সিরাজগঞ্জ , বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo শীর্ষ ৭ পুলিশ কর্মকর্তার বদলি-পদায়ন, নতুন দায়িত্বে যারা Logo বড়দিনের জন্য ২ কোটি টাকা চেয়েছিল অনুদান, প্রধানমন্ত্রী দিলেন ৩ কোটি Logo শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের Logo শ্রমিক আন্দোলনের লক্ষ্য সরকারকে বেকায়দায় ফেলা: হাতেম Logo বিপ্লব ও সংহতি দিবসের পোস্টার ছেঁড়ার অভিযোগে যুবক আটক Logo ঢাকা-দাম্মাম ফ্লাইট চালুর সময় ঘোষণা, স্থগিতই থাকছে রিয়াদ রুট Logo ৫০ কোটি মানুষকে দারিদ্র্যমুক্ত করল ভারত, পেছনে কী কৌশল? Logo ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ, ৪০ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি পাকিস্তানের Logo গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের নতুন কমিশনার আশিক সাঈদ Logo এআইইউবিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ জয় ড্যাফোডিলের

সাত মাসের সাফওয়ানকে বাঁচাতে প্রয়োজন ৫০-৭০ লাখ টাকা, সহায়তার আবেদন পরিবারের

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বিলিয়ারি অ্যাট্রেশিয়া (Biliary Atresia) নামের জটিল লিভার রোগে আক্রান্ত সাত মাসের শিশু আবু উবায়দা সাফওয়ান। শিশুটিকে বাঁচাতে দ্রুত লিভার প্রতিস্থাপন (লিভার ট্রান্সপ্লান্ট) প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। এ চিকিৎসায় আনুমানিক ৫০ থেকে ৭০ লাখ টাকা ব্যয় হতে পারে। বিপুল অঙ্কের এই অর্থ জোগাড় করা অসহায় পরিবারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তাই সন্তানকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় মানুষের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন তার মা-বাবা।

 

 

 

 

সাফওয়ানের বাড়ি সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার নয়ানগাঁতী গ্রামে। পরিবারের সদস্যরা জানান, জন্মের মাত্র দুই দিন পর থেকেই শিশুটির শরীর ও চোখ হলুদ হয়ে যায়। প্রস্রাবের রংও অস্বাভাবিক হলুদ ছিল। চিকিৎসকের পরামর্শে তার চিকিৎসা শুরু করা হয়। তবে সময়ের সঙ্গে জন্ডিস না কমায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। বিভিন্ন চিকিৎসক ও হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পরও প্রথমদিকে রোগটি শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

 

 

 

 

পরবর্তী সময়ে শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। লিভার বিশেষজ্ঞের পরামর্শে ভর্তি করা হয় শিশু হাসপাতালে। সেখানে গামা-জিটি (GGT), বিভিন্ন রক্ত পরীক্ষা ও লিভার বায়োপসিসহ একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার বিলিয়ারি অ্যাট্রেশিয়া রোগ শনাক্ত হয়।

 

 

 

 

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সাফওয়ানের শরীর ও চোখ হলুদ রয়েছে। তার পেট শক্ত হয়ে আসছে, খাবারের প্রতি অনীহা দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া প্রায়ই তার শরীরের তাপমাত্রা ১০০ থেকে ১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইট থাকছে। দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ছে শিশুটি।

 

 

 

 

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, সাফওয়ানকে ভারতের চেন্নাইয়ের রেলা ইনস্টিটিউট অ্যান্ড মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে লিভার প্রতিস্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে পরিবার। স্বজনদের ভাষ্য, চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারসহ এ জন্য আনুমানিক ৫০ থেকে ৭০ লাখ টাকা প্রয়োজন। কিন্তু পরিবারের আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় শিশুটির চিকিৎসা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

 

 

 

 

সাফওয়ানের মা-বাবা আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, “সন্তানকে সুস্থ করে তুলতে আমরা শুরু থেকেই সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। চিকিৎসার পেছনে অনেক টাকা খরচ হয়েছে। এখন চিকিৎসকেরা দ্রুত লিভার প্রতিস্থাপনের পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু এত টাকা আমাদের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব নয়। আমাদের সন্তানকে বাঁচাতে সবার সহযোগিতা চাই।”

 

 

 

 

 

সন্তানকে সুস্থ করে তোলার আশায় পরিবারটি দেশ-বিদেশের বিত্তবান ব্যক্তি, মানবিক ও সামাজিক সংগঠনসহ সব সহৃদয় মানুষের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় সাফওয়ানের চিকিৎসার অর্থ জোগাড় করা সম্ভব হবে এবং শিশুটি ফিরে পাবে সুস্থ জীবনের সুযোগ।

