নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সী বাড়ি ব্রিজসংলগ্ন একটি ধানখেত থেকে শারীরিক প্রতিবন্ধী কিশোর অটোরিকশাচালক মো. আবদুল আহাদ (১৭)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ২২ ফেব্রুয়ারি রোববার দুপুরে স্থানীয় লোকজনের তথ্যের ভিত্তিতে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত আবদুল আহাদ চট্টগ্রামের ওসমানিয়া ফ্যাক্টরি এলাকার নুরুল আলমের ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে আহাদের মায়ের সঙ্গে তার বাবার বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। এরপর থেকে সে বেগমগঞ্জে মামার বাড়িতে থেকে জীবিকা নির্বাহের জন্য ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালাত। সে জিলানী নামের এক ব্যক্তির গ্যারেজের অটোরিকশা চালাত বলে জানা গেছে।
আহাদের মামা মো. আজাদ জানান, শনিবার দিবাগত রাত প্রায় একটার দিকে অটোরিকশার মালিক আহাদের মাকে ফোন করে জানান, আহাদ রিকশা নিয়ে বের হয়ে গ্যারেজে ফেরেনি। এরপর থেকে অটোরিকশাসহ সে নিখোঁজ ছিল। রোববার দুপুরে স্থানীয় লোকজন ধানখেতে মুখমণ্ডল ও গলায় স্কচটেপ মোড়ানো অবস্থায় তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন।
খবর পেয়ে বেগমগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হাবিবুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে দুর্বৃত্তরা অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে চালককে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে এবং মরদেহ ধানখেতে ফেলে যায়।
তিনি আরও জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল-এর মর্গে পাঠানো হয়েছে। অটোরিকশাটির এখনো কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

মো. ইসমাইল হোসেন নোয়াখালী ব্যুরো প্রধান। জনতার কণ্ঠ.কম 



















