সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

আলু যেন গলার কাঁটা

  • রিপোর্টার:
  • আপডেট টাইম : ০৮:২২:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
  • 42

ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম

গাইবান্ধার সবজি ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত সাদুল্লাপুর এলাকা। এখানে অন্য ফসলের পাশাপাশি অধিক পরিমাণ জমিতে আবাদ হয় আলুর। স্থানীয়ভাবে চাহিদা মিটিয়ে এ ফসল বিক্রি করে অনেকটা লাভবান হয়ে থাকেন কৃষকরা। কিন্তু এ বছর ধস নেমেছে আলুর বাজারে।

ফলে স্টোরেজে রাখা আলু যেন কৃষকের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। একইসঙ্গে ক্ষতির মুখে পড়ছেন ব্যবসায়ী ও হিমাগার মালিকরাও।

এদিকে আলু চাষিরা বলছেন, আগের বছরে আলু ফসল নিয়ে বেশ লাভবান হয়েছিলেন। কিন্তু এ বছর মৌসুমের শুরুতে অতিরিক্ত দামে বীজ ক্রয় করেছেন। একই অবস্থা সার-কিটনাশকেও। তবুও ভালো দামের আশায় ধারদেনা করে আলুর আবাদ করেছেন।

এতে বাম্পার ফলন পেয়ে হাসি ফুটছিল তাদের মুখে। কিন্তু এসব আলু বিভিন্ন স্টোরেজে সংরক্ষণ করে এখন সেই হাসি ম্লান হয়েছে তাদের।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও কৃষকরা জানায়, লাভের আশায় বেশি পরিমাণ আলু হিমাগারে মজুত করেছিলেন তারা। এ আলু উৎপাদনসহ হিমাগারের ভাড়া মিলে প্রতি কেজিতে ২৩ টাকা খরচ পড়লেও বর্তমানে প্রতি কেজির পাইকারি বাজার মূল্য ৯ টাকা। এরপরও মিলছে না ক্রেতা।

আর আলুগুলো যদি বাইরে রপ্তানি করা যেতো তাহলে কেউই লোকশানে পড়তেন না। এ ব্যর্থতায় আসছে রবি মৌসুমে আলু উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ থেকে ঘুরে দাঁড়াতে সরকারের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও কৃষকরা।

ধাপেরহাটের আরভি কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপক হামিদুল ইসলাম বলেন, এ পর্যন্ত ৪০ হাজার বস্তা আলু খলাস পেয়েছে। বাজার ধসের কারণে অবশিষ্ঠ ৯০ হাজার বস্তা আলু কৃষক-ব্যবসায়ীরা বের করছেন না। এতে করে কোটি টাকা ক্ষতির শঙ্কায় এ প্রতিষ্ঠান।

সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব ভট্টাচার্য্য জানান, চাহিদার চেয়ে জোগান বেশি হওয়ায় এবার আলুর দাম কমেছে। আমরা কৃষকদের জন্য প্রণোদনার ব্যবস্থা করব।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

আলু যেন গলার কাঁটা

আপডেট টাইম : ০৮:২২:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫

ন্যাশনাল ডেস্ক। জনতার কণ্ঠ.কম

গাইবান্ধার সবজি ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত সাদুল্লাপুর এলাকা। এখানে অন্য ফসলের পাশাপাশি অধিক পরিমাণ জমিতে আবাদ হয় আলুর। স্থানীয়ভাবে চাহিদা মিটিয়ে এ ফসল বিক্রি করে অনেকটা লাভবান হয়ে থাকেন কৃষকরা। কিন্তু এ বছর ধস নেমেছে আলুর বাজারে।

ফলে স্টোরেজে রাখা আলু যেন কৃষকের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। একইসঙ্গে ক্ষতির মুখে পড়ছেন ব্যবসায়ী ও হিমাগার মালিকরাও।

এদিকে আলু চাষিরা বলছেন, আগের বছরে আলু ফসল নিয়ে বেশ লাভবান হয়েছিলেন। কিন্তু এ বছর মৌসুমের শুরুতে অতিরিক্ত দামে বীজ ক্রয় করেছেন। একই অবস্থা সার-কিটনাশকেও। তবুও ভালো দামের আশায় ধারদেনা করে আলুর আবাদ করেছেন।

এতে বাম্পার ফলন পেয়ে হাসি ফুটছিল তাদের মুখে। কিন্তু এসব আলু বিভিন্ন স্টোরেজে সংরক্ষণ করে এখন সেই হাসি ম্লান হয়েছে তাদের।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও কৃষকরা জানায়, লাভের আশায় বেশি পরিমাণ আলু হিমাগারে মজুত করেছিলেন তারা। এ আলু উৎপাদনসহ হিমাগারের ভাড়া মিলে প্রতি কেজিতে ২৩ টাকা খরচ পড়লেও বর্তমানে প্রতি কেজির পাইকারি বাজার মূল্য ৯ টাকা। এরপরও মিলছে না ক্রেতা।

আর আলুগুলো যদি বাইরে রপ্তানি করা যেতো তাহলে কেউই লোকশানে পড়তেন না। এ ব্যর্থতায় আসছে রবি মৌসুমে আলু উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ থেকে ঘুরে দাঁড়াতে সরকারের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও কৃষকরা।

ধাপেরহাটের আরভি কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপক হামিদুল ইসলাম বলেন, এ পর্যন্ত ৪০ হাজার বস্তা আলু খলাস পেয়েছে। বাজার ধসের কারণে অবশিষ্ঠ ৯০ হাজার বস্তা আলু কৃষক-ব্যবসায়ীরা বের করছেন না। এতে করে কোটি টাকা ক্ষতির শঙ্কায় এ প্রতিষ্ঠান।

সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অপূর্ব ভট্টাচার্য্য জানান, চাহিদার চেয়ে জোগান বেশি হওয়ায় এবার আলুর দাম কমেছে। আমরা কৃষকদের জন্য প্রণোদনার ব্যবস্থা করব।