 

 

 

 

সাফওয়ানের চিকিৎসায় সহযোগিতা করতে যোগাযোগ:

অভিভাবক: মেহেদী হাসান
মোবাইল: ০১৭৫৯২৮২০০২

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শীর্ষ ৭ পুলিশ কর্মকর্তার বদলি-পদায়ন, নতুন দায়িত্বে যারা

সাত মাসের সাফওয়ানকে বাঁচাতে প্রয়োজন ৫০-৭০ লাখ টাকা, সহায়তার আবেদন পরিবারের

আপডেট টাইম : ০৫:৫০:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বিলিয়ারি অ্যাট্রেশিয়া (Biliary Atresia) নামের জটিল লিভার রোগে আক্রান্ত সাত মাসের শিশু আবু উবায়দা সাফওয়ান। শিশুটিকে বাঁচাতে দ্রুত লিভার প্রতিস্থাপন (লিভার ট্রান্সপ্লান্ট) প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। এ চিকিৎসায় আনুমানিক ৫০ থেকে ৭০ লাখ টাকা ব্যয় হতে পারে। বিপুল অঙ্কের এই অর্থ জোগাড় করা অসহায় পরিবারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তাই সন্তানকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও সহৃদয় মানুষের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন তার মা-বাবা।

 

 

 

 

সাফওয়ানের বাড়ি সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার নয়ানগাঁতী গ্রামে। পরিবারের সদস্যরা জানান, জন্মের মাত্র দুই দিন পর থেকেই শিশুটির শরীর ও চোখ হলুদ হয়ে যায়। প্রস্রাবের রংও অস্বাভাবিক হলুদ ছিল। চিকিৎসকের পরামর্শে তার চিকিৎসা শুরু করা হয়। তবে সময়ের সঙ্গে জন্ডিস না কমায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। বিভিন্ন চিকিৎসক ও হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পরও প্রথমদিকে রোগটি শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

 

 

 

 

পরবর্তী সময়ে শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় নেওয়া হয়। লিভার বিশেষজ্ঞের পরামর্শে ভর্তি করা হয় শিশু হাসপাতালে। সেখানে গামা-জিটি (GGT), বিভিন্ন রক্ত পরীক্ষা ও লিভার বায়োপসিসহ একাধিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার বিলিয়ারি অ্যাট্রেশিয়া রোগ শনাক্ত হয়।

 

 

 

 

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সাফওয়ানের শরীর ও চোখ হলুদ রয়েছে। তার পেট শক্ত হয়ে আসছে, খাবারের প্রতি অনীহা দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া প্রায়ই তার শরীরের তাপমাত্রা ১০০ থেকে ১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইট থাকছে। দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ছে শিশুটি।

 

 

 

 

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, সাফওয়ানকে ভারতের চেন্নাইয়ের রেলা ইনস্টিটিউট অ্যান্ড মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে লিভার প্রতিস্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে পরিবার। স্বজনদের ভাষ্য, চিকিৎসা ও অস্ত্রোপচারসহ এ জন্য আনুমানিক ৫০ থেকে ৭০ লাখ টাকা প্রয়োজন। কিন্তু পরিবারের আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় শিশুটির চিকিৎসা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

 

 

 

 

সাফওয়ানের মা-বাবা আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, “সন্তানকে সুস্থ করে তুলতে আমরা শুরু থেকেই সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। চিকিৎসার পেছনে অনেক টাকা খরচ হয়েছে। এখন চিকিৎসকেরা দ্রুত লিভার প্রতিস্থাপনের পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু এত টাকা আমাদের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব নয়। আমাদের সন্তানকে বাঁচাতে সবার সহযোগিতা চাই।”

 

 

 

 

 

সন্তানকে সুস্থ করে তোলার আশায় পরিবারটি দেশ-বিদেশের বিত্তবান ব্যক্তি, মানবিক ও সামাজিক সংগঠনসহ সব সহৃদয় মানুষের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় সাফওয়ানের চিকিৎসার অর্থ জোগাড় করা সম্ভব হবে এবং শিশুটি ফিরে পাবে সুস্থ জীবনের সুযোগ।

 

 

 

 

সাফওয়ানের চিকিৎসায় সহযোগিতা করতে যোগাযোগ:

অভিভাবক: মেহেদী হাসান
মোবাইল: ০১৭৫৯২৮২০০২