সিরাজগঞ্জ , শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা Logo কবিগুরুর জন্মবার্ষিকী উদযাপনে প্রস্তুত শাহজাদপুরের কাছারিবাড়ি Logo নিকার অনুমোদন: ভূল্লী উপজেলা গঠনে জনসাধারণের উচ্ছ্বাস Logo ধর্ষণ মামলায় নির্দোষ ইমাম জেলে, ডিএনএ পরীক্ষায় বেরিয়ে এলো আসল তথ্য Logo অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা দখলমুক্ত হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী Logo বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: বিদ্যুৎমন্ত্রী Logo  বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ও ট্রান্সফরমার চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার Logo মাদক সেবনের দায়ে কারাদণ্ড, কলেজ ছাত্রদল সভাপতি বহিষ্কার Logo মাসুদ উদ্দিনকে জুলাই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল Logo ইসরায়েলকে হুমকি দিলে কঠিন পরিণতি: নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারি

তেল কেলেঙ্কারিতে রাজশাহীর ফায়ার সার্ভিসের ৫ সদস্য প্রত্যাহার

ভুয়া চাহিদাপত্র তৈরি করে ফিলিং স্টেশন থেকে ৩০০ লিটার পেট্রোল ও অকটেন উত্তোলনের চেষ্টার ঘটনায় রাজশাহীর নওহাটা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের পাঁচ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাদের ঢাকায় ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।
প্রত্যাহার হওয়া পাঁচজন হলেন—লিডার রবিউল আলম, গাড়িচালক আজিজুর রহমান এবং ফায়ার ফাইটার জাকির হোসেন, ইয়াসির আরাফাত ও আব্বাস আলী।
নওহাটা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ ওয়ারহাউস ইন্সপেক্টর নিরঞ্জন সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তিনি ছুটিতে থাকাকালীন ঘটনাটি ঘটে। বৃহস্পতিবার সকালে অফিসে যোগ দিয়ে তিনি বিষয়টি অবগত হন। এর আগেই সদর দপ্তর থেকে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে অভিযুক্তদের ক্লোজড করে ঢাকায় পাঠানো হয়। বুধবার রাত ৯টার দিকে তারা স্টেশন ত্যাগ করেন।
তিনি বলেন, “আমি রাজশাহী পৌঁছানোর আগেই তারা ঢাকায় চলে গেছে। এখন বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, স্টেশন প্রধানের অনুপস্থিতিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত লিডার রবিউল আলম অফিসের নামে একটি ভুয়া চাহিদাপত্র তৈরি করেন। পরে একটি সরকারি গাড়িতে ড্রাম ও ব্যারেল নিয়ে নিকটবর্তী একটি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে প্রথমে ২০০ লিটার পেট্রোল এবং পরে আরও ১০০ লিটার অকটেন নেন।
এ সময় সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সন্দেহ হলে তারা বিষয়টি যাচাই করেন। ফায়ার সার্ভিসের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট স্টেশনে ওই সময় কোনো জ্বালানির প্রয়োজন ছিল না। পরে ঘটনাস্থল থেকেই ওই ৩০০ লিটার জ্বালানি ফেরত নেওয়া হয়।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে ব্যক্তিগত মোটরসাইকেলের জন্য জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা করছিলেন। ঘটনাটি সরকারি সম্পদের অপব্যবহার হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মমতাকে অব্যাহতি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলো পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রিসভা

তেল কেলেঙ্কারিতে রাজশাহীর ফায়ার সার্ভিসের ৫ সদস্য প্রত্যাহার

আপডেট টাইম : ০৬:০৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
ভুয়া চাহিদাপত্র তৈরি করে ফিলিং স্টেশন থেকে ৩০০ লিটার পেট্রোল ও অকটেন উত্তোলনের চেষ্টার ঘটনায় রাজশাহীর নওহাটা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের পাঁচ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাদের ঢাকায় ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।
প্রত্যাহার হওয়া পাঁচজন হলেন—লিডার রবিউল আলম, গাড়িচালক আজিজুর রহমান এবং ফায়ার ফাইটার জাকির হোসেন, ইয়াসির আরাফাত ও আব্বাস আলী।
নওহাটা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ ওয়ারহাউস ইন্সপেক্টর নিরঞ্জন সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তিনি ছুটিতে থাকাকালীন ঘটনাটি ঘটে। বৃহস্পতিবার সকালে অফিসে যোগ দিয়ে তিনি বিষয়টি অবগত হন। এর আগেই সদর দপ্তর থেকে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে অভিযুক্তদের ক্লোজড করে ঢাকায় পাঠানো হয়। বুধবার রাত ৯টার দিকে তারা স্টেশন ত্যাগ করেন।
তিনি বলেন, “আমি রাজশাহী পৌঁছানোর আগেই তারা ঢাকায় চলে গেছে। এখন বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, স্টেশন প্রধানের অনুপস্থিতিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত লিডার রবিউল আলম অফিসের নামে একটি ভুয়া চাহিদাপত্র তৈরি করেন। পরে একটি সরকারি গাড়িতে ড্রাম ও ব্যারেল নিয়ে নিকটবর্তী একটি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে প্রথমে ২০০ লিটার পেট্রোল এবং পরে আরও ১০০ লিটার অকটেন নেন।
এ সময় সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সন্দেহ হলে তারা বিষয়টি যাচাই করেন। ফায়ার সার্ভিসের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট স্টেশনে ওই সময় কোনো জ্বালানির প্রয়োজন ছিল না। পরে ঘটনাস্থল থেকেই ওই ৩০০ লিটার জ্বালানি ফেরত নেওয়া হয়।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে ব্যক্তিগত মোটরসাইকেলের জন্য জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা করছিলেন। ঘটনাটি সরকারি সম্পদের অপব্যবহার হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।