সিরাজগঞ্জ , বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ১০ বডিগার্ডের নিরাপত্তায় আদালতে পরীমনি Logo হকারমুক্ত ফুটপাত, নির্বিঘ্নে চলাচল করছেন পথচারীরা Logo বিতর্কিত মন্তব্যের পর ডিটিসিএর দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার মসিউর রহমান Logo হামের টিকা কেনা ও বিতরণে ব্যর্থতা: ইউনূস সরকারের দায়ের তদন্ত শুরু Logo খুলনায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo ল্যাব সংকটে কম্পিউটার শিক্ষা থেকে বঞ্চিত জলঢাকার সাত শতাধিক শিক্ষার্থী Logo বনসাই বিশ্ববিদ্যালয়কে বটবৃক্ষে রূপান্তর করাই লক্ষ্য’: উপাচার্য তাহ্‌মিনা আখতার Logo বিক্ষোভ-সংঘাতের পর কর্মস্থলে ফিরছেন গাজীপুরের শ্রমিকরা Logo সিলেট টেস্টে টসে হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন Logo ১০ দিনে চার নির্বাচনের ফলাফলে দুর্বল হয়ে পড়েছে ইসরায়েল

মায়ের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে ছেলের মৃত্যু, একসঙ্গে জানাজা

একসঙ্গে মা-ছেলের জানাজা।

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে মায়ের মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ছেলে সৈয়দ মেজবাউর রশিদ সুমন (৫৫) মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বারোকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে একসঙ্গে তাদের জানাজা হয়। এর আগে বুধবার মা সৈয়দা মাজেদা খাতুন (৭৫) ও তার ছেলের মৃত্যু হয়।

 

 

 

 

মারা যাওয়া সৈয়দা মাজেদা খাতুন ফুলবাড়ী উপজেলার গোলাম মোস্তফা (জিএম) পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ক্রীড়া শিক্ষক ও বারোকোনা গ্রামের সৈয়দ আবুল মাহমুদ চাঁদের স্ত্রী। তার ছেলে সৈয়দ মেজবাউর রশিদ সুমন ছিলেন পরিবারের বড় সন্তান।

 

 

 

 

 

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বারোকোনা গ্রামে নিজ বাড়িতে মারা যান সৈয়দা মাজেদা খাতুন। মায়ের মৃত্যুর পর শোকে কাতর হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন ছেলে সৈয়দ মেজবাউর রশিদ সুমন। পরে রাত ১১টার দিকে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পরে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বারোকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে মা সৈয়দা মাজেদা খাতুন ও ছেলে সৈয়দ মেজবাউর রশিদ সুমনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাদের পাশাপাশি দাফন করা হয়।

সৈয়দা মাজেদা খাতুনের ভাতিজা সমাজসেবক সৈয়দ সাইফুল ইসলাম জুয়েল বলেন, কিছু সময়ের ব্যবধানে পরিবারের দুজনের ‍মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সুমন তার মাকে খুবই ভালোবাসতো। তার মায়ের মৃত্যুটা সে সহ্য করতে না পারার জন্য সেও আমাদের ছেড়ে চলে গেল। তাদের জন্য গোটা গ্রামের মানুষ শোকে মুহ্যমান হয়ে গেছেন।

কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার তথ্য গুলো সংরক্ষণ করে রাখুন

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১০ বডিগার্ডের নিরাপত্তায় আদালতে পরীমনি

মায়ের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে ছেলের মৃত্যু, একসঙ্গে জানাজা

আপডেট টাইম : ০৫:৩৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে মায়ের মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ছেলে সৈয়দ মেজবাউর রশিদ সুমন (৫৫) মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বারোকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে একসঙ্গে তাদের জানাজা হয়। এর আগে বুধবার মা সৈয়দা মাজেদা খাতুন (৭৫) ও তার ছেলের মৃত্যু হয়।

 

 

 

 

মারা যাওয়া সৈয়দা মাজেদা খাতুন ফুলবাড়ী উপজেলার গোলাম মোস্তফা (জিএম) পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ক্রীড়া শিক্ষক ও বারোকোনা গ্রামের সৈয়দ আবুল মাহমুদ চাঁদের স্ত্রী। তার ছেলে সৈয়দ মেজবাউর রশিদ সুমন ছিলেন পরিবারের বড় সন্তান।

 

 

 

 

 

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বারোকোনা গ্রামে নিজ বাড়িতে মারা যান সৈয়দা মাজেদা খাতুন। মায়ের মৃত্যুর পর শোকে কাতর হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন ছেলে সৈয়দ মেজবাউর রশিদ সুমন। পরে রাত ১১টার দিকে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পরে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বারোকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে মা সৈয়দা মাজেদা খাতুন ও ছেলে সৈয়দ মেজবাউর রশিদ সুমনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাদের পাশাপাশি দাফন করা হয়।

সৈয়দা মাজেদা খাতুনের ভাতিজা সমাজসেবক সৈয়দ সাইফুল ইসলাম জুয়েল বলেন, কিছু সময়ের ব্যবধানে পরিবারের দুজনের ‍মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সুমন তার মাকে খুবই ভালোবাসতো। তার মায়ের মৃত্যুটা সে সহ্য করতে না পারার জন্য সেও আমাদের ছেড়ে চলে গেল। তাদের জন্য গোটা গ্রামের মানুষ শোকে মুহ্যমান হয়ে গেছেন।