নওগাঁর পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল কলেজের ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।এবার কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অংশ নেন ১০ পরীক্ষার্থী। তবে তাদের মধ্যে একজন পরীক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি।গত শনিবার দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমন চিত্র সামনে আসে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি থেকে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন ১৭ শিক্ষার্থী। তারা সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুধু পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল কলেজ নয়, এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় নওগাঁর আরও ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি।
নওগাঁর যে ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি সেসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার রামচন্দ্রপুর বাহারুল উমুল আলিম মাদ্রাসা ও আরিফ মেমোরিয়াল কলেজ, পোরশার মেদা হযরত আশা সিদ্দীকা (রা.) আলিম মাদ্রাসা, নিয়ামতপুরের রাজাপুর বটতলী হাট কলেজ ও সাংশৈল আদিবাসী স্কুল এন্ড কলেজ, রাণীনগরের বড়খোল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ, ধামইরহাটের শহীদ আব্দুল জব্বার মঙ্গলবাড়ী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, মান্দার শ্যাম চাঁদ মডেল উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ ও ঘোনা আদর্শ হাইস্কুল এন্ড কলেজ এবং আত্রাই উপজেলার সোনাইডাঙ্গা মহিলা বি এম এন্ড টেকনিক্যাল কলেজ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হামিদুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা বেশিরভাগই অনিয়মিত। তারা পড়াশোনার পাশাপাশি কারখানা কিংবা দোকানে কাজ করে। এ কারণে এখানকার ফলাফল এতো খারাপ।’
নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আয়শা সিদ্দিকা মুঠোফোনে কালবেলাকে বলেন, ‘এই রেজাল্ট শুধু নওগাঁতে না, পুরো বাংলাদেশে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাস করেনি, পাশাপাশি ফলাফলও খারাপ হয়েছে। এজন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদারকি করে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং পাশাপাশি শিক্ষার্থীদেরও সচেতনতা বৃদ্ধি ও উৎসাহের জন্য কাজ করা হবে।’
জনতার কণ্ঠ / কেএম

ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম 




















