্রে অভিনয় করেছেন জেসন মোমোয়া। কমিকসপ্রেমীদের জন্য এটি হতে পারে বিশেষ চমক।
পরিচালক ক্রেইগ গিলেস্পি জানিয়েছেন, চরিত্র ও গল্প নির্মাণে কমিকসের মূল ভাবনার প্রতি যতটা সম্ভব বিশ্বস্ত থাকার চেষ্টা করা হয়েছে। শুধু একটি একক সুপারহিরো গল্প হিসেবেই নয়, নতুন ডিসি সিনেমাটিক ইউনিভার্স গঠনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে ‘সুপারগার্ল’কে। ডিসির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় জেমস গান সুপারম্যানের পাশাপাশি সুপারগার্লকেও অন্যতম কেন্দ্রীয় নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চান।

বজ্রাঘাতে প্রাণ গেল কলেজছাত্রীসহ দুজনের
- ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ
- আপডেট টাইম : ০৬:১২:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় বজ্রপাতে এক কলেজছাত্রী ও এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার পৃথক দুটি স্থানে এসব ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নের দেবগ্রামের ঝুটন চন্দ্র সেনের মেয়ে তুলী রানী সেন (১৬) ও কালাদহ ইউনিয়নের নিজপাড়া গ্রামের আব্দুল খালেক।
নিহতের পরিবার ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তুলী রানী সেন বাড়ির পাশেই ছিলেন। হালকা বৃষ্টিতে হঠাৎ বজ্রপাতে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। দ্রুত তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তুলি ফুলবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজের ১ম বর্ষের ছাত্রী।
অপরদিকে কালাদহ এলাকার মিজানুর রহমান জানান, তার ইউনিয়নের নিজপাড়া গ্রামের আব্দুল খালেক স্থানীয় বাজার হতে বাড়িতে আসার সময় হঠাৎ বজ্রপাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইএনও) শহীদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, এ ধরনের দুর্ঘটনার জন্য সরকারি যে সহযোগিতা আছে তা প্রদান করা হবে। বজ্রপাত সহনীয় তাল গাছ রোপনের প্রতি সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।


ন্যাশনাল ডেস্ক । জনতার কন্ঠ 
























































































One thought on “পে-স্কেলে পরিবর্তন, কমছে যেসব ভাতা”